পাকিস্তানে জাঁকালো ‘বাংলাদেশ উৎসব’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১৪ পিএম, ১৮ মে ২০২২

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন অত্যন্ত সাড়ম্বর ও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে ‘বাংলাদেশ উৎসব” আয়োজন করেছে। এর মাধ্যমে ‘বাংলা নববর্ষ ১৪২৯’, ‘রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী’ ও ‘ঈদ পুনর্মিলনী’ উদযাপন করা হয়।

গত রোববার (১৫ মে) হাইকমিশনে এ উৎসবের আয়োজন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

উৎসব উপলক্ষে সমগ্র দূতালয় রং-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন, বেলুন, ফুল ও ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি লোকপণ্য দিয়ে সাজানো হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্ভাষণ, ক্রীড়া অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং হরেক রকম সুস্বাদু বাংলাদেশি খাবার দিয়ে আপ্যায়ন ছিল এই উৎসবের মূল আকর্ষণ।

jagonews24

উচ্চপদস্থ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সঙ্গীতজ্ঞ, চিত্রশিল্পী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সুধীসমাজ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য ও হাইকমিশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দুই শতাধিক অতিথি এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রুহুল আলম সিদ্দিকীর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে এ উৎসবের সূচনা হয়।

আমন্ত্রিত অতিথিদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে হাইকমিশনার বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির সম্প্রীতি ও মহামিলনের দিন। এদিন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র জাতি জেগে ওঠে নবপ্রাণে নব অঙ্গীকারে।

jagonews24

তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কর্মময় জীবনের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে দূতালয়ের সবুজ চত্বরে আমন্ত্রিত অতিথি ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। দূতাবাসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা এতে অংশ নেন।

jagonews24

দ্বিতীয় পর্বে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের সন্তানরা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সাজপোশাকে সুসজ্জিত হয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা আবৃত্তি, রবীন্দ্র ও নজরুলসঙ্গীত এবং নৃত্য পরিবেশন করেন। পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশি অতিথিরা রবীন্দ্র ও নজরুলসঙ্গীত পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠান চলাকালে আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে বাংলাদেশি চা ও মাঠা পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে পান্তাভাত, হরেক পদের ভর্তা, মাছসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও প্রচলিত খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। উপস্থিত অতিথিরা এ অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তা আয়োজনের জন্য দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান।

এইচএ/বিএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]