আগামী বছর থেকে শ্যামপুরে জলাবদ্ধতা হবে না: তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪৯ পিএম, ১৮ মে ২০২২

আগামী বছর থেকে শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলে আর জলাবদ্ধতা হবে না বলে আশা করছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (১৮ মে) দুপুরে পিডিবি পাওয়ার হাউজ সংলগ্ন শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলের ঈগলু পয়েন্ট এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ তাপস বলেন, ডিএসসিসির ৫৮ ও ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডজুড়ে যে শিল্পাঞ্চল রয়েছে- এই শিল্পাঞ্চলে কী পরিমাণ জলাবদ্ধতা ছিল সে পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা নিজস্ব অর্থায়নে ১৩৬ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে এই কর্মযজ্ঞ নিয়েছি। সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। তারই অগ্রগতি পরিদর্শনে আমরা আজ এখানে এসেছি।

তিনি বলেন, আমরা অনেক বড় নর্দমা এখানে স্থাপন করেছি। প্রায় সাত ফুটের মতো এটার ব্যাসার্ধ এবং আমাদের প্রধান প্রকৌশলী এর ভেতর দিয়ে হেঁটে গেছেন।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তাপস বলেন, শিল্প-কারখানার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ বিশেষ করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে অনুরোধ করবো, যাতে তারা নিশ্চিত করে, এখানে শুধু স্বচ্ছ পানি যেন আসে। কোনোরকম কলকারখানার পয়োঃবর্জ্য, দূষিত পানি যেন এই নর্দমায় না দেওয়া হয়। কারণ এটা দিলে বুড়িগঙ্গার পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা রয়ে যায়। সুতরাং আমি আপনাদের মাধ্যমে সকলকে অনুরোধ করবো, যাতে করে আমরা অবকাঠামো যেটা নির্মাণ করেছি সেটাকে যেন কোনোভাবেই অপব্যবহার করা না হয়। কোনোভাবেই যেন কলকারখানার দূষিত পানি না দেওয়া হয়। এরকম যদি হয় তাহলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেবো এবং সেসব কলকারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হবো। আমরা বসে থাকবো না।

অতিবৃষ্টি হলেও ঢাকাবাসীকে আধাঘণ্টার মধ্যেই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে পারার আশাবাদ ব্যক্ত করে মেয়র শেখ তাপস বলেন, এই শিল্পাঞ্চলে আমরা ২৬টি স্থানে এবং পুরো ঢাকাব্যাপী ১০০টির ঊর্ধ্বে স্থান চিহ্নিত করেছি। সেখানেও নিজস্ব অর্থায়নে এরকম বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করেছি। সুতরাং এবার আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, এই অবকাঠামো উন্নয়নের সুফল ঢাকাবাসী পাবে। এছাড়া আমাদের বিশাল কর্মযজ্ঞ রয়েছে, কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। নর্দমার মুখগুলো পরিষ্কারের ব্যবস্থা রয়েছে, কালভার্ট ও খাল পরিষ্কার করেছি। ভূগর্ভস্থ যে নর্দমা রয়েছে সেগুলো পরিষ্কার করেছি। সুতরাং আমরা আশাবাদী এবং আত্মবিশ্বাসী- অতিবৃষ্টি হলেও ইনশাআল্লাহ ঢাকাবাসীকে আধাঘণ্টার মধ্যেই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম হবো।

এমএমএ/বিএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]