উপহারের ঘর নিয়ে তথ্যচিত্র : ‘বদলে যাওয়া বাংলাদেশ’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৫৮ এএম, ২০ মে ২০২২

আশ্রয়হীন, ঠিকানাহীন মানুষ ও তাদের বদলে যাওয়া জীবনের ঘটনা নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র “বদলে যাওয়া বাংলাদেশ” একুশে টেলিভিশনে প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ৮টায় প্রচারিত হচ্ছে। প্রথম পর্বে থাকবে হাওরকন্যা সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার প্রান্তিক মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প।

অর্ধশত জলমহাল আর অবারিত হাওর অঞ্চলটিতে প্রায় সিংহভাগ মানুষই মৎস্যজীবী ও কৃষক। সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষ; পথই যাদের ঠিকানা, পথই ছিলো যাদের ঘর- তেমনই একজন আমেনা বেগমের স্বপ্ন পূরণের ধারাবাহিকতা তুলে আনা হয়েছে এ তথ্যচিত্রে। বিধবা আমেনা বেগমের বয়স আশির কোটায়। বাসস্থানের যে দায় তার আপন স্বজনরাও পূরণ করতে পারেনি, সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসের বন্দোবস্ত করে দেবার মানবিক ঘটনার চিত্র থাকবে বদলে যাওয়া বাংলাদেশে।

হাছন রাজা আর শাহ আব্দুল করিমের সৃষ্টিকর্মের ধারক বাউল মোহাম্মদ গোলাপ মিয়া। অন্ধত্বের কারণে অন্ধকারের স্বপ্ন যার কাছে আজন্ম বিবর্ণ। পাড়া-মহল্লায় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গান গেয়ে সামান্য রোজগারে যার দিন কাটতো। অন্ধ এ শিল্পীর স্থায়ী ঠিকানা পাওয়ার গল্প জানা যাবে ধারাবাহিক তথ্যচিত্রে।

পরবর্তী পর্বে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর এবং দিরাই উপজেলা সহ পর্যায়ক্রমে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ তথ্যচিত্রের প্রতিটি পর্বে উঠে আসবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছিন্নমূল-অসহায় মানুষের বৈচিত্র্যময় জীবনচিত্র আর লোকজ ঐতিহ্য-সংস্কৃতি-সম্ভাবনা। থাকবে জনজীবনের পূর্বাপর; মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প।

তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন একুশে টেলিভিশনের পরিচালক ও বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য রবিউল হাসান অভী। গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা আকবর হোসেন সুমন ও দিপু সিকদার।

আগামী ২০ মে থেকে ‘বদলে যাওয়া বাংলাদেশ’ প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ৮টায় একুশে টেলিভিশনে প্রচারিত হবে।

এসইউজে/এমকেআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]