সকালের অসহনীয় যানজট থেকে বিকেলেও মিলছে না পরিত্রাণ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৫ পিএম, ২৩ মে ২০২২

নগরীর মহাখালী রেলগেট, নাবিস্কো মোড় থেকে সাতরাস্তা, জাহাঙ্গীরগেট থেকে ফার্মগেটে যানবাহনের জটলা দেখা গেছে। অন্যদিকে, মোহাম্মদপুর বসিলা এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জে জটলা দেখা গেছে। একইভাবে বিজয় স্মরণির মোড়ে যানবাহন যখন দাঁড়িয়ে আছে তখন ঘড়ির কাঁটায় সময় সোমবার (২৩ মে) বিকেল ৩টা ২০ মিনিট।

সোমবার সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবসে সকালে অসহনীয় জটলা থেকে বিকেলেও মিলছে না পরিত্রাণ। নগরীর মহাখালী রেলগেট, নাবিস্কো মোড় থেকে সাতরাস্তা, জাহাঙ্গীরগেট থেকে ফার্মগেটসহ বেশকিছু এলাকায় ছিল গাড়ির জটলা। গাড়ি মাঝে মাঝে একটু গেলেও থেমে থাকছে বহুক্ষণ। যেখানে সেখানে যাত্রী উঠানো-নামানো তো আছেই।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা, গরমে অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে নগরবাসী। যথাসময়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মস্থলগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। নগরীর নতুন বাজার থেকে বাড্ডা লিংক রোড হয়ে হাতিরঝিল পর্যন্ত যানবাহনের তীব্র চাপ দেখা গেছে।

jagonews24

গুলশান ও বনানী এলাকা ঘুরে জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক মুসা আহমেদ জানান, সকাল থেকেই বনানী থেকে গুলশানে গাড়ির জটলা দেখা গেছে। এছাড়া নতুনবাজার এলাকায় যানবাহনের চাপ লক্ষ্য করা গেছে।

যানজটের বিষয়ে কুড়িল বিশ্বরোড জানান নিজস্ব প্রতিবেদক হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, কুড়িল বিশ্বরোড ইন্টারসেকশনে জটলা ছিল। এ জটলা বিমানবন্দর পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। যানবাহনগুলো চলছে কচ্ছপ গতিতে।

jagonews24

এছাড়া রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে জানান নিজস্ব ফটোগ্রাফার মাহবুব আলম। তিনি বলেন, গুলশান-১, বাড্ডা লিংক রোড, মধ্য-বাড্ডা এ সব এলাকায় যানবাহনের জটলা ছিল। তবে, দুপুরের দিকে কিছু কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে তীব্র হচ্ছে যানজট।

সকাল থেকেই নগরীর মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, ধানমন্ডি ৩২, ফার্মগেট, কাওরানবাজার, পান্থপথ ও শাহবাগ এলাকায় জটলা দেখা গেছে। স্কুল কলেজে খোলার কারণেই জটলা। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা কমছে বলে জানান নিজেস্ব প্রতিবেদক তৌহিদুজ্জামান তন্ময়।

এমওএস/এমএএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]