২৩ মে জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৩৪ পিএম, ২৩ মে ২০২২

দেশব্যাপী মানুষ নদী নিরাপত্তার বিষয়টি ভাবতে শুরু করেছে। নদীমাতৃক দেশে নদীতে মানুষ ও সম্পদ বাঁচাতে জাতীয় একটি দিবসও ঘোষণা আজ সময়ের দাবি। এ বিষয়ে ‘নোঙর’র পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

‘২৩ মে জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস ঘোষণা চাই’, এমন দাবিতে জাতীয় জাদুঘরের সামনে মানববন্ধন করেছে ‘নোঙর বাংলাদেশ’। মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। একই দাবিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি পালন করেছে
সংগঠনটির বিভিন্ন জেলা শাখা।

নোঙর বাংলাদেশের সভাপতি সুমন শামস বলেন, পদ্মা-মেঘনা-যমুনাসহ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রায় সব নদী বর্ষাকালে উত্তাল হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে মনে জাগে নৌ দুর্ঘটনার ভয়। আমাদের ভয় আরেকটু বেশি। কারণ নৌ দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এ দেশের হাজার মায়ের মুখ।

‘২০০৪ সালের ২৩ মে মাদারীপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ১৫৬টি তালি দেওয়া চলাচলের অযোগ্য লঞ্চ ‘এমভি লাইটিং সান’ ও ‘এমভি দিগন্ত’ মেঘনা নদীতে গভীর রাতে ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে গিয়েছিল। নদীতে সে রাতে কচুরিপানার মতো ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসেছিল দুই শতাধিক মৃতদেহ। সেদিনের একজন যাত্রী ছিলেন আমার মা।’

তিনি বলেন, ১৯৮৫ থেকে ২০০৯ সময়কালে উল্লেখযোগ্য নৌ দুর্ঘটনার সংগৃহীত সরকারি তদন্ত প্রতিবেদনে সর্বমোট ২৭৮টি সুপারিশ রয়েছে। যার অধিকাংশই প্রায় সব প্রতিবেদনেই বিদ্যমান। ফলে এটাই সত্য যে, প্রতিবেদনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের কোনো চেষ্টাই হয়নি। এতে দিন দিন নৌ দুর্ঘটনার বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নদী বিশেষজ্ঞ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সমির উদ্দিন আহমেদ, নোঙর সদস্য ফজলে সানি, এফ এইচ সবুজ, আমিনুল হক চৌধুরী, বাহারুল ইসলাম টিটু, রিপন শামস, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আনোয়ার, এমদাদুল হক, আহসান হাবিব, মোহাম্মদ শাজাহান, আল-আমীন, শাওন, কবি বাবুল, অভিলাষ দাস, অসিত বরণ সরকার প্রমুখ।

এএএম/এমএইচআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]