নবম পে-স্কেলসহ ৭ দাবি সরকারি কর্মচারীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০২ পিএম, ২৭ মে ২০২২

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন ও ভাতা বাড়ানোসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি বাস্তবায়ন মহাজোট।

শুক্রবার (২৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আকরাম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলনে মহাজোটের পক্ষ থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, সরকারি কর্মচারীদের বর্তমান প্রথম গ্রেড থেকে ২০ গ্রেডের ব্যবধান (৭৮০০০ থেকে ৮২৫০) ৬৯ হাজার ৭৫০ টাকা। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ২০০৯ সালে সপ্তম জাতীয় পে-স্কেল দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক দেওয়া হয়। বর্তমান সময়ে বাজারে মূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রতিটি জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, পরিবহন ভাড়া, বাড়ি ভাড়াসহ পারিবারিক ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কর্মচারীদের ২০২০ সালে নবম জাতীয় পে-স্কেল অনিবার্য হয়ে পড়েছে।

সরকারি কর্মচারীদের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- জাতীয় স্থায়ী বেতন কমিশন গঠনপূর্বক বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৭৩ সালের ১০ ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে ও সর্বোচ্চ বেতনের পার্থক্য ১ দশমিক ৫ হতে হবে। পূর্বের ন্যায় শতভাগ পেনশন প্রথা পুনর্বহাল করতে হবে। নবম পে-স্কেল দেওয়ার আগ পর্যন্ত দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয় বিবেচনা করে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা অবিলম্বে দিতে হবে। পে-কমিশন কমিটিতে কর্মচারী প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ব্লক পোস্টধারীদের পদোন্নতির সুযোগ দৃষ্টি করতে হবে।

সরকারি কর্মচারীদের পূর্বের ন্যায় তিনটি টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও বেতন সমতাকরণ পুনর্বহাল করতে হবে। জীবনযাত্রার মান সমুন্নত রাখার স্বার্থে ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয় বিবেচনা করে পেনশনের হার ৯০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ ও গ্রাচুইটির হার টাকার ১ সমান ২৩০ টাকার স্থলে ১ টাকা সমান ৫০০ টাকার উন্নীতকরণ করতে হবে। আউটসোর্সিং পদ্ধতি বাতিল ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তর/প্রতিষ্ঠানে কর্মচারীদের হয়রানিমূলক বদলি আদেশ, অত্যাচার নির্যাতনমূলক ও মিথ্যা মামলা বন্ধ/প্রত্যাহার করতে হবে। উন্নয়ন খাতে কর্মরত কর্মচারীদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে। প্রার্থী প্রথা চালুসহ সব দপ্তরের কর্মরত মাস্টার রোল, কন্টিজেন্স ও ওয়ার্কচার্জ কর্মচারীদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে। চাকরিতে প্রবেশ বয়সসীমা ৩২ বছর এবং অবসর গ্রহণের সময়সীমা ৬২ বছর করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ন্যায় সব দপ্তরে পোষ্য কোটা চালু করতে হবে ইত্যাদি।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি বাস্তবায়ন মহাজোটের আহবায়ক মো. মিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- সদস্য সচিব আমজাদ আলী খান, উপদেষ্টা মো. মহিউদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক মতিউর রহমান, কার্যকরী সভাপতি আসকার ইবনে শায়েখ খাজা, মুখপত্র-আব্দুল মান্নান বিশ্বাস প্রমুখ।

এএএম/আরএডি/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]