কষ্ট করে এসেও হাসিমুখে ফিরছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ

রাসেল মাহমুদ
রাসেল মাহমুদ রাসেল মাহমুদ , নিজস্ব প্রতিবেদক শিবচর থেকে
প্রকাশিত: ০২:০৬ পিএম, ২৫ জুন ২০২২

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর মাদারীপুরের শিবচরে জনসভায় জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই জনসভায় যোগ দিতে বহুদূর থেকে, নানান কষ্ট মোকাবিলা করে আসেন বিভিন্ন জেলার মানুষ। তবে কষ্ট করে এলেও হাসিমুখেই ফিরেছেন তারা।

বহুল কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতুর দ্বার খুলে যাওয়ায় হাসি ফুটেছে তাদের মুখে।

জনসভায় আসা মো. সুমন হোসেন নামে একজন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে দেখলাম। আমাদের এলাকায় আসলেন। পদ্মা সেতু উদ্বোধন করে আমাদের ধন্য করলেন। বেশ শান্তি লাগছে। এখন থেকে সহজে ওপারে যেতে পারবো।

জনসভায় নাতিকে নিয়ে আসেন নূর মোহাম্মদ শেখ। সভা শেষে তিনি বলেন, আমাদের জন্য একটা বিশাল কাজ করে গেছেন শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতু নির্মাণ হয়েছে। বৃদ্ধ বয়সে এটা দেখে যেতে পারছি সৌভাগ্য। সঙ্গে নাতিকেও নিয়ে আসলাম যেন প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে পারে।

ফরিদপুর থেকে আসা রতন কুমার বিশ্বাস বলেন, অনেক কষ্ট করে হেঁটে আসছি। শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনলাম। পদ্মা সেতু উদ্বোধন করে আমাদের এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান করেছেন।

শনিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সড়কপথের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ১১টা ৪০ মিনিটে টোলপ্লাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে টোল দিয়ে মাওয়া প্রান্তে উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচন করে মোনাজাতে অংশ নেন।

পরে সেতু পার হয়ে ফের জাজিরা প্রান্তে ফলক উন্মোচন করে মোনাজাতে অংশ নেন। সেখান থেকে জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

দুপুর ১টার পর তিনি জনসভায় সভাপতির বক্তব্য শুরু করেন। এতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দর থেকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ছিলেন। সকাল ১০টায় সভা মঞ্চে পৌঁছান তিনি।

কার্যসূচি অনুযায়ী, মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম। অংশ নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, দেশের রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

আরএসএম/এমএইচআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]