নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি ব্লাস্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০১ পিএম, ২৬ জুন ২০২২

নির্যাতনের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু, অঙ্গহানি বা শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হলে তার বা তার পরিবারের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার কোনো ব্যবস্থা বিদ্যমান আইনে নেই বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)।

নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রীয় তহবিল গঠন এবং এ সংক্রান্ত বিধি-বিধান প্রণয়নের দাবিও জানিয়েছে ব্লাস্ট।

রোববার (২৬ জুন) নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবসে এ দাবি জানায় তারা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা আরও জানায়, আইনে নির্যাতনকারীর শাস্তির ব্যবস্থা থাকলেও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির জন্য কোনো প্রতিকারের বিধান নেই। যদিও ব্যবস্থাপনার দূর্বলতার কারণে একজন ব্যক্তি নির্যাতনের শিকার হন। ফলে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণসহ অন্যান্য প্রতিকার প্রদান করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কারণ রাষ্ট্রের সংবিধান নিশ্চয়তা প্রদান করেছে যে, কোনো ব্যক্তিতে যন্ত্রণা দেওয়া যাবে না।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং ব্লাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অ্যাডভোকেট জেড. আই খান বলেন, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে যে কোনো ব্যক্তির উপর যে কোনো নির্যাতন রোধে রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ও তার পরিবারের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নির্যাতনকারী ব্যক্তি যেই হোক, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

২০১৩ সালে বাংলাদেশ ‘হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারণ) আইন’ পাস করা হয়। কিন্তু আইনে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের বিধান ও ব্যবস্থা নেই। তাছাড়া আইনটি ২০১৩ সালের অক্টোবরে পাস হলেও প্রায় ৭ বছর পর গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ দেশে প্রথম এই আইনে দায়ের করা মামলার রায় হয়েছে। তাছাড়া হেফাজতে নির্যাতন প্রতিরোধে সুপ্রিম কোর্ট ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেছে যা সংশ্লিষ্ট সবার জন্য বাধ্যতামূলক।

এইচএআর/এমএইচআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]