‘পর্যটনের উন্নয়নে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর আরও কাজের সুযোগ রয়েছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩৬ এএম, ২৯ জুন ২০২২

পর্যটনের উন্নয়নে ওআইসি সদস্যদেশগুলোর একত্রে কাজ করার আরও বেশি সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে ‘ইসলামিক কনফারেন্স অব ট্যুরিজম মিনিস্টার্স’র ১১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যটন হলো সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প যা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমুন্নত রেখে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করে। এই লক্ষ্যে ওআইসি নিয়মিত এই সম্মেলন আয়োজন করে। ফলে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে ভবিষ্যতে সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও জোরদার হবে। অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কাছাকাছি আসার এবং দৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য এটি নতুন সুযোগ ও দিগন্ত উন্মোচন করবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প ধারাবাহিক উন্নয়নের মাধ্যমে বিকশিত হচ্ছে। বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ, উন্নয়নবান্ধব কার্যক্রম ও নীতিমালা প্রণয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বেসরকারি খাত উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি লাভ করেছে। বন্ধুবৎসল জনগণ, উষ্ণ আতিথেয়তা, অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য এবং নান্দনিক সব পুরাকীর্তি নিয়ে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশ হতে পারে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।

২৭ জুন শুরু হওয়া এই অধিবেশন ২৯ জুন পর্যন্ত চলবে। এতে বাংলাদেশের পক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহির মুহাম্মদ জাবের অংশগ্রহণ করেন। এই অধিবেশনে বর্তমান সভাপতি রাষ্ট্র বাংলাদেশ পরবর্তী দুই বছরের জন্য আজারবাইজানের কাছে সভাপতিত্ব হস্তান্তর করবে।

সর্বশেষ সম্মেলনটি ২০১৯ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এমএমএ/এমএইচআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]