পরিবেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান করতে কঠোর নির্দেশ পরিবেশমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০৭ পিএম, ২৯ জুন ২০২২

জাতীয় অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের পরিবেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান করতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

বুধবার (২৯ জুন) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ সাতটি দপ্তর-সংস্থার সঙ্গে আগামী ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) সই ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

শাহাব উদ্দিন বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের অগ্রগতি জনগণের কাছে দৃশ্যমান করতে হবে। এজন্য নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ণ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াসহ প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে হবে।

‘বায়ু ও পানিদূষণসহ সব ধরনের পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। অবৈধ বনভূমি পুনরুদ্ধার এবং দেশের বৃক্ষাচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ ২৪ শতাংশে উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, এপিএ একটি কাঠামোবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা। সরকারি কর্মচারীদের নিজ নিজ দায়বদ্ধতা থেকে এ কাঠামোর বাইরে গিয়েও কাজ করতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্য পূরণে আন্তরিক হতে হবে। এজন্য সর্বোচ্চ গুরুত্বসহকারে ও গুণগত মান নিশ্চিতপূর্বক প্রতিযোগিতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। দেশের প্রতি ভালবাসা থেকে কাজ করলে সোনার বাংলা বিনির্মাণ সহজতর হবে।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদের সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউটের পরিচালক ড. রফিকুল হায়দার, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের পরিচালক সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. রেজাউল হক এবং বাংলাদেশ রাবার বোর্ড চেয়ারম্যান সৈয়দা সারওয়ার জাহান নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে এপিএ সই করেন।

এপিএ চুক্তি সইয়ের পর মন্ত্রী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২০২১-২২ অর্থবছরে শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত উপসচিব দেবময় দেওয়ান, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রুহুল আমীন এবং অফিস সহায়ক হাসিনা আক্তারকে পুরস্কার হিসেবে এক মাসের মূল বেতন, সনদপত্র ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

আইএইচআর/এমআইএইচএস/এমপি/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]