বিএফএসএ গ্রেড পেলো আরও ৩৩টি খাদ্যস্থাপনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫৫ পিএম, ৩০ জুন ২০২২
৩৩টি খাদ্যস্থাপনাকে গ্রেডিং দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ

খাদ্যের মানের ওপর ভিত্তি করে নতুন করে ৩৩টি খাদ্যস্থাপনাকে গ্রেডিং দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আগের ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে রিগ্রেডিং (পুনরায় গ্রেডিং) স্টিকার দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রশিক্ষণ রুমে এসব প্রতিষ্ঠানকে গ্রেডিং দেওয়া হয়।

এ নিয়ে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৫০টি খাদ্যস্থাপনাকে গ্রেডিং স্টিকার দেওয়া হলো। এরমধ্যে ৭১টি খাদ্যস্থাপনাকে রিগ্রেডিং করা হয়েছে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫৮টি, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩০টি, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩০টি এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৩টি খাদ্যস্থাপনাকে গ্রেডিং স্টিকার দেয়।

২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে হোটেল রেস্তোরাঁকে বিশেষ মূল্যায়নের ভিত্তিতে গ্রেডিং স্টিকার দেওয়া শুরু করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। এ+, এ, বি এবং সি ক্যাটাগরির ভিত্তিতে এ গ্রেডিং স্টিকার বিতরণ করা হয়। ৯০ বা তার বেশি নম্বর পেলে এ+, ৮০ থেকে ৮৯ নম্বর পেলে এ, ৭০ থেকে ৭৯ পেলে বি এবং ৭০ এর নিচে পেলে সি গ্রেড দেওয়া হয়।

গ্রেডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের স্থাপনায় গ্রেডের স্টিকার লাগিয়ে রাখবেন। যাতে ক্রেতারা সহজে সেই প্রতিষ্ঠানের খাদ্যের মান সম্পর্কে ধারণা করতে পারেন।

খাদ্যস্থাপনার পরিবেশ, প্রশাসনিক বিষয়াদি, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, খাবার সংরক্ষণ ও মজুত এবং ভোক্তার সঙ্গে আচরণ- এসব বিষয় বিবেচনা করে গ্রেডিং স্টিকার দেওয়া হয়।

গ্রেডিং প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইউম সরকার। তিনি বলেন, পর্যটন বিকাশে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো খাদ্যের মান। কোনো পর্যটক যখন কোথাও যান, তখন তিনি যেন এসব গ্রেডিং স্টিকার দেখে একটা সমর্থন পান।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কর্তৃপক্ষের সদস্য শাহনওয়াজ দিলরুবা খান বলেন, যারা কম গ্রেড পেয়েছেন তাদেরকে ৪৫ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হলো। এ সময়ের মধ্যে তাদেরকে গ্রেড উন্নীত করতে হবে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন উত্তরের রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান বিপু নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ আয়োজনে জোর দেন।

এনএইচ/কেএসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]