সব জেলায় দুধ সংরক্ষণাগার তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫০ পিএম, ০৩ জুলাই ২০২২
ফাইল ছবি

দেশে উৎপাদিত দুধ সংরক্ষণে প্রতি জেলায় সংরক্ষণাগার তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

রোববার (৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভা কক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ ডেইরি উন্নয়ন বোর্ড আইন-২০২২’ এর নীতিগত অনুমোদনের জন্য নিয়ে এসেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। দেশে যে পরিমাণ দুধ উৎপাদন হয় গরু বা ছাগলের সেগুলো মনিটরিং করা হচ্ছে না, কোয়ালিটি এনসিওর করা হচ্ছে না বা টেকনিক্যাল সাপোর্ট আমরা দিতে পারছি না।

তিনি বলেন, আমরা যদি কম্প্রিহেনসিভভাবে মানুষকে টেকনোলজি দিতে পারি, আরও উন্নত গাভী বা খাদ্যের ব্যবস্থা যদি করতে পারি এবং এগুলোকে প্রসেস করতে পারি, একইসঙ্গে দুধগুলো যদি স্টোর করা যায়, যেভাবে খাদ্যদ্রব্য কোল্ডস্টোরে আমরা রাখি, এভাবেই যদি প্রতিটি জেলায় স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি করা যায়, তাহলে আমাদের উৎপাদনকারীদের সুবিধা হবে। এতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে প্রোটিন গ্রহণের ক্ষেত্রে।

সব জেলায় দুধ সংরক্ষণাগার তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ

তিনি আরও বলেন, আলোচনা করে দেখা গেলো, মিল্কভিটাও প্রায় একই কাজ করছে। তবে মিল্কভিটারটা সমবায়ের ভিত্তিতে হচ্ছে। এটা কীভাবে হবে, যারা ইনডিভিজুয়ালি দুধ উৎপাদন করে, তাদের ওপর কঠোর কোনো ইমপোজিশন আসে কিনা- সেজন্য আইনটা এগ্রি না করে দু-মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, সমবায় বিভাগ, মিল্কভিটা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে বিশেষ করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ক্যাবের সঙ্গে বসে যেন কোনোভাবেই ডুপ্লিকেশন না হয় বা কোনো ইন্টারাপশন না হয়, এজন্য আইনটা আবার নিয়ে আসবেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা অবজারভেশন দিয়ে (খসড়াটি) ফেরত দেওয়া হয়েছে।

আরএমএম/এমকেআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]