পদ্মা সেতুসহ দেশব্যাপী ডিজিটাল টোলব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:০৪ পিএম, ০৩ জুলাই ২০২২
ফাইল ছবি

পদ্মা সেতুসহ দেশের অন্যান্য সেতু ও ফ্লাইওভারে ডিজিটাল টোলব্যবস্থা চালু করতে সরকারের কাছে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

রোববার (৩ জুলাই) বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, কয়েকদিন পরেই ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এজন্য দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর এর সুবিধা সম্পর্কে আমরা দেখেছি পদ্মা সেতুতে অনেক টোল আদায় হচ্ছে। এই টোল দিতে অনেক কষ্ট হয়, কারণ ম্যানুয়ালি সংগ্রহ করা হয়।

‘আসন্ন ঈদে হাজার হাজার গাড়ি যাবে। তখন দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হতে পারে। তাই এই ঈদে কিছু করা যাবে না। ভবিষ্যতের জন্য সারাদেশে যাতে অটোমেশন টোলের ব্যবস্থা করা যায়, এ জন্য আমাদের প্রত্যেকের গাড়িতে ইলেকট্রনিক ডিভাইস স্থাপন করতে হবে। এতে করে কাউকে আর ম্যানুয়ালি টোল দিতে হবে না। এই ব্যবস্থা দ্রুত চালুর জন্য সরকারকে অনুরোধ করেছি। যোগ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু নয়, দেশের অন্যান্য সেতু যেখানে টোল আদায় হয়, সেখানেও মানুষের অনেক কষ্ট হয়। এজন্য সেতুর সুফলটা মানুষ ঠিকমতো পায় না। তাই ব্রিজ ও ফ্লাইওভারের সুবিধা পেতে হলে দ্রুত ডিজিটাল টোলব্যবস্থায় যেতে হবে। তাহলে মানুষ এর সুবিধা পাবে। যত দ্রুত সম্ভব প্রতিটি গাড়িতে এই ব্যবস্থা করতে হবে। যেটা আমরা উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে দেখে থাকি। এ বিষয়টিকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি।

মন্ত্রী বলেন, বৈঠকে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। তবে যে পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে থাকবে, সে সময়ে কোনো অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

মোজাম্মেল হক বলেন, আরও একটা বিষয়, তা হলো রাস্তার ওপর পশুর হাট, হাটে যে খাজনা নেওয়া হয় বা হাসিল, পশুর ট্রাকে বাধা দিয়ে চাঁদাবাজি, জোর করে হাটে পশু নামানো, এ বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে প্রশাসন যেন সতর্ক থাকে, কোনো ব্যবসায়ী বা ক্রেতাকে যেন ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।

তিনি বলেন, যত্রতত্র যাতে পশুর হাট না বসে। অনেক সময় দেখা যায় ঢাকার বাইরেও রাস্তার পাশে হাট বসছে। ফলে গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। কাজেই রাস্তার পাশে কোনো অবস্থায়ই যেন কোরবানির পশুর হাট না বসে।

এমএএস/ইএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]