ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা: হেনোলাক্সের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা ডিবিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:১০ পিএম, ০৭ জুলাই ২০২২
হেনোলাক্সের মালিক নুরুল আমিন/ফাইল ছবি

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কুষ্টিয়ার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী গাজী আনিসের আত্মহত্যার প্ররোচনার ঘটনায় হেনোলাক্সের মালিক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে ডিবির রমনা বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) রাতে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কশিনার (এডিসি) মিশু বিশ্বাস।

তিনি বলেন, মামলাটি আমাদের হাতে এসেছে। আসামি বুঝে নিয়েছি। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এর আগে সোমবার (৪ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাব এলাকায় নিজের শরীরে আগুন দেন গাজী আনিস। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৫ জুলাই) ভোরে মারা যান তিনি।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে গাজী আনিসের ভাই নজরুল ইসলাম হেনোলাক্স গ্রুপের মালিক এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শাহবাগ থানায় মামলা করেন।

গাজী আনিসের স্বজনরা দাবি করেন, হেনোলাক্স কোম্পানি কোটি টাকা আত্মসাৎ করায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এই হত্যার পেছনে হেনোলাক্স কোম্পানির মালিক নুরুল আমিন জড়িত।

গাজী আনিসের মামাতো ভাই তানভীর ইমাম প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে বলেন, আমার ভাই এক কোটি ২৬ লাখ টাকা পেতেন হেনোলাক্স কোম্পানির কাছে। এই টাকা না দেওয়ায় তিনি নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন। টাকা পেতে আমার ভাই কুষ্টিয়া আমলি আদালতে নুরুল আমিন ও তার স্ত্রীকে আসামি করে দুটি মামলা করেছিলেন, যা বিচারাধীন।

এদিকে মৃত্যুর আগে ২৯ মে গাজী আনিস প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালে হেনোলাক্স গ্রুপের কর্ণধার নুরুল আমিন ও তার স্ত্রী ফাতেমার সঙ্গে পরিচয় হয়। সেই সূত্রেই ২০১৮ সালে তিনি এই টাকা হেনোলাক্স গ্রুপে বিনিয়োগ করেছিলেন।

টিটি/এমএইচআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।