এটিএম বুথে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, ঘাতক আটক

ঘাতক আব্দুস সামাদ

রাজধানীর উত্তরায় ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে মো. শরিফ উল্লাহ (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এরই মধ্যে আব্দুস সামাদ নামের ঘাতককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ১১ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ সড়কে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে এ ঘটনা ঘটে। পরে আশপাশের লোকজন ওই ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় শরিফকে উদ্ধার করে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শরিফ উল্লাহ লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার মধুপুর গ্রামের মৃত মোহাব্বত আলীর ছেলে। উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের ৬ /সি সড়কের ২৪ নম্বর প্লটে টাইলসের ব্যবসা করতেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠানের নাম জাকিয়া টাইলস গ্যালারি অ্যান্ড স্যানিটারি।

তিনি গাজীপুর জেলার টঙ্গী পশ্চিম থানার আওতাধীন দেওড়া এলাকার ১৮৯ শাহজালাল সড়কে স্ত্রী রিয়ানা পারভিন পলি ও দুই ছেলে শাহ নেওয়াজ স্বাধীন (১২) ও সোয়েব মাহমুদকে (৫) নিয়ে বসবাস করতেন।

শরিফের বড় ভাই জাকির হোসেন বলেন, আমার ছোট ভাই ব্যবসা করতো। রাতে সে ব্যবসার কাজে টাকা ওঠাতে গেলে ছিনতাইকারী এটিএম বুথের ভেতরে ঢুকে শরিফের কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ছিনতাইকারী ওর গলা ও ঘাড়ে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন।

উত্তরা পশ্চিম-থানা পুলিশ জানায়, সুরতহাল প্রতিবেদনে মরদেহের ডান পাশের কানের নিচে গলায় ধারালো অস্ত্রের বড় জখম ও বাঁ পাশের কানের নিচে দুটি ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

একই থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) অমল কুমার বিশ্বাস জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এসআই আরও জানান, আটক আব্দুস সামাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার বিশকাকলী এলাকায়।

কাজী আল-আমিন/টিটি/এসএএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।