সাভারে দুর্ঘটনা

আগারগাঁওয়ে ফেলে যাওয়া মরদেহটি ‘হানিফ বাসের চালকের’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:১৮ এএম, ২০ আগস্ট ২০২২

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে ফেলে দেওয়া মরদেটির পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন (৫২)। তিনি হানিফ পরিবহন বাসের চালক ছিলেন। একইসঙ্গে এ ঘটনার মূল রহস্যও উন্মোচন হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার (১৯ আগস্ট) ভোরের দিকে সাভারে একটি বাস দুজনকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে হযরত আলী (৬৫) নামের একজন নিহত হন। আর আহত অবস্থায় হানিফ বাসের চালক ইসমাইল হোসেনকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসেন। হাসপাতালে ভর্তি করার আগেই আহত ইসমাইল মারা গেলে সিএনজিতে থাকা যাত্রীরা তার মরদেহ ফেলে রেখে চলে যান।

শুক্রবার রাতে জাগো নিউজকে এসব তথ্য জানান হাইওয়ে পুলিশের সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক।

শেরেবাংলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, সকালে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। ইসমাইল হোসেন নামের ওই ব্যক্তি হানিফ বাসের চালক ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি যশোরে। সাভারের আমিনবাজারে থাকতেন ভাড়া বাসায়।

তিনি বলেন, সাভারে বাস দুর্ঘটনার পর সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছিল গুরুতর আহত ইসমাইল হোসেনকে। এরপর বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করার পরে হাসপাতালে না নিয়ে সিএনজিতে থাকা এক নারী ইসমাইলকে আগারগাঁওয়ে ফেলে রেখে চলে যান।

এ ঘটনায় কেউ আটক আছে কি না জানতে চাইলে এসআই শরিফুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক জাগো নিউজকে বলেন, সাভার চিশতীয়া ফিলিং স্টেশনের সামনে শাকিল পরিবহনের একটি বাস দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই হযরত আলী নামের একজন পথচারী নিহত হন। দুর্ঘটনায় হানিফ পরিবহন বাসের চালক আহত হলে পথচারীরা সিএনজিতে করে ঢাকায় পাঠিয়ে দেন।

এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। শাকিল পরিবহনের বাসচালককে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে বলেও জানান সাভার ওসি আজিজুল হক।

টিটি/এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।