প্রতিটি শিশুরই পরিপূর্ণ বিকশিত হওয়ার অধিকার আছে: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩২ এএম, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
এসওএস শিশুপল্লির ৫০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে স্পিকার

দেশের অনাথ, পরিবার বিচ্ছিন্ন শিশুদের কল্যাণ ও উন্নয়নে এসওএস শিশুপল্লি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার প্রাক্কালে এসওএস শিশুপল্লিকে শিশুদের নিয়ে কাজ করার জন্য সব সুবিধা দিয়েছিলেন।

এসওএস শিশুপল্লির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এসব কথা বলেন।

এসওএস শিশুপল্লির ন্যাশনাল ডিরেক্টর ড. মো. এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এইচএসবিসির সিইও মাহবুব উর রহমান, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক কে এম তারিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। এ সময় এসওএস শিশুপল্লির চিফ অপারেশনাল অফিসার মাইকেল পটস ভিডিও বার্তা দেন।

Speaker2

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুদের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। কিন্তু শিশুদের জন্য একটি মানবিক বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত দাতব্য সংগঠন ও বেসরকারি সহযোগিতাও প্রয়োজন রয়েছে।

এসওএস শিশুপল্লির বিভিন্ন বয়সের শিশুবন্ধুদের শুভেচ্ছা জানিয়ে স্পিকার বলেন, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে শিশুপল্লির ছেলেমেয়েরা যে নিজেদের জন্য উপযুক্ত ক্ষেত্রে পৌঁছাতে পারছে তা এসওএস পল্লির সফলতা। শিশুদের সার্বিক সেবাযত্ন দেওয়ার জন্য তিনি সংস্থার মায়েদের ধন্যবাদ জানান।

এসময় এসওএস শিশুপল্লির পক্ষ থেকে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা নয় জন সমাজসেবীকে এবং শিশুপল্লির ৮ জন কেয়ারলিভারকে পরিকল্পনা মন্ত্রী পুরস্কার দেন। এরপর তিনি এসওএস শিশুপল্লির ছেলেমেয়েদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে এসওএস শিশুপল্লির সদস্যরা, আমন্ত্রিত অতিথি, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেএস/এমএইচআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।