ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

বিতর্কিত ধারা দ্রুত সংশোধন চায় আর্টিকেল নাইনটিন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০৫ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাসের চার বছর পূর্ণ হলো আজ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আর্টিকেল নাইনটিন মনে করে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত আইন কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় থাকতে পারে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নির্বিচার ব্যবহার বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে দুর্বল করে একটি ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছে।

সরকার এই আইনের বিতর্কিত ধারা সংশোধনে যে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছে, সে ধারাগুলো সংশোধনের সরকারের প্রতিশ্রুতি অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন।

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আর্টিকেল নাইনটিন দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ফারুখ ফয়সল বলেন, ২০১৮ সাল থেকেই মত প্রকাশের অধিকারের পরিপন্থি বলে চিহ্নিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নিবর্তনমূলক ধারাগুলো সংশোধনের দাবি জানিয়ে আসছে আর্টিকেল নাইনটিন। আইনটির অপপ্রয়োগ হয়েছে স্বীকার করে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের একাধিক মন্ত্রী আইনটির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়া এবং সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। কিন্ত বাস্তবতা হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের ও গ্রেফতার হচ্ছে অব্যাহত গতিতে।

‘সর্বশেষ, অনলাইনে একটি অনুষ্ঠান সঞ্চালন করায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী এই আইনে গ্রেফতার হয়ে প্রায় এক মাস ধরে কারাগারে আছেন। এ সময়ে তিনবার আবেদন করেও জামিন পাননি তিনি। দুই বছর আগে মামলা দায়েরের সময় তার বয়স ছিল সতেরো বছর।’

ফারুখ ফয়সল বলেন, এই আইনে দায়ের হওয়া বেশিরভাগ মামলার মতো, ওই নারী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ভিত্তিও নড়বড়ে। একটি ওয়েবিনারের মাধ্যমে সরকার পতনে উসকানির অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমরা এর আগে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও এই আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জড়ানোর অনুরূপ উদাহরণ দেখেছি।

গণতন্ত্রের স্বার্থে এই আইনের বিতর্কিত ধারা সংশোধনের প্রতিশ্রুতি অবিলম্বে বাস্তবায়নের জোর দাবি জানায় আর্টিকেল নাইনটিন।

এমওএস/এমএইচআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।