এনআইডিতে ডিএনএ তথ্য যুক্ত করার সুপারিশ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪৬ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ বা ডিএনএ তথ্য যুক্ত করার চিন্তা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এনআইডিতে স্থায়ী ঠিকানা দৃশ্যমান করা, ডাটাবেজে বাবা-মায়ের নাম ইংরেজিতে লিপিবদ্ধ ও স্মার্টকার্ডে ব্যবহারের সুপারিশ এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) ‘জাতীয় পরিচিতি যাচাই সেবা, সেবার প্রকৃতি, সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ সুপারিশ করেছেন বক্তারা। সকাল পৌনে নয়টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনের আইডিইএ প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায়ের আয়োজনে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনার সার্ভারের গতি বাড়ানো, ই-কেওয়াইসি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সর্ব নিম্ন তিন বছরের চুক্তি ও প্রতি তিন বছর পরপর চুক্তির মেয়াদ নবায়ন প্রস্তাবসহ বেশ কিছু সুপারিশ করেছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) মো. আহসান হাবিব খান। তিনি জানান, সরকারি-বেসরকারি ১৬৪ টি প্রতিষ্ঠান বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে ই-কেওয়াইসি সেবা নিচ্ছে। আর এ সেবা থেকে অর্জিত অর্থ রাজস্ব খাতে জমা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর ও মো. আনিছুর রহমান।

তারা প্রত্যেকে এনআইডির গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য দেন। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ। সেমিনারের ও আউটপুট বিষয়ে বর্ণনা করেন জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ূন কবীর। পাশাপাশি জাতীয় পরিচিতি সেবা যাচাই সেবার প্রকৃতি সমস্যা ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক কি-নোট উপস্থাপন করেন আইডিইএ প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের।

জাতীয় পরিচিতি যাচাই সেবার চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা করেন ইটিআইর মহাপরিচালক মো. আবদুল বাতেন। এছাড়া ই-কেওয়াইসি সেবাগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান যাতে এনআইডি সেবা দিতে তৃতীয়পক্ষের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ না হতে পারে সেবিষয়ে সতর্ক থাকতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশন ও পার্টনারদের বিলিং সিস্টেম ম্যানুয়ালের পরিবর্তে অটোমেটেড করার পরামর্শ দেন বক্তারা।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। সেমিনারে অংশ নেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব, সিস্টেম ম্যানেজার, সিনিয়র সহকারী প্রধানসহ নির্বাচিত কর্মকর্তারা। এছাড়া এনআইডি উইং, আইডিইএ দ্বিতীয় পর্যায় ও ইভিএম প্রকল্পের নির্বাচিত কর্মকর্তারা। পাশাপাশি এনআইডি যাচাই সেবাগ্রহণকারী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, এনবিআর, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক, নন ব্যাংকিং ফিন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান, টেলি কমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এইচএস/এমএএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।