সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক কর্মশালায় বক্তারা

উপযুক্ত ব্যক্তির সহায়তা নিশ্চিতে প্রয়োজন সঠিক টার্গেটিং

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৪৫ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

সঠিক টার্গেটিং ছাড়া কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়া সেলাই মেশিন প্রদান কিংবা সহায়তা দান প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখতে পারে না। তাই শুধুমাত্র উপযুক্ত ব্যক্তি যাতে এ সহায়তা পান তা নিশ্চিতে টার্গেটিং প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

বাংলাদেশে অনেক সময় একদিকে যার প্রয়োজন আছে তিনি বাদ চলে যান, অন্যদিকে যার প্রয়োজন নেই এমন ব্যক্তিকে ভাতা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ফলে সামাজিক সুরক্ষায় বরাদ্দ সম্পদের অপব্যয় হয়। শক্তিশালী টার্গেটিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এ সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ব্র্যাক ও মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ আয়োজিত ‘সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি জোরদারে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. শামসুল আরেফিন।

আলোচকরা জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ১৭ এনজিওর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বনির্ভরতামুখী উদ্যোগ অন্তর্ভুক্তিতে গুরুত্ব আরোপ সম্পদের অপব্যবহার রোধ করবে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি পরিকল্পনায় প্রান্তিক মানুষের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও আনুষঙ্গিক উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। যাতে আয়ে উন্নতির মাধ্যমে তারা ক্রমান্বয়ে সরকারি ভাতার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনতে পারেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কেএএম মোর্শেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসান, এনজিও ব্যুরোর পরিচালক তপন কুমার বিশ্বাস, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং জিও-এনজিও কোলাবোরেশন প্ল্যাটফরমের সদস্য ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।

স্বাগত বক্তব্যে ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কেএএম মোর্শেদ বলেন, জিও-এনজিও কোলাবোরেশন প্ল্যাটফরম যাত্রা শুরু করে ২০১৮-১৯ সালে। সেসময় পূর্ণ উদ্যমে কাজ করলেও কোভিড মহামারির লকডাউনে তাতে ভাটা পড়ে। আজকের এই কর্মশালার মাধ্যমে ফোরামটিকে আমরা পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সরকার জিডিপির ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় করে। তবে বাংলাদেশের মতো দ্রুতগতিতে অগ্রসরমান দেশগুলোয় দুর্গম অঞ্চলে বসবাসরত মানুষ সচরাচর পেছনে পড়ে যায়। এসব জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো।

প্রধান অতিথি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. শামসুল আরেফিন বলেন, সংবিধানের ধারা-১৫-র 'ঘ' অনুচ্ছেদে দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও শোষণমুক্ত দেশ গড়ার রূপকল্প তুলে ধরা হয়েছে।

এএএম/কেএসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।