বিনিয়োগ আকর্ষণে স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের পরামর্শ পিটার হাসের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:২৮ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কোম্পানি বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলে ব্যবসা প্রসারিত করতে চায় উল্লেখ করে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, দেশি–বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের (আইবিএফবি) বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইবিএফবির সভাপতি হুমায়ুন রশিদ। বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান জাইদী সাত্তার।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগকারী। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারও যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান এ বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

পিটার হাস আরও বলেন, অনেক মার্কিন কোম্পানি এ অঞ্চলে ব্যবসা প্রসারিত করতে চায়। এ ক্ষেত্রে আমরা বাংলাদেশকে একটি ভালো ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরিতে সাহায্য করে যাচ্ছি। দেশি–বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।

শিগগির ঢাকার দূতাবাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের পূর্ণকালীন অ্যাটাশে স্থাপন করা হবে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এতে দুই দেশের ব্যবসার ক্ষেত্রে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।

যুক্তরাষ্ট্র শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ দেখতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এমন বাংলাদেশ দেখতে চাই যেখানে গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা, বহুত্ববাদ, সহনশীলতা, সুশাসন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল পরিবেশ থাকবে।

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের বিষয়ে পিটার হাস বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গাদের স্বদেশ মিয়ানমারে নিরাপদে ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন পর্যন্ত এ সমর্থন থাকবে।

এইচএ/জেডএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।