‘নিশ্চিত করতে চাই, মিয়ানমার সীমান্তে আর অনুপ্রবেশ ঘটবে না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে
প্রকাশিত: ০৩:০২ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে দালালদের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা ঢোকার চেষ্টা করেছিল। তাদের সে চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামে সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিঅ্যান্ডসি) প্যারেড গ্রাউন্ডে ৯৮তম রিক্রুট ব্যাচ নবীন সৈনিকদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছিলাম তারা (রোহিঙ্গা) সীমান্ত এলাকায় সমবেত হচ্ছে এবং বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছে। খোঁজ-খবর নেওয়ার পরে আমরা আমাদের সক্ষমতা বাড়িয়েছি। বাংলাদেশে ঢোকার জন্য অনেকেই চেষ্টা করছিল, তা আমরা নস্যাৎ করে দিয়েছি।

‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে অনুপ্রবেশের মতো ঘটনা আর ঘটবে না।’

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ঠেকাতে মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া 

রোহিঙ্গাদের প্রবেশের পেছনে অনেক দালাল চক্র রয়েছে উল্লেখ করে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, দালাল চক্রগুলোর অপচেষ্টা সব সময় থাকে। সীমান্তের একদিক থেকে, অন্য দেশ থেকে লোকজন অনুপ্রবেশের সঙ্গে জড়িত অনেক বিষয় আমরা নস্যাৎ করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো সীমান্তে যদি আমাদের কাজের ব্যত্যয় হয় তাহলে আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। তারা এর প্রতিউত্তর দেয়। আমরা আমাদের সীমান্তে জনবল বৃদ্ধি করেছি। ২৪ ঘণ্টা আমাদের সীমান্তরক্ষীরা টহল দিচ্ছে, নজরদারি এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নদীপথে বিশেষ বাহনের মাধ্যমে আমরা টহল দিচ্ছি। স্থলপথে বিশেষ বাহনের মাধ্যমে আমরা টহল দিচ্ছি। আমি আদেশ দিয়েছি, আর একটিও দল যেন সীমান্ত অতিক্রম করে আমাদের দেশে প্রবেশ করতে না পারে। এজন্য অতিরিক্ত টহল ও তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে। সীমান্তরক্ষীরা দিনরাত কষ্ট করছে বলে জানান বিজিবি মহাপরিচালক।

টিটি/এমএইচআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।