আরকাইভসে নথি দিতে অনীহা সরকারি দপ্তরের, তাগাদা দিয়ে চিঠি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:২১ পিএম, ০১ অক্টোবর ২০২২

নিয়ম থাকলেও বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভসে ২৫ বছরের পুরোনো গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, রেকর্ড, দলিলপত্র, চুক্তি, সমঝোতা স্মারক, প্রকাশনা, ছবি, ম্যাপ স্থানান্তরে সরকারি দপ্তরগুলোর অনীহা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং অধীন দপ্তর-সংস্থা জাতীয় আরকাইভসে দলিলপত্র জমা দিচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এজন্য সম্প্রতি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিবদের কাছে নথি ও দলিলপত্র জমা দেওয়ার তাগিদ দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সংস্কৃতি সচিব মো. আবুল মনসুর স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভস দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মূল্যবান উপকরণ ও তথ্য-উপাত্তের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণাগার। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর’ এ সংক্রান্ত কাজ যথাযথভাবে সম্পাদন করে যাচ্ছে।

এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভস আইন, ২০২১’ এর ১০ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভস দেশের সরকারি, আধাসরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের ২৫ বছরের অধিক স্থায়ী সংরক্ষণযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র/রেকর্ড, দলিলপত্র, পাণ্ডুলিপি, চুক্তি, সমঝোতা স্মারক, কমিশন রিপোর্ট, প্রকাশনা, ছবি, ম্যাপ, পোস্টার ইত্যাদি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা, পরিচর্যা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এসব কাজে সম্পৃক্ত গবেষকদের তথ্যসেবা দিয়ে থাকে।

এ অবস্থায় ‘বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভস আইন, ২০২১’ এর ১০ ধারা অনুযায়ী মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাসমূহে সংরক্ষিত স্থায়ী সংরক্ষণযোগ্য আরকাইভাল মূল্যসম্পন্ন রেকর্ডসমূহ নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভসে পাঠনোর জন্য চিঠিতে সচিবদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

এতে আরও বলা হয়, স্থায়ী সংরক্ষণযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ আরকাইভাল উপকরণসমূহ বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভসে নিয়মিতভাবে পাঠানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক একাধিকবার পত্র পাঠানোর পরও কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ হয়নি। জাতির ভবিষ্যত ইতিহাস বিনির্মাণের উপকরণ সংরক্ষণে গণকর্মচারী হিসেবে আমরা দায়বদ্ধ।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভস আইন অনুযায়ী মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাগুলোতে সংরক্ষিত স্থায়ী সংরক্ষণযোগ্য আরকাইভাল মূল্যসম্পন্ন রেকর্ড নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভসে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।

আরএমএম/কেএসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।