বাসচাপায় পথচারীর মৃত্যু: চালকের ছিল না লাইসেন্স, করতেন নেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫৫ পিএম, ০৪ অক্টোবর ২০২২

রাজধানীর গুলিস্তানের সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সের সামনে দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন হালিমা বেগম (৫০)। এসময় আনন্দ ও মেঘালয় পরিবহনের দুটি বাস বেপরোয়াভাবে ওভারটেক করছিল। বাস দুটির মাঝে চাপাপড়ে প্রাণ যায় হালিমার।

মর্মান্তিক এ ঘটনার ৩ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক বাসটির চালক মো. বাদল মিয়াকে (৪৮) গ্রেফতার করে র‍্যাব।

গ্রেফতারের পর জানা যায়, বাদল মিয়ার কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। এমনকি বাসচালানের ওপর তার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণও নেই।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর টিকাটুলিতে র‍্যাব-৩ এর কার‍্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক। 

র‍্যাব জানায়, সোমবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে হালিমা বেগম গুলিস্তানের সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সের সামনে দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। সেখানে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ চলাচলকারী আনন্দ পরিবহন বাসকে ঢাকা নরসিংদী চলাচলকারী মেঘালয় পরিবহনের একটি বাস বেপরোয়াভাবে ওভারটেক করছিল। এসময় বাস দুটির মাঝে চাপা পড়েন হালিমা। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

jagonews24

পথচারীরা হালিমাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে দুপুর ২টায় তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

এরপর বিকেল ৫টায় নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের পাচরুখী এলাকা থেকে চালক মো. বাদল মিয়াকে (৪৮) গ্রেফতার করা হয়। তিনি মেঘালয় পরিবহনের বাসের চালক। ঘটনার পর বাদল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাদল ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে বলে দাবি করলেও তিনি লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। তার ড্রাইভিংয়ের ওপর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণও নেই। এছাড়া ঘটনার দিন বাদল নেশা না করলেও তিনি প্রায়ই নেশা করেন বলে জানিয়েছেন। বাদল তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্বীকার করেছেন।

তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক।

আরএসএম/জেডএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।