৮ দফা দাবি বাস্তবায়ন চায় রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:০৪ পিএম, ০৫ অক্টোবর ২০২২

রেলওয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও নিয়োগ বিধিমালা-২০২০ সংশোধনসহ আট দফা দাবি বাস্তবায়নে সংলাপ করছে রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি।

বুধবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ সংলাপ শুরু হয়।

সংলাপের শুরুর আগে সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির বলেন, রেলওয়ে ক্যাডার বহির্ভূত কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-২০২০ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এ নিয়োগবিধি মূলত রেলওয়ের কর্মচারী ও পোষ্যদের অধিকার বঞ্চিত করার এক ঐতিহাসিক দলিল। নিয়োগ বিধিমালা ২০২০ সর্বকালের সেরা স্বৈরাচারমূলক ও নোংরা হাতে নিয়োগ বাণিজ্য সিন্ডিকেট কর্তৃক প্রণীত একটি বিধিমালা।

তিনি বলেন, রেল মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়েতে ঘাপটি মেরে বসে থাকা চক্র দ্বারা সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ণ এবং রেলওয়ের কর্মচারী ও পোষ্যদের অধিকার বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র চলমান। রেলওয়ে কর্মচারীবান্ধব নিয়োগবিধি প্রণয়নের দাবিতে রেলওয়ের সব ট্রেড ইউনিয়ন ও রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি রেলওয়ে মহাপরিচালক ও রেলমন্ত্রীকে দাবি জানিয়ে আসলেও নিয়োগ বিধিমালা ২০২০ সংশোধনে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরবর্তিসময়ে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, এর ফলশ্রুতিতে ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ রেলওয়ে মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে ১৮ সদস্যবিশিষ্ট নিয়োগ বিধিমালা ২০২০ হালনাগাদ বা সংশোধন কমিটি গঠিত হওয়ায় রেলওয়ের কর্মচারী ও পোষ্যরা আশার আলো দেখতে পায়। কিন্তু দীর্ঘ সাত মাসেও নিয়োগ বিধিমালা সংশোধনের জন্য গঠিত কমিটি কর্তৃক বিধিমালা হালনাগাদ বা সংশোধন না করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া দুঃখজনক।

বক্তারা বলেন, বিধিমালা ২০২০ অবিলম্বে সংশোধন করে, চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে পোষ্যর সংজ্ঞা সংশোধন, নিয়োগ পদ্ধতি, পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ, পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল মহাব্যবস্থাপককে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা এবং রেলওয়ে নিয়োগ ব্যুরো পুনর্বহাল করাসহ আট দফা দাবি ব্যস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।

এনএইচ/আরএডি/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।