চট্টগ্রামে অপহরণের পরদিন ভুক্তভোগী উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৩:২৮ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০২২

চট্টগ্রামে অপহরণের একদিন পর অক্ষত অবস্থায় এক ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এ সময় অপহরণকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার (১৬ অক্টোবর) দিনগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে সোমবার (১৭ অক্টোবর) ভোর পর্যন্ত নগরীর হালিশহর এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার ও ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলো— চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মুছাপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. জাহেদ আলম (১৮), কুমিল্লার মুরাদনগর থানার ছিমবি মুন্সি বাড়ি গ্রামের মৃত মো. আদিল হোসেনের ছেলে মো. বেলাল হোসেন ইমন (১৮), লাকসাম থানার গাজী শাহ মাজার এলাকার মৃত ফজল হকের ছেলে মো. কাউছার (১৯) এবং নোয়ালখালী জেলার সুবর্ণচর থানাধীন আমুল্লা গ্রামের মো. হেলালের ছেলে মো. ইমন (১৮)। তারা সবাই নগরীর হালিশহরের রঙ্গীপাড়ার বিভিন্ন ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতো।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবীর বলেন, রোববার দুপুরে নগরীর হাজারী গলি থেকে মোরশেদুল আলম নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করেছে একটি চক্র। এ ধরনের একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত মামলা নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার দিনগত রাতে হালিশহরের রঙ্গীপাড়া ও মুহুরীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহরণ চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার এবং তাদের হেফাজত থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত মনোয়ার ও ইয়াছমিন আক্তার নামে দুইজন কৌশলে পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ওসি বলেন, চক্রটি ভাড়ায় চালিত সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায়। তার সাধারণ সাদাসিধে পথচারীদের টার্গেট করে আস্তানায় নিয়ে যায়। এরপর ভুক্তভোগীর সঙ্গ চক্রের মেয়ে সদস্যরা অশ্লীল ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। গ্রেফতারদের সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইকবাল হোসেন/এমএএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।