সংবাদ প্রকাশের জেরে মানহানি মামলা

খালাস পেলেন তিন সাংবাদিক ও নির্যাতিত গৃহবধূ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৯:১৩ পিএম, ২৭ নভেম্বর ২০২২

চট্টগ্রামে এক গৃহবধূ শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার হওয়ার সংবাদ প্রকাশের জেরে মানহানির একটি মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন তিন সাংবাদিক এবং ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ। রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক বেগম জিহান সানজিদা এ রায় দেন।

মামলায় খালাস পাওয়া চারজন হলেন- অনলাইন নিউজপোর্টাল পাঠকডটনিউজ-এর সম্পাদক ও সংবাদ সংস্থা ইউএনবির চট্টগ্রাম প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম শিল্পী, উইমেন ভয়েসবিডিডটকমের সম্পাদক সৈয়দা সাজিয়া আরফিন ও সাংবাদিক সৈয়দা ফাতেমাতুজ জোহরা এবং নির্যাতিতা গৃহবধূ ফারজানা আক্তার।

সাংবাদিকদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান।

তিনি বলেন, মূলত সাংবাদিকদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই দায়ের করা হয়েছিল মামলাটি। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রেস কাউন্সিল রয়েছে। মানুষ প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ না করে শুধু হয়রানি করার জন্য সিভিল আদালতে মামলা করে। এটি একটি খারাপ নজির।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সীতাকুণ্ড সৈয়দপুর ইউনিয়নের শেখেরহাটে নূরুল আলমের পুত্রবধূ প্রবাসী আনোয়ারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার (৩০)। তার উপর শশুর ও দুই দেবরের নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর পাঠকডটনিউজে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রবাসী আনোয়ার তার স্ত্রীর উপর পিতা ও ভাইদের নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস ও পুলিশ প্রশাসনকে দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। পরে উইমেন ভয়েসবিডিডটকম নামের একটি অনলাইনেও একই ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এ প্রতিবেদনে ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শিল্পীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মানহানির অভিযোগ করেন নির্যাতনের শিকার ফারজানার শ্বশুর মো. নূরুল আলম। পরে আদালত মানহানির অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন। গত বছরের ১৭ জুলাই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় পিবিআই।

ইকবাল হোসেন/এমএইচআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।