ময়নাতদন্ত শেষে মাটিচাপা দেওয়া হলো মৃত হাতিটিকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৫:০৭ এএম, ২৮ নভেম্বর ২০২২

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পানির গর্তে আটকে পড়ে প্রাণ হারানো হস্তিশাবককে ঘটনাস্থলের পাশেই মাটি চাপা দিয়েছে প্রাণিসম্পদ ও বনবিভাগ। রোববার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির লম্বাশিয়া পাহাড়ি এলাকায় হাতিটিকে মাটি চাপা দেওয়া হয়। এর আগে হাতিটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকালে চুনতি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের লম্বাশিয়া লম্বাশিয়া পাহাড়ি এলাকায় কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে পানিতে মৃত অবস্থায় দুই বছর বয়সী হাতিটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। এরপর তারা বনবিভাগকে খবর দেন।

খবর পেয়ে বিকেল ৫টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ এম খালেকুজ্জামান চৌধুরী, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (প্রাণিস্বাস্থ্য) জাহাঙ্গীর আলম ও উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কৃত্রিম প্রজনন) খোরশেদ আলম চৌধুরী হাতিটির ময়নাতদন্ত করেন।

এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের (এলএসএ) রতন কুমার, চুনতি বনরেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জলিলুর রহমান ও সাতগড় বনবিট কর্মকর্তা মো. শাহ আলম হাওলাদারসহ ডলু বনবিট কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুনতি রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত বন রেঞ্জ কর্মকর্তা জলিলুর রহমান বলেন, হাতিটির শুঁড় থেঁতলানো অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কোনো কারণ জানতে পারিনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর সঠিক কারণ জানা যাবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাতিদের নিজেদের মধ্যে মারামারি করার কারণে শুঁড় থেঁতলে গেছে এবং গর্তে পড়ে এটি আর উঠতে পারেনি। এতে হাতিটির মৃত্যু হতে পারে।

সাতগড় বনবিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত কার্যক্রম শেষে হাতিটির মৃতদেহ ঘটনাস্থলের পশ্চিম পার্শ্বে গর্ত করে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। হাতিটির মৃতদেহের সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। হাতিটির বয়স অনুমানিক দুই বছর হবে বলেও জানান তিনি।

ইকবাল হোসেন/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।