জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে বাঁচান

সম্পাদকীয়
সম্পাদকীয় সম্পাদকীয়
প্রকাশিত: ১০:১৮ এএম, ১০ এপ্রিল ২০১৯

রাজধানী ঢাকা এখন পরিণত হয়েছে দুর্ভোগের নগরীতে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে একটু বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে রাজধানীর অলিগলি। ফলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে লোকজনকে। মাঝারি বৃষ্টিতেই স্থবির হয়ে পড়ছে ঢাকা। ফলে দুর্ভোগ যেন নিয়তির লেখন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সারাবছর ধরে যানজটের নিগড়ে পিষ্ট হয় মানুষজন। সামনে রমজানে এই দুর্ভোগ আরও বাড়বে সেটি বলার অপেক্ষা রাখেনা। শুকনো মৌসুমে ধুলায় মুখে রুমাল দিয়ে চলতে হয়। আর বর্ষায় জলাবদ্ধতায় নৌকা চলার উপযোগী রাস্তাঘাট। তৈরি হয় তীব্র যানজট।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩ দিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর আফতাব নগরে ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন। মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে কে কাজ করবে, কে করবে না, কোথায় থেকে বাজেট পাবো, সেগুলো দেখবো না। জলবদ্ধতা নিরসনে যতটুকু করার তার সর্বোচ্চ করার চেষ্টা করবো।

ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সাতটি সংস্থা জড়িত। এগুলোর সাথে সমন্বয় থাকতে হবে। প্রয়োজনে এগুলো একটা সংস্থা অর্থাৎ সিটি করপোরেশনের আওতায় আসা উচিত। রাজধানীর খালগুলো উদ্ধার করতে হবে। ঢাকার চারপাশে নদীগুলোরও দখল-দূষণ বন্ধ করতে হবে। নানা কারণেই রাজধানী বাসঅনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এখন জলাবদ্ধতাও যদি বাড়তি দুর্ভোগ তৈরি করে সেটি হবে ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’।

মূলত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ না করাতেই এই অবস্থা। জলাবদ্ধতার জন্য এক সংস্থা আরেক সংস্থাকে দায়ী করছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। কে দায়ী, কে দায়ী নয় তারচেয়ে বড় কথা নগরবাসীকে দুর্ভোগ থেকে বাঁচাতে হবে। এরজন্য একটা মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে সে অনুযায়ী এগুতে হবে। ঢেলে সাজাতে হবে ঢাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে।

এই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সাতটি সংস্থা জড়িত। এগুলোর সাথে সমন্বয় থাকতে হবে। প্রয়োজনে এগুলো একটা সংস্থা অর্থাৎ সিটি করপোরেশনের আওতায় আসা উচিত। রাজধানীর খালগুলো উদ্ধার করতে হবে। ঢাকার চারপাশে নদীগুলোরও দখল-দূষণ বন্ধ করতে হবে। নানা কারণেই রাজধানী বাসঅনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এখন জলাবদ্ধতাও যদি বাড়তি দুর্ভোগ তৈরি করে সেটি হবে ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’।

এইচআর/জেআইএম

ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সাতটি সংস্থা জড়িত। এগুলোর সাথে সমন্বয় থাকতে হবে। প্রয়োজনে এগুলো একটা সংস্থা অর্থাৎ সিটি করপোরেশনের আওতায় আসা উচিত। রাজধানীর খালগুলো উদ্ধার করতে হবে। ঢাকার চারপাশে নদীগুলোরও দখল-দূষণ বন্ধ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :