বাড়ছে বেকারত্ব কমছে কর্মসংস্থান!

সম্পাদকীয়
সম্পাদকীয় সম্পাদকীয়
প্রকাশিত: ১০:১১ এএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

প্রতিবছর যে হারে শিক্ষিত চাকরি প্রার্থী তৈরি হচ্ছে সে হারে চাকরির ক্ষেত্র ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমন্বয় থাকতে হবে। নইলে এক পাহাড়সম সমস্যা তৈরি হবে। আদতে হয়েছেও তাই। চাকরি প্রার্থীর তুলনায় সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে চাকরির সংখ্যা খুবই কম। যা রয়েছে সেগুলোতেও যদি নিয়ম মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু রাখা না হয় এরচেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে। সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে একদিকে পাহাড়সম বেকারত্ব বাড়ছে অন্যদিকে সরকারি চাকরিতে হাজার হাজার শূন্য পদ থেকে যাচ্ছে। এগুলোতে নিয়োগের যেন কোনো তাগিদ নেই। এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় দিনের পর দিন বন্ধ থাকছে শূন্যপদে নিয়োগ। এটা কোনো অবস্থাতেই কাম্য হতে পারে না।

নিয়োগের ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এক বিরাট বাধা। লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে আটকে যায় সবকিছু। অথচ শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের শূন্যপদের চাহিদা নিয়ে সে অনুযায়ী নিয়োগের ব্যবস্থা করতে পারে। চাকরি না হওয়ায় বাড়ছে হতাশা। একজন শিক্ষিত দক্ষ চাকরিপ্রার্থী দিনের পর দিন চাকরি না পেয়ে মানবেতন দিন যাপন করছে। পরিবারের কাছেও হচ্ছে বোঝা ও অপাঙক্তেয়।

এ অবস্থায় যেখানে দিন দিন বেকারত্ব বাড়ছে সেখানে শূন্যপদে নিয়োগ না দেয়া রীতিমত অন্যায়। যে কোনো ক্ষেত্রে শূন্যপদের নিয়োগ দ্রুততর করতে হবে। এতে একদিকে কর্মসংস্থান হবে বেকারদের অন্যদিকে শূন্য পদ থাকার কারণে কাজের যে ক্ষতি হচ্ছে সেটিরও সমাধান হবে। ঠিক থাকবে চাকরির প্রবাহও। এ ব্যাপারে অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে-এমনটিই দেখতে চায় মানুষজন।

এইচআর/এমএস

‘যেখানে দিন দিন বেকারত্ব বাড়ছে সেখানে শূন্যপদে নিয়োগ না দেয়া রীতিমত অন্যায়। যে কোনো ক্ষেত্রে শূন্যপদের নিয়োগ দ্রুততর করতে হবে। এতে একদিকে কর্মসংস্থান হবে বেকারদের অন্যদিকে শূন্য পদ থাকার কারণে কাজের যে ক্ষতি হচ্ছে সেটিরও সমাধান হবে। ঠিক থাকবে চাকরির প্রবাহও।’