উৎসবমুখর হোক দুর্গোৎসব

সম্পাদকীয়
সম্পাদকীয় সম্পাদকীয়
প্রকাশিত: ০৯:৪৮ এএম, ০৫ অক্টোবর ২০১৯

বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা। ষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস এবং বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পাঁচদিনের এই শারদীয় দুর্গা পূজার আনুষ্ঠানিকতা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এ দেশে প্রতিটা উৎসব-পার্বণ আসে আনন্দের বার্তা নিয়ে। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গোৎসব যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হতে পারে সে ব্যাপারে নিতে হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। বিশেষ করে পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিতে হবে কার্যকর পদক্ষেপ।

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা উপলক্ষে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসবে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলছেন, তারপরেও পূজায় কোথাও হামলা হলে সেটি মোকাবেলার জন্য পুলিশের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য মণ্ডপগুলোয় পুলিশের কন্ট্রোল রুমসহ আলাদা ফোর্স মোতায়েন থাকবে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। র‌্যাব ছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও রাজধানীসহ সারাদেশে ৩১ হাজারেরও বেশি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা দেবে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য। প্রতিটি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবে তাই এক মহামিলন ঘটে সবার। এবারের পূজাও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্য রক্ষা করে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে আমরা এমনটিই দেখতে চাই। পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তার ব্যাপারে যে ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে বাস্তবেও এর প্রতিফলন দেখতে চাই। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার্থে নাগরিক দায়িত্বও কিন্তু কম নয়। এ ব্যাপারে সবাই আন্তরিকতা নিয়ে এগিয়ে আসবেন-এমনই দেখতে চায় দেশের মানুষজন।

এইচআর/এমএস

‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য। প্রতিটি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবে তাই এক মহামিলন ঘটে সবার। এবারের পূজাও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্য রক্ষা করে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে আমরা এমনটিই দেখতে চাই। পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তার ব্যাপারে যে ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে বাস্তবেও এর প্রতিফলন দেখতে চাই। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার্থে নাগরিক দায়িত্বও কিন্তু কম নয়। এ ব্যাপারে সবাই আন্তরিকতা নিয়ে এগিয়ে আসবেন-এমনই দেখতে চায় দেশের মানুষজন।’