সাপ্রেশন স্ট্র্যাটেজি

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:১৮ পিএম, ২৫ মার্চ ২০২০

এতদিনে নিশ্চয়ই flatten the curve এই কথাটা অনেকবার শুনে ফেলেছেন। সহজ ভাষায় মানে হলো বিভিন্ন উপশমের ব্যবস্থা নিয়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমিয়ে নিয়ে আসা, যাতে যে কার্ভগুলো এতক্ষণ দেখেছেন সেগুলোর চূঁড়াটা একটি সমতল হয়।

মিটিগেশন স্ট্র্যাটেজি কিন্তু কার্ভকে পুরোপুরি সমতল করতে পারে না, কিছুটা নামিয়ে নিয়ে আসে। সাপ্রেশন স্ট্রাটেজি যেটা করে তা হলো প্রত্যেকটা মিটিগেশন স্ট্র্যাটেজিকে একসঙ্গে একই সময়ে ইম্প্লেমেন্ট করে এবং কঠোর ভাবে তা প্রথমদিকেই কন্ট্রোল করার চেষ্টা করে।

যেমন :
১. আইন করে কঠিনভাবে মানুষকে ঘরে বন্দি করা এবং পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য দরকার হলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা এবং সেটা প্রথমদিকেই করতে হবে।
২. ধীরে ধীরে একে একে আইনগুলোকে শিথিল করা, যাতে ধীরে ধীরে মানুষ নিজের স্বাধীনতা ফিরে পায় এবং স্বাভাবিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরে যেতে পারে।

আসলে দেখতে কেমন হবে এই সাপ্রেশন স্ট্র্যাটেজি। চিত্র ৭ এ এদিকে আলোকপাত করা হয়েছে।

সাপ্রেশন স্ট্র্যাটেজির সুবিধা হলো রোগের প্রথম ওয়েভ যখন শেষ হয়ে যাবে তখন মৃত্যুসংখ্যা আমরা হাজারে গুনবো লক্ষে নয়। কেন সেটা হবে? কারণ আমরা কেবল এক্সপোনেনশিয়াল বৃদ্ধিটাকে রোধ করব না, আমরা মৃতের সংখ্যাকেও কমিয়ে আনতে পারব যাতে চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে না পড়ে। যেহেতু আমরা খুবই কঠোরভাবে রোগের ছড়িয়ে পড়াকে প্রতিরোধ করতে চাইছি মানুষকে একেবারে গৃহবন্দি করে, সেহেতু রোগাক্রান্ত মানুষ এর শতকরা হার এবং তার মধ্যেও মৃত্যুর শতকরা হার কমে আসবে। এ কারণেই গোটা চিকিৎসাব্যবস্থাটা কার্যক্ষম থাকবে। চিত্রে মৃত্যুর হারকে শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ ধরা হয়েছে যেটা আমরা দক্ষিণ কোরিয়াতে আজ দেখতে পাচ্ছি, কারণ তারা সাপ্রেশন স্ট্র্যাটেজির সবচেয়ে ফলপ্রসূ প্রয়োগ ঘটিয়েছে।

jagonews24

সাপ্রেশন স্ট্র্যাটেজিতে আক্রান্ত ও মৃত্যু হার

মনে হচ্ছে না, যে এটি তো খুব সাধারণ একটা কমন সেন্স তাহলে প্রতিটা সরকার কেন এটার প্রয়োগ ঘটাচ্ছে না? কেন সরকারগুলোর মধ্যে একটা ইতস্তত ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে? তিনটি কারণে এটি হচ্ছে :

১. লকডাউন অল্প কিছুদিনের জন্য করলে কোনো লাভ নেই, এদিকে কয়েক মাস চালাতে হতে পারে। কোনো সরকারের পক্ষেই এটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।
২. কয়েক মাস লকডাউন চালু রাখলে অনেক দেশের পুরো ইকোনমি ভেঙে পড়বে।
৩. সমস্যার সমাধান কিন্তু একেবারে গোড়া থেকে হচ্ছে না এর মাধ্যমে। কারণ লকডাউন এর কারণে আমরা কেবল একটি মহামারিকে পিছিয়ে দিচ্ছি। যখন আমরা সোশ্যাল ডিসট্যান্স কমিয়ে নিয়ে আসব তখন আবার এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরিমাণ বাড়বে এবং মৃত্যু বাড়তে থাকবে।

লন্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের যে টিমের কথা বলছিলাম তারা সাপ্রেশনকে এভাবে মডেল করেছে।

চিত্র ৮ এ আপনারা বিভিন্ন পর্যায়ের সাপ্রেশন এর ক্ষেত্রে সবুজ আর কমলা রেখা দিয়ে বিভিন্ন ফলাফল দেখতে পাচ্ছেন। দেখা যাচ্ছে সাপ্রেশন এরপরও ফলাফল খুব বেশি ভালো, তা নয়। মৃত্যু কমিয়ে আনতে পারব আমরা, কিন্তু তারপরও সংখ্যায় নেহায়েত কম নয়। সুতরাং সরকারগুলো চিন্তা করছে, তাহলে কেন অর্থনীতির এমন বিপর্যয় ডেকে আনবে তারা। এর উত্তর দেয়ার আগে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় বোঝার চেষ্টা করি। এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি কিন্তু এই পুরো আলোচনার বাইরে রয়ে গেছে এখন পর্যন্ত।

এভাবে পাশাপাশি যদি মিটিগেশন এবং সাপ্রেশন এই দুই অপশনকে দেখানো হয় তাহলে মনে হবে কোন অপশনই খুব হৃদয়গ্রাহী নয়।

jagonews24

বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কীভাবে কমবে

হয় আমরা অনেক মৃত্যু মেনে নেব এবং আজকেই অর্থনীতির বিপর্যয়টাকে চোখের সামনে দেখব না। অথবা আমরা অর্থনৈতিক বিশাল ক্ষতিটাকে মেনে নেব কিন্তু শিগগিরই বিশাল মৃত্যুর বহরটাকে চোখের সামনে দেখবো না।

দুই ক্ষেত্রেই সময়ের মূল্যকে একেবারেই অগ্রাহ্য করা হয়েছে।

৩. সময়ের মূল্য :

আমরা কিন্তু দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা প্রথম থেকেই বলে আসছি। কারণ এতে বহু প্রাণ বাঁচবে। প্রতিটি দিন, প্রতিটি ঘণ্টা আমরা যত অপেক্ষা করব ততই মৃত্যুর পরিমাণ বাড়তে থাকবে, আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকবে। আমরা এটাও বলেছি যে কোনো কোনো দেশের ক্ষেত্রে কেবল একদিনের বিলম্ব, শতকরা ৪০ ভাগ মৃত্যুর হার বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু সময়ের মূল্যের আরও একটা দিক আছে যেটা এখনো বলা হয়নি। আমরা আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপরে স্মরণকালের সর্বোচ্চ পরিমাণে চাপ অনুভব করতে যাচ্ছি। আমরা এই পরিস্থিতির জন্য একেবারেই প্রস্তুত নই, এমনকি আমরা যে শত্রুর মোকাবেলা করতে চাচ্ছি এই শত্রুকেও ঠিকমতো চিনতে পারিনি। যেকোনো যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য এটা খুব ভালো অবস্থান নয়। মনে করুন আপনি কোনো একটি শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে যাচ্ছেন, কিন্তু সেই শত্রু দেখতে কেমন, তার চরিত্রটা কী, তার দুর্বলতা কোথায় আছে, এমনকি তার শক্তিটা কোন দিকে, সেটাও আপনি জানেন না। আপনাকে যদি দুটি অপশন দেয়া হয় যে, হয় শত্রুর দিকে আপনি ছুটে যাবেন যেটার জন্য আপনি মোটেও প্রস্তুত নন। অথবা শত্রু থেকে আপনি কিছুদূর পালিয়ে যাবেন যাতে হাতে কিছু সময় পাওয়া যায়। সেই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে আপনি নিজেকে আরেকটু প্রস্তুত করে তুলবেন। কোন অপশনটিকে আপনি বেছে নেবেন?

ঠিক এই কাজটি আমাদের আজ করা দরকার। গোটা বিশ্ব আজ জেগে উঠেছে। প্রতিটা দিন আমরা এই করোনাভাইরাস কে দেরি করিয়ে দিতে পারব, সেই প্রতিটা দিন আমাদের প্রস্তুতির কাজে লাগবে। আমরা এখন দেখব, যদি সময় হাতে পাওয়া যায় তাহলে সেই সময়টার সর্বোচ্চ ব্যবহার কীভাবে করা যেতে পারে।

jagonews24

হুবেই প্রদেশ এর সাপ্রেশন স্ট্র্যাটেজি

চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে সাপ্রেশন স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করলে এক রাতের মধ্যেই রোগে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কীভাবে কমে আসে। চিত্র ৯ এ সেটাই দেখানো হয়েছে।

আজকের পাওয়া তথ্য অনুসারে নতুন কোনো রোগী এই ভাইরাসে আর আক্রান্ত হচ্ছে না যদিও এই বিশাল প্রদেশের জনসংখ্যা ৬০ মিলিয়ন।

রোগ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে যে সময়টা লাগে, তার কারণেই আরো দুই সপ্তাহ আমরা কিছু রোগীর কথা জানতে পারবো কিন্তু তারপরই এই সংখ্যাটা কমে যেতে থাকবে। আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমলে মৃত্যুর সংখ্যা আনুপাতিক হারে কমে যাবে। তাতে পারিপার্শ্বিক ক্ষতিটাও কমে আসবে। অন্যান্য গুরুতর রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা পাওয়া শুরু করবে। তাতে অন্যান্য রোগে মৃত্যুর হারও কমে আসতে থাকবে। চিকিৎসা ব্যবস্থার উপরে আর চাপ থাকবে না, তখন ডাক্তার-নার্স থেকে শুরু করে সব রিসোর্সও যখন দরকার হবে সময়মতো পাওয়া যাবে।

সুতরাং সাপ্রেশন এর কারণে যে সময়টা হাতে পাওয়া যাবে তাতে

১. করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা কম হবে
২. চিকিৎসা ব্যবস্থার একটু চাপ কমবে এবং যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের উপরও চাপ পড়বে।
৩. মৃত্যুর সংখ্যা হ্রাস পাবে।
৪. সব রকমের পারিপার্শ্বিক ক্ষতি কমে যাবে
৫. ইতালিতে আক্রান্ত রোগীর শতকরা ৮ ভাগ কিন্তু স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে জড়িত। এটাকে মোটেই খাটো করে দেখার উপায় নেই কারণ একে তো স্বাস্থ্যসেবার উপরে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে তার উপর স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করা প্রজন্ম যদি কমে আসে তাহলে এর প্রভাব খুবই মারাত্মক হয়। সুতরাং চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত কেউ যদি আক্রান্ত হয় তাকে কোয়ারেন্টাইন করে সুস্থ হয়ে কাজে ফিরে আসার সুযোগ করে দেওয়া যাবে।

আসুন এবার বোঝার চেষ্টা করি আমাদের বড় সমস্যাটা কোথায়।

টেস্ট করা এবং ট্রেস করা

বর্তমানে কিন্তু যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধারণা নেই আসলে তাদের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কত। আমাদের অফিশিয়াল কিছু নম্বর জানানো হচ্ছে, কিন্তু এটা সবাই জানে যে এই সংখ্যাটি মোটেই সঠিক নয়। সত্যিকারে সংখ্যাটি দশ হাজার থেকে এক লাখ এর মাঝে যেকোনো সংখ্যা হতে পারে। সরকারি সংখ্যার সঙ্গে সত্যিকারের সংখ্যার পার্থক্যের কারণ যথেষ্ট পরিমাণে মানুষকে টেস্ট করা হচ্ছে না এবং তারা কীভাবে আক্রান্ত হচ্ছে সেটাকে ভালোভাবে ট্রেস করা যাচ্ছে না।

হয়তো কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের টেস্ট করার সক্ষমতা বাড়বে আর তখন আমরা সবাইকে অন্ততপক্ষে টেস্ট করতে পারব। আর যখন সেই তথ্যটি হাতে আসবে তখন আমরা আমাদের সমস্যাটা কতটুকু গভীর সেটা বুঝতে পারব আর আমাদের কতটা কঠোর হতে হবে সেটাও ভালোভাবে সবাইকে বোঝাতে পারবো। ঠিক কোন কমিউনিটিকে লকডাউন থেকে রিলিজ করা যাবে, তখন এটা বোঝা যাবে। নতুন কিছু টেস্টিং মেথডের কথা জানা যাচ্ছে যেগুলো দ্রুত কাজ করে এবং খরচ খুব বেশি নয়।

আমাদের ট্রেসিং অপারেশনটাকে আরেকটু ভালো করতে হবে, যেভাবে চীন কিংবা পূর্ব এশিয়ার অন্য দেশগুলো করেছে। প্রতিটা আক্রান্ত ব্যক্তি যতজন মানুষের সাথে সান্নিধ্যে এসেছে তারা তাদেরও কোয়ারান্টাইন এর ব্যবস্থা করেছে। এর মাধ্যমে কিন্তু আমাদের হাতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য আসবে, যেগুলোকে আমরা ভবিষ্যৎ সোশ্যাল ডিসটেন্স এর ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারবো। আমরা যদি জানি ঠিক কোন স্থানগুলো নিরাপদ নয় আমাদের টার্গেটটা কোথায় তাহলে কাজ অনেক কমে আসবে। কাজটা কিন্তু খুব কঠিন নয় এবং পূর্ব এশিয়ার অনেকগুলো এই টেকনিক কাজে লাগিয়ে সোশ্যাল ডিসটেন্স খুব বেশিদিন ব্যবহার না করেও এই দুর্যোগকে সামাল দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদাহরণ কারণ তারা কেবল টেস্টিং এবং টেস্টিং এর মাধ্যমেই পুরো মহামারিকে কন্ট্রোলে নিয়ে এসেছে এবং তাদের সোশ্যাল ডিসটেন্স খুব ভয়াবহভাবে ব্যবহার করতে হয়নি।

দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি

যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য কিন্তু একটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে কোনো রকম অস্ত্র ছাড়াই।

আমাদের হাতে মাস্ক রয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহের, খুবই স্বল্প পরিমাণে পিপিই রয়েছে এবং যথেষ্ট পরিমাণে ভেন্টিলেটর নেই। যথেষ্ট পরিমাণে আইসিইউ বেড নেই, ই সি এম ও (রক্তে অক্সিজেন বাড়ানোর মেশিন) নেই, এ কারণেই মিটিগেশন স্ট্র্যাটেজিতে আমাদের ফ্যাটালিটি রেট অনেক বেশি হবে।

কিন্তু আমাদের হাতে যদি কিছু সময় থাকে তাহলে কিন্তু আমরা পুরো পরিস্থিতিটাকেই বদলে ফেলতে পারব। আমাদের হাতে সময় থাকবে আরো প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার। যাতে ভবিষ্যতে এই ভাইরাস আবার যখন আসবে তখন আমরা প্রস্তুত থাকবো। এই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিগুলো কীভাবে কম খরচে ও দ্রুত বানাতে হয় সেগুলো আমরা শিখে ফেলবো সুতরাং ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে দ্রুত নিজেরাই তৈরি করতে পারবো। আমাদের কিন্তু বছরের পর বছর সময় দরকার নেই। হাতে কেবল কিছু সপ্তাহ সময় দরকার। সক্ষমতা আমাদের রয়েছে, কিন্তু এই দিকে রিসোর্স ব্যয় করা হয়নি। অন্য দেশগুলো কিন্তু ঠিক এই কাজটাই করেছে, হাতে যখন সময় পেয়েছে। এখন সুবিধা হলো তথ্যপ্রযুক্তি এবং টেকনোলজির বিস্ময়কর অবদান। থ্রিডি প্রিন্টিং টেকনোলজি দিয়ে ভেন্টিলেটরের পার্টস তৈরি করে ফেলছে মানুষ। আমরাও এসব করতে পারব, কিন্তু হাতে কিছু সময় দরকার। ভয়ঙ্কর শত্রুর মোকাবিলা করার আগে আপনি কি নিজেকে কিছু সপ্তাহ ধরে প্রস্তুত করতে চাইবেন না?

আমাদের ঘাটতি কেবল এখানেই নয় কিন্তু, আমাদের স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করবে এমন আরও বহু লোক দরকার। সেই লোক আমরা দ্রুত কোথা থেকে পাব? আমাদের বহু মানুষকে ট্রেনিং দিতে হবে যারা ডাক্তার এবং নার্সের সঙ্গে কাজ করতে পারবে সাহায্যকারী হিসেবে। যারা মেডিকেল সেক্টরে কাজ করেছে আগে কিংবা কোনো না কোনো অভিজ্ঞতা আছে তাদের আবার এখানে নিয়ে আসতে হবে, যদি তারা রিটায়ারমেন্টে যায় সেখান থেকে তাদের নিয়ে আসতে হবে ট্রেনার হিসেবে। অনেক দেশ সেটা করেছেও কিন্তু এর জন্য সময় দরকার। আমরা কয়েক সপ্তাহে হয়তোবা এই কাজগুলো করতে পারব। কিন্তু গোটা চিকিৎসাব্যবস্থা যদি ভেঙে পড়ে তাহলে আর সেটা সম্ভব নয়।

সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে

মানুষ আসলেই অনেক ভয় পেয়েছে কিন্তু ঠিক জানে না কোন কাজটা করা উচিত নয়। যেমন এখনো তারা হাত মেলানো বন্ধ করেনি। নিরাপদ দূরত্বে থাকাটাও প্র্যাকটিস হয়নি। এখনো সামাজিকভাবে তাদের হাগ করতে দেখা যায়। কনুই দিয়ে দরজা খোলা বাদ পড়ার প্রবণতা এখনো গড়ে ওঠেনি। যেকোনো দরজার নব ধরার পরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করানো যায়নি। হাত দিয়ে টাকা ধরার পরেও হাত ধুতে দেখা যায় না। কোন টেবিলে বসার আগে সেটাকে ডিজ ইনফ্যাক্ট করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না।

আমাদের হাতে যখন প্রচুর মাস্ক থাকবে তখন আমরা স্বাস্থ্যসেবার বাইরে সেটাকে ব্যবহার করতে উৎসাহিত করতে পারব। কিন্তু এই মুহূর্তে যত মাস্ক আছে সেটা হেলথকেয়ার ওয়ার্কারদের ব্যবহার করতে দেওয়াই ভালো। প্রতিনিয়ত তাদের এই ভাইরাসে এক্সপোজ হতে হয়। যদি হাতে যথেষ্ট মাস্ক থাকে তাহলে দৈনন্দিন জীবনেও সেটা ব্যবহার করতে মানুষকে উৎসাহিত করা যেতে পারে। যদি যথেষ্ট ট্রেনিং দেওয়া যায় তাহলে মাস্ক এর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কীভাবে ইনফেকশন কমানো যায় সেটাও শিখে ফেলবে মানুষ। একেবারেই কোনো কিছু না পরার চেয়ে একটা কিছু ব্যবহার করা ভালো!

ভাইরাসের ট্রান্সমিশন রেট কমানোর ক্ষেত্রে এগুলো খুবই সস্তা এবং সহজ পদক্ষেপ কিন্তু কার্যকরী। ভাইরাস এর ট্রান্সমিশন রেট যতই কমাতে পারবো আমরা, হাতে সময় ততই বেশি পাওয়া যাবে, আর ততই ভালো প্রস্তুতি নিতে পারবো।

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জ্ঞান

এই ভাইরাস সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান অতি সামান্য। কিন্তু প্রতি সপ্তাহেই শত শত নতুন পেপার এবং গবেষণার ফলাফল বেরিয়ে এসেছে।

jagonews24

রিসার্চ এর গতি

চিত্র ১০ এ করোনাভাইরাস সম্পর্কে যে রিসার্চ হচ্ছে তার গতি দেখানো হয়েছে। পুরো বিশ্ব পুরো মানবজাতি একটি কমন শত্রু এর পেছনে উঠে পড়ে লেগেছে। সারা বিশ্বের হাজার হাজার সাইন্টিস্ট এখন দিনরাত কাজ করে চলেছে এর পেছনে।

যে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিনরাত খুঁজে চলেছেন বিজ্ঞানীরা সেগুলো হলো :

- এই ভাইরাস কীভাবে ছড়ায়?
- এই ছড়িয়ে পড়া থেকে কীভাবে ধীর করা যায়?
- যেসব আক্রান্ত ব্যক্তি কোন রকম লক্ষণ প্রকাশ করেন না তাদের শতকরা হার কত?
- তারা কী ছোঁয়াচে? তার পরিমাণ কতটুকু?
- সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা কোনটি?
- ভাইরাসটি কতক্ষণ পর্যন্ত বেঁচে থাকে?
- ঠিক কোন সারফেসে?
- সোশ্যাল ডিসট্যান্স এর বিভিন্ন পদক্ষেপ রোগ ছড়িয়ে পড়া কতটুকু রোধ করে?
- সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স এর বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে অর্থনৈতিক কতটা ক্ষতি হবে?
- ট্রেস করার সবচেয়ে ভালো উপায় কি?
- আমাদের টেস্টটা কতটুকু নির্ভরযোগ্য?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেয়ে গেলে আমাদের অনেক সহজ হয়ে যাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া। তার কারণে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক যে ক্ষতি হবে সেটাও কমে আসবে। রিসার্চের যে গতি তাতে এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের কয়েক মাস বা বছর লাগবে না, কয়েক সপ্তাহই যথেষ্ট হবে আশা করা যায়।

মূল লেখা : টমাস পুয়ো, জনপ্রিয় ব্লগ মিডিয়াম থেকে অনুবাদ করা।
অনুবাদ : ড. জাফরী আল ক্বাদরী, টেকনিক্যাল লিড, ইলেক্ট্রিক গাড়ি বিশেষজ্ঞ, জেনারেল মটরস।

এসএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,৪৬,৫৭,৪৮৬
আক্রান্ত

১১,৭৭,১১৬
মৃত

৩,২৬,২৯,৪৬০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,০৩,০৭৯ ৫,৮৬১ ৩,১৯,৭৩৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৯০,৯৭,৯৯৩ ২,৩২,৮৩৪ ৫৯,০৭,৩৬৭
ভারত ৮০,৩৮,৭৬৫ ১,২০,৫৬৩ ৭৩,১৪,৯৫১
ব্রাজিল ৫৪,৪৫,৪৭৫ ১,৫৮,১০১ ৪৯,০৪,০৪৬
রাশিয়া ১৫,৬৩,৯৭৬ ২৬,৯৩৫ ১১,৭১,৩০১
ফ্রান্স ১২,৩৫,১৩২ ৩৫,৭৮৫ ১,১৩,৯৭৭
স্পেন ১১,৯৪,৬৮১ ৩৫,৪৬৬ ১,৯৬,৯৫৮
আর্জেন্টিনা ১১,১৬,৬০৯ ২৯,৭৩০ ৯,২১,৩৪৪
কলম্বিয়া ১০,৩৩,২১৮ ৩০,৫৬৫ ৯,৩২,৮৮২
১০ যুক্তরাজ্য ৯,৪২,২৭৫ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১১ মেক্সিকো ৯,০১,২৬৮ ৮৯,৮১৪ ৬,৫৯,৪৭৩
১২ পেরু ৮,৯২,৪৯৭ ৩৪,২৫৭ ৮,১৪,২০৪
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,১৯,৭১৪ ১৯,১১১ ৬,৪৮,৬৫৪
১৪ ইতালি ৫,৮৯,৭৬৬ ৩৭,৯০৫ ২,৭৫,৪০৪
১৫ ইরান ৫,৮৮,৬৪৮ ৩৩,৭১৪ ৪,৬৭,৯১৭
১৬ চিলি ৫,০৫,৫৩০ ১৪,০৩২ ৪,৮২,৯০৬
১৭ জার্মানি ৪,৭৯,৪৬৩ ১০,৩৫৮ ৩,৩২,৮০০
১৮ ইরাক ৪,৬৩,৯৫১ ১০,৭৭০ ৩,৯১,০১০
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৪,০০,৪৮৩ ১৩,৬১২ ৩,২৫,৭৯৩
২০ ফিলিপাইন ৩,৭৫,১৮০ ৭,১১৪ ৩,২৯,১১১
২১ তুরস্ক ৩,৬৮,৫১৩ ১০,০২৭ ৩,১৯,১৮১
২২ ইউক্রেন ৩,৬৩,০৭৫ ৬,৭৫৫ ১,৪৮,৬৪২
২৩ বেলজিয়াম ৩,৪৭,২৮৯ ১১,০৩৮ ২৩,৫০৪
২৪ সৌদি আরব ৩,৪৬,০৪৭ ৫,৩৪৮ ৩,৩২,৫৫০
২৫ পাকিস্তান ৩,৩০,২০০ ৬,৭৫৯ ৩,১১,৮১৪
২৬ নেদারল্যান্ডস ৩,১৯,৯৯১ ৭,২০২ ২৫০
২৭ ইসরায়েল ৩,১২,৪১৭ ২,৪৮৪ ২,৯৭,৮৮১
২৮ পোল্যান্ড ২,৯৯,০৪৯ ৪,৮৪৯ ১,২৩,৫০৪
২৯ চেক প্রজাতন্ত্র ২,৯২,২৮০ ২,৬৩০ ১,১১,৯৬৩
৩০ কানাডা ২,২৪,৮৮৯ ১০,০২৬ ১,৮৮,২২৬
৩১ রোমানিয়া ২,২২,৫৫৯ ৬,৬৮১ ১,৫৯,৮৫৫
৩২ মরক্কো ২,০৭,৭১৮ ৩,৫০৬ ১,৭১,৫৯১
৩৩ ইকুয়েডর ১,৬৪,৯০৮ ১২,৬০৮ ১,৪১,৭৫৯
৩৪ নেপাল ১,৬২,৩৫৪ ৮৮৭ ১,২১,৮২৪
৩৫ বলিভিয়া ১,৪১,১২৪ ৮,৬৭২ ১,০৯,৭৬৯
৩৬ সুইজারল্যান্ড ১,৩৫,৬৫৮ ২,১৫৮ ৬৫,১০০
৩৭ কাতার ১,৩১,৯৩৯ ২৩০ ১,২৮,৮৮৪
৩৮ পানামা ১,৩০,৪২২ ২,৬৫০ ১,০৬,৪৪০
৩৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,২৯,০২৪ ৪৮৫ ১,২৪,৬৪৭
৪০ পর্তুগাল ১,২৮,৩৯২ ২,৩৯৫ ৭৪,০০১
৪১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২৫,৫৭০ ২,২৩২ ১,০৩,৪১২
৪২ কুয়েত ১,২৩,৯০৬ ৭৬৩ ১,১৪,৯২৩
৪৩ সুইডেন ১,১৭,৯১৩ ৫,৯৩৩ ৪,৯৭১
৪৪ ওমান ১,১৪,৪৩৪ ১,২০৮ ১,০৩,০৬০
৪৫ কাজাখস্তান ১,১০,৮৩২ ১,৮২৫ ১,০৫,৮৮৩
৪৬ মিসর ১,০৬,৮৭৭ ৬,২২২ ৯৯,০৮৪
৪৭ কোস্টারিকা ১,০৬,৫৫৩ ১,৩৪০ ৬৪,৯৯৬
৪৮ গুয়াতেমালা ১,০৬,৩২০ ৩,৬৮২ ৯৫,৭৫২
৪৯ জাপান ৯৮,১১৬ ১,৭৩০ ৯০,৮০৭
৫০ বেলারুশ ৯৫,৫৪৫ ৯৬৯ ৮৪,৬৯০
৫১ ইথিওপিয়া ৯৪,৮২০ ১,৪৫১ ৪৯,৮৮৬
৫২ হন্ডুরাস ৯৪,৬২৩ ২,৬৩৯ ৩৮,৮৩৩
৫৩ ভেনেজুয়েলা ৯০,৪০০ ৭৮০ ৮৪,৯০৭
৫৪ অস্ট্রিয়া ৮৯,৪৯৬ ১,০২৭ ৬১,৬৮৪
৫৫ চীন ৮৫,৮৬৮ ৪,৬৩৪ ৮০,৯৩৬
৫৬ আর্মেনিয়া ৮২,৬৫১ ১,২৪৩ ৫২,৫০৮
৫৭ বাহরাইন ৮০,৭৬৫ ৩১৬ ৭৭,৪২১
৫৮ লেবানন ৭৫,৮৪৫ ৬০২ ৩৭,৭৮৭
৫৯ মলদোভা ৭৩,৩২১ ১,৭২৯ ৫৩,৮১৬
৬০ উজবেকিস্তান ৬৬,১৪১ ৫৫৮ ৬৩,৩২৩
৬১ হাঙ্গেরি ৬৫,৯৩৩ ১,৫৭৮ ১৭,০৯৮
৬২ নাইজেরিয়া ৬২,২২৪ ১,১৩৫ ৫৭,৯১৬
৬৩ জর্ডান ৬১,৯৪২ ৭০০ ৭,৫০৮
৬৪ প্যারাগুয়ে ৬০,৫৫৭ ১,৩৪৭ ৪০,৭৪৮
৬৫ আয়ারল্যান্ড ৫৯,৪৩৪ ১,৮৯৬ ২৩,৩৬৪
৬৬ লিবিয়া ৫৮,৮৭৪ ৮২৩ ৩২,৯৬২
৬৭ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯৮৭ ২৮ ৫৭,৮৯০
৬৮ কিরগিজস্তান ৫৭,২৭৬ ১,৪৯৮ ৪৮,৬৩৭
৬৯ আলজেরিয়া ৫৭,০২৬ ১,৯৪১ ৩৯,৬৩৫
৭০ তিউনিশিয়া ৫৪,২৭৮ ১,১৫৩ ৫,০৩২
৭১ আজারবাইজান ৫২,১৩৭ ৬৯৯ ৪২,০৩৩
৭২ ফিলিস্তিন ৫১,৯৪৮ ৪৬৫ ৪৪,৯৮৫
৭৩ কেনিয়া ৫১,৮৫১ ৯৩৪ ৩৫,২৫৮
৭৪ মায়ানমার ৪৯,০৭২ ১,১৭২ ২৮,৬৩৬
৭৫ স্লোভাকিয়া ৪৮,৯৪৩ ১৮৪ ১১,৭৯৯
৭৬ ঘানা ৪৭,৭৭৫ ৩১৬ ৪৬,৯৭১
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪৪,৭৩৭ ১,১৬১ ২৭,০৮৭
৭৮ ডেনমার্ক ৪৩,১৭৪ ৭১৫ ৩৩,১২৬
৭৯ বুলগেরিয়া ৪২,৭০১ ১,১৬১ ১৮,৯৪৩
৮০ সার্বিয়া ৪২,২০৮ ৮০৩ ৩১,৫৩৬
৮১ আফগানিস্তান ৪১,১৪৫ ১,৫২৯ ৩৪,২৩৭
৮২ ক্রোয়েশিয়া ৪০,৯৯৯ ৪৯৩ ২৭,৭৭০
৮৩ গ্রীস ৩৪,২৯৯ ৬০৩ ৯,৯৮৯
৮৪ জর্জিয়া ৩৩,৮৫৮ ২৫৩ ১৪,৮২৯
৮৫ এল সালভাদর ৩২,৯২৫ ৯৫৭ ২৮,৫৮২
৮৬ মালয়েশিয়া ২৯,৪৪১ ২৪৬ ১৯,০৭২
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৮,৬৯৭ ৯৬৩ ১৯,৭৭১
৮৮ স্লোভেনিয়া ২৮,২১৫ ২৭৮ ৯,৬৬৭
৮৯ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৫৫৪ ৯০৭ ২৫,২২৫
৯০ দক্ষিণ কোরিয়া ২৬,১৪৬ ৪৬১ ২৪,০৭৩
৯১ ক্যামেরুন ২১,৭৯৩ ৪২৬ ২০,১১৭
৯২ আইভরি কোস্ট ২০,৫৫৫ ১২৪ ২০,২৪১
৯৩ আলবেনিয়া ২০,০৪০ ৪৯৩ ১০,৮৯৩
৯৪ নরওয়ে ১৮,৯২০ ২৮০ ১১,৮৬৩
৯৫ মন্টিনিগ্রো ১৭,৩৯২ ২৮২ ১৩,৪৮৫
৯৬ মাদাগাস্কার ১৬,৯৬৮ ২৪৪ ১৬,৩০১
৯৭ জাম্বিয়া ১৬,২৪৩ ৩৪৮ ১৫,৪৮১
৯৮ লুক্সেমবার্গ ১৫,৬৫৯ ১৪৭ ৯,৬৮১
৯৯ সেনেগাল ১৫,৫৮২ ৩২২ ১৪,৫৬৫
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১৫,৩৭৮ ৩৫৫ ১১,৩০০
১০১ সুদান ১৩,৭৬৫ ৮৩৭ ৬,৭৬৪
১০২ নামিবিয়া ১২,৮০৬ ১৩৩ ১০,৯২৯
১০৩ মোজাম্বিক ১২,৪১৫ ৯১ ৯,৭৮৫
১০৪ লিথুনিয়া ১২,১৩৮ ১৪৪ ৪,৫০২
১০৫ গিনি ১১,৮১৯ ৭১ ১০,৫০৫
১০৬ উগান্ডা ১১,৭৬৭ ১০৬ ৭,৪৬১
১০৭ মালদ্বীপ ১১,৫৯১ ৩৭ ১০,৬৮৫
১০৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,২১১ ৩০৫ ১০,৫০৯
১০৯ তাজিকিস্তান ১০,৯০০ ৮২ ১০,০৭০
১১০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,৩৯৭ ৭০ ৯,৯৯৫
১১১ অ্যাঙ্গোলা ৯,৮৭১ ২৭১ ৩,৬৪৭
১১২ শ্রীলংকা ৯,২০৫ ১৯ ৪,০৭৫
১১৩ হাইতি ৯,০৪০ ২৩২ ৭,৪১১
১১৪ গ্যাবন ৮,৯৩৭ ৫৪ ৮,৫৪৮
১১৫ জ্যামাইকা ৮,৮৫১ ১৯৮ ৪,৩৭৯
১১৬ কেপ ভার্দে ৮,৫৪৮ ৯৪ ৭,৭০১
১১৭ জিম্বাবুয়ে ৮,৩১৫ ২৪২ ৭,৮০৪
১১৮ মৌরিতানিয়া ৭,৬৮০ ১৬৩ ৭,৩৯২
১১৯ গুয়াদেলৌপ ৭,৪৭৪ ১১৫ ২,১৯৯
১২০ কিউবা ৬,৭২৭ ১২৮ ৬,১০৭
১২১ বাহামা ৬,৫০২ ১৩৬ ৪,০৮৮
১২২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬,৪৩১ ২৬ ৪,০৯০
১২৩ বতসোয়ানা ৬,২৮৩ ২১ ৪,৪৩৮
১২৪ মালাউই ৫,৯০৪ ১৮৪ ৫,৩০০
১২৫ ইসওয়াতিনি ৫,৮৭৫ ১১৬ ৫,৫২৪
১২৬ মালটা ৫,৭৬০ ৫৬ ৩,৭৮৯
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,৫৬৮ ১০৬ ৪,১৮৬
১২৮ জিবুতি ৫,৫৪৪ ৬১ ৫,৪২১
১২৯ সিরিয়া ৫,৫২৮ ২৭৫ ১,৮২১
১৩০ নিকারাগুয়া ৫,৫১৪ ১৫৬ ৪,২২৫
১৩১ রিইউনিয়ন ৫,৪৭২ ২২ ৪,৬৩০
১৩২ হংকং ৫,৩১১ ১০৫ ৫,০৬৩
১৩৩ কঙ্গো ৫,২৫৩ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩৪ সুরিনাম ৫,১৮৭ ১১১ ৫,০৩৯
১৩৫ লাটভিয়া ৫,১৪৪ ৬৩ ১,৩৮২
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,১২৯ ৩৫ ৪,৮৫১
১৩৭ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৮৩ ৮৩ ৪,৯৬৪
১৩৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৬৩ ৬২ ১,৯২৪
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,৬৭১ ১২ ৩,৫৯৮
১৪০ এস্তোনিয়া ৪,৫৯০ ৭৩ ৩,৬২৬
১৪১ এনডোরা ৪,৫১৭ ৭২ ৩,১৪৪
১৪২ আরুবা ৪,৪৩৭ ৩৬ ৪,২৫৩
১৪৩ মায়োত্তে ৪,৩৬৬ ৪৪ ২,৯৬৪
১৪৪ গায়ানা ৪,০৬১ ১১৯ ৩,০৩০
১৪৫ সোমালিয়া ৩,৯৪১ ১০৪ ৩,১৮৫
১৪৬ সাইপ্রাস ৩,৮১৭ ২৫ ১,৮৮২
১৪৭ থাইল্যান্ড ৩,৭৫৯ ৫৯ ৩,৫৬১
১৪৮ গাম্বিয়া ৩,৬৬৬ ১১৯ ২,৬৬৬
১৪৯ মার্টিনিক ৩,৫৫২ ৩০ ৯৮
১৫০ মালি ৩,৫৩০ ১৩৬ ২,৬৬৭
১৫১ বেলিজ ৩,২৩২ ৫১ ২,০৪৫
১৫২ উরুগুয়ে ২,৯১৬ ৫৪ ২,৪৫৫
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ২,৮৯০ ৫৬ ১,২৯০
১৫৪ বেনিন ২,৫৫৭ ৪১ ২,৩৩০
১৫৫ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৪৬৬ ৬৭ ২,১৮১
১৫৬ গিনি বিসাউ ২,৪০৩ ৪১ ১,৮১৮
১৫৭ সিয়েরা লিওন ২,৩৫০ ৭৪ ১,৭৯০
১৫৮ টোগো ২,২২৯ ৫৪ ১,৬১২
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৬১ ৫৯৯ ১,৩৬৬
১৬০ লেসোথো ১,৯৪৭ ৪৩ ৯৭৫
১৬১ নিউজিল্যান্ড ১,৯৪৩ ২৫ ১,৮৫২
১৬২ চাদ ১,৪৬৮ ৯৭ ১,৩০৬
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৪১৯ ৮২ ১,২৭৮
১৬৪ নাইজার ১,২১৮ ৬৯ ১,১৩২
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৭৩ ৩৫ ১,০৬২
১৬৬ কিউরাসাও ৮৮৪ ৬০৬
১৬৭ সান ম্যারিনো ৮৫২ ৪৫ ৭১৬
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ৮২২ ৪৮ ৬৭১
১৬৯ সিন্ট মার্টেন ৭৯২ ২২ ৭১৪
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭০৩ ৬৮৯
১৭২ জিব্রাল্টার ৬৮২ ৫৬২
১৭৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮৮ ৫৪৬
১৭৪ সেন্ট মার্টিন ৫৬৬ ৪৮৮
১৭৫ বুরুন্ডি ৫৫৯ ৫১১
১৭৬ তাইওয়ান ৫৫০ ৫০৮
১৭৭ কমোরস ৫১৭ ৪৯৪
১৭৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৯৪ ৪৭৮
১৮০ ইরিত্রিয়া ৪৬১ ৪০৫
১৮১ লিচেনস্টেইন ৪৫০ ২২৮
১৮২ মরিশাস ৪৩৯ ১০ ৩৮৯
১৮৩ আইল অফ ম্যান ৩৫২ ২৪ ৩২১
১৮৪ ভুটান ৩৪৫ ৩১৪
১৮৫ মঙ্গোলিয়া ৩৪০ ৩১২
১৮৬ মোনাকো ৩২০ ২৫৬
১৮৭ কম্বোডিয়া ২৯০ ২৮৩
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৯ ২১৮
১৮৯ বার্বাডোস ২৩৩ ২১৭
১৯০ বারমুডা ১৯৪ ১৭৫
১৯১ সিসিলি ১৫৩ ১৪৯
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫০ ১২৬
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৮ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১২৪ ১০৮
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৮৩ ৬৭
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৪ ৬৯
১৯৭ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ৬৭ ২৭
১৯৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০০ ডোমিনিকা ৩৮ ২৯
২০১ ফিজি ৩৩ ৩১
২০২ পূর্ব তিমুর ৩০ ৩১
২০৩ গ্রেনাডা ২৮ ২৪
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৪ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৭ ১৬
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]