করোনাভাইরাস পরবর্তী আর্থ-সামাজিক অবস্থা

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৫৮ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২০

মাসুদ হাসান

আমরা এমন এক সময় অতিক্রম করতে যাচ্ছি, যা অতীতে কখনও করিনি। সামনের দিনগুলো আমাদের কাছে অস্পষ্ট। বিজ্ঞানের উৎকর্ষতায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন অনেক উন্নত। অতীতে বছরজুড়ে যতসংখ্যক মানুষ বিমানে ভ্রমণ করত এখন তা একদিনে করে। এমনকি ২০০ বছর আগেও এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে কয়েক মাস লেগে যেত। তাই অতীতে অনেক ভাইরাস বা ব্যাধি এই পৃথিবীর বুকে এলেও তা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যেতে পারেনি।

বর্তমান প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। করোনাভাইরাস মাত্র তিন মাসে পুরো পৃথিবীকে গ্রাস করে ফেলেছে। পুরো পৃথিবী কার্যত লকডাউন অর্থাৎ স্থবির হয়ে পড়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে এর আগে যা কখনও ঘটেনি। তাই আমাদের সামনে এমন এক ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে যা আগে কেউ সম্মুখীন হয়নি।

বিশ্বজুড়ে সবার এখন একটিই প্রশ্ন ‘এই লকডাউন কবে শেষ হবে এবং পৃথিবী কবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে’? কার্যত এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। ইতালি এবং সৌদিতে এক মাস হয়ে গেল লকডাউন চলছে অথচ এখনও করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন মনে আসতেই পারে আর তা হচ্ছে লকডাউন ছেড়ে দিলে কী অবস্থা হবে? লকডাউন ছেড়ে দিলে ভাইরাস আবার ছড়িয়ে যাবে নাকি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে তা সময় বলে দেবে। তবে পৃথিবীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে এটা নিশ্চিত।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) আশঙ্কা করেছে বিশ্বের প্রায় ৩৩০ কোটি মানুষ বেকার হয়ে যেতে পারে। আইএলওর আশঙ্কা আংশিক সত্য হলেও বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে যাবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বেশি কর্মহীন হয়ে পড়বে গার্মেন্টস শিল্পের সাথে জড়িত শ্রমিক। শুধু প্রথম সারির গার্মেন্টসগুলো টিকে থাকবে। বস্ত্র যেহেতু মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে একটি তাই পোশাকশিল্প বন্ধ হওয়ার সুযোগ নেই। তবে পণ্য বিক্রির জন্য গার্মেন্টস মালিকদের বিকল্প বাজার খুঁজে নিতে হবে।

গার্মেন্টস শিল্পের পর সবচেয়ে বড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। বাংলাদেশে বর্তমানে ৬৪টি ব্যাংক এবং ৩৪টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির যে আকার তাতে এতগুলো ব্যাংক এবং ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো যৌক্তিকতা নেই। শুনলে অবাক হবেন ভারতের মতো দেশে ব্যাংকের সংখ্যা এখন ৩৪টি। বাংলাদেশে এতগুলো ব্যাংক অনুমোদনের পেছনে একটিই কারণ আর তা হচ্ছে রাজনৈতিক তদবির।

বর্তমানে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা, যা আমাদের অর্থনীতিতে বিপর্যয়ের একটি সতর্কবার্তা দিয়ে আসছিল আগে থেকেই। বর্তমান মহামারিতে এই খেলাপি ঋণের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে অনেক ব্যাংক একীভূত হয়ে যাবে বেঁচে থাকার তাগিদে। ব্যাংকগুলো সামনের দিনগুলোতে ব্যয় কমিয়ে আনার প্রতিযোগিতা শুরু করে দেবে। অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারাবে।

বাংলাদেশের জন্য আরও একটি দুঃসংবাদ হচ্ছে সামনের দিনগুলোতে প্রবাসী আয় বা ফরেন রেমিট্যান্স মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। তাই সরকারকে পণ্য আমদানির ওপর বিশেষ নজর দিতে হবে। শুধু মৌলিক চাহিদার পূরণ করে যেমন কৃষি সরঞ্জাম, ওষুধের কাঁচামাল, জ্বালানি তেল ছাড়া সব অপ্রয়োজনীয় বিলাসীপণ্য আমদানি বন্ধ রাখতে হবে। আজ থেকে ২৫ বছর আগেও দেশি চকলেট, বিস্কুট, দেশি প্রসাধনী ছাড়া বাজারে তেমন বিদেশি পণ্য দেখা যেত না। অথচ এখন বিদেশি পণ্যে বাজার সয়লাব, যা বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই না। সরকারকে সামনের দিনগুলোতে অপচয় বন্ধ করে সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী হতে হবে।

এই মহামারিতে বিশ্বে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি আসবে বিলাসবহুল পণ্যের ওপর। মানুষ তার মৌলিক চাহিদা পূরণ করতেই হিমশিম খাবে। মৌলিক চাহিদার মধ্যে প্রথম চাহিদা হচ্ছে খাদ্য। বিশ্ব এখন কার্যত লকডাউন কিন্তু তাতে মানুষের আহার কিন্তু বন্ধ নেই। যত দিন যাবে খাদ্যের মজুত তত কমে আসবে। সামনের দিনগুলোতে পুরো বিশ্বে খাদ্যের সংকট দেখা দিতে পারে। আর সেই জন্য বিশ্বের বড় বড় খাদ্য রফতানিকারক দেশগুলো যেমন ভিয়েতনাম, ভারত, রাশিয়া, কাজাখস্তান খাদ্য রফতানি বন্ধ করে নিজেরাই মজুত করছে। করোনাকাল যদি দীর্ঘায়িত হয় তাহলে প্রতিটি দেশ ‘ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি’ করতে থাকবে। প্রতিবেশী দেশগুলো একে অন্যের সাহায্যে এগিয়ে আসবে না।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারকে খাদ্য খাদ্য এবং খাদ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। কৃষকের মাথার ওপর ছায়া হয়ে তাদের পাশে থাকতে হবে। কৃষকের বীজ, সার, এবং তাদের আর্থিক সহযোগিতা দিতে হবে। গার্মেন্টস শিল্পের কর্মহীন শ্রমিকদের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠতে পারে কৃষিকাজ। সরকারকে খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকেও সচল রাখতে হবে। এই দেশে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় সমস্যা মধ্যস্বত্বভোগীরা। এদের জন্য কৃষক তার পণ্যের দাম পায় না। আবার শহরবাসীকে কৃষকের বিক্রয়কৃত দাম থেকে ১০ গুণ বেশি দামে সেই পণ্য কিনতে হয়। সরকারের উচিত হবে এই মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করে তোলা।

মানুষ সব কষ্ট সহ্য করতে পারে কিন্তু ক্ষুধার জ্বালা সহ্য করতে পারে না। দেশের খাদ্য ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। কোনো কারণে যদি সরকার খাদ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় ধরনের অবনতি হতে পারে। কারণ ক্ষুধার্ত মানুষ ক্ষুধা নিবারণের জন্য সবকিছু করতে পারে।

তাই আমরা আশা করব দেশের স্বার্থে দেশের মানুষের স্বার্থে সরকার খাদ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। খাদ্য ছাড়া মানুষকে বাঁচানো যাবে না। আর মানুষ না বাঁচলে দেশ এবং অর্থনীতি কিছুই বাঁচবে না। আগামীতে আমাদের স্লোগান হোক ‘খাদ্য খাদ্য এবং খাদ্য উৎপাদন করব। অপচয় বন্ধ করে সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী হব’।

এইচআর/বিএ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,১৫,৯৯,১০৬
আক্রান্ত

১৪,৪৩,৩১২
মৃত

৪,২৬,১০,৮৯১
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,৫৮,৭১১ ৬,৫৪৪ ৩,৭৩,৬৭৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৩২,৬৬,৯৩৩ ২,৬৯,৬৯২ ৭৮,৫২,৬২৯
ভারত ৯৩,২৫,৭৮৬ ১,৩৫,৯০৬ ৮৭,৩৩,০৭৩
ব্রাজিল ৬২,০৯,৪০৪ ১,৭১,৫৬৪ ৫৫,২৮,৫৯৯
রাশিয়া ২২,১৫,৫৩৩ ৩৮,৫৫৮ ১৭,১২,১৭৪
ফ্রান্স ২১,৮৩,৬৬০ ৫০,৯৫৭ ১,৫৮,২৩৬
স্পেন ১৬,৩৭,৮৪৪ ৪৪,৩৭৪ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ১৫,৮৯,৩০১ ৫৭,৫৫১ ৩৪৪
ইতালি ১৫,৩৮,২১৭ ৫৩,৬৭৭ ৬,৯৬,৬৪৭
১০ আর্জেন্টিনা ১৩,৯৯,৪৩১ ৩৭,৯৪১ ১২,২৬,৬৬২
১১ কলম্বিয়া ১২,৮০,৪৮৭ ৩৬,০১৯ ১১,৮১,৭৫৩
১২ মেক্সিকো ১০,৭৮,৫৯৪ ১,০৪,২৪২ ৮,০৩,৫৮১
১৩ জার্মানি ১০,১৩,৫৮২ ১৫,৯১১ ৬,৯৬,১০০
১৪ পোল্যান্ড ৯,৫৮,৪১৬ ১৬,১৪৭ ৫,১৬,৬৩৬
১৫ পেরু ৯,৫৬,৩৪৭ ৩৫,৭৮৫ ৮,৮৭,০১৯
১৬ ইরান ৯,২২,৩৯৭ ৪৭,০৯৫ ৬,৪০,০৬৫
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,৭৮,৫৭১ ২১,২৮৯ ৭,১৬,৪৪৪
১৮ ইউক্রেন ৬,৯৩,৪০৭ ১১,৯০৯ ৩,২৬,২৩৮
১৯ বেলজিয়াম ৫,৬৭,৫৩২ ১৬,২১৯ ৩৬,৯১২
২০ চিলি ৫,৪৭,২২৩ ১৫,২৭৮ ৫,২২,২৫৯
২১ ইরাক ৫,৪৭,২১৫ ১২,১৬৭ ৪,৭৬,২৯৭
২২ ইন্দোনেশিয়া ৫,২২,৫৮১ ১৬,৫২১ ৪,৩৭,৪৫৬
২৩ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,১১,৫২০ ৭,৭৭৯ ৪,৩১,৮৭৪
২৪ তুরস্ক ৫,১১,০৪৩ ১৩,১৯১ ৩,৯২,৬১৬
২৫ নেদারল্যান্ডস ৫,০৮,৮৬৬ ৯,২৬৭ ২৫০
২৬ রোমানিয়া ৪,৫৭,৮৪৮ ১০,৮৮৪ ৩,২৬,৬৫৭
২৭ ফিলিপাইন ৪,২৫,৯১৮ ৮,২৫৫ ৩,৮৭,৬১৬
২৮ পাকিস্তান ৩,৮৯,৩১১ ৭,৮৯৭ ৩,৩৫,৮৮১
২৯ সৌদি আরব ৩,৫৬,৬৯১ ৫,৮৫৭ ৩,৪৫,৬২২
৩০ কানাডা ৩,৫৪,৯৫২ ১১,৮১৯ ২,৮২,৩৭৪
৩১ মরক্কো ৩,৪০,৬৮৪ ৫,৬১৯ ২,৮৯,৮০৮
৩২ ইসরায়েল ৩,৩৩,৮০২ ২,৮৩৯ ৩,২১,৩৪৬
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৩,১৮,২৯০ ৪,৫৫৮ ২,২২,১০০
৩৪ পর্তুগাল ২,৮৫,৮৩৮ ৪,২৭৬ ১,৯৯,৪৪৬
৩৫ অস্ট্রিয়া ২,৭০,৯৯২ ২,৮৮৬ ২,০৩,২৫১
৩৬ সুইডেন ২,৪৩,১২৯ ৬,৬৮১ ৪,৯৭১
৩৭ নেপাল ২,২৯,৩৪৩ ১,৪৩৫ ২,০৯,৪৩৫
৩৮ জর্ডান ২,০৭,৬০১ ২,৫৭০ ১,৪০,৪০০
৩৯ হাঙ্গেরি ১,৯৮,৪৪০ ৪,৩৬৪ ৫২,১২৬
৪০ ইকুয়েডর ১,৮৮,১৩৮ ১৩,৩১৬ ১,৬৪,০০৯
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৬৫,২৫০ ৫৬৭ ১,৫২,৭০৮
৪২ পানামা ১,৬০,২৮৭ ৩,০১৮ ১,৪০,৯৭৬
৪৩ সার্বিয়া ১,৫৫,৯৯৪ ১,৪২৩ ৩১,৫৩৬
৪৪ বলিভিয়া ১,৪৪,৩৯০ ৮,৯৩৯ ১,২০,৭২০
৪৫ কুয়েত ১,৪১,৮৭৬ ৮৭৪ ১,৩৫,৩০৩
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪১,৭৭৭ ২,৩২৪ ১,১৩,৮১৭
৪৭ জাপান ১,৩৯,৪৯১ ২,০৫১ ১,১৮,১৩৫
৪৮ কাতার ১,৩৮,২৫০ ২৩৭ ১,৩৫,৩৭০
৪৯ বুলগেরিয়া ১,৩৬,৬২৮ ৩,৫২৯ ৪৪,৮৭৫
৫০ কোস্টারিকা ১,৩৫,৭৪২ ১,৬৭৯ ৮৩,২৭৩
৫১ আর্মেনিয়া ১,৩২,৩৪৬ ২,০৯০ ১,০৫,১৪৯
৫২ বেলারুশ ১,৩১,৬৩৩ ১,১৩৬ ১,১০,১৫২
৫৩ কাজাখস্তান ১,২৯,২১৩ ১,৯৯০ ১,১৫,৩৮৪
৫৪ জর্জিয়া ১,২৩,৪৭০ ১,১৬১ ১,০২,২৭০
৫৫ ওমান ১,২২,৫৭৯ ১,৩৯১ ১,১৩,৮৫৬
৫৬ লেবানন ১,২২,২০০ ৯৭৪ ৭২,১৫২
৫৭ গুয়াতেমালা ১,২১,১৩২ ৪,১৪১ ১,০৯,৬১৯
৫৮ ক্রোয়েশিয়া ১,১৯,৭০৬ ১,৬০০ ৯৫,৬৯৮
৫৯ মিসর ১,১৪,৪৭৫ ৬,৫৯৬ ১,০২,২৬৮
৬০ আজারবাইজান ১,০৯,৮১৩ ১,২৯১ ৬৯,৯৩১
৬১ ইথিওপিয়া ১,০৮,৪৩৮ ১,৬৮৬ ৬৭,৫০৬
৬২ হন্ডুরাস ১,০৬,৬৮১ ২,৮৯২ ৪৭,৩৫৪
৬৩ মলদোভা ১,০৪,১৪০ ২,২৫০ ৯১,৭৯৭
৬৪ স্লোভাকিয়া ১,০৩,১০৬ ৭৭১ ৫৯,২৮৫
৬৫ গ্রীস ১,০১,২৮৭ ২,১০২ ৯,৯৮৯
৬৬ ভেনেজুয়েলা ১,০১,২১৫ ৮৮৪ ৯৬,০৭২
৬৭ তিউনিশিয়া ৯২,৪৭৫ ৩,০৩৪ ৬৭,৪৫৩
৬৮ মায়ানমার ৮৬,৬৩৩ ১,৮৬৫ ৬৫,৯৭২
৬৯ চীন ৮৬,৪৯৫ ৪,৬৩৪ ৮১,৫৫৮
৭০ বাহরাইন ৮৬,৩৪৭ ৩৪১ ৮৪,৫১০
৭১ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৮৫,৪৩১ ২,৫৪২ ৫০,০০১
৭২ লিবিয়া ৮১,২৭৩ ১,১৫৩ ৫২,২৯৯
৭৩ ফিলিস্তিন ৮০,৪২৯ ৬৮৯ ৬১,৯৬০
৭৪ আলজেরিয়া ৮০,১৬৮ ২,৩৭২ ৫১,৯৪৬
৭৫ কেনিয়া ৮০,১০২ ১,৪২৭ ৫৩,৫২৬
৭৬ প্যারাগুয়ে ৭৯,৫১৭ ১,৭০৪ ৫৬,৫১০
৭৭ ডেনমার্ক ৭৬,৭১৮ ৮১৬ ৬০,৩১২
৭৮ স্লোভেনিয়া ৭২,৬৮২ ১,২৯৩ ৫১,১২১
৭৯ উজবেকিস্তান ৭২,৫১৩ ৬০৭ ৬৯,৭৮০
৮০ কিরগিজস্তান ৭১,৫৪৮ ১,৪৯৮ ৬২,৯৪৬
৮১ আয়ারল্যান্ড ৭১,৪৯৪ ২,০৩৬ ২৩,৩৬৪
৮২ নাইজেরিয়া ৬৬,৯৭৪ ১,১৬৯ ৬২,৫৮৫
৮৩ মালয়েশিয়া ৬১,৮৬১ ৩৫০ ৫০,২০৪
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৫৮,৬০৮ ১,৬৩০ ৩৬,০৬৪
৮৫ সিঙ্গাপুর ৫৮,১৯৯ ২৮ ৫৮,১১১
৮৬ লিথুনিয়া ৫৬,০৯৫ ৪৭১ ১৩,৫১৪
৮৭ ঘানা ৫১,২২৫ ৩২৩ ৫০,১২৭
৮৮ আফগানিস্তান ৪৫,৮৩৯ ১,৭৪০ ৩৬,২৯৫
৮৯ এল সালভাদর ৩৮,৪০৫ ১,১০২ ৩৫,০৭৮
৯০ আলবেনিয়া ৩৬,২৪৫ ৭৭১ ১৭,৭৫৫
৯১ নরওয়ে ৩৪,৯৪২ ৩২৮ ২০,৯৫৬
৯২ মন্টিনিগ্রো ৩৩,৮৩৬ ৪৭৪ ২২,৩৬৬
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৩৩,৪০৯ ৩০০ ২৪,০৭৩
৯৪ দক্ষিণ কোরিয়া ৩২,৮৮৭ ৫১৬ ২৭,১০৩
৯৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৮৭৩ ৯০৭ ২৫,৫৭০
৯৬ ক্যামেরুন ২৪,০২২ ৪৩৭ ২২,১৭৭
৯৭ ফিনল্যাণ্ড ২৩,৭৬৬ ৩৯৩ ১৬,৮০০
৯৮ শ্রীলংকা ২২,২৭৯ ৯৯ ১৬,২২৬
৯৯ আইভরি কোস্ট ২১,১৯৯ ১৩১ ২০,৮৫২
১০০ উগান্ডা ১৯,১১৫ ১৯১ ৮,৮৪০
১০১ জাম্বিয়া ১৭,৫৬৯ ৩৫৭ ১৬,৮৪৫
১০২ মাদাগাস্কার ১৭,৩৪১ ২৫১ ১৬,৬৫৭
১০৩ সুদান ১৬,৮৬৪ ১,২১৫ ৯,৯৬৪
১০৪ সেনেগাল ১৫,৯৮১ ৩৩২ ১৫,৫৬৯
১০৫ লাটভিয়া ১৫,৮০৮ ১৯০ ১,৭১৯
১০৬ মোজাম্বিক ১৫,৫০৬ ১২৮ ১৩,৬৩১
১০৭ অ্যাঙ্গোলা ১৪,৯২০ ৩৪১ ৭,৬১৭
১০৮ নামিবিয়া ১৪,১৫৫ ১৪৭ ১৩,৩৫৫
১০৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৩,৮৮৩ ৭২ ৪,৮৪২
১১০ গিনি ১৩,০০৬ ৭৬ ১১,৯৪৩
১১১ মালদ্বীপ ১২,৮৮৯ ৪৬ ১১,৭১৭
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১২,৪৭০ ৩৩৩ ১১,৪৯৫
১১৩ তাজিকিস্তান ১২,০৪৪ ৮৬ ১১,৪৩৭
১১৪ এস্তোনিয়া ১১,৩২৩ ১০৪ ৬,৭১০
১১৫ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১১,১৫৮ ৭০ ৯,৯৯৫
১১৬ জ্যামাইকা ১০,৬০০ ২৫০ ৫,৮২৯
১১৭ কেপ ভার্দে ১০,৫৭০ ১০৫ ৯,৯৫৬
১১৮ বতসোয়ানা ১০,২৫৮ ৩১ ৭,৭১৭
১১৯ সাইপ্রাস ৯,৬৭৩ ৪৮ ২,০৫৫
১২০ জিম্বাবুয়ে ৯,৬২৩ ২৭৪ ৮,৩৯৭
১২১ মালটা ৯,৫০১ ১২৮ ৭,২৯৭
১২২ হাইতি ৯,২৫৬ ২৩২ ৭,৯২৫
১২৩ গ্যাবন ৯,১৭৩ ৫৯ ৯,০১৬
১২৪ গুয়াদেলৌপ ৮,৩৪৪ ১৪৯ ২,২৪২
১২৫ মৌরিতানিয়া ৮,২৮৮ ১৭১ ৭,৬৫২
১২৬ কিউবা ৮,১১০ ১৩৩ ৭,৫২৫
১২৭ রিইউনিয়ন ৭,৯৪০ ৪০ ৬,৬৬০
১২৮ সিরিয়া ৭,৫৪২ ৩৯৯ ৩,৩৩০
১২৯ বাহামা ৭,৪৮২ ১৬৩ ৫,৭৮৯
১৩০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬,৫৭০ ১১৬ ৫,৬৮০
১৩১ এনডোরা ৬,৫৩৪ ৭৬ ৫,৬৪৯
১৩২ ইসওয়াতিনি ৬,৩২৯ ১২০ ৫,৯২৯
১৩৩ হংকং ৬,০৪০ ১০৮ ৫,৩১৩
১৩৪ মালাউই ৬,০২৪ ১৮৫ ৫,৪৫৩
১৩৫ রুয়ান্ডা ৫,৮৫১ ৪৭ ৫,৩৪৫
১৩৬ নিকারাগুয়া ৫,৭৮৪ ১৬০ ৪,২২৫
১৩৭ জিবুতি ৫,৬৭৬ ৬১ ৫,৫৭৬
১৩৮ কঙ্গো ৫,৬৩২ ১১৪ ৪,৯৮৮
১৩৯ বেলিজ ৫,৫১৫ ১৩১ ৩,০২১
১৪০ মার্টিনিক ৫,৪১৩ ৪০ ৯৮
১৪১ আইসল্যান্ড ৫,৩৪৬ ২৬ ৫,১৪৪
১৪২ সুরিনাম ৫,৩০৭ ১১৭ ৫,১৮৫
১৪৩ গায়ানা ৫,২৭৬ ১৪৯ ৪,২৫২
১৪৪ মায়োত্তে ৫,১৮১ ৪৯ ২,৯৬৪
১৪৫ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,১৪৬ ৮৫ ৫,০০৫
১৪৬ উরুগুয়ে ৫,১১৭ ৭৪ ৪,০২১
১৪৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯১৩ ৬৩ ১,৯২৪
১৪৮ আরুবা ৪,৭৯১ ৪৫ ৪,৬৪০
১৪৯ মালি ৪,৫০৫ ১৪৮ ৩,০৭৬
১৫০ সোমালিয়া ৪,৪৫১ ১১৩ ৩,৪১৭
১৫১ থাইল্যান্ড ৩,৯৬১ ৬০ ৩,৭৯০
১৫২ গাম্বিয়া ৩,৭২৮ ১২৩ ৩,৫৮৮
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ৩,০৯২ ৬১ ২,৯৪৯
১৫৪ বেনিন ২,৯৭৪ ৪৩ ২,৫৭৯
১৫৫ টোগো ২,৯০৪ ৬৪ ২,৩৪৫
১৫৬ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৭৭৭ ৬৮ ২,৫৬৭
১৫৭ গিনি বিসাউ ২,৪২২ ৪৩ ২,৩০৯
১৫৮ সিয়েরা লিওন ২,৪০৯ ৭৪ ১,৮৩১
১৫৯ ইয়েমেন ২,১৩৭ ৬১২ ১,৪৮৪
১৬০ লেসোথো ২,১০৯ ৪৪ ১,২৭৮
১৬১ নিউজিল্যান্ড ২,০৪৭ ২৫ ১,৯৫৬
১৬২ কিউরাসাও ২,০৪৬ ১,০৭৮
১৬৩ চাদ ১,৬৬১ ১০১ ১,৪৯৬
১৬৪ লাইবেরিয়া ১,৫৯৫ ৮৩ ১,৩৪৩
১৬৫ সান ম্যারিনো ১,৫১৪ ৪৫ ১,২৩১
১৬৬ নাইজার ১,৪৪৩ ৭০ ১,১৮২
১৬৭ ভিয়েতনাম ১,৩৩৯ ৩৫ ১,১৭০
১৬৮ লিচেনস্টেইন ১,২৩১ ১৫ ১,০২৪
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ১,১৪৭ ৪৮ ৯৬০
১৭০ সিন্ট মার্টেন ১,০৪১ ২৫ ৯২৮
১৭১ জিব্রাল্টার ৯৯৯ ৯০৫
১৭২ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭৪৬ ৭০০
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ৭৩৮ ৩৪৭
১৭৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭৫ সেন্ট মার্টিন ৬৯০ ১২ ৫৯৮
১৭৬ বুরুন্ডি ৬৭৭ ৫৭৫
১৭৭ পাপুয়া নিউ গিনি ৬৪৫ ৫৮৮
১৭৮ তাইওয়ান ৬৩৯ ৫৫৫
১৭৯ কমোরস ৬১০ ৫৮৫
১৮০ মোনাকো ৬০০ ৫৩০
১৮১ ইরিত্রিয়া ৫৬৬ ৪৭৭
১৮২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৮৩ ফারে আইল্যান্ড ৫০০ ৪৯৮
১৮৪ মরিশাস ৪৯৮ ১০ ৪৪০
১৮৫ ভুটান ৩৮৯ ৩৬৮
১৮৬ আইল অফ ম্যান ৩৬৯ ২৫ ৩৩৮
১৮৭ কম্বোডিয়া ৩০৭ ২৯৮
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৬৯ ২৪৯
১৮৯ বার্বাডোস ২৬৬ ২৪৬
১৯০ বারমুডা ২৪২ ২০৭
১৯১ সেন্ট লুসিয়া ২৩৮ ১০৯
১৯২ সিসিলি ১৬৬ ১৫৯
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৬১ ১৫৫
১৯৪ ব্রুনাই ১৫০ ১৪৫
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৪১ ১৩০
১৯৬ সেন্ট বারথেলিমি ১২৭ ৯৪
১৯৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৮৪ ৭৮
১৯৮ ডোমিনিকা ৭৭ ৬৩
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
২০০ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০১ গ্রেনাডা ৪১ ৩০
২০২ লাওস ৩৯ ২৪
২০৩ ফিজি ৩৮ ৩৩
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৩২ ৩২
২০৫ পূর্ব তিমুর ৩০ ৩১
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২২ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৮ ১৮
২০৯ সলোমান আইল্যান্ড ১৭
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৬ ১৩
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১২ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৪ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]