অদৃশ্য শক্তি পরাভূত করতে প্রয়োজন গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তি

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:১৮ এএম, ২৪ এপ্রিল ২০২০

প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন

এই বছরটি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। তাঁর নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে বছরটির শুরু থেকেই আমরা বিশ্বজুড়ে একটি দুর্যোগ মোকাবিলায় আছি। করোনাভাইরাস মহামারিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৮৫টি দেশ পর্যদুস্ত। দেশের এ দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি নিরলসভাবে পরিশ্রম করছেন। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছি। একাত্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা যেভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এবারও বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আমরা সেভাবে এই বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবিলা করবো। আমি সুনিশ্চিত আমরা এর থেকে অচিরেই পরিত্রাণ পেয়ে আরও ভালোভাবে এগিয়ে যাবো। এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর আরোগ্য কাব্যগ্রন্থের "এ দ্যুলোক মধুময়, মধুময় পৃথিবীর ধূলি" কবিতার একটি লাইন মনে পড়ছে -

"দেখেছি নিত্যের জ্যোতি দুর্যোগের মায়ার আড়ালে"

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব গত দশকে অর্জিত আমাদের অভাবনীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে দুর্বল করে যাতে না দিতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকারের আইসিটি মন্ত্রণালয়ও। উন্নয়নশীল ডিজিটাল বাংলাদেশে এ যেন আরেকটি যুদ্ধ। আমরা জানি এই ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। তার পরিকল্পনায় এদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম থেকেই এদেশকে আধুনিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য একটি ফ্রেমওয়ার্ক দিয়েছেন। যেটি হচ্ছে- ভিশন ২০২১, ২০৩০, ২০৪১ (উন্নত বাংলাদেশ) এবং ২০৭১। ২০৭১ সালে আমরা স্বাধীনতার একশত বছর পালন করবো। আমাদের রয়েছে শতবর্ষব্যাপী ডেল্টা প্ল্যান। এই ফ্রেমওয়ার্ক বাস্তবায়নে আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা সবাই একতাবদ্ধও এ ফ্রেমওয়ার্ক বাস্তবায়নে।

বর্তমানে দেশে যে দুর্যোগটি ছড়িয়ে পড়েছে তা মোকাবিলায় প্রথম সারিতে রয়েছেন চিকিৎসকরা। আমরা প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি তাদের প্রতি। সবার আগে এগিয়ে এসেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই দুর্যাগ মোকাবিলায় নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা।

আমি সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে মনোবল দৃঢ় রেখে একতাবদ্ধভাবে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করার আহ্বান জানাবো। আমি তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা করি, পড়ালেখা করি। এই মুহূর্তে আমি আমার লেখা ‘অদৃশ্য প্রযুক্তি’ থেকে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বিষয়ে আলোচনা করতে চাই। যা এই ক্রান্তিকালে আলোচ্য হতে পারে। ‘অদৃশ্য প্রযুক্তি’ বইয়ের ‘স্বপ্নচারী মানুষের নবদিগন্ত’ নিবন্ধের কিছু অংশ উদ্ধৃত করতে চাই-

‘মানুষ স্বপ্নচারী। মানবসভ্যতা সবসময়ই প্রযুক্তিনির্ভর এবং সামনের দিকে যেতে চায়। মানুষ কখনোই তার অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। তাই কম্পিউটিং নিয়েও মানুষ উত্তরোত্তর উন্নতি লাভ করেছে। কম্পিউটার স্বপ্নচারী মানুষকে নিয়ে যাবে নবদিগন্তে। যার ফলে ভবিষ্যতে মানুষ বিমানব্যবস্থাকে আরও আধুনিক এবং নিরাপদ করে তুলতে পারবে।

জেট বিমানের সফটওয়্যার বর্তমানে আরও নিরাপদ করা খুব জটিল হলেও ভবিষ্যতে তা সম্ভব হবে। আরও বহুদূরের অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্র আবিষ্কার করা সম্ভব হবে। মানুষের ক্যান্সার আগে থেকেই নির্ণয় করা সম্ভব হবে যার ফলে বেঁচে যাবে অসংখ্য জীবন। আবহাওয়ার পূর্বাভাস আরও নিখুঁত হবে যার ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের মৃত্যুর হার কমে যাবে। অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ডিএনএ সিকুয়েন্স বিশ্লেষণের মাধ্যমে অত্যাধুনিক ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হবে। এই সকল কিছু সম্ভব হবে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে।’

বর্তমানে উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে পর্যদুস্ত। সেখানে আমাদের কী করণীয়? আমাদের করণীয় হচ্ছে, আমাদের এ বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণায় আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে। এ বিষয়ক গবেষণায় প্রাধান্য দিতে হবে। যাতে আমরা আমাদের দেশে জাতীয় দুর্যোগসহ যেকোনো সমস্যা সমাধানে ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে সহযোগিতা করতে পারি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও সেভাবে কাজ করতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণায় এগিয়ে এসেছে। আমাদের আইসিটি মন্ত্রণালয়ও তাদের সাধ্যমতো সহযোগিতা করছে। এগিয়ে এসেছে ইউজিসিও। এ কারণেই আমি এখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের বিষয়টি এনেছি। আমরা যদি গবেষণার মাধ্যমে কোয়ান্টাম কম্পিউটার আবিষ্কার করতে পারতাম, তাহলে আমি মনেকরি আমরা বায়োলজিক্যাল সিকুয়েন্স তৈরি করতে পারতাম। ফলে আমরা যেকোনো অদৃশ্য শক্তিকেও পরাভূত করতে পারতাম। আমরা নভেল করোনাভাইরাসের মতো শক্তিকে সহযেই পরাভূত করতে পারতাম।

আমি বিশ্বাস করি, একদিন সমৃদ্ধ গবেষণার ফলে কোনো অদৃশ্য শক্তি আমাদের নতজানু করতে পারবে না। মানুষ অসহায় হয়ে পেছনে পড়ে থাকবে না। এগিয়ে যাবে। আমি শিক্ষার্থীদের একটি কথা বলতে চাই- তাদের জ্ঞান অর্জন করতে হবে। গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের সময়েও জ্ঞান অর্জনের পথে নানা বাধা-বিপত্তি এসেছে। তাই জ্ঞান অর্জনের জন্য একনিষ্ঠ হতে হবে। জ্ঞানের ভাষা বুঝতে হবে।

গ্যালিলিও যে কথাটি বলেছিলেন, Philosophy is written in this grand book, the universe, which stands continually open to our gaze. But the book cannot be understood unless one first learns to comprehend the language and read the letters in which it is written. অর্থাৎ ‘দর্শনশাস্ত্র লিপিবদ্ধ আছে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড নামক মহান বইটিতে যা সবর্দা আমাদের সামনে উন্মুক্ত। কিন্তু এই বইটি একজন ততক্ষণ বুঝতে সক্ষম হবে না, যতক্ষণ না এর ভাষা ও বর্ণমালা বুঝতে পারবে। এটি লেখা হয়েছে গণিতের ভাষায় এবং এর বর্ণমালাগুলো হলো ত্রিভূজ, বৃত্ত এবং জ্যামিতিক আকৃতিসমূহ।’

আমি এর মাধ্যমে আপনাদের বোঝাতে চাই যে, আমরা যদি গবেষণায় এবং শিক্ষায় মনোনিবেশ করি, আমরা গ্যালিলিওর ভাষায় যদি দেখতে চাই- তাহলে আমাদের মহাবিশ্বকে বুঝতে হবে। আর মহাবিশ্বকে বুঝতে হলে মহাবিশ্বের ভাষা জানতে হবে। সেই ভাষাই হচ্ছে বিজ্ঞান, গণিত এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিং। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং যদি আমরা গবেষণা করি, বিজ্ঞানকে চর্চা করি, প্রযুক্তিকে চর্চা করি, তাহলে আমরা এগিয়ে যাবো- এটা আমি একদম মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি।

আরেকটি বই আপনাদের হয়তো অনেকেরই চেনা ‘লাইফ অন দ্য এজ’। লিখেছেন জিম আল খালিলি ও ম্যাক ফাদেন। এটি তাদের তিন বছরের পরিশ্রমের ফল। এটি অনেকের কাজে লাগতে পারে। এটি দ্য কামিং অব কোয়ান্টাম বায়োলজি বিষয়ে উপস্থাপনা। জীবন কী? এর উত্তর খুঁজতে হলে জানতে হবে কোয়ান্টাম পার্টিকেল সম্পর্কে। মূলত আমাদের চারপাশে ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড় সব জিনিসই একটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রিদমিক ছন্দের অংশ!

জাতির এই দুর্যোগ মুহূর্তে কিছু কথা বলতে চাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এদেশকে পরিচালনা করছেন। সেক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ও কাজ করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে আইসিটি মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সকলেই আমরা একতাবদ্ধভাবে কাজ করছি।

আপনারা কেউ গুজব রটাবেন না। গুজবে কান দেবেন না। আপনারা আত্মমনোবল রাখবেন। আমরা পরবর্তীতে এগিয়ে যাবো। বাংলাদেশ এখানে থেমে থাকবে না। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। আমরা অপরাজেয় হয়ে পৃথিবীতে এগিয়ে যাবে। এই দেশকে তরুণরাই গড়ে তুলবেন। আমাদের জাতি একটি ডেমোক্রেটিক ডিভিডেন্টের সুবর্ণ সময়ে আছে। আমাদের আট কোটি লোকের বয়স ১৫-৩৫ বছরের। আমরা একটি নিশ্চয়ই একটি সফল জাতিতে পরিণত হব।

স্ট্যার্টআপ বাংলাদেশ যেটা করছে- তারা উদ্ভাবনের বিষয়টিতে জোর দিচ্ছে। আপনারাও (শিক্ষর্থী-গবেষক-এন্টাপ্রেনার) উদ্ভাবনের দিকে নজর দেবেন। এখন সময়টা যেটা পাচ্ছেন তা কাজে লাগাতে পারেন। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মনে হলে বই পড়ুন, কিছু উদ্ভাবনী কাজ করুন যা ভালো লাগে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলুন। সরকার যেসব বিধিনিষেধ দিয়েছে তা মেনে চলুন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আলোকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যেসব স্বাস্থ্যবিধি দিয়েছে তা মেনে চলুন। ঘরে থাকুন, ঘরে থাকাটাই এখন যুদ্ধ। সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

আমাদের শৃঙ্খলাবোধ ও শিষ্টাচার থাকতে হবে। পাশাপাশি দৃঢ় মনোবল, সংকল্পবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের সহমর্মিতা, মানবিকতা এবং সহযোগিতার মানসিকতায় থাকতে হবে। একতার বিকল্প নেই। সরকারের প্রতি আমাদের আস্থা অবিচল থাকতে হবে।

দুর্যোগে সরকারের প্রতি আস্থাহীনতা কখনও ভালো কিছু দিতে পারবে না। আমাদের সৌভাগ্য যে বঙ্গবন্ধুর মতো নেতৃত্ব পেয়েছিলাম। সেই সঙ্গে এখন তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব পাচ্ছি। আমাদের নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেটা মনে রেখেই আমাদের সবকিছু মেনে নিতে হবে। আমরা গরিব দেশ, জনবহুল দেশ। সেসব বিষয় মাথায় রেখেই আমাদের দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে। আইন মেনে চলতে হবে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বিপন্ন করে যু্দ্ধ করে স্বাধীন করেছিলেন এই দেশ। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেকেই নিজেদের জীবন বিপন্ন করে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা বোধ থাকতে হবে। সবাই ঘরে থাকুন, শিষ্টাচার মেনে চলবেন।

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমরা সবাইকে নিয়েই ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশে উন্নীত হবো। আমরা দেশের কল্যাণে আরও বেশি পড়াশোনা করবো, গবেষণা করবো। তথ্যপ্রযুক্তিকে আমরা ধারণ করবো এবং এর মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে আমরা আধুনিক বাংলাদেশে রূপান্তর করবো। সেখানে উদ্ভাবন হবে একটি চালিকাশক্তি। সেখানে সবাই এক হয়ে কাজ করবো। দেশ এগিয়ে যাবে, আমরাও এগিয়ে যাবো। কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের সুরে আমরাও সে ‘আশা’ নিয়ে স্বপ্ন দেখি সুন্দর আগামীর-

‘মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয়
আড়ালে তার সূর্য হাসে।
হারা শশীর হারা হাসি
অন্ধকারেই ফিরে আসে।’

এইচআর/বিএ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬২,৬৩,০৭১
আক্রান্ত

৩,৭৩,৮৫৮
মৃত

২৮,৪৬,৫২৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৭,১৫৩ ৬৫০ ৯,৭৮১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮,৩৭,১৭০ ১,০৬,১৯৫ ৫,৯৯,৮৬৭
ব্রাজিল ৫,১৪,৮৪৯ ২৯,৩১৪ ২,০৬,৫৫৫
রাশিয়া ৪,০৫,৮৪৩ ৪,৬৯৩ ১,৭১,৮৮৩
স্পেন ২,৮৬,৫০৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৭৪,৭৬২ ৩৮,৪৮৯ ৩৪৪
ইতালি ২,৩৩,০১৯ ৩৩,৪১৫ ১,৫৭,৫০৭
ভারত ১,৯০,৬০৯ ৫,৪০৮ ৯১,৮৫২
ফ্রান্স ১,৮৮,৮৮২ ২৮,৮০২ ৬৮,৩৫৫
১০ জার্মানি ১,৮৩,৪৯৪ ৮,৬০৫ ১,৬৫,২০০
১১ পেরু ১,৬৪,৪৭৬ ৪,৫০৬ ৬৭,২০৮
১২ তুরস্ক ১,৬৩,৯৪২ ৪,৫৪০ ১,২৭,৯৭৩
১৩ ইরান ১,৫১,৪৬৬ ৭,৭৯৭ ১,১৮,৮৪৮
১৪ চিলি ৯৯,৬৮৮ ১,০৫৪ ৪২,৭২৭
১৫ কানাডা ৯০,৯৪৭ ৭,২৯৫ ৪৮,৮৭৯
১৬ মেক্সিকো ৯০,৬৬৪ ৯,৯৩০ ৬৪,৩২৬
১৭ সৌদি আরব ৮৫,২৬১ ৫০৩ ৬২,৪৪২
১৮ চীন ৮৩,০১৭ ৪,৬৩৪ ৭৮,৩০৭
১৯ পাকিস্তান ৬৯,৪৯৬ ১,৪৮৩ ২৫,২৭১
২০ বেলজিয়াম ৫৮,৩৮১ ৯,৪৬৭ ১৫,৮৮৭
২১ কাতার ৫৬,৯১০ ৩৮ ৩০,২৯০
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৬,৪৪২ ৫,৯৫৬ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৪২,৫৫৬ ২৩৫ ১৮,৫১৪
২৪ ইকুয়েডর ৩৯,০৯৮ ৩,৩৫৮ ১৯,৫৯২
২৫ সুইডেন ৩৭,৫৪২ ৪,৩৯৫ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৪,৮৮৪ ২৩ ২১,৬৯৯
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৪,৫৫৭ ২৬৪ ১৭,৯৩২
২৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২,৬৮৩ ৬৮৩ ১৬,৮০৯
২৯ পর্তুগাল ৩২,৫০০ ১,৪১০ ১৯,৪০৯
৩০ সুইজারল্যান্ড ৩০,৮৬২ ১,৯২০ ২৮,৫০০
৩১ কলম্বিয়া ২৯,৩৮৩ ৯৩৯ ৮,৫৪৩
৩২ কুয়েত ২৭,০৪৩ ২১২ ১১,৩৮৬
৩৩ ইন্দোনেশিয়া ২৬,৪৭৩ ১,৬১৩ ৭,৩০৮
৩৪ আয়ারল্যান্ড ২৪,৯৯০ ১,৬৫২ ২২,০৮৯
৩৫ মিসর ২৪,৯৮৫ ৯৫৯ ৬,৮১০
৩৬ পোল্যান্ড ২৩,৭৮৬ ১,০৬৪ ১১,২৭১
৩৭ ইউক্রেন ২৩,৬৭২ ৭০৮ ৯,৫৩৮
৩৮ রোমানিয়া ১৯,২৫৭ ১,২৬৬ ১৩,২৫৬
৩৯ ফিলিপাইন ১৮,০৮৬ ৯৫৭ ৩,৯০৯
৪০ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৭,২৮৫ ৫০২ ১০,৫৫৯
৪১ ইসরায়েল ১৭,০৭১ ২৮৫ ১৪,৮১২
৪২ জাপান ১৬,৮৫১ ৮৯১ ১৪,৪৫৯
৪৩ আর্জেন্টিনা ১৬,৮৫১ ৫৩৯ ৫,৩৩৬
৪৪ অস্ট্রিয়া ১৬,৭৩১ ৬৬৮ ১৫,৫৯৩
৪৫ আফগানিস্তান ১৫,২০৫ ২৫৭ ১,৩২৮
৪৬ পানামা ১৩,৪৬৩ ৩৩৬ ৯,৫১৪
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৬৬৯ ৫৭৪ ১০,৩৬২
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৫০৩ ২৭১ ১০,৪২২
৪৯ ওমান ১১,৪৩৭ ৪৯ ২,৬৮২
৫০ সার্বিয়া ১১,৪১২ ২৪৩ ৬,৬৯৮
৫১ বাহরাইন ১১,৩৯৮ ১৯ ৬,৬৭৩
৫২ কাজাখস্তান ১০,৮৫৮ ৪৮৯ ৫,৪০৪
৫৩ নাইজেরিয়া ১০,১৬২ ২৮৭ ৩,০০৭
৫৪ বলিভিয়া ৯,৫৯২ ৩১০ ৮৮৯
৫৫ আলজেরিয়া ৯,৩৯৪ ৬৫৩ ৫,৭৪৮
৫৬ আর্মেনিয়া ৯,২৮২ ১৩১ ৩,৩৮৬
৫৭ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,২৬৮ ৩২০ ৬,৫৫৮
৫৮ নরওয়ে ৮,৪৪০ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৯ মলদোভা ৮,২৫১ ২৯৫ ৪,৫৮১
৬০ ঘানা ৭,৮৮১ ৩৬ ২,৮৪১
৬১ মালয়েশিয়া ৭,৮১৯ ১১৫ ৬,৩৫৩
৬২ মরক্কো ৭,৮০৭ ২০৫ ৫,৪৫৯
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,২০২ ১০৩ ৬,৬১৮
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৮৫৯ ৩২০ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৬,৪৩৯ ২০৫ ৩,১৫৬
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৯০৪ ১৯১ ৩,৫৬৮
৬৭ আজারবাইজান ৫,৪৯৪ ৬৩ ৩,৪২৮
৬৮ হন্ডুরাস ৫,০৯৪ ২০১ ৫৩৬
৬৯ গুয়াতেমালা ৫,০৮৭ ১০৮ ৭৩৫
৭০ সুদান ৫,০২৬ ২৮৬ ১,৪২৩
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০১৮ ১১০ ৩,৮৩৩
৭২ তাজিকিস্তান ৩,৯৩০ ৪৭ ২,০০৪
৭৩ হাঙ্গেরি ৩,৮৭৬ ৫২৬ ২,১৪৭
৭৪ গিনি ৩,৭০৬ ২৩ ২,০৩০
৭৫ সেনেগাল ৩,৬৪৫ ৪২ ১,৮০১
৭৬ উজবেকিস্তান ৩,৬২৩ ১৫ ২,৮৩৭
৭৭ জিবুতি ৩,৩৫৪ ২৪ ১,৫০৪
৭৮ থাইল্যান্ড ৩,০৮১ ৫৭ ২,৯৬৩
৭৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩,০৭০ ৭২ ৪৪৮
৮০ গ্রীস ২,৯১৭ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৮৩৩ ৩৩ ১,৪৩৫
৮২ গ্যাবন ২,৬৫৫ ১৭ ৭২২
৮৩ এল সালভাদর ২,৫১৭ ৪৬ ১,০৪০
৮৪ বুলগেরিয়া ২,৫১৩ ১৪০ ১,০৭৪
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৫১০ ১৫৩ ১,৮৬২
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৬ ১০৩ ২,০৭২
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,২২৬ ১৩৩ ১,৫৫২
৮৮ হাইতি ২,১২৪ ৪৪ ২৯
৮৯ কিউবা ২,০৪৫ ৮৩ ১,৮০৯
৯০ সোমালিয়া ১,৯৭৬ ৭৮ ৩৪৮
৯১ কেনিয়া ১,৯৬২ ৬৪ ৪৭৮
৯২ এস্তোনিয়া ১,৮৬৯ ৬৮ ১,৬২৪
৯৩ আইসল্যান্ড ১,৮০৬ ১০ ১,৭৯৪
৯৪ মালদ্বীপ ১,৭৭৩ ৪৫৩
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৭৪৮ ১৬ ১,১৭০
৯৬ মায়োত্তে ১,৬৯৯ ২১ ১,৩৮৫
৯৭ লিথুনিয়া ১,৬৭৫ ৭০ ১,২৩৬
৯৮ শ্রীলংকা ১,৬৩৩ ১০ ৮০১
৯৯ নেপাল ১,৫৭২ ২২০
১০০ স্লোভাকিয়া ১,৫২১ ২৮ ১,৩৬৬
১০১ ভেনেজুয়েলা ১,৫১০ ১৬ ৩০২
১০২ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০৩ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৮
১০৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১০৫ মালি ১,২৬৫ ৭৭ ৭১৬
১০৬ গিনি বিসাউ ১,২৫৬ ৪২
১০৭ লেবানন ১,২২০ ২৭ ৭১২
১০৮ ইথিওপিয়া ১,১৭২ ১১ ২০৯
১০৯ আলবেনিয়া ১,১৩৭ ৩৩ ৮৭২
১১০ হংকং ১,০৮৫ ১,০৩৭
১১১ তিউনিশিয়া ১,০৭৭ ৪৮ ৯৬০
১১২ লাটভিয়া ১,০৬৬ ২৪ ৭৪৫
১১৩ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১৪ কোস্টারিকা ১,০৫৬ ১০ ৬৬৯
১১৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১,০১১ ২৩
১১৬ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৭ প্যারাগুয়ে ৯৮৬ ১১ ৪৭৭
১১৮ নাইজার ৯৫৮ ৬৪ ৮৩৯
১১৯ সাইপ্রাস ৯৪৪ ১৭ ৭৯০
১২০ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৮৫
১২১ সিয়েরা লিওন ৮৬১ ৪৬ ৪৫৪
১২২ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭২০
১২৩ জর্জিয়া ৭৮৩ ১২ ৬০৫
১২৪ চাদ ৭৭৮ ৬৫ ৪৯১
১২৫ মাদাগাস্কার ৭৭১ ১৬৮
১২৬ এনডোরা ৭৬৪ ৫১ ৬৯৪
১২৭ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৮ জর্ডান ৭৩৯ ৫৮৬
১২৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭১ ৪২ ৩৫৭
১৩১ মালটা ৬১৮ ৫৩৪
১৩২ কঙ্গো ৬১১ ২০ ১৭৯
১৩৩ জ্যামাইকা ৫৮৬ ৩১১
১৩৪ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৭২
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫২৮
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৫৩০ ২৩ ২৭
১৩৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৯৯ ২০০
১৩৯ রিইউনিয়ন ৪৭১ ৪১১
১৪০ তাইওয়ান ৪৪২ ৪২৩
১৪১ টোগো ৪৪২ ১৩ ২১১
১৪২ কেপ ভার্দে ৪৩৫ ১৯৩
১৪৩ উগান্ডা ৪১৭ ৭২
১৪৪ রুয়ান্ডা ৩৭০ ২৫৬
১৪৫ বেনিন ৩৩৯ ১৪৩
১৪৬ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৯
১৪৭ মরিশাস ৩৩৫ ১০ ৩২২
১৪৮ ভিয়েতনাম ৩২৮ ২৭৯
১৪৯ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৫০ ইয়েমেন ৩২৩ ৮০ ১৪
১৫১ লাইবেরিয়া ২৮৮ ২৭ ১৫৭
১৫২ ইসওয়াতিনি ২৮৫ ১৮৯
১৫৩ মালাউই ২৮৪ ৪২
১৫৪ মোজাম্বিক ২৫৪ ৯১
১৫৫ মায়ানমার ২২৪ ১৩৮
১৫৬ মার্টিনিক ২০০ ১৪ ৯৮
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৭৯ ৪৪
১৫৯ জিম্বাবুয়ে ১৭৮ ২৯
১৬০ জিব্রাল্টার ১৭০ ১৪৯
১৬১ গুয়াদেলৌপ ১৬২ ১৪ ১৩৮
১৬২ লিবিয়া ১৫৬ ৫২
১৬৩ গায়ানা ১৫৩ ১২ ৭০
১৬৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৫ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪১ ৬৮
১৬৬ বারমুডা ১৪০ ৯২
১৬৭ কম্বোডিয়া ১২৫ ১২৩
১৬৮ সিরিয়া ১২২ ৪৬
১৬৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৭ ১০৮
১৭০ কমোরস ১০৬ ২৬
১৭১ বাহামা ১০২ ১১ ৪৮
১৭২ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭৩ মোনাকো ৯৯ ৯০
১৭৪ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৫ অ্যাঙ্গোলা ৮৬ ১৮
১৭৬ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৭ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৮ বুরুন্ডি ৬৩ ৩৩
১৭৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৮০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮১ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮২ ভুটান ৪৩
১৮৩ সেন্ট মার্টিন ৪১ ৩৩
১৮৪ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৫ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৬ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৬ ১৫
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ২০
১৮৯ নামিবিয়া ২৪ ১৪
১৯০ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯১ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯২ সুরিনাম ২৩
১৯৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৯ ১৮
১৯৪ কিউরাসাও ১৯ ১৪
১৯৫ লাওস ১৯ ১৬
১৯৬ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৭ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৮ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৯ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০২ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।