করোনায় ঘরে থাকা বিধি এবং অন্নকষ্ট

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:০২ এএম, ১৯ মে ২০২০

শহীদ ইমন

সেইদিন আর বেশি দূরে নয়, হয়তো আবার দেখা যেতে পারে যেমন নব্বইয়ের দশকে হরহামেশাই অনেক অভাবী মানুষকে দেখা যেত বাসার দরজায় কড়া নেড়ে বলত, ‘খালাম্মা দুইডা ভাত দিবেন’? শুধু সামান্য ভাতের জন্য মানুষের আর্তনাদ না দেখলে উপলব্ধি করা কঠিন। যেখানে খাবারের জন্য হাহাকার যেখানে ঘরে থাকা, চিকিৎসা অথবা রোগ থেকে দূরে থাকার নিয়মাবলি কতটা কাজ দেবে?

বর্তমানের এই দুঃসময়ে সমাজের একটা অংশ যেভাবে গরিব ও অভাবীদের দুঃখ-কষ্টের সাথী হয়েছে, এটা হয়তো এই মহামারি না আসলে আমরা বুঝতেই পারতাম না। তাছাড়া আমাদের সম্মুখসারির যোদ্ধা ডাক্তার, নার্স, মেডিকেল স্টাফ, পুলিশ, সশস্ত্রবাহিনী, প্রশাসন, সাংবাদিক ছাড়াও ভিক্ষুক নাজিম উদ্দিন, কাউন্সিলর খোরশেদ, বিদ্যানন্দের সাথে জড়িত স্বেচ্ছাসেবীরাসহ সমমনা অনেক মানুষের অবদানের ফলে হয়তো এখনও নব্বইয়ের দশকের সেই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে না। তবে হয়তো সেই দৃশ্য দেখতে দেরি হবে না, যদি এই মহামারির তাণ্ডব এখনই না কমে অথবা ভ্যাকসিন সব মানুষের হাতের নাগালে না আসে।

অন্যদিকে আরেক শ্রেণির মানুষদের দেখা গেছে, যারা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত অনাহারী মানুষের ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতি তথা রিলিফদ্রব্য চুরিতে ব্যস্ত। সাধারণত খাদ্যদ্রব্য অভাবে চুরি হলেও এখানে স্বভাবের চোরদের দেখা যায়। এরা পেটের অভাবে চাল চুরি করেনি বরং নিজেদের বিলাসিতা এবং সম্পদশালী হওয়ার জন্য বুভুক্ষ মানুষের মুখের খাবার কেড়ে নিতেও এদের বাধেনি।

আবার আমাদের আরও একটা শ্রেণি আছে যারা অন্যের কষ্ট উপলব্ধি করে না অথবা করার প্রয়োজনও মনে করে না। অভাবী মানুষের কষ্টে তারা বিচলিত হয় না, অর্থাৎ অন্য মানুষ কষ্টে থাকবে, তাতে এই শ্রেণির মানুষদের কিছুই যায় আসে না। কোভিড-১৯ মহামারিতে এই শ্রেণি আছে বহাল তবিয়তে। এদের খাবার, চিকিৎসা এবং মৌলিক সুবিধাদি সবই ঠিক আছে। সে কারণে, এরা ক্ষুধার কষ্ট যেমনি বোঝে না, তেমনি এদের কোনো দায়িত্ব আছে সেটাও মনে করে না। শুধু নিজেদের সুরক্ষা নিয়ে এরা অতি ব্যস্ত।

অনেকে ভাবে রোজা রেখে ক্ষুধার কষ্ট তারাও ভালো বুঝে। সত্যিকার অর্থে রোজা রেখে ক্ষুধার কষ্ট পুরোপুরি বোঝা যায় না। শুধু ক্ষুধা সম্পর্কে একটা ভালো ধারণা পাওয়া যায়। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার এবং সারারাত খেয়ে সেহরি শেষে তের-চৌদ্দ ঘণ্টা পর ডাইনিং টেবিলে হরেক রকম পুষ্টিকর ইফতার সাজানো থাকলে, গরিব মানুষের ক্ষুধার কষ্ট সত্যিই উপলব্ধি করা যায় না। যারা অভাবী মানুষ বিশেষত মহামারির কারণে আয় বিমুখ হয়ে পড়েছে, তাদের ক্ষুধার কষ্ট হচ্ছে ‘এই বেলায় খাওয়া হলো, সামনের বেলায় কী খাবে জানে না’ এ রকম। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের এবং ছোট বাচ্চাদের মিনিমাম দৈনিক ক্যালরিও এরা পূরণ করতে পারছে না। যার ফলে এদের কাছে সাধারণ ছুটি, সামাজিক দূরত্ব এবং লকডাউন কতটুকুই বা গুরুত্বপূর্ণ!

সাধারণত চার সদস্যবিশিষ্ট পরিবারের উপার্জনকারীর আয় যদি ৩০ থেকে ৬০ হাজারের মধ্যে হলে সেটা নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং অনুরূপভাবে একই পরিবারের উপার্জনকারীর আয় যদি ৬০ হাজার থেকে এক লাখের মধ্যে হলে সেটাকে মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে ধরা হয়। এখন মধ্যবিত্ত শ্রেণির কিছু ব্যাংক-ব্যালেন্স থাকলেও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির না থাকার ফলে তারা নিম্ন আয়ের শ্রেণিতে নেমে এসেছে। অর্থাৎ এখন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীতে নতুন করে একটা বড় অংশ যোগ হলো। যেহেতু সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে এই শ্রেণির তথ্য মজুত নেই, সেহেতু মহামারি এই শ্রেণিকে খুব মন্দকর একটা অবস্থার মধ্যে নিয়ে এসেছে। আবার এরা ত্রাণ নিতেও দ্বিধায় ভোগে, লজ্জা পায় এবং ঠিক মনে করে না। বাধ্য হয়ে এই শ্রেণি ক্ষুধা মেটানোর জন্য কাজে ফিরবে, এটাই স্বাভাবিক।

এটা সত্য আমাদের সেই সক্ষমতা এখনও হয়নি যে, আমরা মাসের পর মাস গরিব নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষকে ত্রাণ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে পারব। সরকার যথেষ্ট চেষ্টা অব্যাহত রাখছে, তারপরও সকল অসহায় মানুষকে ত্রাণ বিতরণে পুরোপুরি সফলতা অর্জন সম্ভব হয়ে ওঠেনি। একটি দৈনিকের অ্যানালাইসিসে দেখা যায়, ঢাকা শহরের ছয় লাখ অভাবী মানুষের মধ্যে ৬০ শতাংশ মানুষ এখন পর্যন্ত সরকারি ত্রাণ পেয়েছে।

গত এপ্রিল মাসে সংগৃহীত ব্র্যাক এবং পিপিআরসির করা একটি একটা সমীক্ষায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে সাধারণ ছুটি ও সামাজিক দূরত্বের কারণে ৭২ শতাংশ মানুষ কাজশূন্য হয়ে পড়েছেন। ৮ শতাংশ মানুষের কাজ থাকলেও বেতন পাননি। কৃষিকাজে সম্পৃক্তদের (৬৫%) তুলনায় অকৃষিখাতের দিনমজুর বেশি (৭৭%) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তাছাড়া অতিদরিদ্র, মাঝারি-দরিদ্র এবং সম্ভাব্য দরিদ্রদের ৭০% আয় কমে গেছে। শহর এলাকায় ৭১% এবং গ্রাম্য এলাকায় ৫৫% অর্থনৈতিক কার্যক্রম কমে গেছে। আবার ১৪ ভাগ মানুষের ঘরে কোনো খাবার নেই। ২৯ শতাংশ মানুষের ঘরে এক থেকে তিন দিনের খাবার আছে। ৫১ শতাংশ রিকশাচালক, ৫৮ শতাংশ কারখানা শ্রমিক, ৬২ শতাংশ দিনমজুর, ৬৬ শতাংশ হোটেল ও রেস্তোরাঁকর্মী জানায়, তাদের আয় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।

লকডাউন আর সাধারণ ছুটি অনেকের জন্য নিরাপত্তা জোরদার করলেও বেশিরভাগ গরিব মানুষের জন্য না খেয়ে থাকার হাহাকার। বর্তমানে প্রায় ২০% মানুষ গরিবের মধ্যে ১০.৫% বেশি গরিব। নিম্ন-আয়ের মানুষ যেমন পোশাক শ্রমিক, দিনমজুর, রিকশাচালক, হোটেল শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক ইত্যাদি পেশার মানুষের বর্তমান দিনকাল অন্যের সাহায্য ছাড়া চলছে না। তারা সরকারি ত্রাণ, পরিচিত লোকজন, আত্মীয়-স্বজনদের দয়ায় বেঁচে আছে। এভাবে কতদিন তারা সহ্য করবে?

কিছু মানুষ নিরুপায় হয়ে ঘর ছেড়ে কাজে এসেছে আর এতে যারা সোশ্যাল মিডিয়ার ঝড় তুলছেন, তাদের উপলব্দি কী, আমার জানা নেই! এখানে একটা অংশ আছে, সরকারের যেকোনো সিদ্ধান্তকে তারা নেতিবাচক হিসেবে তুলে ধরবে, তাদের নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কারণ তারা সমালোচনা করবে এবং এটাই তাদের ব্রত। কিন্তু যারা এই দলের বাইরে তারা অন্তত এইসব খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভাবতে পারত!

আমাদের নিম্ন-আয়ের মানুষদের বেশির ভাগই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে না, করলেও কোনো বিষয়ে ঝড় তুলতে পারে না, যেমন আমরা পারি। যার ফলে তাদের কষ্ট, না বলা কথাগুলো নীতিনির্ধারকদের মহলে পৌঁছে না। ফলে অনেকে না বুঝে এদের ঘরের বের হওয়া নিয়ে ট্রল, হাসি, ঠাট্টা করে। কবি রফিক আজাদের “ভাত দে হারামজাদা” কবিতাটা মন দিয়ে পড়লে এদের ক্ষুধা কষ্ট কিছুটা হলেও অনুধাবন করা যাবে।

অনেকে আবার “ওয়ার্ক ফ্রম হোম” অর্থাৎ ঘরে বসে কাজ করেন। এখন বোঝা দরকার কয়জন মানুষ ঘরে বসে কাজ করতে পারে? যারা নাপিত, দিনমজুর, রিকশাচালক, পরিবহন শ্রমিক, হোটেল রেস্টুরেন্টে কাজ করে তারা কীভাবে এই পদ্ধিতে কাজ করবে? তবে কি যাদের ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ নেই, ঘরে বসে বেতন না পাওয়া এবং ব্যাংকে ব্যালেন্স না থাকা লোকজন, না খেয়ে মরবে?

আবার অনেকে ঘরে বসে অনলাইনে অর্ডার করলেই পণ্য বাসায়, হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আর সেই পণ্য বিভিন্ন প্রকিয়ায় ডিসইনফ্যাক্ট করে, খুব সহজেই ভক্ষণ ও ব্যবহার করা যাচ্ছে। বাহ! ভালোই তো কলকারখানা খুললে তো আমাদের সমস্যাই হবে। একসময় এই করোনা অনলাইন পণ্য ডেলিভারিকারীদের মাধ্যমে ঘরে ফিরে আসতে পারে। যদিও ডিসইনফ্যাক্ট করে নেয়া হচ্ছে, তারপরও আরও বেশি নিরাপদ থাকতে হবে?

অনেক বেসরকারি হাসপাতালগুলো এবারে বোনাস দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে তাদের কর্মজীবীদের ছাঁটাই করা শুরু করেছে। অনেকে বেতনের একটা অংশ পেয়েছে মাত্র। এমনকি কিছু পত্রিকা এই মাসে সাংবাদিকদের বেতন দিতে পারছে না। তাছাড়া এত প্রণোদনা, এত সাবসিডি দেয়ার পরও পোশাক মালিকরা শ্রমিকদের বেতন দিতে পারছে না, অথবা দিচ্ছে না। এই বিষয়গুলো যখন ঠিক করা যাচ্ছে না, তখন শুধু ঘরে আটকিয়ে রাখা একমাত্র উপায় হতে পারে না!

অস্বীকার করার উপায় নেই যে দারিদ্র্য হ্রাসে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করে আসছিল। ১৯৯১-১৯৯২ সালে যা ৫৮.৮ শতাংশ ছিল, সেটা ২০১৬-১০১৭ সালে এসে ২৪.৩ শতাংশ হয়েছে এবং অতিদরিদ্রের হার ৪১ শতাংশ থেকে ১২.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। (সূত্রঃ বিবিএস, ২০১৭)। ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি স্থিতিশীল ছিল (বিশ্ব উন্নয়ন সূচক, ২০২০) যা দারিদ্র্য কমার সহায়ক ছিল। মূলত ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি ২০১৫ সালে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদায় পৌঁছাতে সহায়তা করেছিল। বর্তমানে দেশের এই অগ্রগতি করোনাভাইরাসের ফলে ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এই মহামারিতে কম ইমিউন, খেতে না পাওয়া, অসুস্থ, অপুষ্টিতে ভোগা মানুষদেরই কেবল মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই মহামারিতে আমাদের একটা বড় অংশ আছে যারা সামান্য রোজগারের জন্যও ঘর থেকে বের হওয়ার ঘোরবিরোধী। আমিও মানুষের ঘর থেকে বের হওয়ার বিপক্ষে। কিন্তু যখন অভাবী মানুষের ক্ষুধার কষ্ট নিজের মতো করে ভাবি, তখন আমি আর এই দলে থাকতে পারি না।

গরিব মানুষ ক্ষুধায় মরতে চায় না, তারা কাজ করে বেঁচে থাকতে চায়। তাদের দরকার সবার সহানুভূতি, বিপদে পাশে থাকা, আর একসঙ্গে করোনাযুদ্ধে এবং পরবর্তীতে অর্থনৈতিক সংগ্রামে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। শুধুমাত্র একটা অভিজাত শ্রেণিই আমাদের যথেষ্ট নয়, আমাদের সকল শ্রেণির মানুষের প্রয়োজন।

রোগের সংক্রমণ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকাও টিকিয়ে রাখার জন্য সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিছু কিছু কার্যক্রম চালু না করলে আমরা করোনার আগে ক্ষুধায় মরে যাব, অর্থনৈতিকভাবে আরও বেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া থেকে কোনো উপায় থাকবে না। রোগের কষ্টের চেয়ে ক্ষুধার কষ্ট অনেক বেশি মর্মান্তিক।

লেখক : কলামিস্ট

এইচআর/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬০,৯৩,৭৯৯
আক্রান্ত

৩,৬৮,৭৪০
মৃত

২৭,০০,১৫৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৪,৬০৮ ৬১০ ৯,৩৭৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮,০৫,২৭৬ ১,০৪,৯৭৭ ৫,২১,৯০৬
ব্রাজিল ৪,৬৯,৫১০ ২৮,০১৫ ১,৯৩,১৮১
রাশিয়া ৩,৯৬,৫৭৫ ৪,৫৫৫ ১,৬৭,৪৬৯
স্পেন ২,৮৬,৩০৮ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৭২,৮২৬ ৩৮,৩৭৬ ৩৪৪
ইতালি ২,৩২,৬৬৪ ৩৩,৩৪০ ১,৫৫,৬৩৩
ফ্রান্স ১,৮৬,৮৩৫ ২৮,৭১৪ ৬৭,৮০৩
জার্মানি ১,৮৩,১৪৯ ৮,৫৯৮ ১,৬৪,৯০০
১০ ভারত ১,৮১,৭৯৬ ৫,১৮৫ ৮৬,৮৮০
১১ তুরস্ক ১,৬৩,১০৩ ৪,৫১৫ ১,২৬,৯৮৪
১২ ইরান ১,৪৮,৯৫০ ৭,৭৩৪ ১,১৬,৮২৭
১৩ পেরু ১,৪৮,২৮৫ ৪,২৩০ ৬২,৭৯১
১৪ চিলি ৯৪,৮৫৮ ৯৯৭ ৪০,৪৩১
১৫ কানাডা ৯০,১৬১ ৭,০৭৩ ৪৮,০৫০
১৬ মেক্সিকো ৮৪,৬২৭ ৯,৪১৫ ৫৯,৬১০
১৭ সৌদি আরব ৮৩,৩৮৪ ৪৮০ ৫৮,৮৮৩
১৮ চীন ৮২,৯৯৯ ৪,৬৩৪ ৭৮,৩০২
১৯ পাকিস্তান ৬৬,৪৫৭ ১,৩৯৫ ২৪,১৩১
২০ বেলজিয়াম ৫৮,১৮৬ ৯,৪৫৩ ১৫,৭৬৯
২১ কাতার ৫৫,২৬২ ৩৬ ২৫,৮৩৯
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৬,২৫৭ ৫,৯৫১ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৪১,৬৫৮ ২২৯ ১৭,৯৬৪
২৪ ইকুয়েডর ৩৮,৫৭১ ৩,৩৩৪ ১৯,১৯০
২৫ সুইডেন ৩৭,১১৩ ৪,৩৯৫ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৪,৩৬৬ ২৩ ২০,৭২৭
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৩,৮৯৬ ২৬২ ১৭,৫৪৬
২৮ পর্তুগাল ৩২,২০৩ ১,৩৯৬ ১৯,১৮৬
২৯ সুইজারল্যান্ড ৩০,৮৪৫ ১,৯১৯ ২৮,৪০০
৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৯,২৪০ ৬১১ ১৫,০৯৩
৩১ কলম্বিয়া ২৬,৬৮৮ ৮৫৩ ৬,৯১৩
৩২ কুয়েত ২৬,১৯২ ২০৫ ১০,১৫৬
৩৩ ইন্দোনেশিয়া ২৫,৭৭৩ ১,৫৭৩ ৭,০১৫
৩৪ আয়ারল্যান্ড ২৪,৯২৯ ১,৬৫১ ২২,০৮৯
৩৫ পোল্যান্ড ২৩,৫৭১ ১,০৬১ ১১,০১৬
৩৬ মিসর ২৩,৪৪৯ ৯১৩ ৫,৬৯৩
৩৭ ইউক্রেন ২৩,২০৪ ৬৯৬ ৯,৩১১
৩৮ রোমানিয়া ১৯,১৩৩ ১,২৫৯ ১৩,০৪৬
৩৯ ফিলিপাইন ১৭,২২৪ ৯৫০ ৩,৮০৮
৪০ ইসরায়েল ১৭,০১২ ২৮৪ ১৪,৮১১
৪১ জাপান ১৬,৭১৯ ৮৭৪ ১৪,২৫৪
৪২ অস্ট্রিয়া ১৬,৬৮৫ ৬৬৮ ১৫,৫২০
৪৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৬,৫৩১ ৪৮৮ ৯,২৬৬
৪৪ আর্জেন্টিনা ১৫,৪১৯ ৫২৪ ৪,৭৮৮
৪৫ আফগানিস্তান ১৪,৫২৫ ২৪৯ ১,৩০৩
৪৬ পানামা ১২,৫৩১ ৩২৬ ৭,৫৪০
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৬৩৩ ৫৭১ ১০,৩২৭
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৪৪১ ২৬৯ ১০,৩৯৮
৪৯ সার্বিয়া ১১,৩৮১ ২৪২ ৬,৬০৬
৫০ বাহরাইন ১০,৭৯৩ ১৫ ৫,৮২৬
৫১ ওমান ১০,৪২৩ ৪২ ২,৩৯৬
৫২ কাজাখস্তান ১০,৩৮২ ৪৮৯ ৫,২২০
৫৩ নাইজেরিয়া ৯,৩০২ ২৬১ ২,৬৯৭
৫৪ আলজেরিয়া ৯,২৬৭ ৬৪৬ ৫,৫৪৯
৫৫ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,২২৬ ৩১৯ ৬,৫৩২
৫৬ আর্মেনিয়া ৮,৯২৭ ১২৭ ৩,৩১৭
৫৭ বলিভিয়া ৮,৭৩১ ৩০০ ৭৪৯
৫৮ নরওয়ে ৮,৪৩৫ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৯ মলদোভা ৮,০৯৮ ২৯১ ৪,৪৫৫
৬০ ঘানা ৭,৭৬৮ ৩৫ ২,৫৪০
৬১ মালয়েশিয়া ৭,৭৬২ ১১৫ ৬,৩৩০
৬২ মরক্কো ৭,৭৪০ ২০৩ ৫,৩৭৭
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৮৫ ১০৩ ৬,৬০৬
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৮২৬ ৩১৬ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৬,১৭৯ ১৯৫ ৩,১১০
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৬৫৯ ১৮৫ ৩,৪৪১
৬৭ আজারবাইজান ৫,২৪৬ ৬১ ৩,৩২৭
৬৮ হন্ডুরাস ৪,৮৮৬ ১৯৯ ৫২৮
৬৯ গুয়াতেমালা ৪,৬০৭ ৯০ ৬৪৮
৭০ সুদান ৪,৫২১ ২৩৩ ৮১৬
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০১৬ ১১০ ৩,৮১৫
৭২ হাঙ্গেরি ৩,৮৬৭ ৫২৪ ২,১৪২
৭৩ তাজিকিস্তান ৩,৮০৭ ৪৭ ১,৮৬৫
৭৪ গিনি ৩,৬৫৬ ২২ ২,০০০
৭৫ সেনেগাল ৩,৫৩৫ ৪২ ১,৭৬১
৭৬ উজবেকিস্তান ৩,৫২৩ ১৪ ২,৭৮৩
৭৭ জিবুতি ৩,১৯৪ ২২ ১,২৮৬
৭৮ থাইল্যান্ড ৩,০৭৭ ৫৭ ২,৯৬১
৭৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,৯৬৬ ৬৯ ৪২৮
৮০ গ্রীস ২,৯১৫ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৭৫০ ৩২ ১,৩৭০
৮২ গ্যাবন ২,৬১৩ ১৫ ৭০৯
৮৩ বুলগেরিয়া ২,৪৯৯ ১৩৯ ১,০৬৪
৮৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৯৪ ১৫৩ ১,৮৩১
৮৫ এল সালভাদর ২,৩৯৫ ৪৪ ১,০২৬
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৬ ১০৩ ২,০৬৩
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,১৬৪ ১৩১ ১,৫৩৫
৮৮ কিউবা ২,০২৫ ৮৩ ১,৭৯৫
৮৯ সোমালিয়া ১,৯১৬ ৭৩ ৩২৭
৯০ কেনিয়া ১,৮৮৮ ৬৩ ৪৬৪
৯১ এস্তোনিয়া ১,৮৬৫ ৬৭ ১,৬২২
৯২ আইসল্যান্ড ১,৮০৬ ১০ ১,৭৯৪
৯৩ কিরগিজস্তান ১,৭২২ ১৬ ১,১১৩
৯৪ মায়োত্তে ১,৬৯৯ ২১ ১,৩৮৫
৯৫ লিথুনিয়া ১,৬৭০ ৭০ ১,২২৯
৯৬ মালদ্বীপ ১,৬৩৩ ২৩০
৯৭ শ্রীলংকা ১,৬১৩ ১০ ৭৮১
৯৮ হাইতি ১,৫৮৪ ৩৫ ২৯
৯৯ স্লোভাকিয়া ১,৫২১ ২৮ ১,৩৫৬
১০০ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০১ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৭
১০২ নেপাল ১,৪০১ ২১৯
১০৩ ভেনেজুয়েলা ১,৩৭০ ১৬ ৩০২
১০৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১০৫ গিনি বিসাউ ১,২৫৬ ৪২
১০৬ মালি ১,২৫০ ৭৬ ৬৯৬
১০৭ লেবানন ১,১৯১ ২৬ ৭০৮
১০৮ আলবেনিয়া ১,১২২ ৩৩ ৮৫৭
১০৯ হংকং ১,০৮৩ ১,০৩৬
১১০ তিউনিশিয়া ১,০৭৬ ৪৮ ৯৫০
১১১ লাটভিয়া ১,০৬৫ ২৪ ৭৪৫
১১২ ইথিওপিয়া ১,০৬৩ ২০৮
১১৩ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১৪ কোস্টারিকা ১,০২২ ১০ ৬৫৩
১১৫ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৬ প্যারাগুয়ে ৯৬৪ ১১ ৪৬৬
১১৭ নাইজার ৯৫৫ ৬৪ ৮১৩
১১৮ সাইপ্রাস ৯৪৪ ১৭ ৭৮৪
১১৯ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৮০
১২০ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৮৭৪ ২৩
১২১ সিয়েরা লিওন ৮৫২ ৪৬ ৪১৫
১২২ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭২০
১২৩ এনডোরা ৭৬৪ ৫১ ৬৯২
১২৪ চাদ ৭৫৯ ৬৫ ৪৭০
১২৫ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৬ মাদাগাস্কার ৭৫৮ ১৬৫
১২৭ জর্জিয়া ৭৫৭ ১২ ৬০০
১২৮ জর্ডান ৭৩৪ ৫৮৬
১২৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭১ ৪২ ৩৫৭
১৩১ মালটা ৬১৮ ৫২৫
১৩২ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৬৮
১৩৩ জ্যামাইকা ৫৭৫ ২৮৯
১৩৪ কঙ্গো ৫৭১ ১৯ ১৬১
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫১৭
১৩৬ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৭ রিইউনিয়ন ৪৭১ ৪১১
১৩৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৫০ ১৭২
১৩৯ তাইওয়ান ৪৪২ ৪২১
১৪০ টোগো ৪২৮ ১৩ ২০২
১৪১ মৌরিতানিয়া ৪২৩ ২০ ২১
১৪২ কেপ ভার্দে ৪২১ ১৬৭
১৪৩ রুয়ান্ডা ৩৫৫ ২৪৭
১৪৪ বেনিন ৩৩৯ ১৩৬
১৪৫ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৯
১৪৬ মরিশাস ৩৩৫ ১০ ৩২২
১৪৭ উগান্ডা ৩২৯ ৭২
১৪৮ ভিয়েতনাম ৩২৮ ২৭৯
১৪৯ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৫০ ইসওয়াতিনি ২৮৩ ১৬৮
১৫১ ইয়েমেন ২৮৩ ৬৫ ১১
১৫২ লাইবেরিয়া ২৮০ ২৭ ১৪৮
১৫৩ মালাউই ২৭৯ ৪২
১৫৪ মোজাম্বিক ২৪৪ ৯০
১৫৫ মায়ানমার ২২৪ ১৩০
১৫৬ মার্টিনিক ২০০ ১৪ ৯৮
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৭৯ ৪৪
১৫৯ জিব্রাল্টার ১৬৯ ১৪৯
১৬০ গুয়াদেলৌপ ১৬২ ১৪ ১৩৮
১৬১ জিম্বাবুয়ে ১৬০ ২৯
১৬২ গায়ানা ১৫০ ১১ ৬৭
১৬৩ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৪ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪১ ৬৮
১৬৫ বারমুডা ১৪০ ৯২
১৬৬ কম্বোডিয়া ১২৫ ১২৩
১৬৭ সিরিয়া ১২২ ৪৩
১৬৮ লিবিয়া ১১৮ ৪১
১৬৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৭০ কমোরস ১০৬ ২৬
১৭১ বাহামা ১০২ ১১ ৪৮
১৭২ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭৩ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭৪ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৫ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৬ অ্যাঙ্গোলা ৮১ ১৮
১৭৭ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪১ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৫ ভুটান ৩৩
১৮৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৬ ১৪
১৮৭ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ২০
১৮৯ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯০ নামিবিয়া ২৩ ১৪
১৯১ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৯ ১৮
১৯৩ কিউরাসাও ১৯ ১৪
১৯৪ লাওস ১৯ ১৬
১৯৫ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৬ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০২ সুরিনাম ১২
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।