করোনাকালে হাসপাতালে ডিউটি এবং অভিজ্ঞতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:১৫ এএম, ২৩ মে ২০২০

 

ড. মো. শাহিন হোসেন

২৮ এপ্রিল ২০২০। বাসায় স্ত্রীকে কিছু না জানিয়েই মহাখালি স্বাস্থ্য অধিদফতরে আসলাম। পরিচালক (প্রশাসন) ডা. বেলাল হোসেন স্যারকে আমার ইচ্ছার কথা জানালাম। স্যার বললেন, তুমি নিশ্চিত তো? আমি জানালাম- স্যার আমি শতভাগ নিশ্চিত।

বাসায় চলে এলাম। ইফতারের একটু আগেই স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমআইএস বিভাগ থেকে মেসেজ পেলাম, আমার মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পোস্টিং অর্ডার হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি সরকারি চিকিৎসক হিসেবে শিক্ষা ছুটিতে একটা নন ক্লিনিক্যাল কোর্সে আছি। কিন্তু লকডাউনের কারণে আপাতত অনলাইনে ক্লাস ব্যতীত কোনো কাজ না থাকায় আমি হতাশ হয়ে পড়ছিলাম। কেননা একজন চিকিৎসক হিসেবে আমার এখন করোনা রোগীদের পাশে থাকা উচিত। আর সেজন্যই শিক্ষা ছুটিতে থাকার পরও করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে কাজ করার পোস্টিং অর্ডারের জন্যই স্বাস্থ্য অধিদফতরে পরিচালক (প্রশাসন) স্যারকে অনুরোধ করেছিলাম।

এবার আমার জন্য কঠিন পরীক্ষা, বাসায় স্ত্রীকে জানানো। তান্নিকে বললাম যে, করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আমার পোস্টিং অর্ডার হয়েছে আজ। তোমার পুরোপুরি সমর্থন চাই। অল কোয়ায়েট ইন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট! তান্নি চোখের পানি মুছে কিছুক্ষণ পর বললো- দেশের মানুষের জন্য এমন সেবা করার সুযোগ তুমি পেয়েছো, তাই তোমার জন্য আমার পুরো সমর্থন আছে। আমি হাফ ছাড়লাম। ভেবেছিলাম তান্নি খুব কান্নাকাটি করবে। কিন্তু চিকিৎসক না হয়েও সে এই পেশার মহত্ব বোঝে। তাই চোখের পানি আড়াল করেই উল্টো আমাকে সাহস যোগালো। একটু পরই শাশুড়ি আম্মার ফোন। রিসিভ করেই শুনতে পেলাম হাউমাউ করে কান্নার শব্দ। ‘বাবা তোমার চাকরি করতে হবে না, তুমি চাকরি ছেড়ে দেও।’ আমি তাকে বোঝালাম-আম্মা এখন যদি আমি মৃত্যুর ভয় পেয়ে চাকরি ছেড়ে দেই, তাহলে চিকিৎসক হিসেবে আমি কখনোই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারব না। তাই আপনি শুধু দোয়া করেন, আমি যেন সুস্থ থেকে করোনা রোগীদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারি। আম্মার কান্নার প্রকোপ একটু কমলো। একটু পরই আমার সেজ ভাইয়ার ফোন ‘আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ তোকে করোনা রোগীদের সেবা করার সুযোগ দিছেন। ইনশাল্লাহ তিনিই তোকে সুস্থ রাখবেন।’ কথাগুলো ভাইয়া এক নিঃশ্বাসে বললেও টের পেলাম তার ভেজা গলার স্বর। একে একে আরও অনেক ফোন আসতে লাগলো।

ডিউটি শুরুর আগেই এক চিকিৎসক বন্ধু নিজের সংগ্রহ থেকে আমাকে অরিজিনাল একটা এন-৯৫ মাস্ক পাঠালো। চিকিৎসক বড় ভাইয়া খুলনা থেকে দুই সেট পিপিই পাঠালো, আরেক স্কুল বন্ধু দিলো মাস্ক, পিপিই, ফেসশিল্ড। এবার আমি প্রস্তুত করোনা রোগীদের সেবার জন্য।

প্রথম দিন মর্নিং ডিউটি। সকাল ৮ টার একটু আগেই পৌঁছে গেলাম আমার কর্মস্থলে। নাইটের ডাক্তারের কাছ থেকে হ্যান্ডওভার বুঝে নিলাম। মর্নিংয়ের অন্য ডাক্তাররাও ততক্ষণে চলে এসেছেন। আমাদের টিম লিডার সহকারী অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক স্যার আমাদের ব্রিফ করলেন আমরা কীভাবে কাজ করব। এর মধ্যেই আমাদের রুমের বাইরে থেকে একজনের কান্না শুনতে পেলাম। ডিউটি রুম থেকে বের হলাম। এক রোগীর স্বজনকে দেখতে পেলাম। তার ৬ মাসের বাচ্চার তীব্র শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, এখনই যেন আমরা তার বাচ্চাকে দেখতে যাই। তখনও আমরা কেউই পিপিই (পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট) পরিধান করি নাই। তাকে বললাম, আপনি রোগীর কাছে যান, আমরা আসছি। কিন্তু রোগীর বাবা হাউমাউ করে কেঁদেই চলেছে! শেষমেশ টিম লিডারের অনুমতি নিয়ে আমিই খুব দ্রুত পিপিই পরে ছুটলাম বাচ্চাটিকে দেখতে। তীব্র (সিভিয়ার) নিউমোনিয়া সঙ্গে করোনা পজিটিভ। বিছানায় শুয়ে ছটফট করছে বাচ্চাটা। অক্সিজেন ঠিকভাবে নিতে পারছে না। দ্রুত ডিউটি নার্সকে ডেকে ইনজেকশন দেয়ার ব্যবস্থা করলাম, মাস্ক দিয়ে হাই ভলিউমে অক্সিজেন দিলাম। যেখানে করোনা রোগীদের খুব কাছে যাবার ব্যাপারে আমাদের একটু বিধিনিষেধ আছে, তবুও সব ভুলে বাচ্চাটাকে একটু সুস্থ করার জন্য আমি প্রাণপণ চেষ্টা করতে লাগলাম। এমনকি বাচ্চার বুকে হাত দিয়ে শ্বাসের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করলাম, যেহেতু স্টেথোস্কোপ কাছে ছিলো না। আধা ঘণ্টা পর বাচ্চাটা একটু স্বাভাবিক হলে আমি বাচ্চার মা’কে করণীয় বুঝিয়ে দিয়ে আমার ডিউটি স্টেশনে এসে অন্য রোগীদের কাজ শুরু করলাম। এক মুহূর্তের জন্য বসতে পারি নাই সেদিন। এর মধ্যেই আরও দুইবার সেই বাচ্চার জন্য ডাক এসেছিল। দুইবার গিয়েই দেখে আসলাম বাচ্চাটাকে। শেষবার আসার সময় বাচ্চার মায়ের কী আকুতি- স্যার আপনি চলে গেলে আর কেউ কী এভাবে আমার বাচ্চাকে দেখবে?

আমি বললাম, অবশ্যই দেখবে। আপনি টেনশন করবেন না। দুপুর ১২ টার পর আমার পিপিই খুলে অফ হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও রোগীর চাপে পারি নাই অফ হতে। এমনকি ডিউটি ২ টায় শেষ হলেও আমার কাজ শেষ করতে ৩ টা বেজে গিয়েছিল। হাসপাতাল থেকে বের হব তখন সেই বাচ্চার বাবা আমার কাছে এসে আমার মোবাইল নম্বর চাইলে আমি তাকে নম্বর না দিয়েই চলে আসি। ভাবি নম্বর দিলেই তো একটু পর পর ফোন দিয়ে জ্বালাতন করবে। কিন্তু কে জানতো নম্বর না দিয়ে সারা জীবনের জন্য আমিই জ্বলব! বাচ্চার কথা এবং সেই সঙ্গে চিকিৎসক হিসেবে আমার অপরাগতার কথা ভেবে সিএনজিতে ফেরার সময় হাউমাউ করে কান্না করলাম কিছুক্ষণ। সিএনজি ড্রাইভার অবাক হয়ে পিছনে ফিরে কিছু না বলে আবার ড্রাইভিং করতে লাগলো। বাসায় ফিরেও শান্ত হতে পারছিলাম না। নামাজ পরতে যেয়ে বাচ্চাটির কথা ভেবে আরও বেশি কান্না আসছিলো। স্ত্রীকে বললাম বাচ্চাটার জন্য দোয়া করতে। আর আফসোস হচ্ছিল আমার মোবাইল নম্বরটা দিলে অন্তত অসহায় বাবা একটু আশ্বস্ত হতে পারত। ঠিক করলাম আগামীকাল নাইট ডিউটিতে গিয়েই আগে বাচ্চাটাকে দেখতে যাব এবং আমার নম্বর দিয়ে আসব।

পরদিন ডিউটির এক ঘণ্টা আগেই হাসপাতালে পৌঁছাই। বাচ্চার খোঁজ নিতে গেলাম আগে। কিন্তু বাচ্চাটা যে বেডে ছিলো, সেখানে নেই বাচ্চাটি। সেখানে নতুন রোগী এসেছে। নার্সেস স্টেশনে গেলাম। বাচ্চার কথা বলতেই যে উত্তর শুনলাম, তার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। বাচ্চাটা আজ সকালেই মারা গেছে, কোনো চিকিৎসাই বাচ্চাটাকে করোনার বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার এই যুদ্ধে জয়ী করতে পারলো না। মনে হলো আমার নিজের বাচ্চাকেই বোধহয় আমি হারালাম! সারারাত অন্য রোগীদের জন্য নিজেকে ব্যস্ত রেখে বাচ্চাটার কথা ভোলার চেষ্টা করলাম।

একদিন পর ইভিনিং ডিউটি ছিলো। ডিউটিতে আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই এক রোগীর লোক আমাদের ডক্টরস রুমের খুব কাছে এসে দুই হাত জড়ো করে সাহায্য চাচ্ছিলো তার গর্ভবতী স্ত্রী’র জন্য। যেহেতু আমরা কেউই তখনও পিপিই পরিধান করি নাই, তাই তাকে রোগীর কাছে যেতে বললাম। দ্রুত করে আমরা দুইজন মেডিকেল অফিসার পিপিই পরে নিলাম। রোগীকে নিয়ে তার স্বজনরাই ট্রলি ঠেলে আমাদের ডিউটি স্টেশনে সরাসরি নিয়ে এসেছে। ৪০ সপ্তাহের ফুল টার্ম প্রেগন্যান্ট এবং করোনা পজিটিভ রোগী। আমার সহকর্মী ডা. আতিক রোগীকে প্রাথমিকভাবে দেখে আমাদের টিম লিডার স্যারকে জানালো। স্যার আমাদের হাসপাতালের গাইনি বিভাগের টিমকে রেডি হয়ে আসতে বললেন। তারাও দ্রুত এসে রোগীকে জরুরি সিজার করার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিলো। মাত্র আধা ঘণ্টার নোটিশেই অপারেশনের আয়োজন এবং বাচ্চা পৃথিবীর আলো দেখতে পেল। অপারেশনের পর আবারো আমাদের টিমের দৌড়াদৌড়ি। রোগীর গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস ছিল, অপারেশনের পর এখন তা অনেক বেড়ে গেছে। রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। টিম লিডার অ্যান্ডোক্রাইনোলজিস্ট ডা. ফারুক স্যার রোগীকে দেখে চিকিৎসা শুরু করলেন। এদিকে বাচ্চাও একটু কম শ্বাস নিচ্ছে। টিমের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. পরিমল দাদা এবার বাচ্চাকে চিকিৎসা দিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই মা এবং বাচ্চার অবস্থা উন্নতি হলে আমরা একটু হাফ ছেড়ে বাঁচি! একটু পর বাচ্চার গর্বিত বাবা বাচ্চাকে নিয়ে আসে আমাদের টিমের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য। সে এতই কৃতজ্ঞ যে পারলে আমাদের পা ছুঁয়ে সালাম করে। তবে এবার আমি আরও সাবধান হই। আর ভুল করি না। রোগীর স্বামীকে আমার মোবাইল নম্বর দিয়ে বলি, যখনই কোনো প্রয়োজন হবে, আমাকে কল করবেন।

দ্বিতীয় নাইট ডিউটিতে যখন হাসপাতালে ঢুকলাম, তখন রাত ৯ টা ২০ বেজে গেছে। অর্থাৎ আজ ২০ মিনিট লেট আমি। তাই টিম লিডারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে দ্রুত পিপিই পরে নিলাম। কেবিন ব্লকে নতুন রোগী এসেছে। তাই ফাইল নিয়ে তাড়াতাড়ি চলে গেলাম ১২৩৯ নম্বর কেবিনে। রোগী একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিল। করোনা টেস্ট পজিটিভ আসায় সেই হাসপাতাল থেকে রেফার্ড করে দিলে সে এই সরকারি হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়। দেখলাম শ্বাস কষ্ট হচ্ছে রোগীর। তাড়াতাড়ি নার্সকে দিয়ে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপালাম। ৫ লিটার অক্সিজেন দিয়েও শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ ৮৫ শতাংশ। এই ধরনের রোগীর সাধারণত আইসিইউ সাপোর্ট লাগে। আমাদের হাসপাতালের আইসিইউতে যোগাযোগ করলাম। কোনো বেড ফাঁকা নেই। রোগীর সঙ্গে তার স্ত্রী এবং মেয়ে ব্যতীত আর কেউ নাই। তারা এই রাতে রোগীকে অন্য কোথাও নিতে অপারগ।

অগত্যা পরম করুণাময়ের নামে চিকিৎসা শুরু করলাম। শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি কিছুটা কমে আসছে দেখে একটু শান্তি লাগছে। আরও কিছু সাপোর্টিভ ট্রিটমেন্ট দেয়ার পর রোগীর স্যাচুরেশন (শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ) ১০ লিটার অক্সিজেনসহ এখন ৯৩ শতাংশ। আলহামদুলিল্লাহ। রোগী একটু বেটার ফিল করায় একটা আইসিইউ রিকোয়েস্ট রেখে চলে আসছিলাম। কানে আসলো রোগীর স্ত্রী রোগীকে কী খাওয়াবেন রাতে সেটা নিয়ে চিন্তিত। আমি একটু দাঁড়ালাম। রাত তখন ১১ টা। বাইরের হোটেল এমনিতেই আগে থেকে বন্ধ। তারা আমার কাছে জানতে চাইলো- কীভাবে রোগীর খাবার যোগাড় করা যেতে পারে। উপায়ান্তর না পেয়ে আমি একটা প্রস্তাব দিলাম। বললাম যদি আপনাদের আপত্তি না থাকে, তাহলে সেহেরির জন্য আমার স্ত্রী ফ্রাইড রাইস রান্না করে দিছে, সেটা আমি পাঠাতে পারি রোগীর জন্য। একটু চুপ থেকে তারা আমার এই প্রস্তাবে তারা রাজি হলো। আমি ওয়ার্ড বয়কে দিয়ে রোগীর জন্য আমার খাবারসহ হটপট পাঠিয়ে দেই। ভাবলাম একদিন সেহেরি না খেয়ে রোজা রাখলে এমন কোনো সমস্যা হবে না। তবুও রোগী অন্তত খাবার খেয়ে ভালো থাকুক। একটু গভীর রাতে আবার রোগীকে দেখতে গেলাম। অবাক হয়ে শুনলাম, কেবিনে এই ক্রিটিক্যাল রোগীকে একা রেখে স্ত্রী এবং মেয়ে বাসায় চলে গেছে! পাছে তারাও যদি করোনা আক্রান্ত হয়- এই ভয়ে! অথচ ডিউটিরত নার্স এই ক্রিটিকাল রোগীকে আধা ঘণ্টা পর পর এসে দেখে যাচ্ছে।

করোনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, করোনার ভয়ে আমরা অতি আপনজনদেরও হাসপাতালে একা ফেলে বাসায় চলে যাচ্ছি। করোনা আক্রান্ত মা’কে সন্তানেরা রাতের আঁধারে জঙ্গলে ফেলে যাচ্ছে, করোনায় মৃত বাবার লাশ নিতে ছেলে অস্বীকার করছে। এ কেমন মানবতা আমাদের? করোনা সংক্রমিত রোগ হলেও মানবিকতা আরও বেশি সংক্রমিত হওয়া দরকার। যাতে করোনায় আক্রান্ত এই রোগীদের পাশে আমরা স্বাস্থ্যকর্মীসহ সকলেই মমত্ববোধের হাত বাড়িয়ে দেই। দোষারোপের সময় এখন নয়, এখন সময় মানবিক হওয়ার। এখন সময় মানবিকতার পরিচয় দেয়ার।

এমএফ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৫,৯১,৬৭৭
আক্রান্ত

৩,৪৭,৯৪৬
মৃত

২৩,৬৮,০১৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩৫,৫৮৫ ৫০১ ৭,৩৩৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭,০৬,২২৬ ৯৯,৮০৫ ৪,৬৪,৬৭০
ব্রাজিল ৩,৭৬,৬৬৯ ২৩,৫২২ ১,৫৩,৮৩৩
রাশিয়া ৩,৫৩,৪২৭ ৩,৬৩৩ ১,১৮,৭৯৮
স্পেন ২,৮২,৮৫২ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৬১,১৮৪ ৩৬,৯১৪ ৩৪৪
ইতালি ২,৩০,১৫৮ ৩২,৮৭৭ ১,৪১,৯৮১
ফ্রান্স ১,৮২,৯৪২ ২৮,৪৩২ ৬৫,১৯৯
জার্মানি ১,৮০,৭৮৯ ৮,৪২৮ ১,৬২,০০০
১০ তুরস্ক ১,৫৭,৮১৪ ৪,৩৬৯ ১,২০,০১৫
১১ ভারত ১,৪৫,৪৫৬ ৪,১৭২ ৬০,৭০৬
১২ ইরান ১,৩৭,৭২৪ ৭,৪৫১ ১,০৭,৭১৩
১৩ পেরু ১,২৩,৯৭৯ ৩,৬২৯ ৫০,৯৪৯
১৪ কানাডা ৮৫,৭১১ ৬,৫৪৫ ৪৪,৬৩৮
১৫ চীন ৮২,৯৯২ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৭৭
১৬ সৌদি আরব ৭৪,৭৯৫ ৩৯৯ ৪৫,৬৬৮
১৭ চিলি ৭৩,৯৯৭ ৭৬১ ২৯,৩০২
১৮ মেক্সিকো ৭১,১০৫ ৭,৬৩৩ ৪৯,৮৯০
১৯ পাকিস্তান ৫৭,৭০৫ ১,১৯৭ ১৮,৩১৪
২০ বেলজিয়াম ৫৭,৩৪২ ৯,৩১২ ১৫,২৯৭
২১ কাতার ৪৫,৪৬৫ ২৬ ১০,৩৬৩
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৫,৪৪৫ ৫,৮৩০ ২৫০
২৩ ইকুয়েডর ৩৭,৩৫৫ ৩,২০৩ ১৮,০০৩
২৪ বেলারুশ ৩৭,১৪৪ ২০৪ ১৪,৪৪৯
২৫ সুইডেন ৩৩,৮৪৩ ৪,০২৯ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩১,৯৬০ ২৩ ১৫,৭৩৮
২৭ পর্তুগাল ৩০,৭৮৮ ১,৩৩০ ১৭,৮২২
২৮ সুইজারল্যান্ড ৩০,৭৪৬ ১,৯১৩ ২৮,২০০
২৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩০,৩০৭ ২৪৮ ১৫,৬৫৭
৩০ আয়ারল্যান্ড ২৪,৬৯৮ ১,৬০৮ ২১,০৬০
৩১ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩,৬১৫ ৪৮১ ১১,৯১৭
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২২,৭৫০ ১,৩৯১ ৫,৬৪২
৩৩ কলম্বিয়া ২১,৯৮১ ৭৫০ ৫,২৬৫
৩৪ কুয়েত ২১,৯৬৭ ১৬৫ ৬,৬২১
৩৫ পোল্যান্ড ২১,৬৩১ ১,০০৭ ৯,২৭৬
৩৬ ইউক্রেন ২১,৫৮৪ ৬৪৪ ৭,৫৭৫
৩৭ রোমানিয়া ১৮,২৮৩ ১,২০৭ ১১,৬৩০
৩৮ মিসর ১৭,৯৬৭ ৭৮৩ ৪,৯০০
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৭৪৩ ২৮১ ১৪,৩৬২
৪০ জাপান ১৬,৫৮১ ৮৩০ ১৩,৬১২
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৫৩৯ ৬৪১ ১৫,১৩৮
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৫,০৭৩ ৪৬০ ৮,২৮৫
৪৩ ফিলিপাইন ১৪,৩১৯ ৮৭৩ ৩,৩২৩
৪৪ আর্জেন্টিনা ১২,৬২৮ ৪৬৭ ৩,৯৯৯
৪৫ আফগানিস্তান ১১,৮৩১ ২২০ ১,১২৮
৪৬ ডেনমার্ক ১১,৩৮৭ ৫৬৩ ৯,৯৬৪
৪৭ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,২২৫ ২৬৯ ১০,২৭৫
৪৮ সার্বিয়া ১১,১৯৩ ২৩৯ ৫,৯২০
৪৯ পানামা ১১,১৮৩ ৩১০ ৬,২৭৯
৫০ বাহরাইন ৯,১৭১ ১৪ ৪,৭৫৩
৫১ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,০০২ ৩১৭ ৬,১৮২
৫২ কাজাখস্তান ৮,৯৬৯ ৪৮৯ ৪,৫১৫
৫৩ আলজেরিয়া ৮,৫০৩ ৬০৯ ৪,৭৮৪
৫৪ নরওয়ে ৮,৩৬৪ ২৩৫ ৭,৭২৭
৫৫ নাইজেরিয়া ৮,০৬৮ ২৩৩ ২,৩১১
৫৬ ওমান ৭,৭৭০ ৩৭ ১,৯৩৩
৫৭ মরক্কো ৭,৫৩২ ২০০ ৪,৭৭৪
৫৮ মালয়েশিয়া ৭,৪১৭ ১১৫ ৫,৯৭৯
৫৯ মলদোভা ৭,১৪৭ ২৬১ ৩,৮০২
৬০ অস্ট্রেলিয়া ৭,১২৬ ১০২ ৬,৫৫২
৬১ আর্মেনিয়া ৭,১১৩ ৮৭ ৩,১৪৫
৬২ ঘানা ৬,৮০৮ ৩২ ২,০৭০
৬৩ বলিভিয়া ৬,৬৬০ ২৬১ ৬৪৭
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৫৯৯ ৩০৮ ৫,১০০
৬৫ ক্যামেরুন ৫,০৪৪ ১৭১ ১,৯১৭
৬৬ ইরাক ৪,৬৩২ ১৬৩ ২,৮১১
৬৭ আজারবাইজান ৪,২৭১ ৫১ ২,৭৪১
৬৮ হন্ডুরাস ৪,১৮৯ ১৮২ ৪৭৩
৬৯ লুক্সেমবার্গ ৩,৯৯৩ ১১০ ৩,৭৮১
৭০ সুদান ৩,৯৭৬ ১৭০ ৫০৩
৭১ হাঙ্গেরি ৩,৭৭১ ৪৯৯ ১,৮৩৬
৭২ গুয়াতেমালা ৩,৭৬০ ৫৯ ২৭৪
৭৩ গিনি ৩,২৭৫ ২০ ১,৬৭৩
৭৪ উজবেকিস্তান ৩,২৬১ ১৩ ২,৬০৭
৭৫ সেনেগাল ৩,১৩০ ৩৫ ১,৫১৫
৭৬ তাজিকিস্তান ৩,১০০ ৪৬ ১,৩৯৫
৭৭ থাইল্যান্ড ৩,০৪৫ ৫৭ ২,৯২৯
৭৮ গ্রীস ২,৮৮২ ১৭২ ১,৩৭৪
৭৯ জিবুতি ২,৪৬৮ ১৪ ১,০৭৯
৮০ বুলগেরিয়া ২,৪৪৩ ১৩০ ৮৮০
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৪২৩ ৩০ ১,২৫৭
৮২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪০৬ ১৪৬ ১,৬৯৬
৮৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,২৯৭ ৬৭ ৩৩৭
৮৪ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৪ ১০০ ২,০৩৫
৮৫ গ্যাবন ২,১৩৫ ১৪ ৫৬২
৮৬ এল সালভাদর ২,০৪২ ৩৬ ৭৮৭
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৯৯৯ ১১৩ ১,৪৩৯
৮৮ কিউবা ১,৯৪৭ ৮২ ১,৭০৪
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮২৪ ৬৫ ১,৫৩৮
৯০ আইসল্যান্ড ১,৮০৪ ১০ ১,৭৯১
৯১ সোমালিয়া ১,৬৮৯ ৬৬ ২৩৫
৯২ লিথুনিয়া ১,৬৩৫ ৬৩ ১,১৩৮
৯৩ মায়োত্তে ১,৬০৯ ২০ ৮৯৪
৯৪ স্লোভাকিয়া ১,৫১১ ২৮ ১,৩০৭
৯৫ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২১ ১,৪৬১
৯৬ স্লোভেনিয়া ১,৪৬৯ ১০৭ ১,৩৪৬
৯৭ কিরগিজস্তান ১,৪৬৮ ১৬ ১,০১৫
৯৮ মালদ্বীপ ১,৩৯৫ ১৫৫
৯৯ কেনিয়া ১,২৮৬ ৫২ ৪০২
১০০ শ্রীলংকা ১,১৮২ ১০ ৬৯৫
১০১ গিনি বিসাউ ১,১৭৮ ৪২
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,১৭৭ ১৬ ৩০২
১০৩ লেবানন ১,১১৯ ২৬ ৬৮৮
১০৪ হংকং ১,০৬৬ ১,০৩০
১০৫ হাইতি ১,০৬৩ ৩১ ২৯
১০৬ মালি ১,০৫৯ ৬৭ ৬০৪
১০৭ তিউনিশিয়া ১,০৫১ ৪৮ ৯১৯
১০৮ লাটভিয়া ১,০৪৯ ২২ ৭১২
১০৯ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,০৪৩ ১২ ১৬৫
১১০ আলবেনিয়া ১,০০৪ ৩২ ৭৯৫
১১১ কোস্টারিকা ৯৫১ ১০ ৬২৮
১১২ নাইজার ৯৫১ ৬২ ৭৮৬
১১৩ সাইপ্রাস ৯৩৭ ১৭ ৫৯৪
১১৪ জাম্বিয়া ৯২০ ৩৩৬
১১৫ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬২৯
১১৬ প্যারাগুয়ে ৮৬৫ ১১ ৩৪৪
১১৭ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৩২ ৫২ ৬৭২
১১৮ দক্ষিণ সুদান ৮০৬
১১৯ এনডোরা ৭৬৩ ৫১ ৬৬৩
১২০ সিয়েরা লিওন ৭৩৫ ৪২ ২৯৩
১২১ জর্জিয়া ৭৩১ ১২ ৫২৬
১২২ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২৩ জর্ডান ৭১১ ৪৭৯
১২৪ চাদ ৬৮৭ ৬১ ২৪৪
১২৫ নেপাল ৬৮২ ১১২
১২৬ সান ম্যারিনো ৬৬৬ ৪২ ২৭০
১২৭ ইথিওপিয়া ৬৫৫ ১৫৯
১২৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৬৫২ ২২
১২৯ মালটা ৬১১ ৪৮৫
১৩০ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৫৭
১৩১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৫৯ ৪৫ ৫১৭
১৩২ জ্যামাইকা ৫৫৬ ২৩৮
১৩৩ মাদাগাস্কার ৫৪২ ১৪৭
১৩৪ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৫ কঙ্গো ৪৮৭ ১৬ ১৪৭
১৩৬ রিইউনিয়ন ৪৫৬ ৪১১
১৩৭ তাইওয়ান ৪৪১ ৪১৫
১৩৮ কেপ ভার্দে ৩৯০ ১৫৫
১৩৯ টোগো ৩৮৬ ১৩ ১৬১
১৪০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৩৫৩ ১৪৬
১৪১ বেনিন ৩৩৯ ৮৪
১৪২ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৫
১৪৩ রুয়ান্ডা ৩৩৬ ২৩৮
১৪৪ মরিশাস ৩৩৪ ১০ ৩২২
১৪৫ ভিয়েতনাম ৩২৬ ২৭২
১৪৬ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৭ নিকারাগুয়া ২৭৯ ১৭ ১৯৯
১৪৮ লাইবেরিয়া ২৬৫ ২৬ ১৪১
১৪৯ উগান্ডা ২৬৪ ৬৯
১৫০ মৌরিতানিয়া ২৬২ ১৫
১৫১ ইসওয়াতিনি ২৫৬ ১৫৮
১৫২ ইয়েমেন ২৩৩ ৪৪ ১১
১৫৩ মোজাম্বিক ২০৯ ৭১
১৫৪ মায়ানমার ২০৩ ১২৩
১৫৫ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৬ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৭ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৫৮ জিব্রাল্টার ১৫৪ ১৪৭
১৫৯ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৭
১৬০ মঙ্গোলিয়া ১৪১ ৩৭
১৬১ গায়ানা ১৩৭ ১১ ৬২
১৬২ কেম্যান আইল্যান্ড ১৩৪ ৬১
১৬৩ বারমুডা ১৩৩ ৮৯
১৬৪ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৬ সিরিয়া ১০৬ ৪১
১৬৭ আরুবা ১০১ ৯৫
১৬৮ মালাউই ১০১ ৩৩
১৬৯ বাহামা ১০০ ১১ ৪৬
১৭০ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭১ বার্বাডোস ৯২ ৭১
১৭২ কমোরস ৮৭ ২১
১৭৩ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৪ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৫৯
১৭৫ লিবিয়া ৭৫ ৪০
১৭৬ অ্যাঙ্গোলা ৭০ ১৮
১৭৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৮ জিম্বাবুয়ে ৫৬ ২৫
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ১৯
১৮৫ ভুটান ২৭
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৭ গাম্বিয়া ২৫ ১৭
১৮৮ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৮৯ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯০ নামিবিয়া ২১ ১৪
১৯১ লাওস ১৯ ১৪
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮ ১৮
১৯৩ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৪ কিউরাসাও ১৮ ১৪
১৯৫ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১৮ ১৪
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১২ ১১
২০২ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৪ সুরিনাম ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।