প্লাজমা থেরাপি : একটি জরুরি পরীক্ষণমূলক নতুন ওষুধ ইআইএনডি

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:১০ পিএম, ০১ জুন ২০২০

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান

২০১৯ এর ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহর থেকে উৎপত্তি হয়ে আজ অবধি বিশ্বব্যাপী তছনছ করে চলেছে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র এক অদৃশ্য অণুজীব যার নাম করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যে ২১৩টি দেশ-অঞ্চল দখল করে নিয়েছে। এ সকল দেশে সকল রাষ্ট্রীয়, অর্থনৈতিক-সামাজিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হচ্ছে করোনাভাইরাসের গতিবিধির ওপর নির্ভর করে। এ ভাইরাস ৩০ মে পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছে ৩,৬৬,৮৯৬ জন মানুষের তাজা প্রাণ আর আক্রান্ত করেছে ৬০,৩৪,৬৬৬ জনকে। ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে সংক্রমণ আর মৃত্যর মিছিল, ধ্বংস করে চলেছে সভ্যতা, অর্থনীতি, জনজীবন। কঠিনভাবে মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে বিজ্ঞানকে। বিশেষ করে চিকিত্সা বিজ্ঞানকে।

আজও আবিষ্কৃত হয়নি কোনো ওষুধ, হয়নি ভ্যাকসিন- কোনোক্রমেই প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না ভাইরাসটিকে, ঠেকানো যাচ্ছে না মৃত্যু। মুমূর্ষু রোগীর জন্য পরীক্ষণ ( ট্রায়াল) চলছে রেমডেসিভির ওষুধের আর প্লাজমা থেরাপি ব্যবহারের। ক্লোরোকুইন ব্যবহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ অনেক দেশ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধই কার্যকর হয়, অন্য কিছু নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে ভ্যাকসিন তৈরির প্রার্থী ১১৪টি। এর মধ্যে ১০টি এগিয়ে আছে- যুক্তরাষ্ট্রের ৪টি, চীনের ৫টি, যুক্তরাজ্যের ১টি যারা পরীক্ষার ২য় পর্যায়ে আছে। পাশের দেশ ভারতও পিছিয়ে নেই। চলছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের পরস্পরবিরোধী সংবাদের প্রতিযোগিতা, রয়েছে ওষুধ কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা।

এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় কোনো নিরাপদ বা কার্যকর ওষুধ পাওয়া যায়নি। গবেষকরা আশা করছেন, কনভালেসেন্ট প্লাজমা মুমূর্ষু কোভিড রোগীর শরীরে সঞ্চালন করলে তার ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পাবে। এভাবে রোগীদের উপকার হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কোভিড-১৯ জরুরি জনস্বাস্থ্য চলাকালীন সেবা প্রদানকারী এবং গবেষকদের জন্য কোভিড-১৯ কনভালেসেন্ট প্লাজমা ব্যবহার এবং পরীক্ষা করার জন্য একটি নির্দেশনা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত এফডিএ কোভিড-১৯ কনভালেসেন্ট প্লাজমা ব্যবহারের কোনো অনুমতি দেয়নি। এফডিএ কনভালেসেন্ট প্লাজমা সংগ্রহ এবং ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করে না।

এফডিএ বলেছে, "Although promising, convalescent plasma has not been shown to be safe and effective as a treatment for COVID-19. Therefore, it is important to study the safety and efficacy of COVID-19 convalescent plasma in clinical trials." এ কারণে বর্তমানে এটিকে বলা হয়, জরুরি পরীক্ষণমূলক নতুন ওষুধ (eIND)। যুক্তরাষ্ট্রের যে সমস্ত চিকিৎসক বা প্রতিষ্ঠান আইএনডিতে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী তাদের একটি নির্দিষ্ট ফরমে এফডিএর অনুমতি নিতে হয়।

রোগীর উপযুক্ততা
১. ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত কোভিড-১৯ আক্রান্ত
২. মারাত্মক অথবা জীবন হুমকির সম্মুখীন
মারাত্মক বলতে বুঝায়- শ্বাসকষ্ট, শ্বাস-প্রশ্বাসের হার প্রতি মিনিটে ৩০ বারের বেশি, রক্তে অক্সিজেনের সম্পৃক্ততা শতকরা ৯৩ ভাগের কম, ফুসফুসের অকার্যকারিতা ২৪-৪৮ ঘণ্টায় ৫০ ভাগের বেশি। জীবন হুমকির সম্মুখীন বলতে বুঝায়- শ্বাস-প্রশ্বাস অকার্যকর, সেপটিক শক, শরীরের একাধিক জরুরি অঙ্গ অকার্যকর।

প্লাজমা প্রদানের উপযুক্ততা :
১. রক্তদানের সকল সাধারণ যোগ্যতা থাকতে হবে
২. রক্তবাহিত সংক্রামক রোগের পরীক্ষা অবশ্যই করতে হবে
৩. ল্যাবরেটরিতে কোভিড-১৯ শনাক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত থাকতে হবে
৪. রক্তদানের অন্ততপক্ষে ১৪ দিন আগে সম্পূর্ণভাবে উপসর্গ মুক্ত হতে হবে
৫. একান্ত জরুরি ক্ষেত্র ছাড়া রক্তে অ্যান্টিবডির পরিমাণ দেখে নিতে হবে। জরুরি ক্ষেত্রেও পরে দেখে নিতে হবে।
প্লাজমা (রক্তরস)- এটি হাল্কা হলুদাভ তরল যা সাধারণত দেহের বিভিন্ন প্রকার রক্তকোষ ধারণ করে। মানবদেহের রক্তের প্রায় শতকরা ৫৫ ভাগ হচ্ছে প্লাজমা। এর ৯৫ শতাংশ হচ্ছে পানি এবং ৬-৮ শতাংশ হচ্ছে বিভিন্ন প্রোটিন, গ্লুকোজ, রক্তজমাট বাঁধার উপাদান, ইলেক্ট্রোলাইটস, হরমোন, কার্বন ডাই অক্সাইড ও অক্সিজেন।

কনভালেসেন্ট প্লাজমা

মানবদেহে যখন কোনো জীবাণু প্রবেশ করে তখন স্বাভাবিকভাবেই এক ধরনের রোগ প্রতিরোধ গড়ে ওঠে এবং প্রস্তুত হয় অ্যান্টিবডি। এই অ্যান্টিবডি শরীরে রোগজীবাণুকে প্রতিরোধ করে, ধ্বংস করে এবং প্রত্যাহার করে। একজন আক্রান্ত রোগী সুস্থ হলে তার শরীরের প্লাজমাকে কনভালেসেন্ট প্লাজমা বলা হয় যার মধ্যে উক্ত জীবাণুর নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি থাকে। এই প্লাজমা যদি একই জীবাণুতে আক্রান্ত অন্য রোগীর দেহে সঞ্চালিত করা হয় তাহলে একইভাবে উক্ত রোগীর শরীরেও এই অ্যান্টিবডি রোগ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। এর আগেও ১৯১৮ সালে স্পেনিশ ফ্লুতে, পরবর্তীতে সার্স, ইবোলো, এইচওয়ান এনওয়ানসহ বিভিন্ন রোগে প্লাজমা থেরাপি ব্যবহার করা হয়েছে।

২০২০ এর ফেব্রুয়ারি মাসেই চীনের চিকিত্সকরা মুমূর্ষু কোভিড রোগীদের প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করে যা ওই সময়েই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে কার্যকর এবং জীবনরক্ষাকারী বলে মন্তব্য করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য সরকার মুমূর্ষু কোভিড রোগীর জন্য প্লাজমা থেরাপি ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে। গত ৮ মে ভারতের মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (আইসিএমআর) ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশেই প্লাজমা থেরাপির ট্রায়াল চলছে।

বাংলাদেশ সরকার প্লাজমা থেরাপি ট্রায়ালের জন্য একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করে দিয়েছে । কমিটি ইতোমধ্যে প্রস্তুতিমূলক অনেক কাজ করেছে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগও করেছে। এছাড়া বিছিন্নভাবে বিভিন্ন হাসপাতাল প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করছে । মনে রাখতে হবে প্লাজমা থেরাপি মুমূর্ষু কোভিড রোগীদের জন্য একটি পরীক্ষণমূলক (ট্রায়াল) ব্যবস্থা। কেন্দ্রীয়ভাবে এর একটি নিয়ন্ত্রণ থাকতেই হবে। প্রধানত এটি রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের দায়িত্ব । বাংলাদেশে গর্ব করার মতো দেশব্যাপী রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের অবকাঠামো, দক্ষ মানবসম্পদ, কর্ম পরিকল্পনা এবং নেটওয়ার্ক রয়েছে। এ বিভাগের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সমন্বয়ের মাধ্যমে প্লাজমা থেরাপির ট্রায়ালের কাজটি হতে হবে।

সুপারিশসমূহ

১. দ্রুত টেকনিক্যাল কমিটির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে সমন্বয় স্থাপন করতে হবে।
২. গণমাধ্যমের মাধ্যমে উপযুক্ত ডোনারের মোটিভেশনের জন্য প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. প্লাজমা প্রয়োগের আগে অ্যান্টিবডির পরিমাণ (টাইটার) দেখতে হবে। জরুরি ক্ষেত্রে না পারলে পরে দেখে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে সব রোগীর ক্ষেত্রে যথাযথ অ্যান্টিবডি প্রস্তুত নাও হতে পারে।
৪. মোটিভেশন এবং প্লাজমা সংগ্রহের জন্য সন্ধানীর সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে।
৫. টেকনিক্যাল কমিটিকে অবহিত করেই সকল হাসপাতালে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করতে হবে।

বাংলাদেশেও সংক্রমণের হার বেড়ে চলেছে, প্রতিদিন যুক্ত হচ্ছে নতুন মৃত্যুতালিকা। সরকারকে জীবন-জীবিকা দুটো বিষয় নিয়েই ভাবতে হয়, দায়িত্ব নিতে হয়। ১ জুন থেকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই খুলেছে অফিস-আদালত, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারকে সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে। সরকারের একার পক্ষে এ ভয়ংকর মহামারি সামাল দেয়া বাস্তব নয়। নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে আমাদেরকেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করি।

লেখক : সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও প্যাথলজি বিশেষজ্ঞ।

এইচআর/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,০৮,১০,৩০৭
আক্রান্ত

৫,১৯,০৮৩
মৃত

৬০,৩২,৯৮৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৪৯,২৫৮ ১,৮৮৮ ৬২,১০৮
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৭,৭৯,৯৫৩ ১,৩০,৭৯৮ ১১,৬৪,৬৮০
ব্রাজিল ১৪,৫৩,৩৬৯ ৬০,৭১৩ ৯,১৬,১৪৭
রাশিয়া ৬,৫৪,৪০৫ ৯,৫৩৬ ৪,২২,৯৩১
ভারত ৬,০৫,২২০ ১৭,৮৪৮ ৩,৫৯,৮৯৬
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৩,৯০৬ ৩৪৪
স্পেন ২,৯৬,৭৩৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
পেরু ২,৮৮,৪৭৭ ৯,৮৬০ ১,৭৮,২৪৫
চিলি ২,৮২,০৪৩ ৫,৭৫৩ ২,৪৫,৪৪৩
১০ ইতালি ২,৪০,৭৬০ ৩৪,৭৮৮ ১,৯০,৭১৭
১১ মেক্সিকো ২,৩১,৭৭০ ২৮,৫১০ ১,৪৯,৩১৮
১২ ইরান ২,৩০,২১১ ১০,৯৫৮ ১,৯১,৪৮৭
১৩ পাকিস্তান ২,১৭,৮০৯ ৪,৪৭৩ ১,০৪,৬৯৪
১৪ তুরস্ক ২,০১,০৯৮ ৫,১৫০ ১,৭৫,৪২২
১৫ জার্মানি ১,৯৬,৩২৪ ৯,০৬১ ১,৭৯,৮০০
১৬ সৌদি আরব ১,৯৪,২২৫ ১,৬৯৮ ১,৩২,৭৬০
১৭ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৯,৮৬১ ৭৬,৫৩৯
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৫৯,৩৩৩ ২,৭৪৯ ৭৬,০২৫
১৯ কানাডা ১,০৪,২৭১ ৮,৬১৫ ৬৭,৭৪৪
২০ কলম্বিয়া ১,০২,০০৯ ৩,৪৭০ ৪৩,৪০৭
২১ কাতার ৯৭,০০৩ ১১৫ ৮৩,৯৬৫
২২ চীন ৮৩,৫৩৭ ৪,৬৩৪ ৭৮,৪৮৭
২৩ মিসর ৬৯,৮১৪ ৩,০৩৪ ১৮,৮৮১
২৪ সুইডেন ৬৯,৬৯২ ৫,৩৭০ ৪,৯৭১
২৫ আর্জেন্টিনা ৬৭,১৯৭ ১,৩৫১ ২৩,০৪০
২৬ বেলারুশ ৬২,৪২৪ ৩৯৮ ৪৭,৫৫৩
২৭ বেলজিয়াম ৬১,৫০৯ ৯,৭৫৪ ১৭,০২১
২৮ ইকুয়েডর ৫৮,২৫৭ ৪,৫৭৬ ২৭,৮৮৭
২৯ ইন্দোনেশিয়া ৫৭,৭৭০ ২,৯৩৪ ২৫,৫৯৫
৩০ ইরাক ৫১,৫২৪ ২,০৫০ ২৬,২৬৭
৩১ নেদারল্যান্ডস ৫০,২৭৩ ৬,১১৩ ২৫০
৩২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪৯,০৬৯ ৩১৬ ৩৮,১৬০
৩৩ কুয়েত ৪৬,৯৪০ ৩৫৮ ৩৭,৭১৫
৩৪ ইউক্রেন ৪৪,৯৯৮ ১,১৭৩ ১৯,৫৪৮
৩৫ সিঙ্গাপুর ৪৪,১৫৩ ২৬ ৩৯,০১১
৩৬ কাজাখস্তান ৪২,৫৭৪ ৪৮৯ ২৫,৫৩৩
৩৭ পর্তুগাল ৪২,৪৫৪ ১,৫৭৯ ২৭,৭৯৮
৩৮ ওমান ৪১,১৯৪ ১৮৫ ২৪,১৬২
৩৯ ফিলিপাইন ৩৮,৫১১ ১,২৭০ ১০,৪৩৮
৪০ পোল্যান্ড ৩৪,৭৭৫ ১,৪৭৭ ২১,৭৯১
৪১ পানামা ৩৪,৪৬৩ ৬৪৫ ১৫,৯৪৫
৪২ বলিভিয়া ৩৪,২২৭ ১,২০১ ৯,৭৬৪
৪৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩৩,৩৮৭ ৭৫৪ ১৭,৯০৪
৪৪ আফগানিস্তান ৩২,০২২ ৮০৭ ১৬,০৪১
৪৫ সুইজারল্যান্ড ৩১,৮৫১ ১,৯৬৫ ২৯,২০০
৪৬ বাহরাইন ২৭,৪১৪ ৯২ ২১,৯৪৮
৪৭ রোমানিয়া ২৭,২৯৬ ১,৬৬৭ ১৯,৩১৪
৪৮ নাইজেরিয়া ২৬,৪৮৪ ৬০৩ ১০,১৫২
৪৯ ইসরায়েল ২৬,২৫৭ ৩২২ ১৭,৪৫২
৫০ আর্মেনিয়া ২৬,০৬৫ ৪৫৩ ১৪,৫৬৩
৫১ আয়ারল্যান্ড ২৫,৪৭৭ ১,৭৩৮ ২৩,৩৬৪
৫২ হন্ডুরাস ২০,২৬২ ৫৪২ ২,১২৩
৫৩ গুয়াতেমালা ১৯,০১১ ৮১৭ ৩,২৩১
৫৪ জাপান ১৮,৭২৩ ৯৭৪ ১৬,৭৩১
৫৫ ঘানা ১৮,১৩৪ ১১৭ ১৩,৫৫০
৫৬ আজারবাইজান ১৮,১১২ ২২০ ১০,০৬১
৫৭ অস্ট্রিয়া ১৭,৮৭৩ ৭০৫ ১৬,৪৯১
৫৮ মলদোভা ১৬,৮৯৮ ৫৪৯ ৯,৫৯৪
৫৯ সার্বিয়া ১৪,৮৩৬ ২৮১ ১২,৭৭২
৬০ আলজেরিয়া ১৪,২৭২ ৯২০ ১০,০৪০
৬১ নেপাল ১৪,০৪৬ ৩০ ৪,৬৫৬
৬২ দক্ষিণ কোরিয়া ১২,৯০৪ ২৮২ ১১,৬৮৪
৬৩ ডেনমার্ক ১২,৭৯৪ ৬০৬ ১১,৬৯৩
৬৪ মরক্কো ১২,৬৩৬ ২২৮ ৯,০২৬
৬৫ ক্যামেরুন ১২,৫৯২ ৩১৩ ১০,১০০
৬৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,০৪৬ ৩৪৯ ৭,৭৯৭
৬৭ আইভরি কোস্ট ৯,৭০২ ৬৮ ৪,৩৮১
৬৮ সুদান ৯,৫৭৩ ৬০২ ৪,৬০৬
৬৯ উজবেকিস্তান ৮,৯০৪ ২৬ ৫,৮৪৭
৭০ নরওয়ে ৮,৮৯৬ ২৫১ ৮,১৩৮
৭১ মালয়েশিয়া ৮,৬৪০ ১২১ ৮,৩৭৫
৭২ অস্ট্রেলিয়া ৮,০০১ ১০৪ ৭,০৯০
৭৩ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৩৬ ৩২৮ ৬,৭০০
৭৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৭,১২২ ১৭৫ ১,৭৮৫
৭৫ সেনেগাল ৬,৯২৫ ১১৬ ৪,৫৪৫
৭৬ এল সালভাদর ৬,৭৩৬ ১৮২ ৩,৯৬৪
৭৭ কেনিয়া ৬,৬৭৩ ১৪৯ ২,০৮৯
৭৮ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬,৪৫৪ ৩০৬ ২,৫৯৮
৭৯ কিরগিজস্তান ৬,২৬১ ৬৬ ২,৫৩০
৮০ ভেনেজুয়েলা ৬,০৬২ ৫৪ ১,৬৪৯
৮১ হাইতি ৬,০৪০ ১০৭ ১,০৩২
৮২ তাজিকিস্তান ৬,০০৫ ৫২ ৪,৬২৭
৮৩ ইথিওপিয়া ৫,৮৪৬ ১০৩ ২,৪৩০
৮৪ গ্যাবন ৫,৫১৩ ৪২ ২,৫০৮
৮৫ গিনি ৫,৪০৪ ৩৩ ৪,৩৪৬
৮৬ বুলগেরিয়া ৫,১৫৪ ২৩২ ২,৭২২
৮৭ জিবুতি ৪,৭০৪ ৫৫ ৪,৫৫০
৮৮ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪,৬০৬ ১৮৮ ২,৪৩২
৮৯ মৌরিতানিয়া ৪,৪৭২ ১২৯ ১,৬৭৭
৯০ লুক্সেমবার্গ ৪,৩৪৫ ১১০ ৪,০০৩
৯১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪,২৬৮ ১৬ ১,৬০২
৯২ হাঙ্গেরি ৪,১৫৭ ৫৮৬ ২,৭১৪
৯৩ কোস্টারিকা ৩,৭৫৩ ১৭ ১,৫১৬
৯৪ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৩,৭৪৫ ৪৭ ৭৮৭
৯৫ গ্রীস ৩,৪৩২ ১৯২ ১,৩৭৪
৯৬ থাইল্যান্ড ৩,১৭৯ ৫৮ ৩,০৫৯
৯৭ সোমালিয়া ২,৯২৪ ৯০ ৯৩২
৯৮ ক্রোয়েশিয়া ২,৮৩১ ১০৮ ২,১৫৫
৯৯ ফিলিস্তিন ২,৭৫৮ ৪৬০
১০০ মায়োত্তে ২,৬৪৩ ৩৫ ২,৩৪১
১০১ আলবেনিয়া ২,৫৮০ ৬৫ ১,৫১৬
১০২ নিকারাগুয়া ২,৫১৯ ৮৩ ১,২৩৮
১০৩ মালদ্বীপ ২,৩৮২ ১,৯৫৪
১০৪ কিউবা ২,৩৪৮ ৮৬ ২,২১৮
১০৫ মাদাগাস্কার ২,৩০৩ ২২ ১,০০৬
১০৬ প্যারাগুয়ে ২,২৬০ ১৯ ১,১০২
১০৭ মালি ২,২০২ ১১৬ ১,৪৮৩
১০৮ শ্রীলংকা ২,০৫৪ ১১ ১,৭৪৮
১০৯ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ২,০০১ ৩২ ৫১৫
১১১ এস্তোনিয়া ১,৯৮৯ ৬৯ ১,৮৩৬
১১২ আইসল্যান্ড ১,৮৪৭ ১০ ১,৮২৩
১১৩ লিথুনিয়া ১,৮১৮ ৭৮ ১,৫২৪
১১৪ লেবানন ১,৭৮৮ ৩৪ ১,২২৩
১১৫ স্লোভাকিয়া ১,৬৮৭ ২৮ ১,৪৬৬
১১৬ গিনি বিসাউ ১,৬৫৪ ২৪ ৩১৭
১১৭ জাম্বিয়া ১,৬৩২ ৩০ ১,৩৪৮
১১৮ স্লোভেনিয়া ১,৬১৩ ১১১ ১,৩৮৪
১১৯ নিউজিল্যান্ড ১,৫৩০ ২২ ১,৪৯০
১২০ সিয়েরা লিওন ১,৪৯৮ ৬০ ৯৯৯
১২১ কঙ্গো ১,৩৮২ ৪১ ৪৮৬
১২২ কেপ ভার্দে ১,২৬৭ ১৫ ৬২৯
১২৩ মালাউই ১,২৬৫ ১৬ ২৬০
১২৪ হংকং ১,২৩৪ ১,১১৭
১২৫ বেনিন ১,১৯৯ ২১ ৩৩৩
১২৬ ইয়েমেন ১,১৯০ ৩১৮ ৫০৪
১২৭ তিউনিশিয়া ১,১৭৫ ৫০ ১,০৩৮
১২৮ জর্ডান ১,১৩৩ ৮৮৬
১২৯ লাটভিয়া ১,১২১ ৩০ ৯৭৪
১৩০ নাইজার ১,০৭৫ ৬৭ ৯৪৩
১৩১ রুয়ান্ডা ১,০৪২ ৪৮০
১৩২ সাইপ্রাস ৯৯৯ ১৯ ৮৩৩
১৩৩ বুর্কিনা ফাঁসো ৯৬২ ৫৩ ৮৩৮
১৩৪ উরুগুয়ে ৯৪৩ ২৮ ৮২৫
১৩৫ জর্জিয়া ৯৩১ ১৫ ৭৯৪
১৩৬ মোজাম্বিক ৯০৩ ২৪৮
১৩৭ উগান্ডা ৮৯৩ ৮৩৭
১৩৮ লিবিয়া ৮৭৪ ২৫ ২২৩
১৩৯ চাদ ৮৬৬ ৭৪ ৭৮৫
১৪০ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৭৯৯
১৪১ ইসওয়াতিনি ৮৪০ ১১ ৪১৮
১৪২ লাইবেরিয়া ৮০৪ ৩৭ ৩৩৫
১৪৩ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৪৪ জ্যামাইকা ৭০৭ ১০ ৫৫৫
১৪৫ সান ম্যারিনো ৬৯৮ ৪৫ ৬৫৬
১৪৬ মালটা ৬৭১ ৬৪৭
১৪৭ টোগো ৬৬১ ১৪ ৪১৪
১৪৮ জিম্বাবুয়ে ৬০৫ ১৬৬
১৪৯ মন্টিনিগ্রো ৫৭৬ ১২ ৩১৫
১৫০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭১ ৪৮ ৫২৮
১৫১ সুরিনাম ৫৩৫ ১৩ ২৪২
১৫২ রিইউনিয়ন ৫২৮ ৪৭২
১৫৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৪ তাইওয়ান ৪৪৭ ৪৩৮
১৫৫ ভিয়েতনাম ৩৫৫ ৩৩৬
১৫৬ মরিশাস ৩৪১ ১০ ৩২৬
১৫৭ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৫৮ মায়ানমার ৩০৩ ২২২
১৫৯ কমোরস ৩০৩ ২০০
১৬০ সিরিয়া ২৯৩ ১১০
১৬১ অ্যাঙ্গোলা ২৯১ ১৫ ৯৭
১৬২ নামিবিয়া ২৮৫ ২৪
১৬৩ গায়ানা ২৪৮ ২৩ ১১৬
১৬৪ মার্টিনিক ২৪২ ১৪ ৯৮
১৬৫ বতসোয়ানা ২২৭ ২৮
১৬৬ মঙ্গোলিয়া ২২০ ১৭৭
১৬৭ ইরিত্রিয়া ২০৩ ৫৬
১৬৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৩
১৬৯ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৭০ গুয়াদেলৌপ ১৮২ ১৪ ১৫৭
১৭১ জিব্রাল্টার ১৭৮ ১৭৬
১৭২ বুরুন্ডি ১৭০ ১১৫
১৭৩ বারমুডা ১৪৬ ১৩৫
১৭৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৫ কম্বোডিয়া ১৪১ ১৩১
১৭৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩০ ১১৫
১৭৭ বাহামা ১০৪ ১১ ৮৯
১৭৮ মোনাকো ১০৩ ৯৫
১৭৯ আরুবা ১০৩ ৯৮
১৮০ বার্বাডোস ৯৭ ৯০
১৮১ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮২ সিসিলি ৮১ ১১
১৮৩ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬২
১৮৪ ভুটান ৭৭ ৫০
১৮৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৬৯ ২২
১৮৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৮৭ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮৮ গাম্বিয়া ৪৯ ২৭
১৮৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯০ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৪২ ১১
১৯২ লেসোথো ৩৫ ১১
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৯ ২৯
১৯৪ বেলিজ ২৮ ১৮
১৯৫ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৬ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৭ কিউরাসাও ২৩ ১৯
১৯৮ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ১৯ ১৯
২০০ লাওস ১৯ ১৯
২০১ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০২ ফিজি ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]