নিমতলী ট্র্যাজেডি ও দুর্যোগ মোকাবিলায় শেখ হাসিনা

ড. মিল্টন বিশ্বাস
ড. মিল্টন বিশ্বাস ড. মিল্টন বিশ্বাস , অধ্যাপক, কলামিস্ট
প্রকাশিত: ১০:২৩ এএম, ০৩ জুন ২০২০

আজ ৩ জুন নিমতলী ট্র্যাজেডির দশম বর্ষপূর্তি। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে আমাদের জীবনে আগুনের দুর্যোগকে স্মরণ করছি তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য। উপরন্তু এখন যেমন মহামারি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরন্তর প্রচেষ্টা ও জনগণকে রক্ষার জন্য তাঁর ব্যস্ত সময় কাটছে তেমনি ১০ বছর আগে আগুনের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত-অসহায় মানুষকে রক্ষায় তাঁকে একইভাবে তৎপর হতে দেখা গিয়েছিল।

২.

শরৎচন্দ্রের ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসে মহিমের গৃহ দগ্ধ হয়েছিল বন্ধু সুরেশের ঈর্ষা ও অচলাকে কাছে পাওয়ার বাসনায়। হোমারের ইলিয়াডে ট্রয় নগর পুড়েছিল গ্রিকদের যুদ্ধে জয়ী হওয়ার বাস্তবতায়। মহাভারতে জতুগৃহ দগ্ধ হওয়ার ঘটনা আছে। দুর্যোধন পাণ্ডবদের পুড়িয়ে মারার জন্য বারণাবতে লাক্ষা নির্মিত গৃহ নির্মাণ করে সেখানে তাদের পাঠায়; তবে সে যাত্রায় পাণ্ডবরা রক্ষা পায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের দ্বারা ভস্মিভূত হয়েছে সাধারণ মানুষের বসত-ভিটা, পুড়িয়ে মারা হয়েছে অসংখ্য নিরীহ মানুষকে। কিন্তু ২০১০ সালের ৩ জুন সংঘটিত অগ্নি ট্র্যাজেডি আকস্মিক, কোনো ষড়যন্ত্রের ফল নয়; মানুষ সেখানে যেন নিয়তি তাড়িত; অগ্নিদহনে তার সংকট ও যাতনার শেষ নেই যেন।

আমরা জানি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ভারতে বেদের তিনটি প্রধান দেবতাদের মধ্যে একটি হলো ‘অগ্নি’। তার উপস্থিতি পৃথিবীতে আগুনের মতো, বায়ুমণ্ডলে বজ্রের এবং আকাশে সূর্যের মতো। গ্রিক দেবতা প্রমিথিউস স্বর্গ থেকে আগুন চুরি করে এনে মরণশীল মানুষের হাতে তুলে দিয়েছিল। আগুন চুরি করায় দেবরাজ জিউস তাকে শাস্তি দিয়েছিল। পৃথিবীর আদিম মানুষ যেমন আগুন ছাড়া ছিল অসহায় তেমনি বর্তমানে আগুন ছাড়া বেঁচে থাকা কঠিন। কিন্তু মানুষ তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হলে আগুন হয়ে ওঠে সর্বভুক, হুতাশনে পরিব্যাপ্ত হতে পারে সর্বময়। নিমতলীর ঘটনায় আগুন পাবক হয়ে সবকিছু পবিত্র করেনি বরং অনলশিখায় ছাড়খার করেছে মানুষের স্বপ্ন। সেদিন ওই অগ্নিকাণ্ডে সবমিলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১২৪। ওই দুর্ঘটনায় সম্পদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৬৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকা, এটা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। নিমতলীর ঘটনা স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিট ও বাংলাদেশ সোসাইটি ফর বার্ন ইনজুরিস দিনটিকে ‘অগ্নিসচেতনতা দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে।

৩.

৩ জুন জনবসতির পাশে স্থাপিত একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরিত হলে সেখান থেকে আশেপাশের বাড়িগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আশেপাশের দোকানগুলোতে থাকা রাসায়নিক দ্রব্যাদি ও দাহ্য পদার্থের সংস্পর্শে আগুন আরও বিস্তৃত হয়, দ্রুত গ্রাস করে সবকিছু। এছাড়া আক্রান্ত এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের ওই এলাকায় যেতে ও কাজ করতে বাধার সম্মুখীন হতে হয়, যা দ্রুত অগ্নিনির্বাপণ বাধাগ্রস্ত করে। এছাড়া পুরান ঢাকা এলাকার সংকীর্ণ অলি-গলি দিয়ে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও অগ্নিনির্বাপক গাড়ি প্রবেশ করাতেও যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অগ্নিকাণ্ডের যথাযথ কারণ উদঘাটনের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। তিনি সেই সাথে ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও নিহতদের পরিবারবর্গের প্রতি তাঁর গভীর সমবেদনা জানান। তাঁর সরকার ৫ জুন, ২০১০ সারাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। তবে ১০ বছর পরও নিমতলীর ট্র্যাজেডি পিছু ছাড়েনি হতভাগা মানুষদের। এখনও অনেক দগ্ধ, আহত মানুষের আর্তনাদ শোনা যায়। যেমন, ওই দিন বাসা থেকে প্রাণ নিয়ে বের হতে পেরেছিল রিপন ও স্বপন। আগুনে শুধু তাদের মা, বোন, ভাগ্নেসহ পরিবারের ছয় সদস্যকেই হারায়নি; সঙ্গে পুড়ে যাওয়া বাড়িটিও হারিয়েছে তারা। আগে থেকেই বাড়ি নিয়ে ঝামেলা চলায় আগুন লাগার পর স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি পোড়া বাড়িটিই দখল করে। তখন থেকে তারা আজও দুই ভাই পথে পথে ঘুরছে।

তবে নিমতলীর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের দায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। বলেছিলেন, আগুনে পোড়া মানুষের বাস্তবে সম্বল বলে কিছুই থাকে না। এ জন্য তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। নিমতলী ট্র্যাজেডিতে আপনজন হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া তিন কন্যা উম্মে ফারওয়া আক্তার রুনা, সাকিনা আক্তার রত্না ও আসমা আক্তার শান্তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। নিজের কন্যা পরিচয়ে তিনি নিজেই তাদের বিয়ে দেন। বর্তমানে নিয়মিত তাদের খোঁজ-খবরও রাখেন তিনি। ঘটনার দিন রাত সাড়ে দশটার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে এবং এটি তিন ঘণ্টারও বেশি সময় স্থায়ী হয়। ওই অগ্নিকাণ্ডে আক্রান্ত একটি ভবনে বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল এবং এ জন্য সেখানে ছিল অনেক অতিথির সমাগম। ফলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রাও বেড়ে যায়। পরেরদিন শুক্রবার (৪ জুন) আসমা আক্তার শান্তার বিয়ের পান-চিনির অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। মেয়ের বিয়ের জন্য বাবা মুসলিম খান আড়াই ভরি ওজনের একটি সোনার নেকলেস তৈরি করেছিলেন। মায়ের ছিল সাড়ে চার ভরি সোনা। অলঙ্কারগুলো সবই আগুনে গলে যায়। তার মা আমেরি বেগম, নানি নূর বানু এবং বড় ভাইয়ের মেয়ে রোকেয়া আক্তার আগুনে পুড়ে মারা যান। বাবা মুসলিম খানের শরীরের বেশিরভাগ অংশই পুড়ে যায়। বড় বোনসহ পরিবারের আরও দুইজন অগ্নিদগ্ধ হন। নির্বাক আসমা আপনজনদের হারিয়ে যখন দিশেহারা তখন এগিয়ে আসেন মমতাময়ী শেখ হাসিনা। আসমার মতো ছিল হতভাগ্য রুনা-রত্নার জীবন। ওই সন্ধ্যায় আগুনে ছাই হয়ে যায় সাকিনা আক্তার রত্নার স্বপ্ন। ২২ জুন তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। ৩ জুন সন্ধ্যায় নিমতলীর রত্নাদের বাসায় ছোট বোন রুনার বাগদান অনুষ্ঠানের সময় আগুনে ছাই হয়ে যায় সবকিছু। দুই বোন আর ভাই ফয়সল ছাড়া বাড়ির সবাই মারা যান; রুনা-রত্নার পরিবারের ২১ জন নিহত হন।

অগ্নিকাণ্ডের পর পরিবার-পরিজন হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া রুনা, রত্না ও শান্তাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপন করে নেন। ঘোষণা দেন তারা নিজের সন্তানের মতো তাঁর আপনজন। এরপরই গণভবনে নিজে উপস্থিত থেকে তাঁর তিন কন্যার বিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়েরা এখন ভালোই আছে; তবে হারিয়ে যাওয়া মা, খালা, বোনদের কথা বারবার মনে হয়। তাদের হারানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে ‘মা’ হিসেবে পাবার পর তাদের আর কোনো কষ্ট নেই। মায়ের (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) ব্যস্ততা আর নিরাপত্তার জন্য তাদের সঙ্গে নিয়মিত আর দেখা হয় না। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেন; তাদের সন্তানদের আদর করেন। বিয়ের সময় বিশ্বমানবতার নেত্রী শেখ হাসিনা রুনার স্বামীকে একটি চাকরি দেয়ার কথা বলেছিলেন। সে অনুযায়ী সে নৌ বাহিনীতে চাকরি পেয়েছে। আবার যখন কেউ দেখার ছিল না তখন গণভবনে রত্নার বিয়ের পর তার স্বামীকে বেসিক ব্যাংকে চাকরি দেয়া হয়। অন্যদিকে শান্তার স্বামীকে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীতে নিয়োগের ব্যবস্থা করেন। আপন মা যেমন জামাই বাড়ি গ্রীষ্মের ফল পাঠান, মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রীও তার তিনকন্যার বাসায় প্রত্যেকবার ফল পাঠান। সরাসরি বছরে একবার দেখা হলেও শত ব্যস্ততায় বিভিন্ন উৎসবে নিয়মিতই খোঁজ নেন তাদের। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ করা তিনকন্যার উকিল বাবা হাজী সেলিম এমপিসহ অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতা তাদের নিয়মিত খোঁজ খবর রাখেন। আপন মেয়ের মতো সব ভালোমন্দ দেখেন তারা।

৪.

নিমতলী অগ্নিকাণ্ডের পর এবং ২০১৩-২০১৫ সালব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের পেট্রলবোমায় জর্জরিত মানুষের জন্য চিকিৎসা ছিল চ্যালেঞ্জিং। এ জন্য ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ‘বার্ন ইনস্টিটিউট’ এর। ২০১৮ সালে রাজধানীর চাঁনখারপুলে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ৫০০ শয্যার ‘জাতীয় শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’ এর উদ্বোধন হয়। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও অত্যাধুনিক এ বার্ন হাসপাতালটি উদ্বোধনের ফলে হাজার হাজার পোড়া রোগীর সুচিকিৎসার দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। আকাশছোঁয়া এ ভবনটি তিনটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। একদিকে রয়েছে বার্ন ইউনিট, অন্যদিকে প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট আর অন্য ব্লকটিতে করা হয়েছে অ্যাকাডেমিক ভবন। দেশে প্রথমবারের মতো কোনো সরকারি হাসপাতালে হেলিপ্যাড সুবিধাও রাখা হয়েছে।

২০১৯ সালের ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীতে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত ও ১৩০ জন আহত হয়েছে। তার আগে ২০ ফেব্রুয়ারি (২০১৯) ঢাকার চকবাজার এলাকায় আগুনের থাবা নিভিয়ে দিয়েছে মানুষের জীবন আর ধ্বংস হয়েছে কোটি টাকার সম্পদ। ওই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা সত্তরের উপরে। এ জন্য গত বছরের ১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে, পর-পর কয়েকটি অগ্নিদুর্ঘটনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে বেশ কিছু নির্দেশনা দেন। সেগুলো হলো- ফায়ার সার্ভিসের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে সুউচ্চ ভবন নির্মাণ করতে হবে এবং অগ্নিদুর্ঘটনা এড়ানোর পরামর্শগুলো মানা হচ্ছে কিনা সেগুলোর নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। ভবনগুলোর অগ্নিনিরোধক সিস্টেম বা ক্লিয়ারেন্স প্রতি বছর নবায়ন করতে হবে। আবাসিক ও বাণিজ্যিক সব ভবনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে ভবন নির্মাণ করতে হবে এবং এর কোনো ব্যত্যয় সহ্য করা হবে না। বিভিন্ন ভবন বা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ফায়ার ড্রিল করতে হবে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। অগ্নিকাণ্ডের সময় ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণের কোনো উপায় আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে হবে। কারণ আগুনে পোড়ার চেয়ে ধোঁয়ার কারণেই বেশি নিহতের ঘটনা ঘটে। রাজধানীতে প্রায়ই পানির অভাবে আগুন ঠিকমতো নেভানো যায় না। এ জন্যই আগুনের কথা মাথায় রেখে রাজধানীতে পর্যাপ্ত জলাশয় ও জলাধার তৈরি করতে হবে। রাজধানীর আশপাশের লেকগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। অগ্নিকাণ্ড বা অন্যান্য দুর্ঘটনায় ২৩ তলা পর্যন্ত পৌঁছানোর উপযোগী লেডার/লম্বা সিঁড়ি তিনটি আছে ফায়ার সার্ভিসের। এর সংখ্যা বাড়াতে হবে। বাসাবাড়ি, অফিস বা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করতে হবে চারপাশে দরজা-জানালাসহ এবং শত ভাগ ফায়ার এক্সিট নিশ্চিত করতে হবে। বৈদ্যুতিক দরজা পরিত্যাগ করে অন্য দরজা লাগাতে হবে যাতে বিদ্যুৎ না থাকলে বা দুর্ঘটনার সময় তা খোলা যায়। ভবনের চারপাশে জাল লাগানো সিস্টেম থাকতে হবে। কেউ যাতে ওপর থেকে পড়ে মারা না যায় সে জন্য এই ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাসপাতাল ও স্কুলে অবশ্যই বারান্দা রাখতে হবে যেন কোনো দুর্ঘটনার সময় মানুষ আশ্রয় নিতে পারে। ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা জায়গা বাঁচাতে ভবনের ভেতর সব জায়গা বন্ধ করে ডিজাইন করে। এ রকম কোনো ডিজাইন করা যাবে না। মানুষ যেন অবাধে যাতায়াত করতে পারে সেই ব্যবস্থা রাখতে হবে। দুর্ঘটনার সময় মানুষ যাতে লিফট ব্যবহার না করে সে জন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে। যেকোনো ভবনে আশা-যাওয়ার জন্য একাধিক দরজা রাখতে হবে। ভবনে প্রবেশের একটা দরজার সিস্টেম পরিহার করতে হবে।

অপরদিকে নিমতলী ট্র্যাজেডির জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধের জন্য ১৭ দফা সুপারিশ করা হয়েছিল; তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এসব নির্দেশনার মিল-অমিল উভয়ই রয়েছে। ১৭ দফার উল্লেখযোগ্য দিক হলো- জরুরি ভিত্তিতে আবাসিক এলাকা থেকে গুদাম বা কারখানা সরিয়ে নেয়া, অনুমোদনহীন কারখানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া, রাসায়নিক দ্রব্যের মজুত, বাজারজাতকরণ এবং বিক্রির জন্য লাইসেন্স দেয়ার ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া জোরদার করা, ‘অগ্নিপ্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন ২০০৩’ ও ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করা, আবাসিক এলাকায় রাসায়নিক বা বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুত বা বিপণনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন, আবাসিক এলাকায় রাসায়নিকদ্রব্য বা বিস্ফোরক জাতীয় পদার্থ মজুতকরণ বা বিপণন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা, ঘরবাড়িতে ব্যবহৃত বিদ্যুতিক তারের গুণগতমান নিশ্চিত করা, রাস্তায় স্থাপিত খোলা তারের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা পরিহার করতে প্রতিমাসে অন্তত একবার বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার সরেজমিনে পরীক্ষা করা, দ্রুত অগ্নিনির্বাপণের জন্য স্থানীয়ভাবে পৃথক পানির লাইনসহ হাইড্রেন্ট পয়েন্ট স্থাপন করা, দুর্ঘটনা মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে জাতীয় ট্রাস্কফোর্স গঠন, রাসায়নিক ও রাসায়ানিক জাতীয় দাহ্য বস্তুর আলাদা দপ্তরের পরিবর্তে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় সাধন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের অবকাঠামো, জনবল, প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের আধুনিকায়ন, জনসচেতনতা বাড়ানো, অগ্নিকাণ্ডের সময় যেন উৎসুক জনতা উদ্ধার কাজে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো, পাঠ্যসূচিতে অগ্নিকাণ্ড, উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসার বিষয়গুলো বাধ্যতামূলক করা, ৬২ হাজার কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবক তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা, কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার আওতায় আনা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানসমূহে ডেকোরেটরের উপকরণের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা প্রভৃতি। এর মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চাহিদা অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের অবকাঠামো বাড়ানো হলেও এখনও এই সেক্টরটি অত্যাধুনিকভাবে গড়ে ওঠেনি বলেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করা জরুরি। অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর ওই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রকাশের পর একাধিক টিম রাজধানীর প্রতিটি ভবন পরিদর্শন করেছেন। ভবনগুলোতে অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তামূলক পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে কিনা তা তারা দেখছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিচ্ছেন। অন্যদিকে পুরান ঢাকার আবাসিক এলাকা থেকে অবৈধ রাসায়নিক পণ্যের গুদাম সরানোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং নজরদারি বেড়েছে।

৫.

মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দায়কে নিজেদের দায়িত্ব মনে করে নিমতলী, চকবাজার, গার্মেন্টস কিংবা অন্য কোনো টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড যেন না ঘটে সে জন্য জনগণের মধ্যে জোর সচেতনতামূলক প্রচার-অভিযান চালাতে হবে, পাশাপাশি সকল সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের (ওয়াসা এবং অন্যান্য) ভেতর সমন্বয় থাকতে হবে। অন্যদিকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও নিতে হবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা- তা হলেই নিমতলীর মতো ট্র্যাজিক ঘটনা চিরতরে বন্ধ করা সম্ভব হবে।

লেখক : বিশিষ্ট লেখক, কবি, কলামিস্ট
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম
এবং অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]

এইচআর/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,১১,০১,২৯২
আক্রান্ত

৫,২৬,৫৫৮
মৃত

৬২,১৭,০৩৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৫৬,৩৯১ ১,৯৬৮ ৬৮,০৪৮
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৮,৬৫,০১৪ ১,৩১,৮২৩ ১১,৯৯,২৯৩
ব্রাজিল ১৫,০৮,৯৯১ ৬২,৩০৪ ৯,১৬,১৪৭
রাশিয়া ৬,৬৭,৮৮৩ ৯,৮৫৯ ৪,৩৭,৮৯৩
ভারত ৬,৪৯,৫০৪ ১৮,৬৬৯ ৩,৯৪,৩১৫
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৪,১৩১ ৩৪৪
স্পেন ২,৯৭,৬২৫ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
পেরু ২,৯২,০০৪ ১০,০৪৫ ১,৮২,০৯৭
চিলি ২,৮৮,০৮৯ ৬,০৫১ ২,৫৩,৩৪৩
১০ ইতালি ২,৪১,১৮৪ ৩৪,৮৩৩ ১,৯১,৪৬৭
১১ মেক্সিকো ২,৩৮,৫১১ ২৯,১৮৯ ১,৪৯,৩১৮
১২ ইরান ২,৩৫,৪২৯ ১১,২৬০ ১,৯৬,৪৪৬
১৩ পাকিস্তান ২,২১,৮৯৬ ৪,৫৫১ ১,১৩,৬২৩
১৪ তুরস্ক ২,০৩,৪৫৬ ৫,১৮৬ ১,৭৮,২৭৮
১৫ সৌদি আরব ২,০১,৮০১ ১,৮০২ ১,৪০,৬১৪
১৬ জার্মানি ১,৯৬,৮৮৮ ৯,০৬৪ ১,৮১,০০০
১৭ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৯,৮৯৩ ৭৭,০৪৯
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৭৭,১২৪ ২,৯৫২ ৮৬,২৯৮
১৯ কলম্বিয়া ১,০৬,১১০ ৩,৬৪১ ৪৪,৫৩১
২০ কানাডা ১,০৫,০২৫ ৮,৬৬৩ ৬৮,৬৫০
২১ কাতার ৯৮,৬৫৩ ১২১ ৮৮,৫৮৩
২২ চীন ৮৩,৫৪২ ৪,৬৩৪ ৭৮,৪৯৯
২৩ মিসর ৭১,২৯৯ ৩,১২০ ১৯,২৮৮
২৪ সুইডেন ৭০,৬৩৯ ৫,৪১১ ৪,৯৭১
২৫ আর্জেন্টিনা ৬৯,৯৪১ ১,৪০৩ ২৫,২২৪
২৬ বেলারুশ ৬২,৯৯৭ ৪১২ ৪৯,৯০৯
২৭ বেলজিয়াম ৬১,৭২৭ ৯,৭৬৫ ১৭,০৭৩
২৮ ইন্দোনেশিয়া ৬০,৬৯৫ ৩,০৩৬ ২৭,৫৬৮
২৯ ইকুয়েডর ৫৯,৪৬৮ ৪,৬৩৯ ২৮,০৩২
৩০ ইরাক ৫৬,০২০ ২,২৬২ ২৯,৬০০
৩১ নেদারল্যান্ডস ৫০,৩৩৫ ৬,১১৩ ২৫০
৩২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪৯,৪৬৯ ৩১৭ ৩৮,৬৬৪
৩৩ কুয়েত ৪৮,৬৭২ ৩৬০ ৩৯,২৭৬
৩৪ ইউক্রেন ৪৬,৭৬৩ ১,২১২ ২০,৫৫৮
৩৫ সিঙ্গাপুর ৪৪,৪৭৯ ২৬ ৩৯,৭৬৯
৩৬ কাজাখস্তান ৪৪,০৭৫ ৪৮৯ ২৬,২৫১
৩৭ ওমান ৪৩,৯২৯ ১৯৩ ২৬,১৬৯
৩৮ পর্তুগাল ৪২,৭৮২ ১,৫৮৭ ২৮,০৯৭
৩৯ ফিলিপাইন ৪০,৩৩৬ ১,২৮০ ১১,০৭৩
৪০ বলিভিয়া ৩৫,৫২৮ ১,২৭১ ১০,৩৫৮
৪১ পোল্যান্ড ৩৫,৪০৫ ১,৫০৭ ২২,৬৫১
৪২ পানামা ৩৫,২৩৭ ৬৬৭ ১৬,৪৪৫
৪৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩৫,১৪৮ ৭৭৫ ১৮,৩৯২
৪৪ আফগানিস্তান ৩২,৩২৪ ৮১৯ ১৭,৩৩১
৪৫ সুইজারল্যান্ড ৩২,১০১ ১,৯৬৫ ২৯,২০০
৪৬ রোমানিয়া ২৮,১৬৬ ১,৭০৮ ২০,৪৩৩
৪৭ ইসরায়েল ২৮,০৫৫ ৩২৬ ১৭,৬৬৯
৪৮ বাহরাইন ২৭,৮৩৭ ৯৫ ২২,৫৮৩
৪৯ আর্মেনিয়া ২৭,৩২০ ৪৬৯ ১৫,৪৮৪
৫০ নাইজেরিয়া ২৭,১১০ ৬১৬ ১০,৮০১
৫১ আয়ারল্যান্ড ২৫,৪৯৮ ১,৭৪০ ২৩,৩৬৪
৫২ হন্ডুরাস ২১,১২০ ৫৯১ ২,১৯০
৫৩ গুয়াতেমালা ২০,০৭২ ৮৪৩ ৩,২৭৯
৫৪ আজারবাইজান ১৯,২৬৭ ২৩৫ ১০,৮২০
৫৫ জাপান ১৮,৮৭৪ ৯৭৫ ১৬,৭৭২
৫৬ ঘানা ১৮,১৩৪ ১১৭ ১৩,৫৫০
৫৭ অস্ট্রিয়া ১৮,০৫০ ৭০৫ ১৬,৫৫৮
৫৮ মলদোভা ১৭,৪৪৫ ৫৭২ ১০,০৯৩
৫৯ সার্বিয়া ১৫,৫০৪ ২৯৮ ১৩,০৬৪
৬০ নেপাল ১৫,২৫৯ ৩২ ৬,১৪৩
৬১ আলজেরিয়া ১৫,০৭০ ৯৩৭ ১০,৮৩২
৬২ মরক্কো ১৩,২৮৮ ২৩০ ৯,১৬০
৬৩ দক্ষিণ কোরিয়া ১২,৯৬৭ ২৮২ ১১,৭৫৯
৬৪ ডেনমার্ক ১২,৮৩২ ৬০৬ ১১,৮১৭
৬৫ ক্যামেরুন ১২,৫৯২ ৩১৩ ১০,১০০
৬৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,২৪৮ ৩৫৩ ৭,৮২২
৬৭ আইভরি কোস্ট ৯,৯৯২ ৬৮ ৪,৬৬০
৬৮ সুদান ৯,৬৬৩ ৬০৪ ৪,৬২৪
৬৯ উজবেকিস্তান ৯,৩২৬ ২৮ ৬,২৫১
৭০ নরওয়ে ৮,৯১৬ ২৫১ ৮,১৩৮
৭১ মালয়েশিয়া ৮,৬৪৮ ১২১ ৮,৪৪৬
৭২ অস্ট্রেলিয়া ৮,২৫৫ ১০৪ ৭,৩১৯
৭৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৭,৩১১ ১৭৯ ২,৬৮৪
৭৪ এল সালভাদর ৭,২৬৭ ২০২ ৪,২৬৮
৭৫ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৪২ ৩২৯ ৬,৭০০
৭৬ কেনিয়া ৭,১৮৮ ১৫৪ ২,১০৯
৭৭ সেনেগাল ৭,১৬৪ ১২৫ ৪,৬৬৬
৭৮ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬,৭৮৭ ৩২৮ ২,৮৭৬
৭৯ কিরগিজস্তান ৬,৭৬৭ ৭৬ ২,৬৫৫
৮০ ভেনেজুয়েলা ৬,২৭৩ ৫৭ ২,১০০
৮১ হাইতি ৬,১০১ ১১০ ১,১৪১
৮২ তাজিকিস্তান ৬,০৫৮ ৫২ ৪,৬৯০
৮৩ ইথিওপিয়া ৫,৮৪৬ ১০৩ ২,৪৩০
৮৪ গ্যাবন ৫,৫১৩ ৪২ ২,৫০৮
৮৫ গিনি ৫,৪৫০ ৩৩ ৪,৩৯২
৮৬ বুলগেরিয়া ৫,৩১৫ ২৩২ ২,৮০২
৮৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪,৯৬২ ১৯১ ২,৫৫০
৮৮ জিবুতি ৪,৭৩৬ ৫৫ ৪,৫৮০
৮৯ মৌরিতানিয়া ৪,৬০৬ ১২৯ ১,৭২৭
৯০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪,৫৫৮ ১৬ ১,৭৭৭
৯১ লুক্সেমবার্গ ৪,৪৪৭ ১১০ ৪,০১৬
৯২ হাঙ্গেরি ৪,১৭২ ৫৮৮ ২,৭৫২
৯৩ কোস্টারিকা ৪,০২৩ ১৮ ১,৫৮৯
৯৪ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৩,৮২৩ ৪৮ ৮১৬
৯৫ গ্রীস ৩,৪৮৬ ১৯২ ১,৩৭৪
৯৬ ফিলিস্তিন ৩,৩৪১ ১১ ৪৬৩
৯৭ থাইল্যান্ড ৩,১৮০ ৫৮ ৩,০৬৬
৯৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
৯৯ ক্রোয়েশিয়া ৩,০০৮ ১১২ ২,১৬৮
১০০ সোমালিয়া ২,৯৪৪ ৯০ ৯৫১
১০১ আলবেনিয়া ২,৭৫২ ৭২ ১,৫৯২
১০২ মায়োত্তে ২,৬৬১ ৩৫ ২,৩৭৫
১০৩ নিকারাগুয়া ২,৫১৯ ৮৩ ১,২৩৮
১০৪ মাদাগাস্কার ২,৫১২ ২৬ ১,০৫৭
১০৫ মালদ্বীপ ২,৪১০ ১০ ১,৯৭৬
১০৬ কিউবা ২,৩৬১ ৮৬ ২,২২৪
১০৭ প্যারাগুয়ে ২,৩০৩ ১৯ ১,১০৮
১০৮ মালি ২,২৮৫ ১১৭ ১,৫০৭
১০৯ শ্রীলংকা ২,০৬৯ ১১ ১,৮৬৩
১১০ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১১ এস্তোনিয়া ১,৯৯১ ৬৯ ১,৮৫৯
১১২ আইসল্যান্ড ১,৮৫৫ ১০ ১,৮৩২
১১৩ লেবানন ১,৮৩০ ৩৫ ১,২৯২
১১৪ লিথুনিয়া ১,৮২৮ ৭৯ ১,৫৩৯
১১৫ স্লোভাকিয়া ১,৭২০ ২৮ ১,৪৬৬
১১৬ গিনি বিসাউ ১,৬৫৪ ২৪ ৩১৭
১১৭ স্লোভেনিয়া ১,৬৫০ ১১১ ১,৩৮৪
১১৮ জাম্বিয়া ১,৬৩২ ৩০ ১,৩৪৮
১১৯ নিউজিল্যান্ড ১,৫৩০ ২২ ১,৪৯০
১২০ সিয়েরা লিওন ১,৫২৪ ৬২ ১,০৪২
১২১ মালাউই ১,৪০২ ১৬ ৩১৭
১২২ কঙ্গো ১,৩৮২ ৪১ ৪৮৬
১২৩ কেপ ভার্দে ১,৩৮২ ১৫ ৬২৯
১২৪ হংকং ১,২৪৮ ১,১২৫
১২৫ ইয়েমেন ১,২৪০ ৩৩৫ ৫৩৬
১২৬ বেনিন ১,১৯৯ ২১ ৩৩৩
১২৭ তিউনিশিয়া ১,১৮১ ৫০ ১,০৪৫
১২৮ জর্ডান ১,১৪৭ ১০ ৮৯৭
১২৯ লাটভিয়া ১,১২২ ৩০ ৯৯৭
১৩০ নাইজার ১,০৮১ ৬৮ ৯৫৯
১৩১ রুয়ান্ডা ১,০৬৩ ৪৯৩
১৩২ সাইপ্রাস ৯৯৯ ১৯ ৮৩৩
১৩৩ বুর্কিনা ফাঁসো ৯৮০ ৫৩ ৮৫২
১৩৪ উরুগুয়ে ৯৪৭ ২৮ ৮২৮
১৩৫ জর্জিয়া ৯৪৩ ১৫ ৮২১
১৩৬ মোজাম্বিক ৯৩৯ ২৪৯
১৩৭ উগান্ডা ৯১১ ৮৪৯
১৩৮ ইসওয়াতিনি ৯০৯ ১৩ ৫১৫
১৩৯ লিবিয়া ৮৯১ ২৬ ২২৪
১৪০ চাদ ৮৭১ ৭৪ ৭৮৬
১৪১ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৮০০
১৪২ লাইবেরিয়া ৮৩৩ ৩৭ ৩৪৬
১৪৩ জ্যামাইকা ৭১৫ ১০ ৫৬০
১৪৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৪৫ সান ম্যারিনো ৬৯৮ ৪৫ ৬৫৬
১৪৬ মালটা ৬৭২ ৬৫০
১৪৭ টোগো ৬৬৭ ১৪ ৪২৪
১৪৮ মন্টিনিগ্রো ৬৬৩ ১৩ ৩১৫
১৪৯ জিম্বাবুয়ে ৬২৫ ১৭৬
১৫০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭১ ৪৮ ৫২৮
১৫১ সুরিনাম ৫৪৭ ১৩ ২৫৪
১৫২ রিইউনিয়ন ৫৩৩ ৪৭২
১৫৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৪ তাইওয়ান ৪৪৯ ৪৩৮
১৫৫ ভিয়েতনাম ৩৫৫ ৩৪০
১৫৬ নামিবিয়া ৩৫০ ২৫
১৫৭ মরিশাস ৩৪১ ১০ ৩৩০
১৫৮ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৫৯ সিরিয়া ৩২৮ ১০ ১২৩
১৬০ অ্যাঙ্গোলা ৩২৮ ১৮ ১০৭
১৬১ কমোরস ৩০৯ ২৪১
১৬২ মায়ানমার ৩০৬ ২৩৭
১৬৩ গায়ানা ২৫০ ২৩ ১১৭
১৬৪ মার্টিনিক ২৪২ ১৪ ৯৮
১৬৫ বতসোয়ানা ২২৭ ২৮
১৬৬ মঙ্গোলিয়া ২২০ ১৭৯
১৬৭ ইরিত্রিয়া ২১৫ ৫৬
১৬৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৪
১৬৯ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৭০ গুয়াদেলৌপ ১৮২ ১৪ ১৫৭
১৭১ জিব্রাল্টার ১৭৮ ১৭৬
১৭২ বুরুন্ডি ১৭০ ১১৫
১৭৩ বারমুডা ১৪৬ ১৩৫
১৭৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৫ কম্বোডিয়া ১৪১ ১৩১
১৭৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩০ ১১৫
১৭৭ মোনাকো ১০৬ ৯৫
১৭৮ আরুবা ১০৪ ৯৮
১৭৯ বাহামা ১০৪ ১১ ৮৯
১৮০ বার্বাডোস ৯৭ ৯০
১৮১ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮২ সিসিলি ৮১ ১১
১৮৩ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬২
১৮৪ ভুটান ৭৭ ৫০
১৮৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৬৯ ২৩
১৮৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৮৭ গাম্বিয়া ৫৫ ২৭
১৮৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৪৪ ১১
১৯১ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯২ লেসোথো ৩৫ ১১
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৯ ২৯
১৯৪ বেলিজ ২৮ ১৮
১৯৫ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৬ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৭ কিউরাসাও ২৩ ১৯
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
১৯৯ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০০ লাওস ১৯ ১৯
২০১ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০২ ফিজি ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]