পৃথিবীটা কি ক্রমেই বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে?

সিদ্ধার্থ শংকর জোয়ার্দ্দার
সিদ্ধার্থ শংকর জোয়ার্দ্দার সিদ্ধার্থ শংকর জোয়ার্দ্দার , লেখক
প্রকাশিত: ০৯:১৯ এএম, ০৪ জুন ২০২০

মার্টিন রিস (Martin Rees) নামে একজন নামকরা ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী জাস্ট সিক্স নাম্বার্স (Just Six Numbers) নামে ১৯৯৯ সালে একটা বই লিখেছিলেন। বইটাতে তিনি পদার্থবিজ্ঞানের অতি সাম্প্রতিক তথ্য দিয়ে দেখিয়েছেন এই মহাজগৎ এবং ক্ষুদ্র মহাবিশ্বের মধ্য দারুণ একটা সংহতি আছে। গ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ছায়াপথ, নক্ষত্ররাজি এবং তার মাঝে প্রাণগুলো ভীষণ এক সুসমন্বয়ের ভেতর দিয়ে হাত ধরাধরি করে এগিয়ে যাচ্ছে আর এসবের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে মাত্র ছয়টা সংখ্যা। সংখ্যা ছয়টা হলো, N, Ƚ, Ώ, λ, Ǫ, D, যাদের প্রত্যেকেরই একটা ঠিকঠাক মান আছে। মজার ব্যাপার হলো এগুলো কিন্তু নিছক কিছু সংখ্যা না। ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এক একটা সংখ্যা। এদের সুনির্দিষ্ট মানের যদি একটু হেরফের হতো তাহলে পৃথিবীটা কিছুতেই বাসযোগ্য থাকতো না। সবকিছু হয়ে যেত ভয়ানক গণ্ডগোল। যেমন, N এর মান ১০৩৬। এটা বিশ্বজগতের সব পরমাণুগুলোকে ধরে রাখার মতো বৈদ্যুতিক শক্তি এবং তাদের অভিকর্ষ বলের অনুপাত হলো এই কিম্ভূত সংখ্যাটা। সত্যি সত্যি মার্টিন রিস দেখিয়েছেন, এই সংখ্যার শূন্য যদি দৈবাৎ একটা কম বা বেশি হতো তাহলে এই পৃথিবীতে তেলাপোকা আর ঘাসফড়িং ছাড়া কোনো প্রাণীরা হয়তো বাঁচত না। কী সাংঘাতিক কথা!

মার্টিন রিসের বরাত দিয়ে এ কথা নিশ্চিত বলা যায়, আমরা যারা এই পৃথিবী নামক গ্রহে বাস করছি এবং বেঁচে আছি তার কারণ বিরাট এক সমঝোতা; সমঝোতাটা হলো বিশ্ব প্রকৃতি ও তার মাঝে বেড়ে ওঠা প্রাণীসকলের মাঝে। অর্থাৎ প্রকৃতি যদি একটু যেমন-তেমন আচরণ করতো তাহলে মানুষ কেন কোনো প্রাণীই বাঁচত না। জীবনলীলা সাঙ্গ হয়ে যেত সেই কবে। আইনস্টাইন মনে করতেন এই জগৎটার মাঝে আছে এক মহাবৈশ্বিক সুশৃঙ্খলতা। এখানে যা কিছু ঘটে অন্তত পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র দিয়ে তার পরিমাপ করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার না। প্রকৃতিতে আছে চারটি মৌলিক বল- অভিকর্ষ, বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয়, দুর্বল আর সবল বল। এগুলো প্রকৃতির আলাদা আলাদা ফিল্ড যাদের মাঝে আপাতত কোনো সম্পর্ক নেই বলে মনে হয়। কিন্তু হয়তো এগুলোর মাঝে আছে ভয়ানক এক অন্তমিল!

আইনস্টাইনের সারাজীবনের একটা স্বপ্ন ছিল, একটা মাত্র সূত্র দিয়ে মহাগজগতের আদ্যপান্ত সব কিছু নির্ভুলভাবে ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব হবে। অর্থাৎ প্রকৃতির এই চারটা বলকে একত্র করে একটা সূত্রের ভেতর নিয়ে আসা সম্ভব বলে তিনি আশা পোষণ করতেন। এটা এক ধরনের নির্ধারণবাদ। সবকিছু যেন আগের থেকে নির্ধারণ করা আছে, শুধু একটা চাবি পেলেই খুলে যাবে রহস্যের দুয়ার। অবশ্য মহাবিশ্বের এই নির্ধারণবাদ অনেকে পছন্দ করেননি। তবে, প্রশ্ন একটা আসতে পারে, যে সমঝোতার মাঝে এই পৃথিবীটা নিয়ত চলছে, তার কি কোনো শেষ নেই? নাকি, অনন্তকাল এমনি করে চলতে থাকবে? এর শেষ আছে নাকি নেই তা জানতে একটু পেছনে যেতে হবে। বিশেষ করে এই পৃথিবী এবং এর মানুষ যখন এক নিদারুণ অস্তিত্বের সংকটে পড়ে তখন বার বার প্রশ্নটা সামনে এসে যায়, আমাদের এই এত আদরের মহাবিশ্ব তথা পৃথিবী কি শেষ হবার পথে?

পদার্থবিজ্ঞান গত একশ বছরে মোটামুটি নিশ্চিত হয়েছে, এই মহাবিশ্বের একটা সূত্রপাত ছিল। হয়তো সেটা ১৪ বিলিয়ন বছর আগে কোনো এক মাহেন্দ্রক্ষণে মহাবিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে। বিজ্ঞানীরা এর একটা গালভরা নামও দিয়েছেন ইংরেজিতে “বিগ ব্যাং”। সেই শুরু। অসীম তাপ, চাপ আর জিরো সিঙ্গুলারিটি বাস্তবতা নিয়ে ক্রমান্বয়ে প্রসারিত হয়ে চলেছে মহাবিশ্বটা। প্রসারনের সাথে সাথে কমেছে এর তাপমাত্রা আর চাপ। অবশ্য সেই শূন্য সময় থেকে সিনেমার মতো একের পর এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে মহাবিশ্বটা। এক অসীম বাস্তবতার টানে চলেছে গন্তব্যহীন এক যাত্রায়। নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন ওইয়েনবার্গ তাঁর ফার্স্ট থ্রি মিনিটস নামে একটা বইয়ে অতি চমৎকার করে বর্ণনা দিয়েছেন সেই লোমহর্ষক এবং রোমাঞ্চকর মুহূর্তগুলোর।

তার বহু পরে ধীরে ধীরে শান্ত হতে হতে তৈরি হয়েছে এক মহাজাগতিক বাস্তবতা। তৈরি হয়েছে গ্যালাক্সি আর তারই মাঝে এক মাঝারি মাপের সদস্য আমাদের আত্মার আত্মীয় সূর্য নামক নক্ষত্র। যেখানে আমরা বাস করছি সেই পৃথিবীর জন্ম প্রায় ৪৬০০ মিলিয়ন বছর আগে। হিসাব মতে প্রাণের আবির্ভাব তারও ২৬০০ মিলিয়ন বছর পর। আর আজকের যে ভদ্র মানুষগুলো যাদের হোমো সেপিয়েন্স বলছি তার বয়স প্রায় ৩৫০০০ বছরের বেশি না। সুতরাং বোঝায় যাচ্ছে মানুষের জন্য প্রাণ ধারণের একটা পরিবেশ তৈরি না হলে কোনোদিনই প্রাণের সৃষ্টি হতো না। যেমন সূর্যের মাঝখানে কোনো প্রাণের ছিটেফোটা থাকতে পারে এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না। খুব গরম পড়লে আমরা হাঁসফাঁস করি কেন? হাঁসফাঁস করি এ জন্যই যে আমাদের বাঁচতে গেলে একটা সহনীয় তাপমাত্রা বা পরিবেশ লাগে, না হলে তো অক্কা! গরমকালে কয়েক ডিগ্রি তাপ বেড়ে গেলে মনে হয় এই বুঝি জীবন শেষ! সত্যি তাই।

আমরা সবাই জানি আমাদের এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার প্রধান উৎস সূর্য। সব শক্তির আঁধার। সূর্যের চারদিকে আমরা যে বন বন করে ঘুরছি সেটা আমাদের ঘোরাচ্ছে তাই। আর তা না হলে যদি আমাদের ছেড়ে দিত? রাতের আকাশের দিকে তাকালে আমরা যে কিছু কিছু আলোর গোলক একদিক থেকে আরেক দিকে বিদ্যুৎবেগে ছিটকে যেতে দেখি সেটা হয়তো আমাদের মতোই কোনো গ্রহ বা উল্কার ছন্দপতনের চিহ্ন। নিজের কক্ষপথ থেকে ছিটকে পড়ে আগুনে ভস্মিভূত হওয়ার দৃশ্য। সূর্য যদি আমাদের আর না রাখতে চায় তাহলে হয়তো আমরা ওই রকম আগুনের গোলক হয়ে মিশে যাব অনন্তের যাত্রায়।

তবে সূর্য যে আমাদের ধরে রেখেছে তার তো নিজেরও শক্তি দরকার, নাকি? নিশ্চয়। সূর্য তাহলে কোথায় শক্তি পায়? এর শক্তির উৎস হাইড্রোজেন গ্যাস। এই হাইড্রোজেন গ্যাস প্রতিনিয়ত ফিউশন প্রক্রিয়ায় পুড়ে হিলিয়াম গ্যাসে পরিণত হয়। সংগত কারণে সূর্য নিজেও শক্তিহীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। হিসাব করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, সূর্য যদি এমন করে শক্তি হারাতে থাকে তাহলে একদিন সেতো নিজেই দুর্বল হয়ে যাবে। তারপর কী হবে? তারপর হয়তো একটা সুপারনোভা হয়ে বসে থাকবে আকাশের এক কোণে আজীবন। তখন অন্য কোনো জায়গার অন্য কোনো বুদ্ধিমান প্রাণীরা সেই সুপারনোভা দেখে হয়তো গাইবে “আকাশের ঐ মিটি মিটি তারার সনে কইবো কথা নাইবা তুমি এলে”।

আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীটা একদিন থাকবে না, এটা মনে হলে ভীষণ মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে, আমি নিশ্চিত। তবে, এই মুহূর্তেই মন খারাপের কিছু নেই, সূর্যটা যদি এভাবে শক্তি হারায়ও তাহলে অন্তত আরও ৫ বিলিয়ন বছর লাগবে এর অন্তিম নাটকে পৌঁছাতে। কাজেই আপাতত সেই ভয়ে মুখ ভার করে বসে থাকার কিছু নেই। তবে ভয় যেটা আছে সেটা কিন্তু খুব ভয়ানক।

পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বাড়ছে এই জন্য যে মানুষ তার নিজের দরকারে একে ব্যবহার করে চলেছে। অনাবিষ্কৃত জায়গাগুলোতে উন্নয়নের কাজ করছে, শিল্পকলকারখানা বানাচ্ছে, বন উজাড় করছে, নতুন নতুন যানবাহন রাস্তায় নামাচ্ছে, ইটভাটার ধোয়া বাতাসে মেশাচ্ছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাচ্ছে, মেরু অঞ্চলে কাঁচের ঘরে শাকসবজি চাষ করছে, আরও কত্ত কী! এর ফলে বাতাস গরম হচ্ছে আর বাড়ছে নানা রকম গ্রিনহাউজ গ্যাস, যেমন কার্বনডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সিএফসিসহ নানারকম জীবনবিধ্বংসী পদার্থ। জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে এই দুর্ভোগ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

শিল্পবিপ্লবের পর থকে মানুষের জীবনে দেখা দিয়েছে বিরাট এক পরিবর্তন। জীবনে আয়াস বেড়েছে, বেড়েছে গতি আর স্বাচ্ছন্দ্য। চাকা আবিষ্কার, বিদ্যুৎ আবিষ্কার, যন্ত্র কলকারখানা আবিষ্কার এগুলো মানুষকে দারুণ এক স্বস্তি এনে দিয়েছে কিন্তু এর পেছন মানুষের ক্ষতি হয়েছে বর্ণনাতীত। উড়োজাহাজ আবিষ্কারের আগে মানুষের এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাওয়া কত না ঝক্কি ছিল; টেলিফোন, টেলিগ্রাম, আবিষ্কারের আগে মানুষ পাখির পায়ে চিঠির খাম ঝুলিয়ে দিত প্রিয়জনের কাছে সংবাদ দিতে। সেটা এখন নিছক কৌতুকের বিষয়। মনে রাখতে হবে, এই বিরাট বিপ্লবের ফলে মানুষের জীবনে এসেছে কল্পনাতীত পরিবর্তন। খুব সঙ্গত কারণে এসব কর্মকাণ্ডের ফলে পরিবেশের তাপমাত্রা বেড়েছে।

পরিবেশ আরও ভারি আর শত্রু হয়ে উঠেছে। এ যেন নিয়তির এক অলঙ্ঘনীয় পরিণতি। গত একশ বছরে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়েছে ১ থেকে ১.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট আর এর ফলে বহু প্রজাতির প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে চিরতরে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়েছে ৪ থেকে ১০ ইঞ্চি। আমাদের যারা বয়স্ক মানুষ অর্থাৎ যাদের বয়স ৭০ কিম্বা ৮০ অথবা তারও বেশি তারা বলতে পারবেন তাদের জীবদ্দশায় কত নতুন প্রাণী তারা দেখেছেন, যার কিচ্ছু এখন দেখা যায় না। প্রাণীবিজ্ঞানীরা বলছেন, গত পঞ্চাশ বছরে সারা পৃথিবী থেকে ২৫ হাজার প্রজাতির প্রাণীর সম্পূর্ণ বিলয় ঘটেছে। সামনে এই বিলুপ্তির মিছিলে যোগ দেবে আরও কতশত প্রাণী?

তাহলে মানুষ? মানুষও কি সেই মিছিলের একজন? এই প্রশ্নটা খুব বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে দেখা দিয়েছে আজকে। প্রযুক্তির এই ভয়ানক উৎকর্ষের যুগে লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছে একটা অদৃশ্য ভাইরাসের ছোবলে। এটা যেন রূপকথার মতো। একটা বিরাট দৈত্য ঢুকে পড়েছে রাজ্যে, যাকে পাচ্ছে তাকে মুখের ভেতর পুরে ফেলছে; গিলে ফেলছে টপাটপ। সব মানুষ ঘরের ভেতর লেপ কাঁথা মুড়ি দিয়ে চোখ বুজে আছে।

পৃথিবীটা বদলে গেছে আজ ছয় মাস। মানুষ যে কত অসহায় সেটা এর আগে টের পাওয়া যায়নি। কোনোদিন কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি কী ভয়ানক এক মুহূর্ত তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল। পৃথিবীর জন্মলগ্ন থেকেই মানুষ শত্রুর সাথে যুদ্ধ করে আসছে, নানা রকম ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আর জানা-অজানা শত্রুদের মোকাবিলার মাধ্যমে। গবেষণায় বলা হচ্ছে, পৃথিবীতে ভাইরাসের কোনো শেষ নেই। কয়েক বছর আগে স্টিফেন মোর্স নামে এক ভাইরাস বিজ্ঞানী দীর্ঘ গবেষণায় বলেছেন, প্রায় এক মিলিয়ন ভাইরাস আমাদের চারিদিকে ঘুরাঘুরি করে। যার মধ্যে তিন লক্ষের ওপরে ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া গেছে যারা নানারকম প্রাণীদের আক্রমণ করে থাকে।

আমরা এর আগে এইডিস, ইবোলা, নিপা, সার্স ইত্যাদি নানা রকম ভাইরাসের সাথে পরিচিত থাকলেও কোভিড-১৯ এর মতো দ্রুত সংক্রমণশীল আর বাজে চরিত্রের ভাইরাস আগে দেখিনি। বিজ্ঞানীরা এদের নানা প্রজাতি আর তাদের চরিত্র নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে রীতিমতো নাস্তানাবুদ। ইতোমধ্যে আমাদের সবচেয়ে এখনকার গলার কাঁটা কোভিড নিয়ে অনেকেই গবেষণা করছেন। অনেকেই এর জিন নিয়ে আদ্যপান্ত বোঝার চেষ্টা করছেন। সব দেশের ভাইরাসের চরিত্র এক রকম কিনা, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এরা জিনের ম্যাপ পরিবর্তন করতে পারে কিনা ইত্যাদি।

মানুষের প্রযুক্তি বেড়েছে, বেড়েছে নিত্য গবেষণা। আর এর সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নানারকম প্রতিকূলতা। যুদ্ধ করে মানুষ এগিয়েছে সামনের দিকে। শুধু মানুষ কেন পৃথিবীর প্রতিটা প্রাণী যুদ্ধের ভেতর দিয়ে সামনের দিকে এগোচ্ছে। যে হেরে যাচ্ছে তার বিদায়। এ যেন যোগ্যতমের জয়, বাঁচতে যুদ্ধ কর; না হলে চলে যাও। মহাবিশ্বটাও সম্ভবত এই নিয়মের বাইরের কিছু নয়। ভেতরেই হোক বাইরেই হোক সকল গ্রহাণুপুঞ্জ নক্ষত্রাদিও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের জানা অজানার দোলাচলে কত কিছু হারিয়ে যাচ্ছে, কে জানে সেসব? যে মহাবিস্ফোরণের ভেতর দিয়ে জন্ম হয়েছিল একদিন, হয়তো মহাসংকোচনের ভেতর দিয়ে বিলয় হবে সব, হারিয়ে যাবে প্রেমিকার মুখ আর গভীর রাতের ঝকমক করা চাঁদের আলো।

লেখক : অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

এইচআর/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,১৮,১৬,৮৯৯
আক্রান্ত

৫,৪২,৭৯৮
মৃত

৬৭,৯৬,৪১৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৬৮,৬৪৫ ২,১৫১ ৭৮,১০২
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩০,৫৫,৫৪৮ ১,৩৩,২৬৮ ১৩,২৬,৬৬৯
ব্রাজিল ১৬,২৮,২৮৩ ৬৫,৬৩১ ১০,৭২,২২৯
ভারত ৭,৩৯,৬৪৬ ২০,৬১৮ ৪,৫৪,৮৫৮
রাশিয়া ৬,৯৪,২৩০ ১০,৪৯৪ ৪,৬৩,৮৮০
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৪,৩৯১ ৩৪৪
পেরু ৩,০৫,৭০৩ ১০,৭৭২ ১,৯৭,৬১৯
চিলি ৩,০১,০১৯ ৬,৪৩৪ ২,৬৮,২৪৫
স্পেন ২,৯৮,৮৬৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১০ মেক্সিকো ২,৬১,৭৫০ ৩১,১১৯ ১,৫৯,৬৫৭
১১ ইরান ২,৪৫,৬৮৮ ১১,৯৩১ ২,০৭,০০০
১২ ইতালি ২,৪১,৯৫৬ ৩৪,৮৯৯ ১,৯২,৮১৫
১৩ পাকিস্তান ২,৩৪,৫০৯ ৪,৮৩৯ ১,৩৪,৯৫৭
১৪ সৌদি আরব ২,১৭,১০৮ ২,০১৭ ১,৫৪,৮৩৯
১৫ তুরস্ক ২,০৬,৮৪৪ ৫,২৪১ ১,৮২,৯৯৫
১৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ২,০৫,৭২১ ৩,৩১০ ৯৭,৮৪৮
১৭ জার্মানি ১,৯৮,১৭২ ৯,০৯৩ ১,৮২,৭০০
১৮ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৯,৯২০ ৭৭,৩০৮
১৯ কলম্বিয়া ১,২০,২৮১ ৪,২১০ ৫০,৩৭০
২০ কানাডা ১,০৫,৯৩৫ ৮,৬৯৩ ৬৯,৫৭০
২১ কাতার ১,০০,৯৪৫ ১৩৪ ৯৪,৯০৩
২২ চীন ৮৩,৫৬৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,৫২৮
২৩ আর্জেন্টিনা ৮০,৪৪৭ ১,৬০২ ৩০,০৯৫
২৪ মিসর ৭৬,২২২ ৩,৪২২ ২১,২৩৮
২৫ সুইডেন ৭৩,৩৪৪ ৫,৪৪৭ ৪,৯৭১
২৬ ইন্দোনেশিয়া ৬৬,২২৬ ৩,৩০৯ ৩০,৭৮৫
২৭ ইরাক ৬৪,৭০১ ২,৬৮৫ ৩৬,২৫২
২৮ বেলারুশ ৬৪,০০৩ ৪৩৬ ৫১,৯০২
২৯ ইকুয়েডর ৬২,৩৮০ ৪,৮২১ ২৮,৮৭২
৩০ বেলজিয়াম ৬২,০৫৮ ৯,৭৭৪ ১৭,১২২
৩১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫২,৬০০ ৩২৬ ৪১,৭১৪
৩২ কুয়েত ৫১,২৪৫ ৩৭৭ ৪১,৫১৫
৩৩ নেদারল্যান্ডস ৫০,৬৯৪ ৬,১৩২ ২৫০
৩৪ কাজাখস্তান ৪৯,৬৮৩ ৪৮৯ ২৭,৬৫৭
৩৫ ইউক্রেন ৪৯,৬০৭ ১,২৮৩ ২২,১৯৩
৩৬ ওমান ৪৮,৯৯৭ ২২৪ ৩১,০০০
৩৭ ফিলিপাইন ৪৭,৮৭৩ ১,৩০৯ ১২,৩৮৬
৩৮ সিঙ্গাপুর ৪৫,১৪০ ২৬ ৪১,০০২
৩৯ পর্তুগাল ৪৪,৪১৬ ১,৬২৯ ২৯,৪৪৫
৪০ বলিভিয়া ৪০,৫০৯ ১,৪৭৬ ১১,৯২৯
৪১ পানামা ৩৯,৩৩৪ ৭৭০ ১৮,০৩৬
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩৮,৪৩০ ৮২১ ১৯,৫৬৪
৪৩ পোল্যান্ড ৩৬,৪১২ ১,৫২৮ ২৪,২৩৮
৪৪ আফগানিস্তান ৩৩,৩৮৪ ৯২০ ২০,১৭৯
৪৫ সুইজারল্যান্ড ৩২,৩৬৯ ১,৯৬৬ ২৯,৩০০
৪৬ ইসরায়েল ৩১,২৭১ ৩৩৮ ১৮,১৩১
৪৭ বাহরাইন ২৯,৮২১ ৯৮ ২৫,১৭৮
৪৮ রোমানিয়া ২৯,৬২০ ১,৭৯৯ ২০,৫৩৪
৪৯ নাইজেরিয়া ২৯,২৮৬ ৬৫৪ ১১,৮২৮
৫০ আর্মেনিয়া ২৯,২৮৫ ৫০৩ ১৬,৯০৭
৫১ আয়ারল্যান্ড ২৫,৫৩১ ১,৭৪১ ২৩,৩৬৪
৫২ হন্ডুরাস ২৪,৬৬৫ ৬৫৬ ২,৫৮৫
৫৩ গুয়াতেমালা ২৩,৯৭২ ৯৮১ ৩,৪২৯
৫৪ আজারবাইজান ২১,৩৭৪ ২৬৫ ১২,৬৩৫
৫৫ ঘানা ২১,০৭৭ ১২৯ ১৬,০৭০
৫৬ জাপান ১৯,৭৭৫ ৯৭৭ ১৭,১২৪
৫৭ অস্ট্রিয়া ১৮,৪২১ ৭০৬ ১৬,৬৮৬
৫৮ মলদোভা ১৭,৯০৬ ৬০৩ ১১,২৪১
৫৯ সার্বিয়া ১৬,৭১৯ ৩৩০ ১৩,৩৬৬
৬০ আলজেরিয়া ১৬,৪০৪ ৯৫৯ ১১,৮৮৪
৬১ নেপাল ১৬,১৬৮ ৩৫ ৭,৪৯৯
৬২ ক্যামেরুন ১৪,৯১৬ ৩৫৯ ১১,৫২৫
৬৩ মরক্কো ১৪,৫৬৫ ২৩৯ ১০,২৮১
৬৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১৩,১৮১ ২৮৫ ১১,৯১৪
৬৫ ডেনমার্ক ১২,৮৮৮ ৬০৯ ১১,৯৮৩
৬৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,৬৩৯ ৩৫৩ ৭,৮৭৩
৬৭ আইভরি কোস্ট ১০,৯৬৬ ৭৫ ৫,৩৮৪
৬৮ উজবেকিস্তান ১০,৫৮৭ ৩৯ ৬,৬৯০
৬৯ সুদান ৯,৮৯৪ ৬১৬ ৪,৮৯৯
৭০ নরওয়ে ৮,৯৪১ ২৫১ ৮,১৩৮
৭১ অস্ট্রেলিয়া ৮,৭৫৫ ১০৬ ৭,৪৫৫
৭২ মালয়েশিয়া ৮,৬৭৪ ১২১ ৮,৪৮১
৭৩ এল সালভাদর ৮,৩০৭ ২২৯ ৪,৯২৯
৭৪ কেনিয়া ৮,২৫০ ১৬৭ ২,৫০৪
৭৫ কিরগিজস্তান ৮,১৪১ ৯৯ ২,৯১৬
৭৬ সেনেগাল ৭,৫৪৭ ১৩৭ ৫,০২৩
৭৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৭,৪৩২ ১৮২ ৩,২২৬
৭৮ ভেনেজুয়েলা ৭,৪১১ ৬৮ ২,১০০
৭৯ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৬২ ৩২৯ ৬,৭০০
৮০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৭,২৪৪ ৩৫১ ৩,৩২৪
৮১ হাইতি ৬,৩৭১ ১১৩ ১,৮২৪
৮২ তাজিকিস্তান ৬,২৬২ ৫৩ ৪,৯১৪
৮৩ বুলগেরিয়া ৫,৯১৪ ২৫০ ৩,০০০
৮৪ ইথিওপিয়া ৫,৮৪৬ ১০৩ ২,৪৩০
৮৫ গ্যাবন ৫,৭৪৩ ৪৬ ২,৫৭৪
৮৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৫,৬২১ ২০৭ ২,৬৯৩
৮৭ গিনি ৫,৬১০ ৩৪ ৪,৫২২
৮৮ কোস্টারিকা ৫,২৪১ ২৩ ১,৭৭৬
৮৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫,০৫৪ ২০ ১,৯৮৪
৯০ মৌরিতানিয়া ৪,৯৪৮ ১৩৩ ১,৮৯৬
৯১ জিবুতি ৪,৮৭৮ ৫৫ ৪,৬২১
৯২ ফিলিস্তিন ৪,৬৪৭ ১৮ ৪৯১
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৪,৫৪২ ১১০ ৪,০১৬
৯৪ হাঙ্গেরি ৪,২০৫ ৫৮৯ ২,৮৭৪
৯৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,০৩৩ ৫২ ৯৭০
৯৬ গ্রীস ৩,৫৮৯ ১৯৩ ১,৩৭৪
৯৭ মাদাগাস্কার ৩,৪৭২ ৩৩ ১,১৮৭
৯৮ ক্রোয়েশিয়া ৩,২৭২ ১১৩ ২,২২৯
৯৯ থাইল্যান্ড ৩,১৯৫ ৫৮ ৩,০৭২
১০০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
১০১ সোমালিয়া ৩,০৪৮ ৯২ ১,০৫১
১০২ আলবেনিয়া ৩,০৩৮ ৮১ ১,৭৪৪
১০৩ মায়োত্তে ২,৬৮৮ ৩৫ ২,৪৪৬
১০৪ নিকারাগুয়া ২,৫১৯ ৮৩ ১,২৩৮
১০৫ মালদ্বীপ ২,৪৯১ ১২ ২,১১৩
১০৬ প্যারাগুয়ে ২,৪৫৬ ২০ ১,১৮০
১০৭ কিউবা ২,৩৮০ ৮৬ ২,২৩৪
১০৮ মালি ২,৩৩১ ১১৯ ১,৫৪৭
১০৯ শ্রীলংকা ২,০৮০ ১১ ১,৯৫৫
১১০ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১১ এস্তোনিয়া ১,৯৯৫ ৬৯ ১,৮৮০
১১২ লেবানন ১,৮৮৫ ৩৬ ১,৩১১
১১৩ আইসল্যান্ড ১,৮৭৩ ১০ ১,৮৪৭
১১৪ লিথুনিয়া ১,৮৪৪ ৭৯ ১,৫৪৭
১১৫ মালাউই ১,৮১৮ ১৯ ৩১৭
১১৬ গিনি বিসাউ ১,৭৯০ ২৫ ৭৬০
১১৭ স্লোভাকিয়া ১,৭৬৭ ২৮ ১,৪৭৩
১১৮ স্লোভেনিয়া ১,৭৩৯ ১১১ ১,৪২৩
১১৯ জাম্বিয়া ১,৬৩২ ৩০ ১,৩৪৮
১২০ কঙ্গো ১,৫৫৭ ৪৪ ৫০১
১২১ সিয়েরা লিওন ১,৫৪৭ ৬২ ১,০৮৬
১২২ নিউজিল্যান্ড ১,৫৩৬ ২২ ১,৪৯২
১২৩ কেপ ভার্দে ১,৪৬৩ ১৭ ৭২২
১২৪ হংকং ১,৩০০ ১,১৬১
১২৫ ইয়েমেন ১,২৮৪ ৩৪৫ ৫৭৫
১২৬ তিউনিশিয়া ১,১৯৯ ৫০ ১,০৪৯
১২৭ বেনিন ১,১৯৯ ২১ ৩৩৩
১২৮ জর্ডান ১,১৬৭ ১০ ৯৫৭
১২৯ লাটভিয়া ১,১৩৪ ৩০ ১,০০৮
১৩০ লিবিয়া ১,১১৭ ৩৪ ২৬৯
১৩১ রুয়ান্ডা ১,১১৩ ৫৭৫
১৩২ নাইজার ১,০৯৩ ৬৮ ৯৬৮
১৩৩ মোজাম্বিক ১,০১২ ২৭৭
১৩৪ ইসওয়াতিনি ১,০১১ ১৩ ৫৬৪
১৩৫ সাইপ্রাস ১,০০৪ ১৯ ৮৩৯
১৩৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১,০০৩ ৫৩ ৮৬০
১৩৭ উগান্ডা ৯৭১ ৮৯৬
১৩৮ উরুগুয়ে ৯৬০ ২৯ ৮৫৮
১৩৯ জর্জিয়া ৯৫৮ ১৫ ৮৩৮
১৪০ লাইবেরিয়া ৮৯১ ৩৯ ৩৭৭
১৪১ চাদ ৮৭২ ৭৪ ৭৮৭
১৪২ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৮০০
১৪৩ মন্টিনিগ্রো ৮৪১ ১৬ ৩১৫
১৪৪ জ্যামাইকা ৭৩৭ ১০ ৫৯১
১৪৫ জিম্বাবুয়ে ৭৩৪ ১৯৭
১৪৬ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৪৭ সান ম্যারিনো ৬৯৮ ৪৫ ৬৫৬
১৪৮ টোগো ৬৮০ ১৫ ৪৫০
১৪৯ মালটা ৬৭৩ ৬৫৩
১৫০ সুরিনাম ৬১৪ ১৫ ৩১৫
১৫১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭৭ ৪৮ ৫২৮
১৫২ রিইউনিয়ন ৫৫০ ৪৭২
১৫৩ নামিবিয়া ৫৩৯ ২৫
১৫৪ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৫ তাইওয়ান ৪৪৯ ৪৩৮
১৫৬ সিরিয়া ৩৭২ ১৪ ১২৬
১৫৭ ভিয়েতনাম ৩৬৯ ৩৪১
১৫৮ অ্যাঙ্গোলা ৩৪৬ ১৯ ১০৮
১৫৯ মরিশাস ৩৪২ ১০ ৩৩০
১৬০ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৬১ মায়ানমার ৩১৬ ২৪৫
১৬২ বতসোয়ানা ৩১৪ ৩১
১৬৩ কমোরস ৩১১ ২৬৬
১৬৪ গায়ানা ২৭৩ ২৩ ১২০
১৬৫ মার্টিনিক ২৪৯ ১৪ ৯৮
১৬৬ মঙ্গোলিয়া ২২৫ ১৯৪
১৬৭ ইরিত্রিয়া ২১৫ ৫৬
১৬৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৪
১৬৯ বুরুন্ডি ১৯১ ১১৮
১৭০ ফারে আইল্যান্ড ১৮৮ ১৮৮
১৭১ গুয়াদেলৌপ ১৮৪ ১৪ ১৫৭
১৭২ জিব্রাল্টার ১৭৯ ১৭৬
১৭৩ বারমুডা ১৪৬ ১৩৭
১৭৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৫ কম্বোডিয়া ১৪১ ১৩১
১৭৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩৩ ১১৭
১৭৭ মোনাকো ১০৮ ৯৫
১৭৮ আরুবা ১০৫ ৯৮
১৭৯ বাহামা ১০৪ ১১ ৮৯
১৮০ বার্বাডোস ৯৮ ৯০
১৮১ লেসোথো ৯১ ১১
১৮২ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮৩ সিসিলি ৮১ ১১
১৮৪ ভুটান ৮০ ৫৪
১৮৫ সিন্ট মার্টেন ৭৮ ১৫ ৬৩
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৭০ ২৩
১৮৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৮৮ গাম্বিয়া ৬১ ২৭
১৮৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৪৯ ১১
১৯১ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯২ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯৩ বেলিজ ৩০ ১৯
১৯৪ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৯ ২৯
১৯৫ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৬ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৭ কিউরাসাও ২৩ ১৯
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
১৯৯ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০০ ফিজি ২১ ১৮
২০১ লাওস ১৯ ১৯
২০২ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৬ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]