স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাত : টেকসই উন্নয়নে অন্তরায়

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:০৫ এএম, ০২ জুলাই ২০২০
ছবিটি প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত

মো. আক্তারুজ্জামান

কেসস্টাডি ১
সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে বসবাস করেন একজন স্বনামখ্যাত মেডিকেল অফিসার। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজে। বাবা ছিলেন এক সময়ের সংসদ সদস্য। অভিজাত পরিবারের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও তিনি সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত। তিনি গরিবের ডাক্তার বলে অনেকটা পরিচিত। যখন তার অন্যান্য সহকর্মী চেম্বারের জমজমাট বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত তখন তিনি নিজের বাসার একটি কোণে কোনোমতে একটি চেম্বার করে বসেন। সেই চেম্বারে নেই কোনো সহকারী বা ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ভিড়। তিনি অপ্রয়োজনে রোগীদের প্যাথলজিতে পাঠিয়ে নানা ধরনের টেস্টও দেন না। যদিও টেস্ট দেন, ব্যবস্থাপত্রের একপাশে প্যাথলজির উদ্দেশে লিখে দেন খরচ ৩০% (তার প্রাপ্য কমিশন) কম নেয়ার জন্য।

ডাক্তার সাহেব একযুগেরও বেশি সময় ক্যাডার সার্ভিসে রয়েছেন তবুও সম্প্রতি মাত্র একবার পদোন্নতি পেয়েছেন। পদোন্নতি পাওয়ার পর তার পদায়ন হয়েছে সাতক্ষীরারই একটি উপজেলায়। তিনি বাসা থেকেই প্রতিদিন ভাড়া মোটরসাইকেলে তার কর্মস্থলে যোগদান করেন। তিনি যখন চেম্বারে বসেন তখন বোঝাই যায় না তিনি পবিত্র কোরআন তিলওয়াত করতে বসেছেন নাকি রোগী দেখতে বসেছেন! যখনই সমস্যা নিয়ে গিয়েছি তখই দেখেছি তিনি চেয়ারে বসে কোরআন পড়ছেন, কোরআনের তরজমা পড়ছেন, তাফছির পড়ছেন। কোনো রোগী যখন যাচ্ছেন, তিনি রোগী দেখছেন অত্যন্ত যত্নের সাথে, সময় নিয়ে। অন্যান্য ডাক্তারের ভিজিট যেখানে ৫০০ থেকে শুরু করে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত তখন এই ডাক্তার তার চেম্বারে লিখে রেখেছেন ভিজিট ২০০ টাকা। আবার ভিজিট হিসেবে টাকা দিলে তিনি সেটি দেখছেনও না তাকে কত টাকা দেয়া হলো। অসচ্ছল কেউ ভিজিট দিতে না পারলে তার কাছ থেকে চেয়ে নিচ্ছেন না।

এভাবেই চলছিল ধার্মিক ও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত ডাক্তারী জীবন। একদিন ভাড়ার মোটরসাইকেলে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ডাক্তার মারাত্মকভাবে আহত হন। আমরা তাকে যখন দেখতে গেলাম তখন তিনি অনেকটা সুস্থ। পাশে বসে একজন তাকে বোঝাচ্ছেন, ‘যদি কিছু একটা হয়ে যেত তাহলে পরিবার কোথায় গিয়ে দাঁড়াত? নিজের কথা, পরিবার, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করা দরকার।’

ওই ঘটনার পর ২৬ ক্যাডার আন্দোলনে (বেতন ও বৈষম্য নিয়ে ২৬টি ক্যাডারের আন্দোলন) স্যারের সাথে ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়ে যায়। স্যারের কাছে জানতে চেয়েছিলাম আপনার মতো নির্মোহ মানুষ কেন আন্দোলনে? স্যার বলেছিলেন, ‘আমি সাতক্ষীরা সরকারি বিদ্যালয়ের ফার্স্টবয় ছিলাম। যিনি অষ্টম বা নবম ছিলেন তিনি এখন আমার পদায়ন দেন! কারণ তিনি অন্য ক্যাডারে হওয়ায় দুই-তিনবার পদোন্নতি পেয়ে আমার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অথচ আমাদের বিসিএস ব্যাচও এক।’

আত্মসম্মান আর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা তাকে চরমভাবে ভাবিয়ে তুলেছিল। স্যার এখন নিজের চেম্বারটি সাজিয়েছেন, চেম্বারে সহকারী রেখেছেন, ভিজিটের পরিমাণও আগের চেয়ে বাড়িয়েছেন, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরাও ব্যাপকভাবে ভিড় করেন তার চেম্বারে। জানি না সরকারি সেবাদানের ক্ষেত্রে স্যার আগের মতো আন্তরিকভাবে সময় দিতে পারেন কিনা অথবা হাসপাতালে থাকলেও তার মনটি চেম্বারের জন্য ব্যস্ত হয়ে ওঠে কিনা।

কেসস্টাডি ২
সাতক্ষীরার একটি সরকারি কলেজে ডিগ্রি পরীক্ষার কেন্দ্র। ২০১৮ সালের ডিগ্রি (পাস ও সার্টিফিকেট) পরীক্ষা চলছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা শুরু হয় সাধারণত দুপুর ১টা বা তার পর থেকে। সেদিন ছিল শনিবার। সরকারি ছুটির দিন আবার সম্ভবত কোনো রাজনৈতিক দলের ঢিলেঢালা হরতাল চলছিল বলে শহর ছিল ফাঁকা। পরীক্ষা পরিচালনা কমিটিতে রয়েছেন শিক্ষা ক্যাডারে সাত বছর আগে যোগদান করা একজন প্রভাষক। সাধারণত ট্রেজারি থেকে প্রশ্ন পরিবহনের জন্য রিকশা বা ভ্যান ব্যবহার করা হয় কারণ অধিকাংশ কলেজে নিজস্ব কোনো পরিবহন নেই। আর কলেজ শিক্ষকদের সরকারি পরিবহনের প্রশ্ন তো দূরের স্বপ্ন।

যা হোক, প্রভাষক সাহেব গিয়েছেন ট্রেজারিতে প্রশ্নপত্র গ্রহণ করতে। তিনি গিয়ে দেখেন সরকারি ছুটির দিন থাকায় ট্রেজারি অফিস বন্ধ! তিনি ফোনে অফিসের প্রধান সহকারীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এলেন, ট্রেজারি অফিসারকে ফোন দিলেন। প্রশ্নপত্র নিয়ে প্রভাষক সাহেব হাঁটতে হাঁটতে প্রধান সড়ক পর্যন্ত এলেন একটি ভ্যান, রিকশা বা অটোরিকশা নিয়ে কলেজে যাবেন বলে। কিন্তু রাস্তাঘাট একেবারে নির্জন, কোনো ভ্যান-রিকশা সড়কে নেই। এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে এক অজানা আশঙ্কা তার মনকে ভাবিয়ে তুলছে। প্রশ্নপত্র যদি ছিনতাই হয়ে যায়, তিনি যদি সন্ত্রাসীদের হামলায় আক্রান্ত হন, এমন নানান শঙ্কা, ভয় তাকে গ্রাস করতে থাকে কারণ এদেশে এমন ঘটনা নতুন নয়। ছাত্ররূপী সন্ত্রাসীদের দ্বারা অহরহ আক্রান্ত হচ্ছেন শিক্ষক, হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন, শিক্ষিকার হিজাব টেনে খুলে শ্লীলতাহানি করছে তারা...।

এমনই ভাবনা আর আতঙ্ক নিয়ে নির্জন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা অসহায় প্রভাষক দেখলেন সেই ট্রেজারি অফিসার (প্রভাষক সাহেবের চার ব্যাচের জুনিয়র) চলে যাচ্ছেন একটি সরকারি গাড়িতে করে শহরের দিকে। সাথে তার স্ত্রী অথবা স্বজন। সম্ভবত ছুটির দিন ঘুরতে বা হালকা বাজার-সদায় করতে বেরিয়েছেন। রাষ্ট্রের শিক্ষা, শিক্ষার গুরুত্ব, বর্তমান অবস্থা, শিক্ষার প্রতি সর্বসাধারণের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রভাষক সাহেবের মনোজগতে নানা ধরনের প্রশ্ন আলোড়ন চলতে লাগল। ঠিক ওই ভীত-সন্ত্রস্ত, অসহায় প্রভাষকের করুণ চেহারাটিই দেশটির সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থাকে আজ প্রতিনিধিত্ব করছে।

শিক্ষা আর স্বাস্থ্য রাষ্ট্রের মৌলিক প্রয়োজনগুলোর দুটি। আবার টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক যে ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে তারমধ্যে এই দুটিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যগুলোর অন্যান্য লক্ষ্য কোনো না কোনোভাবে এই দুটি লক্ষ্যের সাথে জড়িত। শিক্ষা আর স্বাস্থ্যের নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা সমস্ত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে নিশ্চিত শঙ্কায় ফেলে দেবে। বিশ্বব্যাপী করোনার আক্রমণ প্রিয় বাংলাদেশকে কঠিন বাস্তবতার মুখে এনে দাঁড় করিয়েছে। কতটা নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে দেশের শিক্ষা আর স্বাস্থ্যখাত তা প্রতিদিনের সংবাদমাধ্যমের দিকে দৃষ্টি দিলেই সহজে অনুমেয়।

সুশাসনের অভাব, অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার কালোমেঘে ঢেকে আছে এই খাত দুটি। শুধু যদি এই খাতের ক্যাডার সার্ভিসের সাথে অন্য ক্যাডার সার্ভিসের তুলনা করা হয় তাহলেও দেখা যাবে সীমাহীন বৈষম্য। শিক্ষা-স্বাস্থ্য ক্যাডারের ২৮তম ব্যাচ থেকে শুরু করে ৪০তম ব্যাচের সদস্য নবম গ্রেডে চাকরি করছেন, নেই সিলেকশন গ্রেড, নেই সরকারি অন্য সুবিধা। অন্যদিকে প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্যাডারে ৩৩তম ব্যাচের সদস্যরা ষষ্ঠ গ্রেডে, পরিবহন সুবিধা, নিরাপত্তাব্যবস্থাসহ পেয়ে থাকেন অগণিত সুবিধা।

ক্যাডার সার্ভিসেই যদি এমন বৈষম্য হতে পারে তাহলে ক্যাডারের বাইরের অবস্থা যে আরও কত শোচনীয় তা আমরা ভাবতেও পারব না। অথচ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বারবার নির্দেশনা রয়েছে বৈষম্যমূলক সিভিল সার্ভিস, সুশাসনের অভাব, অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। পরিপ্রেক্ষিত-এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ বোরহান কবীর গত ১০ এপ্রিল দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত একটি উপসম্পাদকীয়তে উল্লেখ করেছেন, আমাদের দেশে ‘সব ঠিক আছে’ বলে একটি সুবিধাভোগী গোষ্ঠী রয়েছেন। এই গোষ্ঠীর অশুভ তৎপরতায় আমাদের দেশের মাঠপর্যায়ের চিত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়।

খালি চোখে অদৃশ্য ভাইরাস কোভিড-১৯ আমাদের দেখিয়ে দিল আসলে স্বাস্থ্যখাতে আমাদের অনেক কিছুই ঠিক নেই এবং ঠিক নয়। স্বাস্থ্যখাতে অনেক কিছুই স্পষ্ট হয়েছে করোনার কারণে, অল্প হলেও শিক্ষাখাতের দুর্বলতাও স্পষ্ট হয়েছে। মধ্য মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশের সমগ্র শিক্ষা কার্যক্রম থমকে আছে। অন্যদিকে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম খুব বেশি বাধাগ্রস্ত হয়নি। অথচ আমাদের কী ছিল না? সরকারের শিক্ষানীতি আছে, পর্যাপ্ত অর্থের বরাদ্দ আছে, আছে প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীর নির্দেশনা। নেই শুধু নির্দেশ পালন। কারণ ওই ‘সব ঠিক আছে’ নামক গোষ্ঠীর অপতৎপরতা।

শুধু স্বাস্থ্য বা শিক্ষা নয় প্রতিটি খাতে আমাদের গুণগত পরিবর্তন নিয়ে আসা অপরিহার্য। সময় পেরিয়ে যাচ্ছে আজও যদি আমরা বুঝতে না পারি আমাদের অধিকাংশই ঠিক নেই, আমাদের সুশাসন নেই, আমাদের স্বচ্ছতা নেই, আমাদের জবাবদিহি নেই, আমাদের অনেক কিছুই নেই তাহলে বাস্তবতা থেকে শিক্ষা নিতে ব্যর্থতার কারণে আমাদের মহাবিপর্যয় ঘটতে পারে।

আমাদের আমলাতন্ত্রে সাধারণজ্ঞদের চেয়ে বিশেষজ্ঞদের প্রাধান্য দেয়া আজ সময়ের দাবি। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আমলারাই বাস্তবিক ও প্রায়োগিক জ্ঞানের মাধ্যমে বুঝতে পারবেন একযুগ পেরিয়ে যাওয়া পদোন্নতি বঞ্চিত বা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকা সরকারি কর্মচারীর হতাশা-বঞ্চনার কথা, মাঠপর্যায়ে দফতরগুলোর বাস্তব সমস্যার কথা, সমাধানের উপায়। তবেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে, প্রকৃত অর্থেই সব ঠিক হয়ে যাবে।

লেখক : প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ এবং পিএইচডি গবেষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
ইমেইল: [email protected]

এইচআর/বিএ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২,১০,৬৮,৬৬৬
আক্রান্ত

৭,৫৭,৪৪৪
মৃত

১,৩৯,২০,১৪৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২,৬৯,১১৫ ৩,৫৫৭ ১,৫৪,৮৭১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫৪,১৫,৬৬৬ ১,৭০,৪১৫ ২৮,৪৩,২০৪
ব্রাজিল ৩২,২৯,৬২১ ১,০৫,৫৬৪ ২৩,৫৬,৬৪০
ভারত ২৪,৫৯,৬১৩ ৪৮,১৪৪ ১৭,৫০,৬৩৬
রাশিয়া ৯,০৭,৭৫৮ ১৫,৩৮৪ ৭,১৬,৩৯৬
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫,৭২,৮৬৫ ১১,২৭০ ৪,৩৭,৬১৭
পেরু ৫,০৭,৯৯৬ ২৫,৬৪৮ ৩,৪৮,০০৬
মেক্সিকো ৫,০৫,৭৫১ ৫৫,২৯৩ ৩,৪১,৫০৭
কলম্বিয়া ৪,৩৩,৮০৫ ১৪,১৪৫ ২,৫০,৪৯৪
১০ চিলি ৩,৮০,০৩৪ ১০,২৯৯ ৩,৫৩,১৩১
১১ স্পেন ৩,৭৯,৭৯৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১২ ইরান ৩,৩৬,৩২৪ ১৯,১৬২ ২,৯২,০৫৮
১৩ যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৭৯৮ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৪ সৌদি আরব ২,৯৪,৫১৯ ৩,৩০৩ ২,৬০,৩৯৩
১৫ পাকিস্তান ২,৮৬,৬৭৪ ৬,১৩৯ ২,৬৪,০৬০
১৬ আর্জেন্টিনা ২,৭৬,০৭২ ৫,৩৬২ ১,৯২,৪৩৪
১৭ ইতালি ২,৫২,২৩৫ ৩৫,২৩১ ২,০২,৯২৩
১৮ তুরস্ক ২,৪৫,৬৩৫ ৫,৯১২ ২,২৮,০৫৭
১৯ জার্মানি ২,২২,২৬৯ ৯,২৮১ ২,০০,৮০০
২০ ফ্রান্স ২,০৯,৩৬৫ ৩১,০১৭ ৮৩,৪৭২
২১ ইরাক ১,৬৪,২৭৭ ৫,৬৪১ ১,১৭,২০৮
২২ ফিলিপাইন ১,৪৭,৫২৬ ২,৪২৬ ৭০,৩৮৭
২৩ ইন্দোনেশিয়া ১,৩২,৮১৬ ৫,৯৬৮ ৮৭,৫৫৮
২৪ কানাডা ১,২১,২৩৪ ৯,০১৫ ১,০৭,৫৫৩
২৫ কাতার ১,১৪,২৮১ ১৯০ ১,১০,৯৫৭
২৬ কাজাখস্তান ১,০১,৮৪৮ ১,২৬৯ ৭৮,৬৩৩
২৭ ইকুয়েডর ৯৮,৩৪৩ ৬,০১০ ৭৮,৯৫৭
২৮ বলিভিয়া ৯৬,৪৫৯ ৩,৮৮৪ ৩৩,৭২০
২৯ মিসর ৯৬,১০৮ ৫,১০৭ ৫৬,৮৯০
৩০ ইসরায়েল ৮৯,৮২২ ৬৫১ ৬৪,৭৪৬
৩১ ইউক্রেন ৮৬,১৪০ ১,৯৯২ ৪৬,২১৬
৩২ চীন ৮৪,৭৮৬ ৪,৬৩৪ ৭৯,৪৬২
৩৩ সুইডেন ৮৩,৮৫২ ৫,৭৭৬ ৪,৯৭১
৩৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৮৩,১৩৪ ১,৩৯৩ ৪৭,৯৪৬
৩৫ ওমান ৮২,৫৩১ ৫৫১ ৭৭,২৭৮
৩৬ পানামা ৭৮,৪৪৬ ১,৭২২ ৫২,২১০
৩৭ বেলজিয়াম ৭৬,১৯১ ৯,৯১৬ ১৭,৯১৩
৩৮ কুয়েত ৭৪,৪৮৬ ৪৮৯ ৬৬,০৯৯
৩৯ বেলারুশ ৬৯,২০৩ ৫৯৯ ৬৬,১৭৮
৪০ রোমানিয়া ৬৬,৬৩১ ২,৮৬০ ৩১,৫৪৭
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬৩,৪৮৯ ৩৫৮ ৫৭,৩৭২
৪২ নেদারল্যান্ডস ৬১,২০৪ ৬,১৬৫ ২৫০
৪৩ গুয়াতেমালা ৬০,২৮৪ ২,২৯৬ ৪৮,৩০৫
৪৪ সিঙ্গাপুর ৫৫,৪৯৭ ২৭ ৫০,৭৩৬
৪৫ পোল্যান্ড ৫৪,৪৮৭ ১,৮৪৪ ৩৭,৯৬১
৪৬ পর্তুগাল ৫৩,৫৪৮ ১,৭৭০ ৩৯,১৭৭
৪৭ জাপান ৫১,১৪৭ ১,০৬৩ ৩৬,১৩৪
৪৮ হন্ডুরাস ৪৯,০৪২ ১,৫৪২ ৭,০৩২
৪৯ নাইজেরিয়া ৪৮,১১৬ ৯৬৬ ৩৪,৩০৯
৫০ বাহরাইন ৪৫,৭২৬ ১৬৭ ৪২,১৮০
৫১ ঘানা ৪১,৭২৫ ২২৩ ৩৯,৪৯৫
৫২ কিরগিজস্তান ৪১,৩৭৩ ১,৪৯১ ৩৩,৫৯২
৫৩ আর্মেনিয়া ৪১,০২৩ ৮০৯ ৩৩,৮৯৭
৫৪ মরক্কো ৩৭,৯৩৫ ৫৮৪ ২৬,৬৮৭
৫৫ আফগানিস্তান ৩৭,৪২৪ ১,৩৬৩ ২৬,৭১৪
৫৬ সুইজারল্যান্ড ৩৭,৪০৩ ১,৯৯১ ৩২,৭০০
৫৭ আলজেরিয়া ৩৭,১৮৭ ১,৩৪১ ২৬,০০৪
৫৮ আজারবাইজান ৩৩,৯১৫ ৫০০ ৩১,২৬৯
৫৯ উজবেকিস্তান ৩৩,৩২৩ ২১৬ ২৭,২১৩
৬০ ভেনেজুয়েলা ৩০,৩৬৯ ২৫৯ ২১,৩৮৫
৬১ মলদোভা ২৯,০৮৭ ৮৭৮ ২০,২৭৬
৬২ সার্বিয়া ২৮,৯৯৮ ৬৬১ ১৮,৯৬৫
৬৩ কেনিয়া ২৮,৭৫৪ ৪৬০ ১৫,১০০
৬৪ আয়ারল্যান্ড ২৬,৯২৯ ১,৭৭৪ ২৩,৩৬৪
৬৫ ইথিওপিয়া ২৬,২০৪ ৪৭৯ ১১,৪২৮
৬৬ কোস্টারিকা ২৬,১২৯ ২৭২ ৮,৪১২
৬৭ নেপাল ২৪,৯৫৭ ৯৫ ১৬,৮৩৭
৬৮ অস্ট্রেলিয়া ২২,৭৪১ ৩৭৫ ১৩,০০১
৬৯ অস্ট্রিয়া ২২,৫৯৪ ৭২৫ ২০,৩৪৬
৭০ এল সালভাদর ২১,৯৯৩ ৫৮৪ ১০,২৫৪
৭১ চেক প্রজাতন্ত্র ১৯,৪০১ ৩৯১ ১৩,৫৭৪
৭২ ক্যামেরুন ১৮,৩০৮ ৪০১ ১৫,৩২০
৭৩ আইভরি কোস্ট ১৬,৮৮৯ ১০৭ ১৩,৫২২
৭৪ ফিলিস্তিন ১৫,৪৯১ ১০৬ ৯,১৮৬
৭৫ ডেনমার্ক ১৫,২১৪ ৬২১ ১৩,১৩১
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১৫,১৮৪ ৪৫৮ ৯,১৫৬
৭৭ দক্ষিণ কোরিয়া ১৪,৮৭৩ ৩০৫ ১৩,৮৬৩
৭৮ বুলগেরিয়া ১৩,৮৯৩ ৪৮২ ৮,৪৭৯
৭৯ মাদাগাস্কার ১৩,৫২২ ১৬২ ১১,৭৮০
৮০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১২,৩৫৭ ৫৩২ ৮,৬৬২
৮১ সুদান ১২,১১৫ ৭৯২ ৬,৩০৫
৮২ সেনেগাল ১১,৭৪০ ২৪৪ ৭,৫৭২
৮৩ নরওয়ে ৯,৮৫১ ২৫৭ ৮,৮৫৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯,৫৮৯ ২৩৪ ৮,৪৮০
৮৫ মালয়েশিয়া ৯,১২৯ ১২৫ ৮,৮২১
৮৬ জাম্বিয়া ৮,৬৬৩ ২৪৬ ৭,৪০১
৮৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮,৪৭১ ৫১ ৭,৭৮৪
৮৮ প্যারাগুয়ে ৮,৩৮৯ ৯৭ ৫,৫১৬
৮৯ গিনি ৮,১৯৮ ৫০ ৭,১২০
৯০ গ্যাবন ৮,০৭৭ ৫১ ৫,৯২০
৯১ তাজিকিস্তান ৭,৯৫০ ৬৩ ৭,২৩৫
৯২ হাইতি ৭,৭৮১ ১৯২ ৫,১২৩
৯৩ লেবানন ৭,৭১১ ৯২ ২,৪৯৬
৯৪ ফিনল্যাণ্ড ৭,৬৮৩ ৩৩৩ ৭,০৫০
৯৫ লুক্সেমবার্গ ৭,৩৬৮ ১২২ ৬,৪১৪
৯৬ লিবিয়া ৭,০৫০ ১৩৫ ৮১৬
৯৭ আলবেনিয়া ৬,৯৭১ ২১৩ ৩,৬১৬
৯৮ মৌরিতানিয়া ৬,৬৫৩ ১৫৭ ৫,৮৪৩
৯৯ গ্রীস ৬,৩৮১ ২২১ ৩,৮০৪
১০০ ক্রোয়েশিয়া ৬,০৫০ ১৬১ ৫,০৭৮
১০১ মালদ্বীপ ৫,৪৯৪ ২১ ২,৯২০
১০২ জিবুতি ৫,৩৫৮ ৫৯ ৫,১৬৭
১০৩ জিম্বাবুয়ে ৪,৯৯০ ১২৮ ১,৯২৭
১০৪ মালাউই ৪,৯১২ ১৫৩ ২,৫৫০
১০৫ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৪,৮২১ ৮৩ ২,১৮২
১০৬ হাঙ্গেরি ৪,৮১৩ ৬০৭ ৩,৫৬১
১০৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৬৫২ ৬১ ১,৭২৮
১০৮ হংকং ৪,৩১৩ ৬৫ ৩,২৯৫
১০৯ নিকারাগুয়া ৪,১১৫ ১২৮ ২,৯১৩
১১০ মন্টিনিগ্রো ৩,৮৫৭ ৭৩ ২,৬৮০
১১১ কঙ্গো ৩,৭৪৫ ৬০ ১,৬২৫
১১২ ইসওয়াতিনি ৩,৫৯৯ ৬৫ ১,৯৯১
১১৩ নামিবিয়া ৩,৫৪৪ ২৭ ৮৪৮
১১৪ থাইল্যান্ড ৩,৩৭৬ ৫৮ ৩,১৭৩
১১৫ সোমালিয়া ৩,২২৭ ৯৩ ১,৭২৮
১১৬ কিউবা ৩,১৭৪ ৮৯ ২,৫২৫
১১৭ মায়োত্তে ৩,১১৯ ৩৯ ২,৯৪০
১১৮ কেপ ভার্দে ৩,০৭৩ ৩৩ ২,২৩২
১১৯ শ্রীলংকা ২,৮৮২ ১১ ২,৬৪৬
১২০ সুরিনাম ২,৭৬১ ৪০ ১,৮৩০
১২১ স্লোভাকিয়া ২,৭৩৯ ৩১ ১,৯৩৯
১২২ মোজাম্বিক ২,৬৩৮ ১৯ ১,০১৫
১২৩ মালি ২,৫৯৭ ১২৫ ১,৯৭৯
১২৪ দক্ষিণ সুদান ২,৪৭৮ ৪৭ ১,১৭৫
১২৫ স্লোভেনিয়া ২,৩৩২ ১২৯ ১,৯৬০
১২৬ লিথুনিয়া ২,৩৩০ ৮১ ১,৬৮৯
১২৭ রুয়ান্ডা ২,২০০ ১,৫৫৮
১২৮ এস্তোনিয়া ২,১৭৪ ৬৯ ১,৯৭৫
১২৯ গিনি বিসাউ ২,০৮৮ ২৯ ১,০১৫
১৩০ বেনিন ২,০১৪ ৩৮ ১,৬৮১
১৩১ আইসল্যান্ড ১,৯৭৬ ১০ ১,৯০৭
১৩২ সিয়েরা লিওন ১,৯৪০ ৬৯ ১,৪৯৬
১৩৩ তিউনিশিয়া ১,৮৪৭ ৫৩ ১,৩০২
১৩৪ ইয়েমেন ১,৮৪৭ ৫২৮ ৯৪৯
১৩৫ অ্যাঙ্গোলা ১,৮১৫ ৮০ ৫৭৭
১৩৬ নিউজিল্যান্ড ১,৬০২ ২২ ১,৫৩১
১৩৭ গাম্বিয়া ১,৫৫৬ ৪৩ ২৬৭
১৩৮ সিরিয়া ১,৪৩২ ৫৫ ৩৯৫
১৩৯ উরুগুয়ে ১,৪০৯ ৩৭ ১,১৮০
১৪০ উগান্ডা ১,৩৫৩ ১১ ১,১৪১
১৪১ জর্ডান ১,৩২০ ১১ ১,২২২
১৪২ লাটভিয়া ১,৩০৭ ৩২ ১,০৭৮
১৪৩ সাইপ্রাস ১,৩০৫ ২০ ৮৭০
১৪৪ জর্জিয়া ১,২৮৩ ১৭ ১,০৬৮
১৪৫ লাইবেরিয়া ১,২৫২ ৮২ ৭৩৮
১৪৬ মালটা ১,২৪৫ ৭০৮
১৪৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১,২২৮ ৫৪ ৯৯৭
১৪৮ বতসোয়ানা ১,২১৪ ১২০
১৪৯ নাইজার ১,১৬১ ৬৯ ১,০৭৫
১৫০ টোগো ১,১০৪ ২৬ ৭৯১
১৫১ বাহামা ১,০৮৯ ১৫ ১৩৮
১৫২ জ্যামাইকা ১,০৭১ ১৪ ৭৫৪
১৫৩ এনডোরা ৯৮১ ৫৩ ৮৫৮
১৫৪ চাদ ৯৪৯ ৭৬ ৮৬০
১৫৫ ভিয়েতনাম ৯১১ ২১ ৪৫১
১৫৬ আরুবা ৮৯৪ ১১৪
১৫৭ লেসোথো ৮৮৪ ২৫ ২৭১
১৫৮ রিইউনিয়ন ৭৫৪ ৬৩১
১৫৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬০ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৭
১৬১ গায়ানা ৬৩১ ২৩ ২০২
১৬২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬০৩ ৪৮ ৫৫৫
১৬৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৬৪ তাইওয়ান ৪৮১ ৪৫০
১৬৫ বুরুন্ডি ৪১০ ৩১৫
১৬৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪০৪ ১৩৯
১৬৭ কমোরস ৩৯৯ ৩৭৯
১৬৮ মায়ানমার ৩৬৯ ৩২১
১৬৯ গুয়াদেলৌপ ৩৬৭ ১৪ ২৮৯
১৭০ ফারে আইল্যান্ড ৩৬২ ২২৫
১৭১ মরিশাস ৩৪৪ ১০ ৩৩৪
১৭২ মার্টিনিক ৩৩৬ ১৬ ৯৮
১৭৩ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৭৪ মঙ্গোলিয়া ২৯৭ ২৬৯
১৭৫ বেলিজ ২৯৬ ৩২
১৭৬ পাপুয়া নিউ গিনি ২৮৭ ৭৮
১৭৭ ইরিত্রিয়া ২৮৫ ২৪৮
১৭৮ কম্বোডিয়া ২৭৩ ২২৫
১৭৯ সিন্ট মার্টেন ২৬৩ ১৭ ১০২
১৮০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২৫৮ ৫২
১৮১ জিব্রাল্টার ২০৫ ১৮৮
১৮২ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০২
১৮৩ বারমুডা ১৫৯ ১৪৫
১৮৪ মোনাকো ১৪৪ ১১৪
১৮৫ বার্বাডোস ১৪৪ ১১৮
১৮৬ ব্রুনাই ১৪২ ১৩৮
১৮৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৩৯ ৬৪
১৮৮ ভুটান ১২৮ ১০০
১৮৯ সিসিলি ১২৭ ১২৬
১৯০ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৩ ৮৩
১৯১ সেন্ট মার্টিন ৯২ ৪৫
১৯২ লিচেনস্টেইন ৯০ ৮৭
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫৭ ৫৫
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯৫ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৬ কিউরাসাও ৩২ ৩০
১৯৭ ফিজি ২৮ ২০
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২৫ ২৫
১৯৯ পূর্ব তিমুর ২৫ ২৪
২০০ গ্রেনাডা ২৪ ২৩
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৩ ২২
২০২ লাওস ২০ ১৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৪ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৭
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৬ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৭ সেন্ট বারথেলিমি ১৩
২০৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ পশ্চিম সাহারা ১০
২১২ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৩ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]