কোভিড-১৯ প্রতিরোধে যেসব কারণে মাস্ক জরুরি

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১০ এএম, ৩১ জুলাই ২০২০

অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ

বিশ্বকে হঠাৎ থমকে দিয়েছে কোভিড-১৯ যা মহামারি আকারে অতিদ্রুত সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এই মহামারিকে প্রতিরোধ করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর্মীসহ বিশ্বের সকল মানুষ মাস্ক ব্যবহার করছে। আমাদের দেশেও বিভিন্ন কারণেই বর্তমানে আলোচ্য বিষয় হচ্ছে মাস্ক। ‘মাস্ক’ হলো মুখবেষ্টনি। এ সময়ে সারা বিশ্বে মাস্ক একটি অতি পরিচিত ও জনস্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পৃথিবীতে মাস্ক পরা কবে কখন শুরু হয়েছিল তার প্রকৃত তথ্য সঠিকভাবে কারো জানা নেই, তবে প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ এই মুখবেষ্টনি বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে ব্যাবহার করে আসছে। আর্ট-কালচার, ধর্মীয়, স্বাস্থ্য সুরক্ষা থেকে শুরু করে অপরাধ জগতেও এর ব্যবহার রয়েছে। ইতিহাসে পাথরের তৈরি মাস্ক এর কথাও উল্লেখ আছে।

এই মহামারি চলাকালীন মাস্কের প্রস্তুতকারক যেমন মাস্ক নিয়ে ব্যবসা করছে, মাস্কের মান নিয়েও সমালোচনা চলছে, কিছুক্ষেত্রে দুর্নীতির চিত্রও উঠে এসেছে। একই সাথে মাস্ক নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণাও চলছে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাস্ক দেখা যায়। ফ্যাশন ডিজাইনার বিভিন্ন ধরনের মাস্ক তৈরি করছে এবং জনগণকে আকৃষ্টও করছে। অনেক দেশে রাজনীতিবিদরা মাস্ককে দলীয় প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে মাস্ককে আরও জনপ্রিয় করে তুলছে। যাই হোক আমরা আজ মাস্কের ধরন, মাস্ক কেন পরবেন, মাস্ক পরার নিয়ম ও মাস্ক কখন বদলাতে হবে তাসহ নানাবিধ আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যা মহামারিতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে বলে আশা করি।

ফেস মাস্কের ধরন

আমাদের দেশে তিন ধরনের মাস্কের প্রচলন আছে- কাপডের মাস্ক, সার্জিক্যাল মাস্ক ও এন-৯৫ মাস্ক।
কাপড়ের মাস্ক: কয়েক প্রস্থ কাপড়ের মাস্ক ৯৬% পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে, তবে এটি নির্ভর করে কাপড়ের ধরন ও প্রতি ইঞ্চিতে বুনন সংখ্যার ওপর। সুতি কাপড় থেকে পলিস্টার কাপড়ের ইলেক্ট্রোস্টেটিক শোষণ ক্ষমতা বেশি।
সাধারণ সার্জিক্যাল মাস্ক: সার্জিক্যাল মাস্কে আকৃতি নিয়ন্ত্রক ছাড়া বাকি তিনটি আবরণ থাকে, ফলে শক্তভাবে না আটকানোর জন্য এটি বাতাসকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করতে পারে না।

এন-৯৫ মাস্কের গঠন

এন দিয়ে বুঝায় এটি তৈল নিরোধক নয়। এর চারটি আস্তরণ থাকে, ভিতর থেকে বাহিরে যথাক্রমে নরম আবরণ, আকৃতি নিয়ন্ত্রক, ফিল্টার, তরল নিরোধক আবরণ। এখানে ফিল্টার হিসেবে মেল্ট ব্লোউন ফাইবার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যা ০.৩ মাইক্রন সাইজের ৯৫% জীবাণু ও ধূলিকণা ছেকে নিতে সক্ষম। আমরা জানি করোনাভাইরাসের সাইজ ০.০৬ থেকে ০.১৪ মাইক্রন, তাহলে এন-৯৫ মাস্ক কিভাবে জীবাণু থেকে আমাদের বাঁচাবে? এন-৯৫ মাস্ক এর মেল্ট ব্লোউন ফাইবার ছোট কণাকে আরও ভালোভাবে আটকায়- অতিসূক্ষ্ম কণার ব্রাউনিয়ান মুভমেন্ট ও এর ইলেক্ট্রোস্টেটিক শোষণ ক্ষমতার মাধ্যমে। বারবার ব্যবহার ও মজুত করে রাখার কারণে ইলেক্ট্রোস্টেটিক শোষণ ক্ষমতা কমে যায় তাই এটি পুনরায় ব্যবহার না করাই ভালো তবে যে ধরনের মাস্কই ব্যবহার করা হোক না কেন মুখের সাথে বায়ুনিরোধক হয়ে লেগে না থাকলে এর কার্যকারিতা ৬০% এর ও নিচে নেমে যায়।

কেন মাস্ক পরবেন?

আমরা কথা বলার সময় কয়েক হাজার (১০০০-১০,০০০) পানিকণা বাতাসের সাথে ভেসে বেড়ায়, গবেষকরা দেখেছেন বদ্ধ রুমের জানালা দিয়ে এই কণাদের (৪ মাইক্রন) বের হতে ১৪ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে। কোভিড-১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে মুখ থেকে বের হওয়া এই সূক্ষ্ম কণায় ভাইরাসের পরিমাণ প্রায় ৭ লক্ষ (সর্বোচ্চ ২৩.৫ কোটি)। অর্থাৎ কোভিড-১৯ এ বাতাসস্থ জীবাণু থেকে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আমরা জানি করোনা প্রতিরোধে সার্জিক্যাল মাস্ক কাপড়ের মাস্ক থেকে তিনগুণ বেশি কার্যকর। বিশ্বখ্যাত জার্নাল নেচার গত ৩ এপ্রিল এক প্রবন্ধে উল্লেখ করে সার্জিক্যাল ফেস মাস্ক অসুস্থ মানুষ থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করতে পারে।

ভেন ডার সেন্ডি ও তার দল গবেষণায় দেখেছেন যেকোনো মাস্ক পরলে সংক্রমণ ঝুঁকি কমে যায়। তাছাড়াও আমরা জানি ১০ মাইক্রন কণায় ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা থাকে মাত্র ০.৩৭%। অর্থাৎ হাসপাতালের আইসিইউয়ের বাইরে খোলা জায়গায় কেউ যদি কয়েকপ্রস্থ কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করে সেই সাথে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে তাহলেই সে নিজেকে সংক্রমণমুক্ত রাখতে পারবে। সামগ্রিকভাবে এর সুফল পেতে হলে আমাদের সকলকেই ফেস মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। বিগত ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারির সময় গবেষকরা দেখেছেন ৫০% জনগণ যেকোনো ফেস মাস্ক ব্যবহার করলে সমষ্টিগতভাবে ৫০% ব্যাপকতা ও ২০% নতুন সংক্রমণ কমে গিয়েছিল এবং যখন ৮০% জনগণ ফেস মাস্ক ব্যবহার করে তখনই ইনফ্লুয়েঞ্জা নির্মূল হয়েছিল।

মাস্ক পরার নিয়ম

মাস্ক পরার আগে ভালোভাবে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে হাত পরিষ্কার করে নিতে হবে। মাস্কটি এমনভাবে পরতে হবে যেন তা সম্পূর্ণভাবে নাক ও মুখ ঢেকে রাখে এবং মুখ ও মাস্কের মাঝে কোনো ফাঁকা না থাকে। মাস্ক পরিহিত অবস্থাতে যদি নিঃশ্বাস ছাড়ার পর ফেসশিল্ড/চশমা ঘোলা হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে মাস্কটি সঠিকভাবে পড়া হয়নি, মুখ ও মাস্কের মাঝখানে ফাঁকা রয়েছে। মাস্কটি পরিহিত অবস্থায় মাস্কের মূল অংশে হাত দিয়ে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং মাস্ক খোলার সময় দুই পাশের ফিতা ধরে খুলতে হবে। কোনো অবস্থাতেই মাস্কটি নাক ও মুখ থেকে নিচে নামিয়ে রাখবেন না।

কখন মাস্ক বদলাবেন

নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাস্ক বদল করতে হবে। একটি মাস্ক সাধারণত ছয় ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়। পরিহিত মাস্ক কোনো কারণে লালার সংস্পর্শে আসলে, ভিজে গেলে, নষ্ট হলে, ভালোভাবে মুখে না আটকালে, শ্বাস নিতে কষ্ট হলে মাস্ক বদল করতে হবে। মাস্ক বদলের পূর্বে এবং পরে হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে এবং ব্যবহৃত মাস্কটি যত্রতত্র না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। কাপড়ের মাস্ক ভালোমতো সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে পুনরায় ব্যবহার যায়। সার্জিক্যাল মাস্ক সাধারণত একবার ব্যবহারযোগ্য, আর একটি এন-৯৫ মাস্ক একবার ব্যবহারের পর পরিষ্কার এয়ারটাইট পলিথিন ব্যাগে সংরক্ষণ করে পাঁচদিন পরপর সর্বোচ্চ পাঁচবার পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঠিক নিয়মে মানসম্মত মাস্ক পরতে হবে। আইসিইউ ও কোভিড ওয়ার্ডে অবশ্যই পিপিইসহ এন-৯৫ বা সমমানের মাস্ক পরতে হবে। অন্যান্য নন-কোভিড হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যখাতের কর্মীদের সার্জিক্যাল মাস্ক পরতে হবে, এবং সাধারণ জনগণ কয়েকপ্রস্থের কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবে।

প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা স্বাস্থ্য নির্দেশনা সর্বমহলেই প্রশংসিত হয়েছে। জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে আমাদের দেশের সংক্রমণ আরও কমে আসবে। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মাস্ক পরতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচারণা শুরু করেছে। আমার বিশ্বাস এই সমস্ত প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে সমাজের সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে করোনা প্রতিরোধে আমরা একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারব।

পৃথিবীর সব দেশের মতোই জীবন ও জীবিকার স্বার্থে মহামারি প্রতিরোধে একমাত্র উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। সকলের মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, ঘনঘন হাত ধোয়া মহামারি প্রতিরোধে একমাত্র অস্ত্র। কাপড়ের মাস্ক সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সহজলভ্য। আসুন সবাই মাস্ক পরি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, তাহলেই এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে সফলতা আসবে আর আমরা ফিরে পাব কোভিডোত্তর সুন্দর পৃথিবী।

লেখক : মহাসচিব, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)।

এইচআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,১৯,৩২,৫০০
আক্রান্ত

৯,৭৮,০২৪
মৃত

২,৩৫,১৯,৯৩৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৫৩,৮৪৪ ৫,০৪৪ ২,৬২,৯৫৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭১,০৯,৯২০ ২,০৫,৯১৪ ৪৩,৬৫,৫৪৮
ভারত ৫৭,০০,৫০৮ ৯০,৬১৯ ৪৬,৪১,৮১১
ব্রাজিল ৪৬,০২,২৪১ ১,৩৮,৪১০ ৩৯,৪৫,৬২৭
রাশিয়া ১১,২২,২৪১ ১৯,৭৯৯ ৯,২৩,৬৯৯
কলম্বিয়া ৭,৭৭,৫৩৭ ২৪,৫৭০ ৬,৫০,৮০১
পেরু ৭,৭৬,৫৪৬ ৩১,৫৮৬ ৬,২৯,০৯৪
মেক্সিকো ৭,০৫,২৬৩ ৭৪,৩৪৮ ৫,০৬,৭৩২
স্পেন ৬,৮২,২৬৭ ৩০,৯০৪ ১,৯৬,৯৫৮
১০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৬৩,২৮২ ১৬,১১৮ ৫,৯২,৯০৪
১১ আর্জেন্টিনা ৬,৫২,১৭৪ ১৩,৯৫২ ৫,১৭,২২৮
১২ ফ্রান্স ৪,৬৮,০৬৯ ৩১,৪১৬ ৯৩,৫৩৮
১৩ চিলি ৪,৪৯,৯০৩ ১২,৩৪৫ ৪,২৫,১৬৫
১৪ ইরান ৪,৩২,৭৯৮ ২৪,৮৪০ ৩,৬৫,৮৪৬
১৫ যুক্তরাজ্য ৪,০৯,৭২৯ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ ইরাক ৩,৩২,৬৩৫ ৮,৭৫৪ ২,৬৪,৯৮৮
১৭ সৌদি আরব ৩,৩১,৩৫৯ ৪,৫৬৯ ৩,১৩,৭৮৬
১৮ তুরস্ক ৩,০৮,০৬৯ ৭,৭১১ ২,৭০,৭২৩
১৯ পাকিস্তান ৩,০৭,৪১৮ ৬,৪৩২ ২,৯৩,৯১৬
২০ ইতালি ৩,০২,৫৩৭ ৩৫,৭৫৮ ২,২০,৬৬৫
২১ ফিলিপাইন ২,৯৪,৫৯১ ৫,০৯১ ২,৩১,৩৭৩
২২ জার্মানি ২,৭৮,১৯২ ৯,৫০৫ ২,৪৭,৯০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৫৭,৩৮৮ ৯,৯৭৭ ১,৮৭,৯৫৮
২৪ ইসরায়েল ২,০৩,১৩৬ ১,৩১৬ ১,৪৪,৬৮৬
২৫ ইউক্রেন ১,৮৪,৭৩৪ ৩,৭০৫ ৮১,৬৭০
২৬ কানাডা ১,৪৭,৪৭২ ৯,২৪১ ১,২৭,৩৯৯
২৭ বলিভিয়া ১,৩১,৪৫৩ ৭,৬৯৩ ৯০,৮৫৩
২৮ ইকুয়েডর ১,২৭,৬৪৩ ১১,১২৬ ১,০২,৮৫২
২৯ কাতার ১,২৪,১৭৫ ২১২ ১,২১,০০৬
৩০ রোমানিয়া ১,১৬,৪১৫ ৪,৫৫০ ৯৩,৫৫৮
৩১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,০৯,৭৩৭ ২,০৭৪ ৮৩,৪৩৪
৩২ কাজাখস্তান ১,০৭,৪৫০ ১,৬৯৯ ১,০২,০৬৪
৩৩ পানামা ১,০৭,২৮৪ ২,২৮৫ ৮৩,৩১৮
৩৪ মরক্কো ১,০৫,৩৪৬ ১,৮৮৯ ৮৫,৮৮৩
৩৫ বেলজিয়াম ১,০৫,২২৬ ৯,৯৯৬ ১৯,০৩৯
৩৬ মিসর ১,০২,২৫৪ ৫,৮০৬ ৯১,১৪৩
৩৭ কুয়েত ১,০১,২৯৯ ৫৯০ ৯২,৩৪১
৩৮ নেদারল্যান্ডস ১,০০,৫৯৭ ৬,২৯৬ ২৫০
৩৯ ওমান ৯৫,৩৩৯ ৮৭৫ ৮৬,৪৮২
৪০ সুইডেন ৮৯,৭৫৬ ৫,৮৭৬ ৪,৯৭১
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৮৭,৫৩০ ৪০৬ ৭৬,৯৯৫
৪২ গুয়াতেমালা ৮৭,৪৪২ ৩,১৫৪ ৭৬,৪৫৯
৪৩ চীন ৮৫,৩০৭ ৪,৬৩৪ ৮০,৫০৫
৪৪ পোল্যান্ড ৮১,৬৭৩ ২,৩৪৪ ৬৫,৫৬১
৪৫ জাপান ৭৯,৪৩৮ ১,৫০৮ ৭১,৬৪৮
৪৬ বেলারুশ ৭৬,৩৫৭ ৭৯৬ ৭৩,৫৬৪
৪৭ হন্ডুরাস ৭২,৩০৬ ২,২০৬ ২৩,২৩০
৪৮ ইথিওপিয়া ৭১,০৮৩ ১,১৪১ ২৯,২৫৩
৪৯ পর্তুগাল ৭০,৪৬৫ ১,৯২৮ ৪৬,২৯০
৫০ ভেনেজুয়েলা ৬৮,৪৫৩ ৫৬৪ ৫৭,৭৭৪
৫১ নেপাল ৬৭,৮০৪ ৪৩৬ ৪৯,৯৫৪
৫২ কোস্টারিকা ৬৬,৬৮৯ ৭৬০ ২৫,৭০৬
৫৩ বাহরাইন ৬৬,৪০২ ২৩১ ৫৯,৩৬৭
৫৪ সিঙ্গাপুর ৫৭,৬৩৯ ২৭ ৫৭,২৯১
৫৫ নাইজেরিয়া ৫৭,৬১৩ ১,১০০ ৪৮,৮৩৬
৫৬ চেক প্রজাতন্ত্র ৫৪,২৪৪ ৫৫১ ২৬,৭০৯
৫৭ উজবেকিস্তান ৫৩,২৭৫ ৪৪৪ ৪৯,৬৪৯
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৫১,১০১ ২,০৬০ ৪২,১০০
৫৯ আলজেরিয়া ৫০,৪০০ ১,৬৯৮ ৩৫,৪২৮
৬০ মলদোভা ৪৮,২৩২ ১,২৪৪ ৩৬,০৭১
৬১ আর্মেনিয়া ৪৭,৮৭৭ ৯৪২ ৪৩,০২৬
৬২ ঘানা ৪৬,১১৬ ২৯৭ ৪৫,২৯০
৬৩ কিরগিজস্তান ৪৫,৬৩০ ১,৪৯৮ ৪১,৯০৪
৬৪ অস্ট্রিয়া ৩৯,৯৮৪ ৭৭৭ ৩০,৯৪৯
৬৫ আজারবাইজান ৩৯,৫২৪ ৫৮০ ৩৭,১২২
৬৬ আফগানিস্তান ৩৯,১৪৫ ১,৪৪৬ ৩২,৬১০
৬৭ কেনিয়া ৩৭,২১৮ ৬৫৯ ২৪,১৪৭
৬৮ ফিলিস্তিন ৩৭,০৮৩ ২৭২ ২৬,২৮৮
৬৯ প্যারাগুয়ে ৩৪,৮২৮ ৭০৫ ১৯,২৫৭
৭০ আয়ারল্যান্ড ৩৩,৪৪৪ ১,৭৯২ ২৩,৩৬৪
৭১ সার্বিয়া ৩৩,০৮০ ৭৪৪ ৩১,৫৩৬
৭২ লেবানন ৩১,৭৯২ ৩২৮ ১৩,৫২৭
৭৩ লিবিয়া ৩০,০৯৭ ৪৬৯ ১৬,৪৩০
৭৪ এল সালভাদর ২৭,৯৫৪ ৮১৯ ২২,১১৩
৭৫ অস্ট্রেলিয়া ২৬,৯৭৪ ৮৫৯ ২৪,৪১৬
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৬,০৮১ ৭৯০ ১৮,৬৩৪
৭৭ ডেনমার্ক ২৪,৩৫৭ ৬৪৩ ১৮,৩৫৯
৭৮ দক্ষিণ কোরিয়া ২৩,২১৬ ৩৮৮ ২০,৬৫০
৭৯ ক্যামেরুন ২০,৫৯৮ ৪১৬ ১৯,১২৪
৮০ হাঙ্গেরি ২০,৪৫০ ৭০২ ৪,৬৪৪
৮১ আইভরি কোস্ট ১৯,৩৪৩ ১২০ ১৮,৬৮২
৮২ বুলগেরিয়া ১৯,১২৩ ৭৬৭ ১৩,৭৪৮
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৭,০৪৯ ৭১০ ১৪,১৮৬
৮৪ গ্রীস ১৬,২৮৬ ৩৫৭ ৯,৯৮৯
৮৫ মাদাগাস্কার ১৬,১৬৭ ২২৬ ১৪,৭৮৮
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৫,৩৪০ ২৫৭ ১৩,৮১৫
৮৭ সেনেগাল ১৪,৭৯৫ ৩০৩ ১১,৭১৮
৮৮ জাম্বিয়া ১৪,৩৮৯ ৩৩১ ১৩,৬২৯
৮৯ সুদান ১৩,৫৭৮ ৮৩৬ ৬,৭৬০
৯০ নরওয়ে ১৩,২১০ ২৬৭ ১০,৩৭১
৯১ আলবেনিয়া ১২,৭৮৭ ৩৭০ ৭,১৩৯
৯২ তিউনিশিয়া ১২,৪৭৯ ১৭৪ ২,৩৮৬
৯৩ নামিবিয়া ১০,৬০৭ ১১৬ ৮,৩৫৯
৯৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৫৩৭ ২৭১ ১০,০৪১
৯৫ মালয়েশিয়া ১০,৫০৫ ১৩৩ ৯,৬০২
৯৬ গিনি ১০,৩৮৭ ৬৫ ৯,৭৮০
৯৭ মালদ্বীপ ৯,৮১৮ ৩৪ ৮,৪৩৮
৯৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৭৩৮ ৬৫ ৯,৪০০
৯৯ তাজিকিস্তান ৯,৪৭৫ ৭৪ ৮,২৪৪
১০০ ফিনল্যাণ্ড ৯,২৮৮ ৩৪৩ ৭,৮৫০
১০১ মন্টিনিগ্রো ৯,১৩৮ ১৪৬ ৫,৫৪৪
১০২ গ্যাবন ৮,৭০৪ ৫৪ ৭,৮৭৫
১০৩ হাইতি ৮,৬৪৬ ২২৫ ৬,৫৫১
১০৪ লুক্সেমবার্গ ৮,০১৬ ১২৪ ৭,১৪০
১০৫ জিম্বাবুয়ে ৭,৭১১ ২২৬ ৫,৯৭৯
১০৬ মৌরিতানিয়া ৭,৪০৩ ১৬১ ৭,০১১
১০৭ স্লোভাকিয়া ৭,২৬৯ ৪১ ৩,৮৮৮
১০৮ মায়ানমার ৭,১৭৭ ১২৯ ১,৯৫১
১০৯ মোজাম্বিক ৭,১১৪ ৪৫ ৪,০৬৪
১১০ উগান্ডা ৬,৮৭৯ ৬৯ ২,৯৬১
১১১ জর্ডান ৬,০৪২ ৩৫ ৩,৮১২
১১২ মালাউই ৫,৭৩৯ ১৭৯ ৪,০৬৫
১১৩ জিবুতি ৫,৪০৭ ৬১ ৫,৩৩৮
১১৪ জ্যামাইকা ৫,৩৯৫ ৭৬ ১,৪৪৪
১১৫ কেপ ভার্দে ৫,৩৩৭ ৫২ ৪,৭৪২
১১৬ ইসওয়াতিনি ৫,৩০৭ ১০৬ ৪,৬৭২
১১৭ কিউবা ৫,২৭০ ১১৮ ৪,৫৮২
১১৮ নিকারাগুয়া ৫,০৭৩ ১৪৯ ২,৯১৩
১১৯ হংকং ৫,০৫০ ১০৩ ৪,৭৪৯
১২০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০১৮ ৮৩ ৪,৫০৯
১২১ কঙ্গো ৫,০০২ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮০২ ৬২ ১,৮৩০
১২৩ সুরিনাম ৪,৭৫৯ ১০০ ৪,৫৪১
১২৪ রুয়ান্ডা ৪,৭৩৮ ২৭ ২,৯৯১
১২৫ স্লোভেনিয়া ৪,৬৯৪ ১৪৩ ৩,১৬৮
১২৬ গুয়াদেলৌপ ৪,৪৮৭ ৪২ ২,১৯৯
১২৭ অ্যাঙ্গোলা ৪,২৩৬ ১৫৫ ১,৪৬২
১২৮ জর্জিয়া ৪,১৪০ ২৫ ১,৬৪৩
১২৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪,০৪৬ ৬৭ ১,৯৬০
১৩০ লিথুনিয়া ৩,৯৩২ ৮৭ ২,২৪৬
১৩১ সিরিয়া ৩,৮৭৭ ১৭৮ ৯৮৩
১৩২ আরুবা ৩,৬৬৫ ২৫ ২,৪২৬
১৩৩ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩৪ গাম্বিয়া ৩,৫৪০ ১১০ ২,০০২
১৩৫ থাইল্যান্ড ৩,৫১৪ ৫৯ ৩,৩৪৫
১৩৬ বাহামা ৩,৪৬৭ ৭৭ ১,৮৭১
১৩৭ সোমালিয়া ৩,৪৬৫ ৯৮ ২,৮৭৭
১৩৮ রিইউনিয়ন ৩,৪১৫ ১৫ ২,৪৮২
১৩৯ শ্রীলংকা ৩,৩২৪ ১৩ ৩,১২৯
১৪০ এস্তোনিয়া ৩,০৩৩ ৬৯ ২,৩৮৭
১৪১ মালি ৩,০৩০ ১২৯ ২,৩৮০
১৪২ মালটা ২,৮৫৬ ২৫ ২,১৭৩
১৪৩ দক্ষিণ সুদান ২,৬৬০ ৪৯ ১,২৯০
১৪৪ বতসোয়ানা ২,৫৬৭ ১৩ ৬২৪
১৪৫ আইসল্যান্ড ২,৪৭৬ ১০ ২,১৪২
১৪৬ গায়ানা ২,৪৩৭ ৬৭ ১,৩৬১
১৪৭ গিনি বিসাউ ২,৩২৪ ৩৯ ১,৫৪৯
১৪৮ বেনিন ২,২৯৪ ৪০ ১,৯৫৪
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,১৭৪ ৭২ ১,৬৫২
১৫০ ইয়েমেন ২,০২৯ ৫৮৬ ১,২৪৫
১৫১ উরুগুয়ে ১,৯৩৪ ৪৬ ১,৬৪৫
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১,৯০৭ ৫৬ ১,২৫২
১৫৩ নিউজিল্যান্ড ১,৮২৪ ২৫ ১,৭৩৭
১৫৪ টোগো ১,৬৮৩ ৪১ ১,২৯০
১৫৫ এনডোরা ১,৬৮১ ৫৩ ১,১৯৯
১৫৬ বেলিজ ১,৬৩৫ ২১ ৯৬৭
১৫৭ সাইপ্রাস ১,৬১৮ ২২ ১,৩৬৯
১৫৮ লাটভিয়া ১,৫৭২ ৩৬ ১,২৪৮
১৫৯ লেসোথো ১,৪২৪ ৩৩ ৭৫৪
১৬০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,৩৯৪ ১,১৭০
১৬১ লাইবেরিয়া ১,৩৩৭ ৮২ ১,২১৯
১৬২ মার্টিনিক ১,২৯০ ২০ ৯৮
১৬৩ নাইজার ১,১৯৩ ৬৯ ১,১০৪
১৬৪ চাদ ১,১৫৫ ৮১ ৯৬৭
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৬৯ ৩৫ ৯৯১
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৬৯
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৭২ ৫৮১
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৫৪ ৪৮ ৫৭৫
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৫৯৪ ২০ ৫১২
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫২৭ ২৩২
১৭২ তাইওয়ান ৫০৯ ৪৮০
১৭৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৪ বুরুন্ডি ৪৭৪ ৪৬২
১৭৫ কমোরস ৪৭০ ৪৫৩
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৫১ ৪১৬
১৭৭ মরিশাস ৩৬৭ ১০ ৩৩৯
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৩৬৪ ৩০৯
১৭৯ জিব্রাল্টার ৩৫৭ ৩২৪
১৮০ আইল অফ ম্যান ৩৪০ ২৪ ৩১২
১৮১ সেন্ট মার্টিন ৩৩০ ২০৬
১৮২ মঙ্গোলিয়া ৩১৩ ৩০২
১৮৩ কিউরাসাও ২৯১ ১০৩
১৮৪ কম্বোডিয়া ২৭৫ ২৭৪
১৮৫ ভুটান ২৬১ ১৯৫
১৮৬ কেম্যান আইল্যান্ড ২১০ ২০৫
১৮৭ মোনাকো ১৯৭ ১৬৩
১৮৮ বার্বাডোস ১৮৯ ১৭৩
১৮৯ বারমুডা ১৮০ ১৬৬
১৯০ ব্রুনাই ১৪৫ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪৩ ১৩৬
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৬ ১১০
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৬ ৯২
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৬৯ ৪৮
১৯৫ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৬৯ ২১
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৭ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৮ ফিজি ৩২ ২৮
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৬
২০০ পূর্ব তিমুর ২৭ ২৭
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৬ ২৬
২০২ ডোমিনিকা ২৪ ১৮
২০৩ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৪ লাওস ২৩ ২২
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি ২৩ ১৬
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৭
২০৭ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৮ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১২
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]