গঠনমূলক সমালোচনা স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ঘটাবে

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৫৬ এএম, ০৭ আগস্ট ২০২০

সিকদার নজরুল ইসলাম

২০১৯ তার বিদায়লগ্নে চিনের উহানে রেখে গেল করোনা মহামারি। যার প্রলয়ে সমগ্র বিশ্বই এখন প্রকম্পিত। গত ২০ মার্চ বাংলাদেশে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়। আক্রান্তবিশ্বের ছোট বড় প্রতিটি দেশ করোনা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। আমেরিকাসহ অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর অবস্থা আরো বেশি সংকটাপন্ন। পক্ষান্তরে আমরা অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং অপেক্ষাকৃত কম স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া সত্বেও করোনায় আমাদের মৃত্যু হার বিশ্বের সবচেয়ে কম আক্রান্ত দেশগুলির মধ্যে অন্যতম।

পার্শ্ববর্তী ভারতের অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। সেই হিসেবে আমাদের অবস্থা অনেক ভালই বলতে হয়। যদিও আমাদের এই অবস্থান নিয়ে রয়েছে অনেক বিতর্ক ও সংশয়। কেউ বলছেন আমাদের টেস্টের সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পারছি না, কারো মত সঠিক তথ্য আমাদের দেয়া হচ্ছে না। যদি এমনটাই হত, তাহলে তো হাসপাতাল তৈরি রেখে কবর খুঁড়তেই আমাদের হিমশিম খেতে হত, যা অনেক দেশে ইতোমধ্যে ঘটেছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমেরিকা ও ইতালির মত দেশ করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যু হারে যখন বেসামাল পরিস্থিতে তখন বাংলাদেশেও আক্রান্তের হার ক্রমান্বয়ে বাড়লেও একপর্যায়ে সেটি নিয়ন্ত্রণে চলে আসা শুরু করেছে। জুনের শেষ এবং জুলাইয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যু হার কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি হলেও পরে আবার তা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তখন মৃত্যুর হার ছিল মাত্র ১% এবং যারা নমুনা দিয়েছেন তাদের মধ্যে আক্রান্তের হার ২২-২৩%। আর আক্রান্তদের মাত্র ৫% হসপিটালে ভর্তি হয়েছেন। হসপিটালে রোগী ভর্তির এই হারের কারণে কোভিড আক্রান্তদের জন্য বরাদ্ধকৃত হসপিটালের শয্যাও খালি রয়ে যাচ্ছে। এটাকে কী বলবেন?

নিঃসন্দেহে অত্যন্ত ভাল এবং আশাব্যাঞ্জক। সাম্প্রতিক অবস্থা আরো ভাল; জুলাইয়ের শেষে করোনা আপডেটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আক্রান্ত হাজারের নিচে এবং মৃত্যু হারও রেকর্ড কম ছিল। ঈদের পরে ঘরমুখি মানুষ কর্মস্থলে ফিরলে পুনরায় এটি বৃদ্ধির আশংকা থাকলেও স্বাস্থ্যখাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন- আক্রান্ত ও মৃত্যু হার সাময়িক কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও সেটাও নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকবে, ভয়ের কিছু নেই।

উল্লেখিত অর্জনগুলো সম্ভব হয়েছে সরকারের সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত ও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ এবং কার্যকর পদক্ষেপের কারণেই। বিশেষকরে সময়মত সচেতনতা তৈরিসহ প্রয়োজনানুযায়ী লকডাউন তথা বিধিনিষেধ আরোপের মধ্য দিয়ে নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলোই এক্ষেত্রে বেশি কাজে দিয়েছে। সরকার কর্মস্থলে মানুষের অংশগ্রহণকেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক করোনা পরিস্থিতির বিবেচনায় শিথিল ও কড়াকরি এই দুই পর্বে অত্যন্ত সময়োপযোগীভাবে দক্ষতার সঙ্গে করেছিলেন। একইভাবে সরকারের কঠোর ও শিথিল লকডাউন নীতির বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য। বিশেষকরে কঠোর লকডাউনের সময় সরাসরি অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানের ব্যাপারটিতেও সরকার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন সঠিক ম্যানেজমেন্ট তথা চমৎকার সিলেকশনের মাধ্যমে।

তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল এই দেশের বহু সীমাবদ্ধতা সত্বেও করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক প্রণোদনা সহায়তার স্বীকৃতি স্বরুপ যুক্তরাষ্ট্রের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে করোনা নিয়ন্ত্রণে ১নং (অন্যতম) সফল রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। শুধু তাই নয়, চিকিৎসকদেরকে নির্ভয়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে কাজে নিবেদিত করার ব্যাপারটিও এই সরকার করেছেন অত্যন্ত দূরদর্শিতার সঙ্গে।

এ ব্যাপারে সরকার অনতিবিলম্বে পাবলিক ও প্রাইভেটসহ সংশ্লিষ্ট সকল খাতের সমন্বিত সহযোগতিার মাধ্যমে কাজটিকে এগিয়ে নিতে মাঠে নামেন। এরই অংশ হিসেবে মধ্য এপ্রিলেই বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ হসপিটাল অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ) সরকারের আহ্বানে সারা দিয়ে করোনা যুদ্ধের সম্মোখ যোদ্ধা- পাবলিক ও প্রাইভেট চিকিৎসকদের ১০,০০০ পিপিই প্রদানসহ কর্মস্থলে ডাক্তারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সাফল্যের দিকগুলো তুলে ধরে অনুপ্রেরণা ও সাহস যোগানের কাজটিও করেন। অ্যাসোসিয়েশন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ও নেতৃত্বে চিকিৎসকদের সুরক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রমের পাশাপাশি আক্রান্তদের চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়টিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে। ফলশ্রুতিতে করোনার প্রাদুর্ভাবও ক্রমান্বয়ে কমে আসছে।

দেশের স্বাস্থ্যখাত বাস্তবিকই আর সেই ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। বিশেষকরে বিগত দশ বছরে স্বাস্থ্যখাতের অর্জন তথা সাফল্যগুলোকে কোনভাবেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। অনেক সাফল্য রয়েছে আমাদের, সেটা যেমনি এই করোনাকালিন সময়ে, তেমনি আগেও। আগে দেশে হাসপাতাল ছিল হাতেগোনা। সেই অবস্থা থেকে বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলায় হাসপাতাল করা হয়েছে। ১৪ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে গেছে।

দেশে এর মধ্যে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, মেডিকেল ইন্সটিটিউট করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিটি জেলায় মেডিকেল কলেজ নির্মাণের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৮ বিভাগে ৮টি ক্যান্সার হাসপাতাল করা হচ্ছে। ১০ হাজার চিকিৎসক, ১৫ হাজার নার্সসহ পর্যাপ্ত জনবল প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিগত দশ বছরে এই বিষয়সহ আরো বিভিন্ন সময়োপযোগী কার্যকর পদক্ষেপের কারণেই স্বাস্থ্যখাতে এ জাতীয় বহুবিধ অর্জন আমাদের রয়েছে।

বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের কারণেই দেশে শিশুর অপুষ্টির হার যেমন হ্রাস পেয়েছে, তেমনি কমেছে মৃত্যুর হারও। মৃত্যুর হার এখন অর্ধেকেরও নিচে। আমাদের টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের হার ইর্ষণীয়। কোন কোন ক্ষেত্রে শতভাগের কাছাছি। যেমন বিসিজি টিকা প্রদানের হার ৯৯.৫%, যা অন্য অনেক দেশের তুলনায় বেশি এবং ফলপ্রসূ। একই সঙ্গে সাফল্য রয়েছে গর্ভকালীন মাতৃমৃত্যু হারেও।

মাতৃমৃত্যু হার এখন প্রতি হাজারে ১.৭৬ জনে নেমে এসেছে। দেশের মানুষের গড় আয়ূও ৭২.৩ বছর, যা অন্য বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে ইন্ডিয়া ও সাউথ আফ্রিকার তুলনায় বেশি। নিরাপদ মাতৃত্ব ও শহর-গ্রাম সর্বত্র টিকাদান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। দেশের স্বাস্থ্য সেবার অভূতপূর্ব এসব উন্নতির স্বীকৃতি স্বরুপ প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের মর্যাদাশীল পুরস্কার ভ্যাকসিন হিরো, জাতিসংঘ ডিজিটাল হেলথ-২০১১, সাউথ সাউথ, এমডিজি গোল অর্জনসহ বহু সংখ্যক পুরস্কার বয়ে এনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করেছেন।

বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতে অনেক রকমের দুর্নীতি কমবেশ ছিল, আছে। সেগুলো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। কিন্তু সেটা বন্ধ করার একটা সুস্থ প্রক্রিয়া আছে। এর সমাধান অন্যান্য এজেন্সি পাঠিয়ে হবে না। মূলতঃ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করতে হবে। হাসপাতালে কী কী সমস্যা তারা ভালো করেই বোঝেন, যা অন্যরা বুঝবে না। আমাদের দেশে দেখা যায়, যদি লোক বেশি মারা যায়, তাহলে কাফনের কাপড় নিয়েও দুর্নীতি হয়। আর এটা তো চিকিৎসা খাত, কোটি কোটি টাকার খাত এটা। বেসরকারি হাসপাতালে দুর্নীতি হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সেখানে ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের লোক পাঠিয়ে বিষয়গুলো তদারকি করতে হবে। কিন্তু সেটা না করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এটা তো কোনো সমাধান নয়। এতে বেসরকারি হাসপাতালের বিষয়ে মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হচ্ছে। এই সেক্টরটা পুরোপুরি বিদেশিদের দখলে নেওয়ার জন্য এই ষড়যন্ত্রগুলো হচ্ছে কিনা সেটা আমাদের দেখতে হবে।

অনেকেই অবগত আছেন যে, আশপাশের দেশের হাসপাতালগুলোর এজেন্সি অফিস ঢাকায় বেশ সক্রিয়। ব্যাংকক ও সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন হাসপাতালের প্রতিনিধিরাও ঢাকায় সক্রিয়। এসব দেশ বাংলাদেশে রীতিমতো দামি এজেন্সি অফিস খোলে এবং সেসব দেশের হাসপাতালে রোগী পাঠায়। সম্মান বা ভদ্রতার খাতিরে তাদেরকে এজেন্সি বা এজেন্ট বলা হয়। কিন্তু তাদের কাজটা আসলে দালালি। অনেক রোগী এদের প্ররোচনায় ভারতের বিভিন্ন হসপিটালে গিয়ে ভুল চিকিৎসার স্বীকার হওয়ার প্রচুর নজির থাকলেও তারা তা নিজেদের ব্যর্থতা প্রকাশের ভয়ে প্রকাশ করেন না।

আগে সবাই হার্টের কোনো সমস্যা হলেই বিদেশে যেত। যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো তারা ব্যাংকক, সিঙ্গাপুরে যাদের টাকা পয়সা একটু কম তারা ভারতের দিল্লি বা মাদ্রাজে যাচ্ছেন। আর যারা একেবারেই গরীব তারাও জায়গা জমি বিক্রি করে কলকাতায় গিয়ে ডাক্তার দেখাতো। আমাদের দেশের প্রাইভেট সেক্টরের কিছু হাসপাতালের কারণে এই অবস্থাটা বন্ধ হয়েছে। যদিও এই সেক্টরের সবার সেবার মান যেমন এক নয়, তেমনি রয়েছে বিভিন্ন অভিযোগ-অসন্তোষও। ফলে যাদের মান ভাল নয় তাদেরকে শনাক্ত করে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

সম্প্রতি ব্যক্তি-বিশেষের দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে আমরা এমন ঢালাও প্রচার করছি যেন সব হাসপাতালেই ভুয়া টেস্ট হচ্ছে। এটা ঠিক না। যেখানে দুর্নীতি অনিয়ম সেটা অবশ্যই বলতে হবে। কিন্তু মানুষের কাছে যেন ভুল বার্তা না যায় সেটাও দেখতে হবে। দেশের স্বাস্থ্যখাতের ঢালাও সমালোচনা চলতে থাকলে মাঝখান থেকে বিদেশী হসপিটালগুলোর এজন্টে ও চক্রান্তকারিরা সুবিধা নিবে, লাভবান হবে।

কাজেই শুধু সমালোচনা করলেই হবে না পাশাপাশি আমাদের অর্জনগুলিও তুলে ধরতে হবে। তাহলে দেশের মানুষ চিকিৎসা ব্যবস্থায় আস্থা রাখবে ও চলমান সংকটে হসপিটাল ক্লিনিকে যাবে। সেই সাথে চিকিৎসা নিতে বিদেশেমুখি হয়ে অযথা তাদের অর্থ-সম্পদ নষ্ট করবে না। সমালোচনার উনুনে জোর হাওয়া দিয়েছে জেকেজি ও রিজেন্টের লজ্জাজনক ঘটনা। এই ঘটনা অবশ্যই ন্যক্কারজনক। পাশাপাশি আমাদের এটাও বুঝা উচিত যে, এই প্রতারণার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যদি আমরা স্বাস্থ্যখাতের ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো নিয়ে হামেশাই সরব থাকি, তাহলে লাভের চেয়ে ক্ষতিটাই বরং বেশি।

মহামারির ক্রান্তিকালের সুযোগটা বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল কাজে লাগাবে এটাই স্বাভাবিক। এক শ্রেণি যেমন সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টের পাঁয়তারা করছে অপরদিকে আরেক গ্রুপ এই সুযোগ বেসরকারি স্বাস্থ্য সেক্টরের বিরুদ্ধেই কাজে লাগাচ্ছে। প্রায় ৬০ ভাগ মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা এই প্রাইভেট সেক্টরের বিরুদ্ধে এটাকে গভীর ষড়যন্ত্রই বলা চলে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানানো যায় যে, তারা করোনাকালীন বিভিন্ন ত্রুটিবিচ্যুতি অনুসন্ধান করে হাসপাতাল, ক্লিনিকসহ সমগ্র স্বাস্থ্যখাতে কোনো অনিয়ম হয় কিনা সে জন্য দ্রুত একটি টাস্কফোর্স গঠনসহ হাসপাতাল সেবা মনিটরিংয়ে নতুন কমিটি গঠন করেছে। কাজেই এখন যেখানেই অন্যায় হবে সেখানেই দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের গতিও এখন অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই স্বাস্থ্যখাতের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি এই খাতের অর্জনগুলোর প্রচারের দায়িত্বও গণমাধ্যমকে নিতে হবে। দেশের ভাগিদার হলে গুণেরটা কেন নয়!

লেখক : শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের গণমাধ্যম সমন্বয়ক।

এইচআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]