ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন উপমহাদেশের অগ্রগণ্য রাজনীতিবিদদের একজন

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:১০ পিএম, ৩১ অক্টোবর ২০২০

এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া

ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী শুধু উপমহাদেশেরই নন বরং গোটা বিশ্বের অগ্রগণ্য রাজনীতিবিদদের একজন। তাকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ভারতের লৌহমানবী খ্যাত ইন্দিরা গান্ধী ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন।

এদিন আইরিশ টেলিভিশনের জন্য নির্মীয়মাণ একটি তথ্যচিত্রের প্রয়োজনে ব্রিটিশ অভিনেতা পিটার উস্তিনভকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার কথা ছিল শ্রীমতী গান্ধীর। নতুন দিল্লির ১নং সফদরজঙ্গ রোডের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উদ্যানপথ ধরে হেঁটে যাবার সময়ে একটি ছোট দরজার রক্ষী সৎবন্ত ও বিয়ন্ত সিংহ সরাসরি ইন্দিরা গান্ধীকে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হবার পরেই দ্রুততম সময়ে তাকে দিল্লির জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অস্ত্রোপচার করে তার শরীরের উনিশটি বুলেটের সাতটি বের করা হলেও এক ঘণ্টার মাঝেই তিনি মারা যান। রাজঘাটের নিকটস্থ শক্তিস্থল নামক স্থানে তার সৎকারক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রথম ও আজ পর্যন্ত একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী। তার পিতামহ মতিলাল নেহরু ছিলেন একজন প্রথম সারির কংগ্রেস নেতা। তার পিতা জওহরলাল নেহরু ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৪১ সালে অক্সফোর্ড থেকে ফিরে এসে ইন্দিরা গান্ধী পিতার সঙ্গে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সাল থেকে অপেশাগতভাবে কাজ করছিলেন জওহরলাল নেহরুর অফিস সহকারী হিসেবে। ১৯৬৪ সালের জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর পর ভারতের রাষ্ট্রপতি তাকে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেন। ইন্দিরা লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মন্ত্রিসভায় তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৬৬ সালে প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুর পর ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে সাধারণ নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক ভোট পেয়ে ইন্দিরা গান্ধী দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। একটানা ১৯৬৬-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৭৫ সালে তিনি দেশে শান্তি এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বিশেষ জরুরি আইন জারি করায় সমালোচিত হন। এরপর ১৯৮০ সালে চতুর্থবারের মতো নির্বাচনে বিজয়ী এবং প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে সত্যিকারের বন্ধুত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। বাংলাদেশ তখন পূর্ব পাকিস্তান। স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর এ দেশের মানুষ। পশ্চিম পাকিস্তানের নিপীড়নের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাযুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রস্তুতিকালে ভারতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধ নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় কি বলছেন সেটা তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পাকিস্তান তখন স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়ায় এর ভেতরে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের করা যুদ্ধকে বাকি সব দেশ গৃহযুদ্ধ হিসেবেই দেখতে চেয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পরপরই কিছু আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও রাষ্ট্রপ্রধানরাও সেভাবেই বিশ্লেষণ করছিলেন। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী ততদিনে পূর্ব পাকিস্তান নয়, পূর্ব বাংলা বলে সম্বোধন করছিলেন।

এরই মধ্যে মার্চের ৩০ ও ৩১ তারিখে কলকাতার কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম, ফরোয়ার্ড বøক প্রভৃতি দলের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রাম সহায়ক সমিতি’, ‘বাংলাদেশ সংহতি ও সাহায্য কমিটি’, ‘বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রাম সহায়ক কমিটি’ গঠন করা হয়। আনন্দবাজারে ২ এপ্রিল তারিখে প্রকাশিত ‘মুক্তি সংগ্রামীদের সাহায্য দানে সংস্থা গঠন’ শিরোনামের এক সংবাদে এসব কমিটি গঠনের খবর ছাপা হয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রাম সহায়ক সমিতির সভাপতি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়। কার্যকরী সভাপতি ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় সিং নাহার এবং সহ-সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক সমর গুহ এমপি। সিপিএম নেতৃত্বাধীন ‘বাংলাদেশ সংহতি ও সাহায্য কমিটি’র সভাপতি ছিলেন জ্যোতি বসু, সাধারণ সম্পাদক সুধীন কুমার এবং কোষাধ্যক্ষ ছিলেন কৃষ্ণপদ ঘোষ। ‘বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রাম সহায়ক কমিটি’ গঠিত হয় সিপিআইয়ের উদ্যোগে। এসব সংস্থা বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সব রকম সাহায্য প্রদানের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের প্রতি আহ্বান জানায়। এ ছাড়া বিশিষ্ট শিল্পী সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীরাও মার্চের ৩০ তারিখ থেকে পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে অনুরূপ দাবি জানান।

এদিকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকায় গণহত্যার পর ২৭ মার্চ ভারতের লোকসভায় ভাষণ দিয়ে করণীয় তুলে ধরেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। ৩১ মার্চ বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রস্তাব লোকসভায় উত্থাপন করলে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। মুজিবনগর সরকার গঠন হওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিমÐলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন ইন্দিরা গান্ধী। মে মাসে বেলগ্রেডের বিশ্বশান্তি কংগ্রেসে ভারতীয় প্রতিনিধিরা ইন্দিরা গান্ধীর বাণী পাঠ করেন। বাণীতে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন প্রসঙ্গে প্রায় ৮০টি দেশের প্রতিনিধি করতালি দিয়ে সাদরে গ্রহণ করেন। ৮ আগস্ট বিশ্বের সব রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের কাছে ভারত সরকারের পক্ষে প্রেরিত এক বার্তায় শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন রক্ষায় ও তার মুক্তি দাবিতে ইয়াহিয়া খানের ওপর চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানান। বিশ্বব্যাপী তিনি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে সোচ্চার ছিলেন। তবুও তার কণ্ঠে বাংলাদেশ শব্দটি শোনার অধীর আগ্রহ ছিল এদেশবাসীর। ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে নিজের বক্তব্য থেকে খুব সচেতনভাবে পূর্ব বাংলা শব্দটি কেটে ফেলে বাংলাদেশ নামটি প্রবেশ করান তিনি।

৩ ডিসেম্বর রাত ১২টা ২০ মিনিটে ভারতবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেন। ভাষণের মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। তিনি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সর্বশক্তি দিয়ে মোকাবেলা করার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ৬ ডিসেম্বর লোকসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বাংলাদেশকে ভারত কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদানের কথা ঘোষণা করেন। ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ লাগিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা দেন। ১৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের মহাসচিবকে পত্র লিখেন, ১৫ ডিসেম্বর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সনের কাছে অতিজরুরি বার্তা পাঠান।

দীর্ঘ ৯ মাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সফল করতে অর্থ, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যে বিদেশি রাষ্ট্রনেতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রেখেছেন, তিনি ইন্দিরা গান্ধী। বাংলাদেশে দখলদার বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতন ও শরণার্থী সমস্যাটি বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরেন। বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বজনমত গড়ে তুলতে ইউরোপ ও আমেরিকায় ঝটিকা সফর করেন। এদিকে দেশে শরণার্থীদের ভরণ-পোষণেরও দায়িত্ব নেন। মুক্তিযুদ্ধে পশ্চিম পাকিস্তানের বিপুলসংখ্যক অস্ত্রশস্ত্র আর বিশাল সেনাবাহিনী ছিল। বাংলাদেশের যুদ্ধ করতে চাওয়া মানুষগুলোকে ভারতে গেরিলা প্রশিক্ষণ প্রদানে ইন্দিরা গান্ধী সহায়তা করেন। তাদের সরবরাহ করেন অস্ত্র। রাশিয়াও এক্ষেত্রে সাহায্য করে তাকে।

ইন্দিরা গান্ধী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পুরো ৯ মাস প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশি শরণার্থীকে সন্তানের মতো বুকে আগলে রাখেন। তখন ভারতের অর্থনীতিও খুব একটা আহামরি পর্যায়ে ছিল না। তবু কোটি কোটি মানুষের এই হঠাৎ প্রবেশকে বাধাগ্রস্ত করেনি দেশটি। সবদিক দিয়ে আশাতীত রকমের সাহায্য করেছে বাংলাদেশকে। ইন্দিরা গান্ধীর ওপর বড় সব রাষ্ট্রের চাপ থাকলেও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের লাখ লাখ ঘরছাড়া মানুষকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থান দিতে রাজি হয়ে যান তিনি।

অনেকে মনে করে, ইন্দিরা গান্ধী পাকিস্তানকে দুই টুকরো করে দুর্বল করতেই আগ্রহী ছিলেন। অথচ বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী তার এক লেখায় বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি গিরির আমন্ত্রণে আমার স্ত্রী ও আমি ১৯৭২ সালের শেষদিকে ভারত সফরে গিয়েছিলাম। ভারতীয় পার্লামেন্টে বক্তব্য দানকালে আমি বলেছিলাম, আমার দৃষ্টিতে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও বড়; তিনি নেহরুর কন্যা এবং নেহরুর পৌত্রী। আমি বলতে চেয়েছিলাম, তিনি শুধু দুনিয়ার সবচেয়ে বৃহদাকার গণতান্ত্রিক দেশের পার্লামেন্ট পদ্ধতির সরকার প্রধান ছিলেন না, মতিলাল নেহরু ও জওহরলাল নেহরুর মতো মহান দুজন নেতার গুণাবলির উত্তরাধিকারিণীও ছিলেন। আমি যখন বললাম, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখার পক্ষপাতী, তখন পার্লামেন্ট সদস্যরা হাততালি দিয়ে স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে আনন্দ প্রকাশ করেন। মিসেস গান্ধীও তাই করেন। এ ব্যাপারে রাজধানীতে আমি প্রকৃত উদ্দীপনা লক্ষ করেছিলাম। পরবর্তীকালে তিনি পাকিস্তানের ৯০ হাজার আত্মসমর্পণকারী সৈনিক ও অফিসারদের বিচার না করে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে বাংলাদেশকে উৎসাহ দেন।’ (স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি ও অন্যান্য, বাংলাদেশের জন্ম ও ইন্দিরা গান্ধীর কথা, পৃ. ২১৪)।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকাকে দেখতে হবে বিচারপতি চৌধুরীর মূল্যায়নের দর্পণে। অন্তরের অমৃত বাণী দিয়ে বিচারপতি চৌধুরী ইন্দিরাকে মূল্যায়ন করেছেন। ইন্দিরার মতো মহীয়সী নারীকে যারা অবমূল্যায়ন করেন তারাও ভাবেন না যে, মওলানা ভাসানী ও জিয়াউর রহমানও ৯ মাস ভারতে খুব আরামে ছিলেন ইন্দিরা গান্ধীর ছায়াতলে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের সঙ্গে এবং এর গৌরবের সঙ্গে ভারত ও তার প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর অবদান অনস্বীকার্য।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই বাংলাদেশ সরকার ২০১১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ৪০তম বছরে ভারতীয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীসহ আরও বেশকিছু বিদেশি মানুষকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। ইন্দিরা গান্ধীকে ভ‚ষিত করা হয় বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা পদকে (মরণোত্তর)। ওই বছরের ২৫ জুলাই ইন্দিরা গান্ধীর পুত্রবধূ সোনিয়া গান্ধীর হাতে তুলে দেওয়া হয় এ পুরস্কার। এটি ছিল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো কোনো বিদেশির অর্জন করা সর্বোচ্চ সম্মাননা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় অকৃত্রিম বন্ধু শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই গভীরতম শ্রদ্ধা।

লেখক : মহাসচিব, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ও আহ্বায়ক, জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন।

এইচআর/পিআর

ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রথম ও আজ পর্যন্ত একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী। তার পিতামহ মতিলাল নেহরু ছিলেন একজন প্রথম সারির কংগ্রেস নেতা। তার পিতা জওহরলাল নেহরু ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৪১ সালে অক্সফোর্ড থেকে ফিরে এসে ইন্দিরা গান্ধী পিতার সঙ্গে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সাল থেকে অপেশাগতভাবে কাজ করছিলেন জওহরলাল নেহরুর অফিস সহকারী হিসেবে। ১৯৬৪ সালের জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর পর ভারতের রাষ্ট্রপতি তাকে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেন। ইন্দিরা লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মন্ত্রিসভায় তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]