‘কান ধরে পেটটারে ঠিক করে কিলিয়ে’

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩২ এএম, ১৫ নভেম্বর ২০২০

প্রফেসর ড. মো. ফখরুল ইসলাম

অনেক আগে উত্তরের এক গ্রামে বেড়াতে গিয়েছিলাম। আমার সাথে ছিল ক’জন সহচর। কার্তিকের এক রোদেলা দুপুরে নিভৃত সেই পল্লীর ঘনবসতির মধ্যে এক বাড়ির বাইরের উঠানে বহু নারী-পুরুষ, শিশু একজন জটাধারী ব্যক্তির চারপাশে জটলা করে ঘিরে রেখেছে। তার পাশে অদ্ভুত পোশাকে ঘুঙুর পায়ে চারজন কিশোরী ঘুর ঘুরে নেচে চলেছে। জটলার ঠিক মাঝখানে একটি খাটিয়ার ওপর একজন নিশ্চল বৃদ্ধার শরীর কাঁথা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। কৌতুহল বশত: আমরা এগিয়ে গেলাম। জনভিড় ঠেলে সেখানে কি হচ্ছে জানতে চাইতেই গ্রামের একজন মহিলা বলে উঠলেন, বড় অসুখ ঝেড়ে সারানো হচ্ছে সেখানে। ব্যাটা ছেলেদের আর ভেতরে না ঢুকতে তিনি নিষেধ করলেন।

ঢোল-বাদ্যের তালে তালে জাতি নিমগাছের পাতার গোছা হাতে নিয়ে কিশোরীরা অসুস্থ বৃদ্ধার চারপাশে ঘুরছে এবং প্রতিবার ঘোরা শেষে একবার বৃদ্ধার মাথা থেকে পা পর্যন্ত নিমপাতার পরশ বুলিয়ে দিচ্ছে। কড়া রোদের মধ্যে কাঁথা দিয়ে ঢেকে রাখায় তাঁর প্রাণ ওষ্ঠাগত সেদিকে কারো নজর নেই। পরে জেনেছি বৃদ্ধা দীর্ঘদিন বাঁশলিয়া রোগে (প্যারালাইসিস) ভুগছেন। অনেক কবিরাজ তার রোগ সারাতে বিফল হয়েছেন। এবার এটাই তাঁর শেষ চিকিৎসা! শারীরিক ও মানসিক নানা প্রকার নির্যাতনের মাধ্যমে বাঁশলিয়া রোগের চিকিৎসা করার প্রথা অনেক গ্রামে এখনও লক্ষ্যণীয়।

বিশেষ করে জ্বিন-ভূতের আছর, দেও-দৈত্য ছাড়ানো, কালোবাতাস, পাগলামো তাড়ানো ইত্যাদির ক্ষেত্রে শিকল লাগানো, ছ্যাঁকা দেয়া, বলপ্রয়োগ করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা প্রচলিত অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতির রীতির অর্ন্তভুক্ত। মুসুর ডালবাটা, জোড়া কালো মুরগী, সাদা কবুতর, ইত্যাদির মাথা এককোপে কেটে সেই রক্ত দিয়ে প্যারালাইসিস রোগীকে তপ্ত রোদে গোসল করানো হয়।

পাগলের চিকিৎসার ক্ষেত্রে নির্দয় ও নিষ্ঠুর পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে জ্বিনে ধরা ব্যক্তির চিকিৎসায় তা বেশি নিষ্ঠুর হয়। স্কুলে পড়ার সময় একবার এক গভীর রাতে জ্বিনে ধরা এক রোগীর জ্বিন তাড়ানোর দৃশ্য দেখেছিলাম। রোগীর মুখে যেসব বেসুরো গান শুনেছি তা আজও কানে বাজে। জ্বিন সেগুলো তার মুখ দিয়ে নিজে গেয়েছে কিনা অথবা সেটা সত্যি জ্বিনে কণ্ঠ কিনা তা তখন ভয়ে জানা হয়নি। এমনকি বড় হয়ে আজও জানার চেষ্টা করা হয়নি।

এ ধরনের অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা রীতির কারণে এজন্য কোন কোন সময় রোগী প্রাণ হারালে এক মর্মান্তিক উপাখ্যান সৃষ্টি হয়ে যায়। বর্তমানে আমাদের দেশে এসব কুপ্রথা অনেক কমে গেলেও আফ্রিকার অনেক উপজাতির মধ্যে কষ্টকর অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা ট্যাবু ও রিচ্যুয়াল হিসেবে বিবেচিত।

এসব ঘটনার বহুদিন পর হঠাৎ সেদিন টিভিতে আদাবরের মাইন্ড মেন্টাল হাসপাতালে একজন সিনিয়র এএসপিকে চিকিৎসাসেবা দেবার পূর্বেই যেভাবে এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি মেরে হত্যা করা হলো তা’তে অতীতের সেই অপহৃতি নতুন করে জেগে উঠলো। মনে পড়লো স্কুলের বাংলা বইয়ের সফদার ডাক্তারের কথা। যিনি তার চেম্বারে রোগী এলে খুশিতে চারবার ডন আর কুস্তি দিয়ে নিতেন। ম্যালেরিয়া রোগী এলে কেঁচো গিলিয়ে দিতেন। আমাশয় রোগী এলে কান ধরে পেটটারে কিলিয়ে ঠিক করে দিতেন।

চিকিৎসায় প্রতারণার ক্ষেত্রে আমরা দিন দিন যেন বিরাট অগ্রগতি সাধন করে চলেছি। যেন চ্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছি, এখন নোবেল পাবার পালা। অথচ করোনার ভুয়া সনদ বিক্রি করার কালো দাগ এখনও কারো মন থেকে মুছে যায়নি। আমাদের দেশের ভয়ংকর বিষয় হলো- চিকিৎসা সেবার জন্য প্রধান অনুষঙ্গ হাসপাতালগুলোর অর্ধেক অনিবন্ধিত, ভুয়া।

সংবাদে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে অর্ধলক্ষাধিক ক্লিনিক ও হাসপাতাল অনিবন্ধিত। তার অর্থ- এগুলোর নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে নেই। ব্যঙের ছাতার মত ক্লিনিক ও হাসপাতালের সিংহভাগই রাজধানী ঢাকা শহরের আশে পাশে। খোদ রাজধানীতে সুদৃশ্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে চালানো হচ্ছে ভুয়া হারবাল ক্লিনিক। আমেরিকা, চায়না, জার্মানি ইত্যাদি নানা দেশের নাম ভাঙ্গিয়ে বেনামী ভুয়া হারবাল চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছে শত শত নিরীহ মানুষ।

পাশাপাশি ফুটপাতে, ট্রেনে, বাসে, স্টীমারে, লঞ্চে, সারা দেশের গ্রাম-গঞ্জে, হাটে বাজারে চিকিৎসার নামে চলছে প্রতারণা। বিশেষ করে বিভিন্ন যৌনবর্ধক মাদক, শ্রীপুরের ট্যাবলেট, কাশ্মীরি ফলের সিরাপ ইত্যাদি সহ আরো অনেক নানা নামের বিষাক্ত, অবৈজ্ঞানিকভাবে তৈরি সিরাপ, বড়ি, ওষুধ, প্রতিদিন ফেরি করে বিক্রি করা হচ্ছে সব জায়গায়। এগুলোর কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই, নেই কোন নিয়ন্ত্রণ। সারা দেশ তো বটে, কোটি কোটি জনতার ভিড়ে ন্যুজ্ব রাজধানী শহরে কে রাখে কার এসব ভণ্ডামির খোঁজ!

জানা গেছে- আদাবরের মাইন্ড মেন্টাল হাসপাতালে যারা ওয়ার্ড বয় তারাই চিকিৎসা দেন। কিছু ক্লিনিকে এইট পাস ব্যক্তি ভুয়া ডাক্তার সেজে জটিল অপারেশন করেছেন মর্মে সংবাদে জানা গেছে। হয়তো সেজন্যই আধুনিক যুগের আধুনিক চিকিৎসার বদলে একজন উচ্চশিক্ষিত উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার কপালে জুটেছে চিকিৎসার নামে কিল-ঘুষি! কেন? মানসিক রোগীর হঠাৎ অতি-আবেগ শিথীল করার জন্য সাময়িক কোন ইঞ্জেকশনের ব্যবস্থা ওদের ক্লিনিকে কি ছিল না? বৈজ্ঞানিক উপায়ে রোগীকে নিবৃত্ত করতে না গিয়ে সবাই হামলে পড়ে কিল-ঘুষি মেরে দমন করতে হবে?

তারা কেউ চিকিৎসক নন। তাই সেখানে এধরণের অপ-ব্যবস্থাপনা নেয়া হয়েছে। ওনাদের চিকিৎসকের জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা থাকলে হয়তো এমন নির্দয়-নিষ্ঠুর ঘটনার জন্ম হতো না। আমাদের দেশে জটিল যন্ত্রযুগের প্রভাবে মানুষের ওপর পারিবারিক সাপোর্ট ভীষণভাবে কমে গেছে। অফিসেও নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হতে হয় অনেককে। বিশেষ করে অফিসের মধ্যে দলাদলীর শাসন কোন একদলের সমর্থকদের জন্য অতি-আশীর্বাদ হিসেবে আবির্ভূত হয়ে চাটুকারিতার প্রাবল্য তৈরি করায় ভিন্ন মতালম্বীদের কপালে প্রমোশনহীনতা, ওএসডি নামক ভূত চেপে বসেছে। এছাড়া ঘুষ-দুর্নীতি, বদলি বাণিজ্য, মনের মতো জায়গায় পোস্টিং না পাওয়া, রাজনৈতিক চাপে সিনিয়রদের ডিঙ্গিয়ে জুনিয়রদেরকে প্রমোশন দেয়া, ফলে চাকুরিক্ষেত্রে মেধাবীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা। এভাবে চাকুরেদের মধ্যে হতাশার আধিক্য থেকে মানসিক সংকট তৈরি হচ্ছে। করোনাকালে এই সংকট আরো বেশি ঘণীভূত হয়ে সমস্যা বাড়াচ্ছে।

বিশেষ করে করোনাকালে এ পর্যন্ত শুধু আমাদের দেশে শতাধিক মূল্যবান অভিজ্ঞ চিকিৎসককে হারিয়ে আমরা চিকিৎসাসেবায় অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছি। এ দিকটাতে নজর দেয়ার মত রাষ্ট্রের শক্তিশালী ভূমিকা চোখে পড়ছে না। এই গ্যাপ ও ক্ষতি পূরণের জন্য বিশেষভাবে নজর না দিলে সাধারণ চিকিৎসা ছাড়াও মানসিক চিকিৎসাক্ষেত্রে আরো অনেক বড় ক্ষত তৈরি হতে পারে।

করোনাকাল দীর্ঘায়িত হতে থাকলে চিকিৎসাব্যবস্থাপনার দিকে সুনজর বাড়ানোর বিকল্প নেই। তা না হলে ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোতে দালাল ছাড়াও রোগীর কান টানা, পেটে ঘুষি মারা ভুয়া চিকিসৎকরা এই ক্ষত বাড়িয়ে ভীষণ কর্কট রোগের বিস্তার ঘটাবে অচিরেই।

লেখক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন, সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সাবেক চেয়ারম্যান।
[email protected]

এইচআর/জেআইএম

করোনাকাল দীর্ঘায়িত হতে থাকলে চিকিৎসাব্যবস্থাপনার দিকে সুনজর বাড়ানোর বিকল্প নেই। তা না হলে ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোতে দালাল ছাড়াও রোগীর কান টানা, পেটে ঘুষি মারা ভুয়া চিকিসৎকরা এই ক্ষত বাড়িয়ে ভীষণ কর্কট রোগের বিস্তার ঘটাবে অচিরেই।

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১০,০২,৮৬,৭৭২
আক্রান্ত

২১,৪৯,৫০৭
মৃত

৭,২৩,১৫,৪৭৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৩২,৪০১ ৮,০৪১ ৪,৭৬,৯৭৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৫৮,৬১,৫৯৭ ৪,৩১,৩৯২ ১,৫৬,১৭,৩৬০
ভারত ১,০৬,৭৭,৭১০ ১,৫৩,৬২৪ ১,০৩,৪৫,৯৮৫
ব্রাজিল ৮৮,৭২,৯৬৪ ২,১৭,৭১২ ৭৭,০৯,৬০২
রাশিয়া ৩৭,৩৮,৬৯০ ৬৯,৯১৮ ৩১,৫০,৭৬৩
যুক্তরাজ্য ৩৬,৬৯,৬৫৮ ৯৮,৫৩১ ১৬,৪৮,২১৮
ফ্রান্স ৩০,৫৭,৮৫৭ ৭৩,৪৯৪ ২,১৭,৭০৮
স্পেন ২৬,৯৭,২৯৪ ৫৬,২০৮ ১,৯৬,৯৫৮
ইতালি ২৪,৭৫,৩৭২ ৮৫,৮৮১ ১৮,৯৭,৮৬১
১০ তুরস্ক ২৪,৩৫,২৪৭ ২৫,২১০ ২৩,১৪,৪০৩
১১ জার্মানি ২১,৫৪,৬৫৬ ৫৩,৪০২ ১৮,৪৪,০০০
১২ কলম্বিয়া ২০,২৭,৭৪৬ ৫১,৭৪৭ ১৮,৪৯,১৯৪
১৩ আর্জেন্টিনা ১৮,৭৪,৮০১ ৪৭,০৩৪ ১৬,৬৬,৫২৭
১৪ মেক্সিকো ১৭,৭১,৭৪০ ১,৫০,২৭৩ ১৩,৩৫,৮৭৬
১৫ পোল্যান্ড ১৪,৭৮,১১৯ ৩৫,৪০১ ১২,৩৭,৭৩৬
১৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪,১৭,৫৩৭ ৪১,১১৭ ১২,৪১,৪২১
১৭ ইরান ১৩,৭৯,২৮৬ ৫৭,৪৮১ ১১,৭১,০৭০
১৮ ইউক্রেন ১১,৯৪,৩২৮ ২১,৯২৪ ৯,৫৩,২৯৭
১৯ পেরু ১০,৯৯,০১৩ ৩৯,৭৭৭ ১০,১২,৪৫০
২০ ইন্দোনেশিয়া ৯,৯৯,২৫৬ ২৮,১৩২ ৮,০৯,৪৮৮
২১ নেদারল্যান্ডস ৯,৫২,৯৫০ ১৩,৫৭৯ ২৫০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,৪০,০০৪ ১৫,৪৫৩ ৮,১৯,৬৬২
২৩ কানাডা ৭,৫৩,০১১ ১৯,২৩৮ ৬,৭১,৩২৬
২৪ রোমানিয়া ৭,১২,৫৬১ ১৭,৮৪১ ৬,৫৪,৮৭৫
২৫ চিলি ৭,০৩,১৭৮ ১৭,৯৯৯ ৬,৫৮,৩২৪
২৬ বেলজিয়াম ৬,৯৪,৮৫৮ ২০,৮১৪ ৪৮,১৮৭
২৭ পর্তুগাল ৬,৪৩,১১৩ ১০,৭২১ ৪,৬১,৭৫৭
২৮ ইরাক ৬,১৪,৫৭৬ ১৩,০০০ ৫,৮৩,১২৭
২৯ ইসরায়েল ৬,০৬,৩৬৫ ৪,৪৯৮ ৫,২৯,৮৩৪
৩০ সুইডেন ৫,৪৭,১৬৬ ১১,০০৫ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,৩৫,৯১৪ ১১,৩৭৬ ৪,৯০,১২৬
৩২ ফিলিপাইন ৫,১৪,৯৯৬ ১০,২৯২ ৪,৭৫,৬১২
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,১৩,৫৯৯ ৯,১৪৬ ৩,১৭,৬০০
৩৪ মরক্কো ৪,৬৬,৬২৬ ৮,১৭২ ৪,৪৩,৪৭২
৩৫ অস্ট্রিয়া ৪,০৫,৭২৩ ৭,৪৫১ ৩,৮৩,২০০
৩৬ সার্বিয়া ৩,৮৫,১২৬ ৩,৯০৫ ৩১,৫৩৬
৩৭ সৌদি আরব ৩,৬৬,৫৮৪ ৬,৩৫৫ ৩,৫৮,১৩৭
৩৮ জাপান ৩,৬৪,৮১৩ ৫,০৮৪ ২,৯৫,৪২৬
৩৯ হাঙ্গেরি ৩,৬০,৪১৮ ১২,০২৪ ২,৪৩,০৯২
৪০ জর্ডান ৩,২১,২৯৮ ৪,২৩৯ ৩,০৮,৮৮৩
৪১ পানামা ৩,১২,১৫৮ ৫,০৯৮ ২,৬১,২৯১
৪২ লেবানন ২,৮২,২৪৯ ২,৩৭৪ ১,৬৮,১৪২
৪৩ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৮১,৫৪৬ ৭৯৮ ২,৫৫,৩০৪
৪৪ নেপাল ২,৬৯,৭৮৯ ২,০১১ ২,৬৪,৫৩৮
৪৫ জর্জিয়া ২,৫৩,৮১৬ ৩,০৭১ ২,৪৩,৩৯৬
৪৬ ইকুয়েডর ২,৪১,৫৬৭ ১৪,৬৩৯ ২,০৪,০৭১
৪৭ বেলারুশ ২,৩৮,৬৩৫ ১,৬৫৮ ২,২৪,১৭১
৪৮ স্লোভাকিয়া ২,৩৭,০২৭ ৪,০৬৮ ১,৯৩,৩৮০
৪৯ ক্রোয়েশিয়া ২,২৯,০৫৪ ৪,৮৫৯ ২,২১,৬৭৬
৫০ আজারবাইজান ২,২৯,০৩২ ৩,০৯৩ ২,২০,৫৬৫
৫১ বুলগেরিয়া ২,১৫,৫৮৯ ৮,৮৮০ ১,৮০,১২৭
৫২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,০৫,১৬২ ২,৫৪৫ ১,৪৮,৯২২
৫৩ বলিভিয়া ২,০২,৮১৮ ১০,০৫১ ১,৫১,৪৬৯
৫৪ তিউনিশিয়া ১,৯৮,৬৩৬ ৬,২৮৭ ১,৪৬,৭৪০
৫৫ ডেনমার্ক ১,৯৫,২৯৬ ২,০১০ ১,৮১,০৮১
৫৬ কোস্টারিকা ১,৯০,৭৪৫ ২,৫৫৮ ১,৪৯,১৪৯
৫৭ আয়ারল্যান্ড ১,৮৮,৯২৩ ২,৯৭৭ ২৩,৩৬৪
৫৮ মালয়েশিয়া ১,৮৬,৮৪৯ ৬৮৯ ১,৪৫,০৮৪
৫৯ কাজাখস্তান ১,৭৯,৭২০ ২,৪০৩ ১,৬১,৭৫৮
৬০ লিথুনিয়া ১,৭৭,১৬৬ ২,৬৬৪ ১,১৯,২৫৪
৬১ আর্মেনিয়া ১,৬৬,০৯৪ ৩,০৪৭ ১,৫৪,৯৩২
৬২ মিসর ১,৬২,৪৮৬ ৯,০১২ ১,২৭,০০১
৬৩ কুয়েত ১,৬১,৭৭৭ ৯৫৪ ১,৫৪,৭৬৬
৬৪ স্লোভেনিয়া ১,৫৮,১৩১ ৩,৩৭৯ ১,৩৬,৪০২
৬৫ মলদোভা ১,৫৬,৪২৬ ৩,৩৬৮ ১,৪৭,১৭৮
৬৬ ফিলিস্তিন ১,৫৫,৮৮৪ ১,৭৯৬ ১,৪৫,৬৩৯
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৫৪,৪৩০ ৫,৪৬৯ ১,৩৯,১১৩
৬৮ গ্রীস ১,৫২,৪১২ ৫,৬৭১ ১,৪১,০৪২
৬৯ কাতার ১,৪৯,২৯৬ ২৪৮ ১,৪৪,৯৮১
৭০ হন্ডুরাস ১,৪১,৯৮৪ ৩,৪৬২ ৬০,৪৭৭
৭১ মায়ানমার ১,৩৭,৯৫৭ ৩,০৬৯ ১,২২,১১৬
৭২ ইথিওপিয়া ১,৩৪,১৩২ ২,০৭১ ১,২০,১৯৯
৭৩ ওমান ১,৩৩,২৫৩ ১,৫২২ ১,২৬,৩৩৪
৭৪ প্যারাগুয়ে ১,২৮,৩৬৬ ২,৬৩২ ১,০৩,৮১১
৭৫ ভেনেজুয়েলা ১,২৪,১১২ ১,১৫৪ ১,১৬,৩৬৫
৭৬ নাইজেরিয়া ১,২২,৯৯৬ ১,৫০৭ ৯৮,৩৫৯
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,২০,১৪৩ ৪,৫৯৩ ৯২,৬০৫
৭৮ লিবিয়া ১,১৪,৪২৯ ১,৭৮২ ৯৩,৩৪২
৭৯ আলজেরিয়া ১,০৫,৮৫৪ ২,৮৬৬ ৭২,১৪৩
৮০ বাহরাইন ১,০০,২৩০ ৩৬৯ ৯৬,৭৬১
৮১ কেনিয়া ১,০০,০৫২ ১,৭৪৪ ৮৩,৪১৮
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৯০,৭১৭ ২,৭৯১ ৭৮,৭২৭
৮৩ চীন ৮৯,১৯৭ ৪,৬৩৬ ৮২,৬৭৬
৮৪ কিরগিজস্তান ৮৪,০৬৮ ১,৪৯৮ ৮০,১৮২
৮৫ উজবেকিস্তান ৭৮,৪৭১ ৬২১ ৭৬,৯১২
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৭৫,৮৭৫ ১,৩৭১ ৬৪,৭৯৩
৮৭ আলবেনিয়া ৭২,৮১২ ১,৩২৪ ৪৪,২৯১
৮৮ ঘানা ৬২,১৩৫ ৩৭২ ৫৮,১৫০
৮৯ নরওয়ে ৬১,৩১৫ ৫৪৮ ৫৩,২৯৯
৯০ লাটভিয়া ৬১,২৩১ ১,১১৪ ৪৯,০৩৫
৯১ সিঙ্গাপুর ৫৯,৩৫২ ২৯ ৫৯,০৬৬
৯২ শ্রীলংকা ৫৯,১৬৭ ২৮৭ ৫০,৩৩৭
৯৩ মন্টিনিগ্রো ৫৮,৬৯৭ ৭৭০ ৫০,২২১
৯৪ আফগানিস্তান ৫৪,৭৫০ ২,৩৮৯ ৪৭,৩৬৫
৯৫ এল সালভাদর ৫৩,৪৭৯ ১,৫৮৩ ৪৭,০৭৩
৯৬ লুক্সেমবার্গ ৪৯,৭৩৩ ৫৬৬ ৪৭,১০৯
৯৭ জাম্বিয়া ৪৬,১৪৬ ৬৬০ ৩৮,৬৩৯
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৪২,৭৭২ ৬৫৫ ৩১,০০০
৯৯ এস্তোনিয়া ৪০,৯৭৫ ৩৮৩ ৩০,১২০
১০০ উগান্ডা ৩৯,১৮৮ ৩১৮ ১৪,০৫১
১০১ উরুগুয়ে ৩৮,০৪১ ৩৯০ ৩০,১৪৩
১০২ মোজাম্বিক ৩২,৭৮১ ৩৬৩ ২১,০১১
১০৩ নামিবিয়া ৩২,৬৫০ ৩১৯ ৩০,২৭০
১০৪ জিম্বাবুয়ে ৩১,৬৪৬ ১,০৭৫ ২২,৮৭৭
১০৫ সাইপ্রাস ৩০,১৪৩ ১৮৮ ২,০৫৭
১০৬ ক্যামেরুন ২৯,৬১৭ ৪৬২ ২৮,০৪৫
১০৭ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৭৭৯ ৯০৯ ২৬,০০২
১০৮ আইভরি কোস্ট ২৭,০৯৬ ১৪৬ ২৫,০০০
১০৯ সুদান ২৬,৫২৬ ১,৭৩৮ ১৯,৮৮৪
১১০ সেনেগাল ২৪,৯৯৩ ৫৮২ ২০,৬৮১
১১১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২১,৯৫৪ ৬৬১ ১৪,৯১৫
১১২ কিউবা ২১,৮২৮ ১৯৭ ১৭,০৩৪
১১৩ বতসোয়ানা ২০,৬৫৮ ১২৪ ১৬,৭৯৪
১১৪ মালাউই ১৯,৯৮৭ ৫১৮ ৬,৭৮০
১১৫ অ্যাঙ্গোলা ১৯,৪৭৬ ৪৬১ ১৭,৩২৭
১১৬ মাদাগাস্কার ১৮,৭৪৩ ২৭৯ ১৭,৯৩০
১১৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৭,৯১২ ১২৯ ৪,৮৪২
১১৮ মালটা ১৬,৮৬১ ২৫৩ ১৩,৯৭৬
১১৯ মৌরিতানিয়া ১৬,৪২১ ৪১৭ ১৫,৩০৫
১২০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৫,৭০২ ৭৬ ৯,৯৯৫
১২১ মালদ্বীপ ১৫,১০২ ৫১ ১৩,৮৮৪
১২২ জ্যামাইকা ১৫,০১২ ৩৩৮ ১১,৮৮৯
১২৩ থাইল্যান্ড ১৪,৬৪৬ ৭৫ ১০,৮৯২
১২৪ ইসওয়াতিনি ১৪,৬২২ ৪৯৩ ৯,৩৯৪
১২৫ গিনি ১৪,৩৭৫ ৮১ ১৩,৭৪৬
১২৬ সিরিয়া ১৩,৬৯৭ ৮৯০ ৭,১২১
১২৭ কেপ ভার্দে ১৩,৫৫৭ ১২৭ ১২,৭৫১
১২৮ রুয়ান্ডা ১৩,৩১১ ১৭৭ ৮,৬৮১
১২৯ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৩০ বেলিজ ১১,৭৭০ ২৯৩ ১১,১৩১
১৩১ হাইতি ১১,২৮৬ ২৪৩ ৮,৯৯৭
১৩২ গ্যাবন ১০,৪১১ ৬৭ ১০,০১৩
১৩৩ হংকং ১০,১৫৯ ১৭০ ৯,০৫৬
১৩৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১০,১০৩ ১১৭ ৮,৩৮৮
১৩৫ রিইউনিয়ন ৯,৮৪৩ ৪৫ ৯,২৬১
১৩৬ এনডোরা ৯,৫৯৬ ৯৭ ৮,৭২৪
১৩৭ গুয়াদেলৌপ ৮,৯৮০ ১৫৪ ২,২৪২
১৩৮ বাহামা ৮,১৩৩ ১৭৫ ৬,৭২০
১৩৯ সুরিনাম ৮,১১২ ১৪৯ ৭,৩০৪
১৪০ লেসোথো ৮,০৪৪ ১৩৪ ২,২৪৩
১৪১ মালি ৭,৯৯৫ ৩২৪ ৫,৭৩১
১৪২ কঙ্গো ৭,৮৮৭ ১১৭ ৫,৮৪৬
১৪৩ মায়োত্তে ৭,৫৯০ ৫৯ ২,৯৬৪
১৪৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৪৯০ ১৩৪ ৭,০৩৩
১৪৫ গায়ানা ৭,৩১৭ ১৭২ ৬,৪৩১
১৪৬ আরুবা ৬,৭৪২ ৫৭ ৬,২৯৪
১৪৭ মার্টিনিক ৬,৩২৭ ৪৪ ৯৮
১৪৮ নিকারাগুয়া ৬,২০৪ ১৬৮ ৪,২২৫
১৪৯ আইসল্যান্ড ৫,৯৯০ ২৯ ৫,৯০০
১৫০ জিবুতি ৫,৯২০ ৬১ ৫,৮৪০
১৫১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,৪৫৪ ৮৬ ৫,২১৯
১৫২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯৮০ ৬৩ ৪,৮৮৫
১৫৩ সোমালিয়া ৪,৭৫৪ ১৩০ ৩,৬৬৬
১৫৪ টোগো ৪,৬৮২ ৭৬ ৪,০০৫
১৫৫ কিউরাসাও ৪,৫৪৮ ২০ ৪,৪৩৮
১৫৬ নাইজার ৪,৩৭৪ ১৫১ ৩,৪৯৪
১৫৭ গাম্বিয়া ৪,০০৮ ১২৮ ৩,৭২২
১৫৮ জিব্রাল্টার ৩,৯৯২ ৬৫ ৩,৩৪৯
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ৩,৭৮৮ ৬৪ ৩,৫৪২
১৬০ বেনিন ৩,৬৪৩ ৪৮ ৩,৩১৭
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩,৪৮৬ ৭৯ ৩,১৮৬
১৬২ চাদ ৩,১৮২ ১১৬ ২,২৬০
১৬৩ সিয়েরা লিওন ৩,১৭৩ ৭৭ ২,২২২
১৬৪ সান ম্যারিনো ২,৮৮৯ ৬৫ ২,৬২৮
১৬৫ গিনি বিসাউ ২,৫৩২ ৪৫ ২,৪২১
১৬৬ লিচেনস্টেইন ২,৪৫৪ ৫২ ২,৩২২
১৬৭ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৬৮ কমোরস ২,৩৫০ ৭৬ ১,৪২৪
১৬৯ নিউজিল্যান্ড ২,২৯০ ২৫ ২,২০০
১৭০ ইরিত্রিয়া ১,৯৫০ ১,৩৭৮
১৭১ লাইবেরিয়া ১,৯২৭ ৮৪ ১,৭২৬
১৭২ সিন্ট মার্টেন ১,৭৫৮ ২৭ ১,৫৯৮
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ১,৬৫৬ ১,২১১
১৭৪ ভিয়েতনাম ১,৫৪৯ ৩৫ ১,৪২৫
১৭৫ বুরুন্ডি ১,৪৭৯ ৭৭৩
১৭৬ বার্বাডোস ১,৪০১ ১০ ৬৪৯
১৭৭ মোনাকো ১,৩৬৮ ১,১৪০
১৭৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১,২৮৭ ১,০০০
১৭৯ সেন্ট মার্টিন ১,১৪৬ ১২ ১,০০৬
১৮০ সিসিলি ১,০৬৯ ৭৩৮
১৮১ তাইওয়ান ৮৮৯ ৭৮৭
১৮২ সেন্ট লুসিয়া ৮৮৬ ১১ ৪৬১
১৮৩ ভুটান ৮৫৬ ৭৩৪
১৮৪ পাপুয়া নিউ গিনি ৮৩৫ ৭৯০
১৮৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৪৬ ১৪৭
১৮৬ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৭ বারমুডা ৬৮৬ ১২ ৬৪০
১৮৮ ফারে আইল্যান্ড ৬৫২ ৬৪৪
১৮৯ মরিশাস ৫৬৮ ১০ ৫২৫
১৯০ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯১ কম্বোডিয়া ৪৬০ ৪১২
১৯২ আইল অফ ম্যান ৪৩২ ২৫ ৪৫১
১৯৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৮৩ ৩৪৬
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩৬০ ২৪৪
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩০০ ২০৪
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২০১ ১৭০
১৯৭ ব্রুনাই ১৭৫ ১৬৯
১৯৮ গ্রেনাডা ১৪৮ ১৩৫
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১১৪ ৯৫
২০০ ডোমিনিকা ১১৩ ১০৫
২০১ পূর্ব তিমুর ৬৭ ৫০
২০২ ফিজি ৫৫ ৫৩
২০৩ ম্যাকাও ৪৭ ৪৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৪৪ ৪৩
২০৫ লাওস ৪৪ ৪১
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৫ ৩৫
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৩৫ ২৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ৩০
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সলোমান আইল্যান্ড ১৭ ১০
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১৬
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৫ ১৫
২১৩ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]