চীনের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন বিদেশি শিক্ষার্থীদেরও আকৃষ্ট করছে

আলিমুল হক
আলিমুল হক আলিমুল হক
প্রকাশিত: ১২:৪৩ পিএম, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০

বিগত সাড়ে আট বছর ধরে চীনে বাস করছি, কাজ করছি। মাঝখানে বছরচারেক এখানকার একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা শিক্ষার্থীদের বাংলা পড়িয়েছি। এদিকে, আমার ছেলেটাও একটি চীনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে। খুব কাছ থেকে দেখছি চীনের প্রাথমিক শিক্ষার হাল-হকিকত। এই গৌরচন্দ্রিকার উদ্দেশ্য এটা বোঝানো যে, চীনা শিক্ষা-ব্যবস্থা সম্পর্কে খানিকটা প্রত্যক্ষ ধারণা আমার হয়েছে।

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। এই আপ্তবাক্যটা ছোটবেলায় শিখেছি। শিক্ষা নামের মেরুদন্ডটা যে জাতির যত শক্ত, সে জাতি তত উন্নত। সে জাতি তত উন্নত ও আধুনিক, যে জাতির শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থার মান যত ভালো। বিশ্বের উন্নত ও আধুনিক দেশগুলোর দিকে তাকালে এ কথার সত্যতা প্রমাণিত হয়। এমন কোনো জাতি খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে জাতির শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থার মান অনুন্নত অথচ সে জাতি উন্নত, সচ্ছল ও আধুনিক। উন্নয়ন, সচ্ছলতা ও আধুনিকতার সঙ্গে শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থার সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। একটা ছাড়া অন্যটা কল্পনা করা যায় না। চীনের ক্ষেত্রেও এই একই কথা প্রযোজ্য।

নয়াচীন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালে। তখন নয়াচীনের নয়া সরকার স্বাভাবিকভাবেই শিল্পায়নের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। কিন্তু অচিরেই এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, দেশের অধিকাংশ মানুষকে অশিক্ষার অন্ধকারে রেখে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব না। তখন চীনের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই ছিলেন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। আজকের চীনকে যারা জানেন, তাদের পক্ষে এটা কল্পনা করাও কঠিন যে, তখন চীনে বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল কমবেশি এক লাখ এবং উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল কমবেশি দশ লাখ! হ্যাঁ, আজকের মতো তখনও চীন ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ। কিন্তু চীনের শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থার ছিল তখন বেহাল দশা।

চীনা সরকারের তখনকার চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে একটি আধুনিক সমাজে রূপান্তরিত করা। কিন্তু সর্বত্র উন্নতমানের শিক্ষার আলো না-ছড়িয়ে সেটা করা সম্ভব না। তাই, শুরু থেকেই সরকার নিরক্ষরতা দূর করার জন্য হাতে নেয় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। পরিকল্পনার আওতায় হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে দেশের আনাচে-কানাচে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাদের কাজ ছিল ছেলে-বুড়ো নির্বিশেষে সবাইকে পড়া, লেখা, ও অংক শেখানো। হাজার হাজার বিনামূল্যের নাইট স্কুল চালু করা হয় তখন। কৃষক-শ্রমিক-কামার-কুমোর-ছেলে-বুড়ো সবাইকে উৎসাহিত করা হতে থাকে বই আর কলম হাতে তুলে নিতে। নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ওই অভিযান বিফলে যায়নি। ১৯৬৪ সালের মধ্যে চীনে নিরক্ষরতার হার ৫০ শতাংশে নেমে আসে।

china

শুরুতে লক্ষ্য ছিল ছেলে-বুড়ো সবাইকে অক্ষরজ্ঞান দান করা। বয়ষ্কদের কেউ বই পড়তে পারলে, লিখতে পারলে, ও সরল অংক কষতে পারলেই তাকে ‘শিক্ষিত’ ধরে নেওয়া হতো। কিন্তু এতে সন্তুষ্ট থাকলে তো আর চলবে না! দেশব্যাপী শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়তে থাকলো হু হু করে, পাশাপাশি চলল শিক্ষার মান বাড়ানোর চেষ্টা। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আলো থেকে যেন কোনো শিশু বঞ্চিত না-থাকতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের বিনাবেতনে পড়ার বিধান তখনও ছিল। আর ১৯৮৬ সালে এসে তো সারা দেশে ৯ বছরের বাধ্যতামূলক ফ্রি শিক্ষা চালু করা হয়। ২০০০ সাল নাগাদ ৯ বছরের বাধ্যতামূলক শিক্ষা-প্রকল্পের আওতায় চলে আসে চীনের সকল শিশু। অন্যভাবে বললে, স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়েছে—এমন শতভাগ শিশু সে-বছর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পাচ্ছিল; কোনো শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে ছিল না। আজকে চীনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা এক লাখ ষাট হাজারের বেশি। এসব বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পড়াশুনা করছে ১০ কোটির বেশি শিশু। আর দেশটিতে মাধ্যমিক স্কুল আছে ৫০ হাজারের বেশি। এসব স্কুলে বিনামূল্যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পাচ্ছে ৪ কোটি ৮০ লাখ শিক্ষার্থী।

৯ বছরের বাধ্যতামূলক বিনামূল্যের শিক্ষা-কর্মসূচির সাফল্যের পর চীনা সরকার উচ্চশিক্ষার ওপর অধিক নজর দিতে শুরু করে। দেশের কোনো কোনো তুলনামূলকভাবে উন্নত অঞ্চলে এমনকি সিনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়। অন্যান্য অঞ্চলে উচ্চশিক্ষাকে উৎসাহ দেওয়া হতে থাকে। ফলে বাড়তে থাকতে কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এখানে একটি কথা বলে রাখি, চীনের শিক্ষা-ব্যবস্থার সঙ্গে আমাদের বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার খানিকটা পার্থক্য আছে। এখানে ৯ বছর পর্যন্ত বাধ্যতামূলক শিক্ষার প্রথম ৬ বছর হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা, তার পরের ৩ বছর হচ্ছে মাধ্যমিক শিক্ষা, এবং পরবর্তী ৩ বছর হচ্ছে সিনিয়র উচ্চ বিদ্যালযের শিক্ষা। বাংলাদেশের মানুষ ‘কলেজ’ বলতে যা বোঝে, এখানে ঠিক তেমন কোনো কলেজ নেই। তবে, ১২ বছরের শিক্ষাশেষেই একজন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হয় বা ভর্তি হবার মতো যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।

বিগত এক দশকে চীনে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে নাটকীয়ভাবে। উদাহরণস্বরূপ, চলতি ২০২০ সালের কথা ধরা যাক। এবার এক কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। চীনে এই পরীক্ষাকে বলা হয় ‘কাওখাও’। দেশব্যাপী এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। চীনা শিক্ষার্থীদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা বলা চলে একে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে তারা চেষ্টা করে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হতে। চলতি বছর প্রায় ৯০ লাখ শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে।

চীনের শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে বিগত কয়েক দশকে, এ কথা বলাই বাহুল্য। ১৪০ কোটি জনসংখ্যার চীনে এখন আর কোনো শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় না। উচ্চশিক্ষা খাতেও চীন দ্রুত সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। চীনের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিশ্বমানে পৌঁছেছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এসেছেন বহু বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনকে নিয়ে গেছেন বিশ্বপর্যায়ে। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে চীনাদের অগ্রগতি বিস্ময়কর। শুধু তাই নয়, বাস্তবভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার কারণে চীনে গড়ে উঠেছেন লক্ষ লক্ষ সুশিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত কর্মী, যাদের কল্যাণে বর্তমানে চীন বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদন-কারখানা।

এ কথা সত্য যে, নয়াচীন প্রতিষ্ঠার আগেও চীনের নেতৃবৃন্দ এটা বিশ্বাস করতেন যে, একটি আধুনিক চীন গড়ে তুলতে শিক্ষাকে ভিত্তি করে এগুতে হবে। আবার এ কথাও সত্য যে, নয়াচীন প্রতিষ্ঠার সময় চীনে শিক্ষিতের হার ছিল ২০ শতাংশের কম এবং শিক্ষাব্যবস্থাও ছিল অনুন্নত ও ভঙ্গুর। তাই, নয়াচীনের নয়া সরকারকে এই অবস্থা থেকে দেশকে টেনে তুলতে অনেক কাজ করতে হয়েছে। অবশেষে, ১৯৯৫ সালে যখন চীনে নিরক্ষরতার হার ৫ শতাংশে নেমে আসে, তখন চীনা সরকার ঘোষণা করে যে, শিক্ষা বিশেষ করে বিজ্ঞান শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে চীনে আধুনিক সমাজ গড়ে তোলা হবে। উক্ত ঘোষণার ফলে চীনের শিক্ষাব্যবস্থার আরেক দফা উন্নতি ঘটে। এখন চীনের ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সগ্রুপের ৫০ শতাংশ তরুণ নাগরিক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকে। গত বছর চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৩১ লাখ।

china

চীনের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন বিদেশি শিক্ষার্থীদেরও আকৃষ্ট করছে ক্রমবর্ধমান হারে। ২০১৮ সালে চীনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৯২,১৮৫ জন, যারা এসেছেন ১৯৬টি দেশ বা অঞ্চল থেকে। এ সংখ্যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৩০১৩ জন বেশি। আর ২০১৮ সালে চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০,৭৩৫ জন। ২০২০ সালে এসে এই সংখ্যা অনেক বেড়েছে, যা সহজেই অনুমান করা যায়।

মোদ্দাকথা, চীনের শিক্ষাব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে। চলতি বছর চীন সম্পূর্ণভাবে দারিদ্র্যমুক্তও হয়েছে। আর এই দারিদ্র্যমুক্তির পেছনে আছে শিক্ষার ব্যাপক অবদান। এমনকি, চীনের কোনো কোনো অঞ্চলে ‘শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্যমুক্তি’ শীর্ষক প্রকল্পও বাস্তবায়িত হয়েছে। আর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির তকমাটি তো পেয়েছে সম্পূর্ণভাবে দারিদ্র্যমুক্ত হবার আগেই। কোভিড মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চীনের বিস্ময়কর সাফল্যের পেছনেও আছে দেশের উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার প্রভাব।

কিন্তু এতো অর্জন সত্ত্বেও, চীনের সরকার তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে নারাজ। দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় রয়ে যাওয়া ছোট-বড় সমস্যার ব্যাপারে সরকার উদাসীন নয়। সম্প্রতি এক নিবন্ধে বিষয়টির ওপর আলোকপাত করেছেন চায়না ডেইলির সাবেক ডেপুটি এডিটর-ইন-চিফ খাং পিং। তিনি লিখেছেন, দেশের কোনো কোনো দূরবর্তী অঞ্চলে ৯ বছরের বাধ্যতামূলক শিক্ষার ক্ষেত্রে ড্রপ-আউটের ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। কোনো কোনো উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষায় ভালো করার ও করানোর প্রবণতা লক্ষ্যণীয়। এতে সৃষ্টিশীলতা হচ্ছে উপেক্ষিত। কেউ কেউ শরীরচর্চার প্রতি দেখাচ্ছে অনিহা। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও শিক্ষার্থীদের একটা অংশের মধ্যে পরিশ্রম করার প্রবণতা হ্রাস পাচ্ছে বলে পত্রিকার রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে।

সরকার এ বিষয়গুলোকে আমলে নিয়েছে ও নিচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ড্রপ-আউট কমিয়ে আনতে হবে। গ্রাম পর্যায়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানো হয়েছে ও হচ্ছে। বিদ্যালয়গুলো আজকাল বাধ্যতামূলকভাবে শরীরচর্চা শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে এবং কমিয়ে দেওয়া হয়েছে শিশুদের হোমওয়ার্কের চাপ। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং দেশের মানুষের জন্য উচ্চমানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি এমন এক শিক্ষাব্যবস্থার কথা বারবার বলছেন, যে শিক্ষাব্যবস্থা শিশুদের নৈতিকতা, দেশপ্রেম, সমাজসচেতনতা শেখাবে এবং তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা বাড়াবে ও তাদেরকে গড়ে তুলবে সৃষ্টিশীল মানুষ হিসেবে। আর এ কথা তো বলাই বাহুল্য যে, একদল সৃষ্টিশীল ও যথাযথ শিক্ষিত মানুষই গড়ে তুলতে পারে সত্যিকারের আধুনিক, শোষণমুক্ত, ও সাম্যের দেশ।

লেখক : বার্তা সম্পাদক, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)
[email protected]

এইচআর/এমএস

‘চীনের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন বিদেশি শিক্ষার্থীদেরও আকৃষ্ট করছে ক্রমবর্ধমান হারে। ২০১৮ সালে চীনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৯২,১৮৫ জন, যারা এসেছেন ১৯৬টি দেশ বা অঞ্চল থেকে। এ সংখ্যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৩০১৩ জন বেশি। আর ২০১৮ সালে চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০,৭৩৫ জন। ২০২০ সালে এসে এই সংখ্যা অনেক বেড়েছে, যা সহজেই অনুমান করা যায়।’

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]