চীনকে ‘ম্যালেরিয়ামুক্ত’ ঘোষণা ও একজন থু ইয়োইয়ো

আলিমুল হক
আলিমুল হক আলিমুল হক
প্রকাশিত: ০৯:৪৪ এএম, ২২ জুলাই ২০২১

‘কুইনাইন তো রোগ সারাবে, কিন্তু কুইনাইন সারাবে কে?’ আমরা বাংলাদেশিরা সবাই এই প্রচলিত বাক্যটির সঙ্গে পরিচিত। পরিচিত ম্যালেরিয়ার সঙ্গেও। কুইনাইন ম্যালেরিয়ার চিকিত্সায় ব্যবহৃত হয়। কু্‌ইনাইনের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে আছে মাথাব্যথা, দৃষ্টিশক্তি সাময়িকভাবে কমে যাওয়া, ঘাম হওয়া। কখনও কখনও কুইনাইন গ্রহণকারী সাময়িকভাবে কালা (কানে না শোনা) হয়ে যেতে পারেন, তাঁর রক্তের প্লাটিলেট কমে যেতে পারে, হৃত্স্পন্দন কমে যেতে পারে। আর কুইনাইনের সেই কুখ্যাত তেতো স্বাদ তো রয়েছেই।

কুইনাইন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। তবে, ২০০৬ সাল থেকে হু আর কুইনাইনকে ম্যালেরিয়ার চিকিত্সায় প্রথম ওষুধ হিসেবে সুপারিশ করছে না। কারণ, এখন বিকল্প অন্যান্য ওষুধ হাতের কাছে আছে। হু ম্যালেরিয়ার চিকিত্সায় শুরুতে আরটেমেসিনিন (artemisinin) ব্যবহারকে সুপারিশ করে থাকে। তবে, আরটেমেসিনিন পাওয়া না-গেলে কুইনাইন ব্যবহার করা যেতে পারে। আরটেমেসিনিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। ১৯৭২ সালে চীনা বিজ্ঞানী থু ইয়োইয়ো এই ওষুধ আবিষ্কার করেন এবং এ জন্য ২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর চিকিত্সা বিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান। তিনি চীনের প্রথম নারী যিনি এই পুরষ্কার পেয়েছেন। চিকিত্সা বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী প্রথম চীনাও তিনি। এর আগে ২০১১ সালে, একই অর্জনের জন্য, তিনি লাস্কার পুরস্কার (Lasker Award) লাভ করেন। বলা বাহুল্য, তিনিই প্রথম চীনা যিনি এই পুরষ্কারে ভূষিত হন।

jagonews24

১৯৬৭ সালের ২৩ মে তত্কালীন চীনা প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইয়ের সুপারিশে চেয়ারম্যান মাও সে তুং ম্যালেরিয়ার ওষুধ আবিষ্কারের জন্য ‘প্রজেক্ট ৫২৩’ নামক একটি প্রকল্প হাতে নেন। ১৯৬৯ সালের শুরুতে এই প্রকল্পের প্রধান নিযুক্ত করা হয় থু ইয়োইয়ো-কে। থু ও তাঁর দল ম্যালেরিয়ার ওষুধ আবিষ্কারের জন্য গবেষণাকাজ শুরু করেন। ততদিনে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীরা ২ লাখ ৪০ হাজার সম্ভাব্য ওষুধ নিয়ে গবেষণা করেন, কিন্তু সবাই ব্যর্থ হন। থু ও তাঁর সঙ্গীরা চীনা ওষধি গাছ-গাছড়া থেকে ম্যালেরিয়ার ওষুধ আবিষ্কারের চেষ্টা করছিলেন। ব্যাপক গবেষণার পর, থু ইয়োইয়ো আবিষ্কার করেন ‘আরটেমেসিনিন’, চীনা ভাষায় যার নাম ‘ছিংহাওসু’। ইঁদুর ও বানরের শরীরে ওষুধটি পুরোপুরি নিরাপদ ও কার্যকর প্রমাণিত হবার পর, থু তা নিজের শরীরে সবার আগে পরীক্ষা করেন। তিনি তখন বলেছিলেন: ‘গবেষকদলের প্রধান আমি। এটা আমার দায়িত্ব।’ ওষুধটি মানুষের জন্য নিরাপদ প্রমাণিত হবার পর অন্য রোগীদের শরীরে প্রয়োগ করা শুরু হয়। থু’র এ কাজ ১৯৭৭ সালে বেনামে গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত হয়। ১৯৮১ সালে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র সামনে নিজের গবেষণার ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন।

mosha2

চীনের চেচিয়াং প্রদেশের নিংপো-তে জন্মগ্রহণকারী থু ইয়োইয়োর কোনো পোস্ট-গ্রাজুয়েট ডিগ্রি ছিল না (তত্কালে চীনের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট-গ্রাজুয়েট শিক্ষা ছিলও না); দেশের বাইরে গবেষণা করার কোনো সুযোগও তিনি পাননি। অথচ এই বিজ্ঞানীর আবিষ্কার দক্ষিণ চীন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার লক্ষ-কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। লক্ষ-কোটি মানুষের জীবন বাঁচানোর আনন্দ নোবেল পুরষ্কার জয়ের আনন্দের চেয়ে ঢের বেশি। মানুষের জীবন বাঁচাতে আজও কাজ করছেন তিনি। ১৯৩০ সালের ৩০ ডিসেম্বর তার জন্ম। এই নব্বুইয়েও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ থু চিকিত্সা বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন। তিনি নোবেল পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়াম সি ক্যাম্পবেল ও জাপানের সাতোশি ওমুরার সঙ্গে যৌথভাবে। তবে, পুরষ্কারের অর্ধেকটা পান থু ইয়োইয়ো। বাকি অর্ধেকটা ভাগাভাগি হয় বাকি দু’জনের মধ্যে। দেশেও তিনি স্বীকৃতি পেয়েছেন। ২০১৬ সালে তাকে চীনের সর্বোচ্চ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়। এ ছাড়া, ২০১৯ সালে চীন সরকার তাকে ভূষিত করে ‘অর্ডার অব দা রিপাবলিক’-এ।

থু ইয়োইয়ো পুরষ্কারের জন্য বা শুধু নিজের দেশের মানুষের জীবন বাঁচাতে কাজ করেননি, কোনো বিজ্ঞানীই তা করেন না। তিনি বিশ্বের সকল মানুষকে ম্যালেরিয়ার কবল থেকে বাঁচাতে গবেষণা করেছেন, ওষুধ আবিষ্কার করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখনও এই বিশ্ব ম্যালেরিয়ামুক্ত হয়নি বা হতে পারেনি। আমরা যখন কোভিড-১৯ ভাইরাসের ডজন খানেক ভ্যাকসিন নিয়ে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করছি বিশ্বব্যাপী, তখনও ম্যালেরিয়ার কোনো স্বীকৃত ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি। অনেক প্রতিষ্ঠানই ম্যালেরিয়ার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা করে যাচ্ছে। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি টিম তেমনি একটি ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে। গত এপ্রিলে বিবিসি জানায়, এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৭৭ শতাংশ। এর মানে এই প্রথম ম্যালেরিয়ার একটি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা স্বীকৃত মানে পৌঁছালো। তবে, এই ভ্যাকিসিনের পরীক্ষা চালানো হয়েছে বুর্কিনা ফাসোর মাত্র ৪৫০ জন শিশুর ওপর। অদূর ভবিষ্যতে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫ হাজার শিশুর ওপর এ ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। মোদ্দাকথা, এই আশা-জাগানিয়া ভ্যাকসিনটিও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়েই রয়েছে।

একটি কার্যকর ভ্যাকসিনের অভাবে ম্যালেরিয়া এখনও বিশ্বের বহু দেশের মানুষকে ভোগাচ্ছে, তাদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুসারে, ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী ২২ কোটি ৯০ লাখ লোক ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয় এবং তাদের মধ্যে ৪ লাখ ৯ হাজার মৃত্যুবরণ করে। আর মৃতদের মধ্যে ৬৭ শতাংশই হচ্ছে ৫ বছরের কম বয়সী শিশু। আর ২০১৯ সালে বিশ্বে যত মানুষ ম্যালেরিয়ায় মারা গেছে, তাদের ৯৫ শতাংশই ৩১টি দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশের মানুষ। এই ৩১টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ছিল যথাক্রমে নাইজেরিয়া, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো, তাঞ্জানিয়া, মোজাম্বিক ও বুর্কিনা ফাসো। ২০১৯ সালে ম্যালেরিয়ায় বিশ্বের মোট মৃত্যুর ৫১ শতাংশই ঘটেছে এ কয়েকটি দেশে।

ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াইয়ের ফলাফল মিশ্র। এ কথা সত্য যে, ম্যালেরিয়ায় এখনও বহু মানুষ মারা যাচ্ছে এবং এই ব্যাধির নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বিশ্বের অর্থনীতির ওপরও। কিন্তু পাশাপাশি এ কথাও অস্বীকার করা যাবে না যে, থু ইয়োইয়োর মতো বিজ্ঞানীদের আপ্রাণ চেষ্টায় বিশ্বব্যাপী ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে, বহু মানুষের জীবন বেঁচে যাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক হিসেব অনুসারে, বিগত দুই দশকে—ম্যালেরিয়া প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের কারণে—প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়া থেকে বেঁচে গেছেন এবং আক্রান্তদের মধ্যে ৭৬ লাখ মানুষের জীবন বেঁচেছে। থু ইয়োইয়োর মতো বিজ্ঞানীদের জন্য এটা একটা বড় আনন্দের ব্যাপার বৈকি।

mosha2

থু ইয়োইয়োর জন্য আরও একটি বড় আনন্দের খবর এসেছে সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) থেকে। হু গত ৩০ জুন চীনকে ম্যালেরিয়ামুক্ত ঘোষণা করেছে। ২০২০ সালে, পর পর চার বছর দেশে নতুন করে কেউ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত না-হওয়ার প্রেক্ষাপটে, চীনের সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘ম্যালেরিয়ামুক্ত সনদ’-এর জন্য আবেদন করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, হু’র একটি স্বাধীন প্যানেল চলতি বছরের মে মাসে চীন সফর করে এবং দেশটির ম্যালেরিয়া পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। প্যানেলের রিপোর্টের ভিত্তিতেই, হু’র মহাপরিচালক তেদ্রোস আদ্‌হানম চীনকে ম্যালেরিয়ামুক্ত ঘোষণা করেন।

নয়াচীন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশটিতে চলছিল ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই। তখন, বিশেষ করে দক্ষিণ চীনে ম্যালেরিয়ার দাপট ছিল বেশি। ফিবছর তখন লক্ষ লক্ষ লোক ম্যালেরিয়ায় মারা যেতো, আক্রান্ত হতো প্রতিবছর গড়ে ৩ কোটি মানুষ। কিন্তু সেটা এখন ইতিহাস। ৭০ বছরের সাধনা, পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার ফল হিসেবে আজ চীন ম্যালেরিয়ামুক্ত। প্রায় তিন দশক পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি দেশ হিসেবে চীন পেল হু’র ‘ম্যালেরিয়ামুক্ত সনদ’। এর আগে এতদঞ্চলের অস্ট্রেলিয়া (১৯৮১), সিঙ্গাপুর (১৯৮২) ও ব্রুনেই (১৯৮৭) এই সনদ পায়। আর অতি সাম্প্রতিক কালে হু’র ম্যালেরিয়ামুক্ত সনদ পেয়েছে এল সালভেদর (২০২১), আলজেরিয়া (২০১৯), আর্জেন্টিনা (২০১৯), প্যারাগুয়ে (২০১৮), ও উজবেকিস্তান (২০১৮)।

থু ইয়োইয়োর মতো চিকিত্সাবিজ্ঞানীদের জন্য আরও একটি ভালো খবর হচ্ছে, ২০২০ সালে চীনে প্রায় সব বড় বড় সংক্রামক ব্যাধির প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। সে বছর দেশে এইডসে আক্রান্তের সংখ্যা বিগত এক দশকের মধ্যে প্রথম কমেছে। ২০২০ সালে চীনে নতুন করে এইডসে আক্রান্ত হয় ৬২,১৭০ জন, যা আগের বছরের চেয়ে ৯ হাজার কম। তবে, এইডস এখনও চীনের সবচেয়ে মারাত্মক সংক্রামক রোগ হিসেবে রয়ে গেছে। ২০২০ সালে দেশটিতে এই রোগে মারা গেছে ১৮,৮০০ জন, যেখানে কোভিড মহামারীতে মারা গেছে তুলনামূলকভাবে অনেক কম, ৪,৬৩৪ জন।

চীনে ২০২০ সালে ভাইরাল হেপাটাইটিসে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যাও কমেছে ১১.৫ শতাংশ। আর যক্ষা বা টিবি রোগে আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে ১৩.৬ শতাংশ। বলা বাহুল্য, চীনে ৪০টি সংক্রামক ব্যাধির মধ্যে এই দুটির প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া, ফ্লু, হাম, মাম্পস, আরক্ত জ্বর, হাত-পা-মুখ রোগ, ইত্যাদির প্রকোপও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে গেল বছর।

চীনের সরকার ঐতিহ্যগতভাবেই চিকিত্সা খাতে ব্যয় করে বেশি। ২০২০ সালে চিকিত্সা খাতে চীনের মোট ব্যয় ছিল ৭.২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান (এক ট্রিলিয়ন=১০০০ বিলিয়ন, এক বিলিয়ন=১০০ কোটি), যা ২০১৯ সালের চেয়ে ৬৫০ বিলিয়ন ইউয়ান বেশি (এক মার্কিন ডলার=৬.৫ ইউয়ান)। অন্যভাবে বললে, ২০২০ সালে চীন জিডিপি’র ৭.১ শতাংশ ব্যয় করেছে চিকিত্সা খাতে। এই ব্যয় প্রতিবছরই বাড়ছে। ব্যয় বাড়ছে মানে, দেশের চিকিত্সাব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটছে এবং রোগনিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে ও হচ্ছে। ২০২০ সালে দেশে বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধির প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার পেছনে এটি একটি বড় কারণ সন্দেহ নেই। তবে, বিশ্লেষকরা বলছেন, কোভিড মহামারীও এর পেছনে একটা বড় ভূমিকা রেখেছে!

সবাই জানেন, কোভিড মহামারি মোকাবিলায় চীনের সরকার দেশব্যাপী কঠোর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গ্রহণ করে ও তা বাস্তবায়ন করে। সেই ব্যবস্থা এখনও শিথিল হয়নি, যদিও চীনে মহামারি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নীতি গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন, ঘরের বাইরে সর্বত্র মাস্ক পরা বাধ্যতামলূক করা ও তা বাস্তবায়ন, এবং চীনাদের নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা কোভিড মহামারি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে মূল ভূমিকা। বিশ্লেষকরা বলছেন, কোভিড মহামারি নিয়ন্ত্রণে গৃহীত এসব ব্যবস্থা অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধির প্রকোপও কমিয়েছে।

লেখক : বার্তা সম্পাদক, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)
[email protected]

এইচআর/এমএস

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নীতি গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন, ঘরের বাইরে সর্বত্র মাস্ক পরা বাধ্যতামলূক করা ও তা বাস্তবায়ন, এবং চীনাদের নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা কোভিড মহামারি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে মূল ভূমিকা। বিশ্লেষকরা বলছেন, কোভিড মহামারি নিয়ন্ত্রণে গৃহীত এসব ব্যবস্থা অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধির প্রকোপও কমিয়েছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]