এর স্বাদ চায় দুদলই : এরশাদ পুলকিত

মোস্তফা কামাল
মোস্তফা কামাল মোস্তফা কামাল , সাংবাদিক
প্রকাশিত: ০৪:০৮ এএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭

আগামীতে ক্ষমতার আরও বেশি হিস্যা আশা করছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদ। আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুদিকেই সেই পাইপ লাইনের নিশানা মালুম করছেন। ভোটের আগে জোটবাজিসহ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার ডিমান্ডই তৈরি হচ্ছে। বড় দুই দলের কেউই তাকে বিশ্বাস করে না। আবার তিনিও না। এরপরও ক্ষমতার অংক মেলাতে দুদিকেই তার স্বাদ নেয়ার আমন্ত্রণ। সরকার তাকে ছাড়তে চায় না। তিনি ছাড়তে চান এমন তথ্যও নেই। তবে, সরকারে তার বিকল্প ভাবনা আসা মাত্র বিএনপির দিক থেকে আগাম আমন্ত্রণপত্র এরইমধ্যে পেয়ে গেছেন তিনি। এরশাদকে বিশ্বাস করা যায় না, তা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করার পরও সরকারকে মিত্রগতভাবে দুর্বল করা বা হোঁচট খাওয়ানোর কৌশল হিসেবে টোপ ফেলার আলামত খোলাসা প্রায়।

বিএনপির সঙ্গে গত কিছুদিন থেকে এরশাদের একটি ইনক্লুসিভ যোগাযোগের আপডেট তথ্য সম্পর্কে ওয়াকেবহাল ক্ষমতাসীনরা। আবার মন্ত্রী মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত থাকার পরও তার বিকল্প হিসেবে সাবেক প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক বি. চৌধুরী, কাদের সিদ্দিকী, আসম রব, মাহমুদুর রহমান মান্নার জোট গঠনের পেছনে সরকারের বিশেষ ইশারার তথ্য পেয়েছেন এরশাদও। তার কাছে খবর রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার আগামীতে তাকে গেলবারের মতো গুরুত্ব না-ও দিতে পারে। এ রকম সময়েই প্রকাশ্য সভায় এরশাদের প্রশংসা বিএনপির। তা-ও স্বয়ং দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে। তার ওপর স্বৈরাচার পতন দিবস ৬ ডিসেম্বরে। এরশাদের জন্য তা পুলকের।

এক সময় ৬ ডিসেম্বর দিনটি ব্যাপক আয়োজনে উদযাপন করতো বড় দুই দল। নব্বইয়ের এরশাদবিরোধী আন্দোলনের অন্য শরীকরাও শো-ডাউন করতো সাধ্যমতো। এসব কর্মসূচিতে এরশাদের সমালোচনা চলতো ফ্রি-স্টাইলে। গত বছর কয়েক ধরে আওয়ামী লীগের এ নিয়ে গরজ কম। বিএনপি স্বৈরাচার দিবস পালন করে সীমিত আয়োজনে। এবার সেই ঐতিহাসিক দিনের কর্মসূচিতে বিএনপি মহাসচিব দিলেন এরশাদের জন্য পুলকের বার্তা। শেখ হাসিনার সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, এরশাদও এতো খারাপ ছিলো না। অর্থাৎ এরশাদ ভালো হাসিনার চেয়ে। আবার এরশাদ প্রশ্নে আওয়ামী লীগের ভাবনাও এমনই। খালেদা জিয়ার চেয়ে এরশাদ তাদের কাছে উত্তম। ক্ষমতা এবং রাজনীতির এই গণিতে এরশাদ এখন সবার কাছেই স্বাদের আইটেম।

এরশাদ নয় বছরে বিএনপি বা খালেদা জিয়াকে এতো নাজেহাল করেননি বিরতিহীনভাবে যা করে ছাড়ছেন শেখ হাসিনা। আবার শেখ হাসিনাকে এতো কাবু এরশাদ করেননি, যা করেছেন খালেদা জিয়া। বিএনপির শাসনকালে ২১ আগস্টের রক্তাক্ত ঘটনা, শাহ কিবরিয়া অথবা আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের মনে করাই স্বাভাবিক, এরশাদের চেয়ে খালেদা আরো খারাপ। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কারোই ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী না হওয়ায় তাদের চোখে এরশাদ মন্দের ভালো। এই ইক্যুয়েশনেই এরশাদ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত, তার স্ত্রী সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা। মন্ত্রিসভায় আছেন জাতীয় পার্টির তিন সদস্য। ক্ষমতার পিঠাভাগ করতে গিয়ে বিএনপিও ভবিষ্যতে তেমন কিছু করবে কি-না? এ প্রশ্নের জবাবে ভণিতা করেননি মির্জা ফখরুল। বলেছেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। হতেও পারে। নাথিং ইজ ইমপসিবল।

গোটা ব্যাপারটা এরশাদের জন্য আনন্দের। নব্বইতে এরশাদ পতনের পর গণতন্ত্রের স্বার্থে হাসিনা-খালেদা একে অন্যের বিনাস করতে সেই এরশাদের সঙ্গেই মিতালি করেছেন। যে কোনো পতিত স্বৈরাচারের জন্য এটা গর্বের। আত্মতৃপ্তির। বরং তাকে স্বৈরাচার বলা অন্যায়, অনৈতিক। তিনি গণতন্ত্রের দাওয়াই, পার্টনার। এরশাদকে ছাড়া গণতন্ত্রকে হেলদি করতে পারে না আওয়ামী লীগ-বিএনপি কোনো দলই। এরশাদের উপ-প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম ( বর্তমানে বিএনপি নেতা) ক্ষমতাকালেই খালেদা-হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, এরশাদ স্বৈরাচার আর আপনারা আমের আচার?

এরশাদের গুণ-মান, স্বভাব-বৈশিষ্ট্য জেনে-বুঝেই আওয়ামী লীগ বিএনপিসহ গণতন্ত্রের দাবিদার দলগুলো তার সঙ্গে যুগলবন্দি হয়। হচ্ছে। এরশাদও নানান ভাঁড়ামি ও হাসির খোরাক হয়ে রাজনীতিতে তার ওজন-গুরুত্ব বুঝে ফেলেছেন। এদিক, নয় ওদিক। তাকে ছাড়া অংক মেলে না- এটাই তার পুঁজি। বাংলাদেশের চলমান রাজনীতিতে কন্ট্রোলারের চেয়ারটা এরশাদের জন্য পোক্ত করে দিয়েছে বড় দুদলই। এরশাদও তাই এগুচ্ছেন সেই বুঝ মতোই। নানান নিন্দনীয় মন্তব্য করলেও বিএনপি-আওয়ামী লীগ চূড়ান্তভাবে ছুঁড়ে ফেলতে পারছে না তাকে। সেই চেষ্টার সাধ্যও সম্ভবত হারিয়ে গেছে তাদের। তবে, এরশাদ হারাননি তেমন কিছুই। রাজনীতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও ভোগ-বিলাস, ইচ্ছাপূরণসহ যাবতীয় ব্যাপারে এরশাদ ঢের রিলাক্সে।

নিজ দলে ক্ষমতা চর্চার সার্কাসেও এরশাদ আনপ্যারালাল। চ্যাম্পিয়ন বিশাল র্যাঙ্কিংয়ে। দলে যখন যা করতে মন চায় তা-ই করতে পারছেন। পদ, পদায়ন, পদোন্নতি এমনকি বহিস্কার, বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারসহ যা ইচ্ছা করে ছাড়ছেন। শেষমেষ রংপুরে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও একটুআধটু করেছেন। মানা না শুনে মেয়র প্রার্থী হওয়ায় ভাতিজা শাহরিয়ারকে ওয়ান-টুতে বহিস্কার করে দিয়েছেন। ভাতিজাও তাতে অসন্তুষ্ট নন। কারণ তিনি জানেন, কিছুদিন পর আঙ্কেল সেটা বাতিল করে তাকে আবার দলে নেবেন। পদ-পদবিও দেবেন। এইকাণ্ড এরশাদ তার স্ত্রী রওশন, ভাই কাদেরের সঙ্গেও করেছেন। আর মিজান চৌধুরী, কাজী জাফর, শাহ মোয়াজ্জেম, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, নাজিউর রহমান মঞ্জু, রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, জিয়াউদ্দিন বাবলুসহ বাঘাদের বহিস্কার তো ব্যাপারই নয়। সবাই তাতে এরশাদের স্বাদ বমি করেননি। কাছাকাছি ঘুরেছেন। কয়েকদিন চুপচাপ থাকার পর বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার হয়েছে। আর এই সুখে তারাও এর স্বাদে ধন্য ধন্য হয়েছেন। পল্লীবন্ধুর মহানুভবতায় শুকরিয়া আদায় করেছেন। বলেছেন, স্যার বড় কাইন্ড হার্টেড।

এরশাদ ঘরে-বাইরে, পজিশনে-অপজিশনে সবাইকে ঠিকঠাক মতো চেনেন। দর-দামও মুখস্থ। সেদিন একটি টক শোতে এ নিয়ে কিঞ্চিত মুখ খুলেছেন এরশাদের গৃহপালিত বিরোধীদলীয় নেতা নামে গালমন্দ শোনা জাসদ নেতা আসম রব। বলছিলেন, শুধু তিনিই ৮৮-তে এরশাদের অধীনস্ত বিরোধীদলীয় নেতা হননি। তার আগে ৮৬-তে শেখ হাসিনাও এরশাদের অধীনে নির্বাচনে গেছেন। বোঝাপড়ায় বিরোধীদলীয় নেতা হয়েছেন। সময়ের ব্যবধানে এরশাদ তার স্ত্রীকে শেখ হাসিনার অধীনে বাধ্যগত বিরোধীদলীয় নেতা করেছেন নানা নাটকীয়তায়। দলের ক্ষুব্ধ বা ছ্যাকা খাওয়াদেরও তাতে বিক্ষুব্ধ হওয়ার অবস্থা নেই। এই স্বাদ বদহজম করার অবস্থা নেই তাদের।

নিজদলের এই চর্চা এরশাদ জাতীয় রাজনীতির হাল খতিয়ানভুক্ত করার হিম্মত তৈরি করে ফেলেছেন। বিএনপি মহাসচিব সেই স্বীকৃতিই দিলেন এরশাদ পতন দিবসে। আর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ছোট দলের বড় নেতা তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু তো বলেই ফেলেছেন এরশাদ এখন আর স্বৈরাচারী নন। তিনি এখন গণতন্ত্রমনা। এ কারণেই তার সঙ্গে সরকারে আছেন তিনিও। নব্বইতে পতনের পর সবার আগে এরশাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু। তা-ও যেনতেন মামলা নয়। সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখলের মামলা। এমন একটা মস্ত কাজে ইনু ফার্স্ট হয়ে যাওয়ায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির অনেকে হিংসায় জ্বলেছিলেন। এমন বুদ্ধিটা তাদের মগজে কেন আগে এলো না আফসোস করেছেন। আর এরশাদ কিছুটা কষ্ট পেয়েছেন। মিডিয়াকেও বলেছেন কষ্টের রহস্যটা।

জানিয়েছেন, ক্ষমতাকালে ইনু, মেননসহ তখনকার জাতীয় ও ছাত্রনেতাদের নিয়মিত-অনিয়মিত কি কি সুবিধা দিতেন তিনি।

হিম্মতের বায়োস্কুপ এরশাদ টানা পৌনে এক যুগের ক্ষমতাকালে নানাভাবে দেখিয়েছেন। সকালে মন্ত্রী বানিয়েছেন। বিকালে বরখাস্ত করেছেন। এর আগে দুপুরে হয় তো প্রশংসাসহ একটা পদোন্নতিও দিয়েছিলেন। মিজানুর রহমান চৌধুরীর মতো ঝানু প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয় থেকে কাজ শেষে বাসায় ফিরে সন্ধ্যায় টিভি সংবাদ মারফতে জেনেছেন বরখাস্তের খবর। এ রকম উদাহরণ ভুরি ভুরি। ৯ বছরে তিনি কতোজনকে মন্ত্রীত্বের স্বাদ দিয়েছেন এর লিস্ট বেশ দীর্ঘ। রদবদলের সংখ্যা ৬৩ বার। এতে বঞ্চিতরা হাল ছাড়েননি। এরশাদের নেকনজর পুনুরুদ্ধারে জাহেরি-বাতেনি নানা চেষ্টা-তদ্বির করেছেন। কেউ কেউ কামিয়াবি হয়েছেন। বাকিরা সফল না হলেও এরশাদের আশপাশে ঘুরে আনুগত্যের পয়গাম দিতে চেয়েছেন।

সেই সার্কাস বেশ এনজয় করতেন এরশাদ। যেমনটি তিনি এনজয় করতেন বান্ধবী বহরের বিবাদ-প্রতিযোগিতায়ও। দোর্দণ্ড ক্ষমতার সময় এবং পরেও এরশাদের রমণীকূল নিয়ে কিচ্ছা চলেছে অন্তহীন। জিনাত, নীলা, মেরি, সবিতা থেকে শুরু করে শেষ বয়সে বিদিশা পর্যন্ত সবাইকে সামলেছেন এরশাদ। কাছে টেনেছেন, ছুঁড়ে ফেলেছেন। আবার কাছে আসার সুযোগ দিয়েছেন। নানান গীবৎ বা তথ্য ফাঁস করলেও তারা এরশাদের ধারেকাছে থাকার মোহ ছাড়েননি। এরশাদও সার্কাস জমিয়ে রেখেছেন। এসবের আদ্যোপান্ত জানা স্ত্রী রওশনকেও আয়ত্বে রেখেছেন। দলের অভ্যন্তরে এ নিয়ে রয়েছে অনেক রসঘন কথা।

এর স্বাদ সব বান্ধবীই চায়। এই স্বাদের দিওয়ানাদের সবাইকে ম্যানেজ রাখা এরশাদের কুদরতি ক্ষমতার মতো- এমন রসাত্মক কথায়ও কখনো চটেননি এরশাদ। বরং জবাব দিয়েছেন রসালো ভাষায়। বলেছেন, তিনি কাউকে অফার দেন না। তাদের অ্যাথলেট বডিটা দেখে নারীরাই ছুটে আসে তার কাছে। বছরখানেক আগেও নারী ও জৈবিক বিষয়াদি নিয়ে তিনি নিজস্ব তত্ব দিয়েছেন। সাংবাদিকদের বলেছেন, পুরুষের বয়স নয়, মনোবলই আসল। অনেকেই বলে আমার নাকি বয়স হয়ে গেছে। এগুলো একদম বাজে কথা। পুরুষের আবার বয়স কী, মনোবলটাই আসল। আমার মনোবল আছে। পুরুষের কখনো বয়স হয় না। এসব হালকা কথায় এরশাদ হাল্কা হন না। ঘরে, দলে কোথাও সমস্যাও হয় না। দলের এরশাদে জানবাজ নেতারাও গর্বের সঙ্গে বলে থাকেন ক্লিনটন, ট্রাম্প, রজনিকান্তরা একজনই। তেমনই একজন এরশাদ। নিজের তুলনা তিনি নিজেই। অসম্ভবকে সম্ভব কারাই তার কাজ। সিনে পর্দায় অবাস্তবে যা করেন অনন্ত জলিল। আর বাস্তবে তার জ্বলন্ত উদাহরণ এরশাদ।

এসব করে ঘরে বা দলে এরশাদের কখনো সমস্যা হয় না। হবেও না সেই মনোবল রাখেন তিনি। জানেন, দলের এবং নিজস্ব ঘরানার নারী-পুরুষগুলোকে কিভাবে কি দিয়ে ব্যস্ত রাখতে হয়। তাদের তাকে ছেড়ে যাওয়ার রাস্তা নেই। ব্যারিস্টার মওদুদ, শাহ মোয়াজ্জেম, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, আবুল মাল আবদুল মুহিত বা নিদেন পক্ষে ফজলে রাব্বি মিয়া হবার মুরদ তাদের নেই। সময় যতো গড়াচ্ছে নমুনা দৃষ্টে অনেকের ধারণা, বড় দুই দলকে আবারো নাচানোর জিয়নকাঠি হাতে পেতে যাচ্ছেন এরশাদ। জাতীয় রাজনীতির মাঠকে ফের ব্যস্ত করা, তার স্বাদ নিতে প্রতিযোগিতার আসর আবার জমানোর লক্ষণ দেখছেন এরশাদ। নানান কথা ও নাটকীয়তায় জল ঘোলা করে সেই জল নিজের সঙ্গে অন্যদেরও খাওয়ানোর একটা সংকেত এরইমধ্যে মিলতে শুরুও করেছে।

লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট; বার্তা সম্পাদক, বাংলাভিশন।

এইচআর/আইআই 

‘এর স্বাদ সব বান্ধবীই চায়। এই স্বাদের দিওয়ানাদের সবাইকে ম্যানেজ রাখা এরশাদের কুদরতি ক্ষমতার মতো- এমন রসাত্মক কথায়ও কখনো চটেননি এরশাদ। বরং জবাব দিয়েছেন রসালো ভাষায়। বলেছেন, তিনি কাউকে অফার দেন না। তাদের অ্যাথলেট বডিটা দেখে নারীরাই ছুটে আসে তার কাছে।’ 

আপনার মতামত লিখুন :