করোনাযোদ্ধাদের যে কারণে সালাম

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৪৫ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২০

মো. আবুল কালাম আজাদ

বিশ্বব্যাপী করোনাযুদ্ধে সামনের কাতারের সেনানী হচ্ছে ডাক্তার, নার্স এবং চিকিৎসা ও করোনা টেস্টের সঙ্গে সম্পৃক্ত স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সন্দেহজনক ব্যক্তির করোনা পরীক্ষা, হোম কোয়ারেন্টাইন বা ঘরবন্দি করা, আলাদা করে রাখা বা আইসোলেশন, শনাক্তকৃত রোগীর ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসা সকলই স্বাস্থ্য বিভাগীয় কাজ। এর জন্য প্রয়োজন চিকিৎসক, নার্স, সরঞ্জাম, হাসপাতাল ইত্যাদি। আমাদের মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর কোনো দেশ করোনার মতো মহামারির জন্য প্রস্তুত থাকে না।

কিন্তু নিজ সামর্থ্যের মধ্যে প্রস্তুতি নেওয়া এবং পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে যদি আমরা খেয়াল করি, দেখব প্রথমে আমাদের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে করোনা শনাক্তের প্রাথমিক কাজ শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে তা সম্প্রসারিত হয়ে ২২টি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। জেলা পর্যায়ে এটি সম্প্রসারণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অনেকে বলেন, প্রস্তুতির জন্য আমরা যে সময় পেয়েছি, তাতে ইতোমধ্যে জেলা পর্যায়ে পরীক্ষার সক্ষমতা অর্জন করা উচিত ছিল। এটি বোধ হয় আমাদের মনে রাখা দরকার, স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে দায়িত্ববোধ কারও চেয়ে কম থাকার কোনো কারণ নেই। নানা প্রকার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সমুদয় সক্ষমতা দিয়েই তারা কাজ করছেন। আমরা সম্প্রতি সিলেটের চিকিৎসক ডা. মঈন উদ্দিনের দেশপ্রেম, মানবতাবোধ এবং কাজের প্রতি একাগ্রতা দেখেছি।

আমরা মিডিয়াতে দেখেছি অনেক চিকিৎসক নিজ দায়িত্বের বাইরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন- অনেকের নাম বলা যায়, স্থানাভাবে নাম দেয়া থেকে বিরত রইলাম। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি অধিকাংশ স্বাস্থ্যকর্মীই ডা. মঈনের মত নিজ দায়িত্বের প্রতি প্রচণ্ড নিষ্ঠাবান এবং আন্তরিক। এর বিপরীতে দু-চারটি ব্যত্যয় থাকতে পারে কিন্ত সে বিষয়কেই অত্যাধিক গুরুত্ব দিয়ে ভাবা এবং সব চিকিৎসক, নার্সকে সরল সমীকরণে কর্তব্যবিমুখ বলে চিহ্নিত করার কারণ নেই।

করোনার সহযোদ্ধা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের ধরন ও ব্যাপ্তি পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়েছে ও বেড়েছে। কাজের তালিকা যদি দিতে হয়, প্রাথমিকভাবে করোনা সন্দেহভাজনকে ঘরবন্দি রাখা, লাল পতাকা উত্তোলন, ঘরবন্দিকে মনিটর করা, শনাক্তকৃত রোগীকে খুঁজে বের করা, সাধারণ মানুষকে অধিক দ্রব্য কেনা থেকে নিবৃত্ত রাখা, বাজারমূল্য ঠিক রাখা, বাজারসহ পথ-ঘাটে একজন থেকে আরেকজনের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, উন্মুক্ত স্থানে বাজার স্থানান্তর, লকডাউন এলাকা থেকে লোকজন বের হতে না দেওয়া এবং প্রবেশ না করতে দেওয়া।

গ্রামমুখী মানুষের স্রোত ও উল্টো স্রোত মোকাবিলা করা, করোনা হাসপাতাল এবং কোয়ারেন্টাইন এলাকা স্থাপনে স্থানীয় বাধা মোকাবিলা, করোনায় মৃত ব্যক্তির সৎকার করা, কর্মহীন ব্যক্তিদের ঘরে ঘরে সরকারি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, কতিপয় আত্মসাৎকারীকে আইনের আওতায় আনা- এমন আরও অনেক। সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে লকডাউন এলাকায় অপ্রয়োজনে বের হওয়া লোকদের ঘরে রাখার ব্যবস্থা করা।

প্রয়োজন ছাড়াও বিপুল সংখ্যক লোক চা খাওয়া, আড্ডা দেওয়া, ঘরে ভালো লাগে না ইত্যাদি বাহানায় ঘর থেকে বের হচ্ছে। এই ব্যতিক্রমধর্মী কাজগুলোর জন্য নিরলস পরিশ্রম করছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী ও আরও অনেকে। প্রধানমন্ত্রীর নিরলস পরিশ্রম, প্রজ্ঞা ও দিকনির্দেশনা তাদের সাহস ও মনোবল বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে।

পুলিশ এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও নিজ কাজের বাইরে করোনা মোকাবিলায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। নিজেদের বেতনের টাকার একাংশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দেওয়া, করোনা আক্রান্ত হওয়ার প্রচণ্ড ঝুঁকি নিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করা, ব্যস্ততম পেশা থেকে বেকার হয়ে যাওয়া মানুষের ঘরে নিজস্ব তহবিল থেকে খাবার পৌঁছে দেওয়া, চিকিৎসকদের যানবাহন সুবিধা প্রদান, করোনা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট বিতরণ, হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা, মোবাইল শপ চালু করা, রাতের আঁধারে ত্রাণ নিয়ে সাধারণ মানুষের ঘরে সেনাবাহিনী, গরিবদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করল বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী চীন থেকে নিজস্ব তহবিলে আনল করোনাসামগ্রী, বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে খুলনার ডাক্তার মাসুদকে ঢাকায় প্রেরণ ইত্যাদি কাজ তারা নিষ্ঠার সঙ্গে করছেন।

করোনাযুদ্ধের সময় আমাদের যা আছে- হাসপাতাল, পরীক্ষার সুবিধা, ডাক্তার, নার্স, অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী, ভেন্টিলেটর, পিপিই ইত্যাদি এগুলোই আমাদের শক্তি। ভেন্টিলেটর, পিপিই, করোনা চিকিৎসার হাসপাতাল ইত্যাদি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু আমরা কী বাড়াতে পারব ডাক্তার-নার্স? প্রাইভেট সেক্টরের ডাক্তার-নার্সরা যোগ দিতে পারেন। অনেক ডাক্তার স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে এগিয়ে এসেছেন। অবসরপ্রাপ্ত নার্সদের কাজে লাগানোর বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।

এই নিয়েই আমাদের শক্তি। আবার প্রতিনিয়ত বেশ কিছু ডাক্তার-নার্স নিজেরাই আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টাইনে চলে যাচ্ছেন। মনে রাখতে হবে পৃথিবীর অনেক দেশেই ২০-৪০ ভাগ ডাক্তার-নার্স করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেছেন। পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়মিত কাজের পাশাপাশি এসেছে অনেক নতুন কাজ। সবাই ছুটিতে থাকলেও স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেট নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমের বিপুলসংখ্যক কর্মী করোনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করে কাজ করে যাচ্ছেন। বেশ কয়েকটি চ্যানেলের অনেককর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টাইনে চলে গেছেন। যখন সবাইকে বাধ্যতামূলক ঘরে থাকতে বলা হয়েছে তখন স্বাস্থ্যকর্মী, আইন-শৃঙ্খলাকর্মী, মিডিয়া, পরিচ্ছন্নকর্মী ও কিছু জরুরি বিভাগ করোনার বিপদ মাথায় নিয়ে আমাদের নিরাপদ রাখার কাজ করছেন।

আমরা সবাই বলছি, এটা একটা যুদ্ধ। আর যুদ্ধক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব যারা পালন করছেন, তাদের সহযোগিতা করা সবার কর্তব্য। ওপরে যে বিভাগগুলোর নাম করা হয়েছে তাদের সবার কাজ সকল সময় প্রশংসারযোগ্য নাও হতে পারে। তবে বিচ্ছিন্ন কোনো কাজকে সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য করার সরল সমীকরণ করার সময় এটা নয়। আমরা দুষ্টের দমন করব তবে মূল কাজ হচ্ছে করোনাযুদ্ধ।

চিকিৎসক-নার্সরা অন্যদের মতো করোনাভয়ে ভীত হবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তারা করোনাভয়কে জয় করে যেভাবে কাজ করছেন, কাজের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছেন তাদের জানাই সালাম। ডা. মিলনের রক্তের শপথ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার এটাই সময়। এই যুদ্ধে সামিল ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, সশস্ত্রবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক, মিডিয়াকর্মী সবাইকে জানাই সালাম। সালাম জানাই তাদের কর্তব্যনিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতাকে।

‘তোমাদের যার যা আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে’- এটা সেই সময় ৭১-এর মতো আর একবার জেগে উঠবার। যোদ্ধা এবং সহযোদ্ধাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার। জনগণও দায়িত্বশীল হবেন বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে না গিয়ে।

সভাপতি, বাংলাদেশ স্কাউটস এবং প্রাক্তন মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) ও প্রাক্তন মুখ্য সচিব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

এমআরএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,৩২,৬৭,৪৮২
আক্রান্ত

১০,০১,৪৭৭
মৃত

২,৪৫,৬৯,৬৫৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৫৯,১৪৮ ৫,১৬১ ২,৭০,৪৯১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭৩,১৬,২৮৪ ২,০৯,৪১২ ৪৫,৪০,০৫৩
ভারত ৬০,৭৩,৩৪৮ ৯৫,৫৭৪ ৫০,১৩,৩৬৭
ব্রাজিল ৪৭,৩২,৩০৯ ১,৪১,৭৪১ ৪০,৫০,৮৩৭
রাশিয়া ১১,৫১,৪৩৮ ২০,৩২৪ ৯,৪৩,২১৮
কলম্বিয়া ৮,০৬,০৩৮ ২৫,২৯৬ ৭,০০,১১২
পেরু ৮,০০,১৪২ ৩২,১৪২ ৬,৫৭,৮৩৬
স্পেন ৭,৩৫,১৯৮ ৩১,২৩২ ১,৯৬,৯৫৮
মেক্সিকো ৭,২৬,৪৩১ ৭৬,২৪৩ ৫,২১,২৪১
১০ আর্জেন্টিনা ৭,০২,৪৮৪ ১৫,৫৪৩ ৫,৫৬,৪৮৯
১১ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৭০,৭৬৬ ১৬,৩৯৮ ৬,০৩,৭২১
১২ ফ্রান্স ৫,৩৮,৫৬৯ ৩১,৭২৭ ৯৪,৮৯১
১৩ চিলি ৪,৫৭,৯০১ ১২,৬৪১ ৪,৩১,৭০৪
১৪ ইরান ৪,৪৬,৪৪৮ ২৫,৫৮৯ ৩,৭৪,১৭০
১৫ যুক্তরাজ্য ৪,৩৪,৯৬৯ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ ইরাক ৩,৪৯,৪৫০ ৮,৯৯০ ২,৮০,৬৭৩
১৭ সৌদি আরব ৩,৩৩,১৯৩ ৪,৬৮৩ ৩,১৭,০০৫
১৮ তুরস্ক ৩,১৪,৪৩৩ ৭,৯৯৭ ২,৭৫,৬৩০
১৯ পাকিস্তান ৩,১০,২৭৫ ৬,৪৫৭ ২,৯৫,৬১৩
২০ ইতালি ৩,০৯,৮৭০ ৩৫,৮৩৫ ২,২৪,৪১৭
২১ ফিলিপাইন ৩,০৪,২২৬ ৫,৩৪৪ ২,৫২,৫১০
২২ জার্মানি ২,৮৬,৩৩৮ ৯,৫৩৪ ২,৫০,৮০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৭৫,২১৩ ১০,৩৮৬ ২,০৩,০১৪
২৪ ইসরায়েল ২,৩১,০২৬ ১,৪৬৬ ১,৫৯,৯৩১
২৫ ইউক্রেন ১,৯৮,৬৩৪ ৩,৯৫৯ ৮৭,৮৮২
২৬ কানাডা ১,৫৩,০৫৮ ৯,২৬৮ ১,৩১,০৮৬
২৭ ইকুয়েডর ১,৩৪,৭৪৭ ১১,২৭৯ ১,১২,২৯৬
২৮ বলিভিয়া ১,৩৩,৫৯২ ৭,৮২৮ ৯৩,৪০৬
২৯ কাতার ১,২৫,০৮৪ ২১৪ ১,২১,৯৯৫
৩০ রোমানিয়া ১,২২,৬৭৩ ৪,৭১৮ ৯৮,৬০৭
৩১ মরক্কো ১,১৭,৬৮৫ ২,০৬৯ ৯৫,৫৯১
৩২ বেলজিয়াম ১,১২,৮০৩ ৯,৯৯৬ ১৯,২৪৬
৩৩ নেদারল্যান্ডস ১,১১,৬২৬ ৬,৩৭৪ ২৫০
৩৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,১১,৩৮৬ ২,০৯৫ ৮৫,৯৬৫
৩৫ পানামা ১,১০,১০৮ ২,৩২৩ ৮৬,৭৯৬
৩৬ কাজাখস্তান ১,০৭,৭২৩ ১,৬৯৯ ১,০২,৬৬৬
৩৭ কুয়েত ১,০৩,৫৪৪ ৬০১ ৯৪,৯২৯
৩৮ মিসর ১,০২,৭৩৬ ৫,৮৬৯ ৯৪,৩৭৪
৩৯ ওমান ৯৭,৪৫০ ৯০৯ ৮৭,৮০১
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৯১,৪৬৯ ৪১২ ৮০,৫৪৪
৪১ সুইডেন ৯০,৯২৩ ৫,৮৮০ ৪,৯৭১
৪২ গুয়াতেমালা ৯০,০৯২ ৩,২২৯ ৭৮,৬৯৮
৪৩ পোল্যান্ড ৮৭,৩৩০ ২,৪৩২ ৬৭,৯০৪
৪৪ চীন ৮৫,৩৫১ ৪,৬৩৪ ৮০,৫৪১
৪৫ জাপান ৮১,০৫৫ ১,৫৪০ ৭৪,১৫১
৪৬ বেলারুশ ৭৭,৬০৯ ৮১৮ ৭৪,১২০
৪৭ হন্ডুরাস ৭৪,৫৪৮ ২,২৮৮ ২৬,০৮৮
৪৮ পর্তুগাল ৭৩,৬০৪ ১,৯৫৩ ৪৭,৬৪৭
৪৯ নেপাল ৭৩,৩৯৪ ৪৭৭ ৫৩,৮৯৮
৫০ ইথিওপিয়া ৭৩,৩৩২ ১,১৭০ ৩০,৩৬৩
৫১ কোস্টারিকা ৭২,০৪৯ ৮২৮ ২৭,৭৬০
৫২ ভেনেজুয়েলা ৭১,৯৪০ ৬০০ ৬১,৫২৮
৫৩ বাহরাইন ৬৮,৭৭৫ ২৪২ ৬২,২৫২
৫৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৬৪,০১২ ৬০১ ৩১,২২০
৫৫ নাইজেরিয়া ৫৮,১৯৮ ১,১০৬ ৪৯,৭২২
৫৬ সিঙ্গাপুর ৫৭,৭০০ ২৭ ৫৭,৩৬৭
৫৭ উজবেকিস্তান ৫৫,৩২০ ৪৫৮ ৫১,৮২৯
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৫১,৮৬৪ ২,০৬৪ ৪২,৭০০
৫৯ আলজেরিয়া ৫১,০৬৭ ১,৭১৪ ৩৫,৮৬০
৬০ মলদোভা ৫০,৮৭৫ ১,২৮৭ ৩৭,৮৪২
৬১ আর্মেনিয়া ৪৯,৪০০ ৯৫১ ৪৩,৬১৩
৬২ ঘানা ৪৬,৩৮৭ ২৯৯ ৪৫,৬১৮
৬৩ কিরগিজস্তান ৪৬,২৫১ ১,৪৯৮ ৪২,৪৫৩
৬৪ অস্ট্রিয়া ৪২,৮৭৬ ৭৮৭ ৩৩,৫৮৯
৬৫ আজারবাইজান ৪০,০২৩ ৫৮৬ ৩৭,৬৫৫
৬৬ আফগানিস্তান ৩৯,২২৭ ১,৪৫৩ ৩২,৬৪২
৬৭ ফিলিস্তিন ৩৮,৭০৩ ২৯১ ২৯,০৬৮
৬৮ কেনিয়া ৩৮,১১৫ ৬৯১ ২৪,৬২১
৬৯ প্যারাগুয়ে ৩৭,৯২২ ৭৮২ ২১,৭৫৭
৭০ লেবানন ৩৬,২৫৪ ৩৪৭ ১৬,০৮৯
৭১ আয়ারল্যান্ড ৩৪,৯৯০ ১,৮০২ ২৩,৩৬৪
৭২ সার্বিয়া ৩৩,৩৮৪ ৭৪৭ ৩১,৫৩৬
৭৩ লিবিয়া ৩২,৩৬৪ ৫২০ ১৮,১২৮
৭৪ এল সালভাদর ২৮,৬৩০ ৮২৬ ২২,৮৭৯
৭৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,০৪০ ৮৭২ ২৪,৫৭৩
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৬,৯২০ ৮২২ ১৯,৭৪৬
৭৭ ডেনমার্ক ২৬,৬৩৭ ৬৪৯ ১৯,৬৫০
৭৮ হাঙ্গেরি ২৪,০১৪ ৭৩৬ ৫,১৪১
৭৯ দক্ষিণ কোরিয়া ২৩,৬১১ ৪০১ ২১,২৪৮
৮০ ক্যামেরুন ২০,৭৩৫ ৪১৮ ১৯,৪৪০
৮১ বুলগেরিয়া ১৯,৯৯৭ ৭৮৯ ১৪,১৬০
৮২ আইভরি কোস্ট ১৯,৬০০ ১২০ ১৯,১২২
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৭,৬২৯ ৭২৫ ১৪,৫৮১
৮৪ গ্রীস ১৭,৪৪৪ ৩৭৯ ৯,৯৮৯
৮৫ মাদাগাস্কার ১৬,২৮৫ ২২৯ ১৪,৯২২
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৬,১৯৭ ২৭২ ১৪,৬০৯
৮৭ তিউনিশিয়া ১৫,১৭৮ ২০৭ ৫,০৩২
৮৮ সেনেগাল ১৪,৯০৯ ৩০৮ ১২,১১৩
৮৯ জাম্বিয়া ১৪,৬১২ ৩৩২ ১৩,৭২৭
৯০ নরওয়ে ১৩,৬৬০ ২৭০ ১১,১৯০
৯১ সুদান ১৩,৬০৬ ৮৩৬ ৬,৭৬৪
৯২ আলবেনিয়া ১৩,২৫৯ ৩৭৭ ৭,৩৯৭
৯৩ নামিবিয়া ১১,০৩৩ ১২০ ৮,৭৭৬
৯৪ মালয়েশিয়া ১০,৯১৯ ১৩৪ ৯,৮৩৫
৯৫ মায়ানমার ১০,৭৩৪ ২২৬ ২,৮৬২
৯৬ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৫৯৩ ২৭১ ১০,০৯৩
৯৭ গিনি ১০,৫৪৮ ৬৬ ৯,৮৬৫
৯৮ মন্টিনিগ্রো ১০,৩১৩ ১৫৮ ৬,৪৫৬
৯৯ মালদ্বীপ ১০,০৯৮ ৩৪ ৮,৮৪৭
১০০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৮৬৩ ৬৫ ৯,৫০০
১০১ ফিনল্যাণ্ড ৯,৬৮২ ৩৪৩ ৭,৮৫০
১০২ তাজিকিস্তান ৯,৬৪৬ ৭৫ ৮,৪৩০
১০৩ স্লোভাকিয়া ৯,০৭৮ ৪৪ ৪,১৭৮
১০৪ গ্যাবন ৮,৭২৮ ৫৪ ৭,৯৩৪
১০৫ হাইতি ৮,৭২৩ ২২৭ ৬,৫৫১
১০৬ জর্ডান ৮,৪৯২ ৪৫ ৪,২২২
১০৭ লুক্সেমবার্গ ৮,৩৫৭ ১২৪ ৭,১৪০
১০৮ মোজাম্বিক ৭,৯৮৩ ৫৮ ৪,৮০৭
১০৯ জিম্বাবুয়ে ৭,৮০৩ ২২৭ ৬,০৬৭
১১০ উগান্ডা ৭,৫৩০ ৭৩ ৩,৬৪৭
১১১ মৌরিতানিয়া ৭,৪৬২ ১৬১ ৭,০৭০
১১২ জ্যামাইকা ৬,০১৭ ৮৯ ১,৭০৬
১১৩ কেপ ভার্দে ৫,৭৭১ ৫৭ ৫,০৩১
১১৪ মালাউই ৫,৭৬৮ ১৭৯ ৪,২০৬
১১৫ কিউবা ৫,৪৫৭ ১২২ ৪,৭৫১
১১৬ ইসওয়াতিনি ৫,৪৩১ ১০৮ ৪,৮২১
১১৭ জিবুতি ৫,৪০৯ ৬১ ৫,৩৪০
১১৮ স্লোভেনিয়া ৫,৩৫০ ১৪৭ ৩,৫৫৫
১১৯ জর্জিয়া ৫,২৫৪ ২৮ ১,৯০৬
১২০ নিকারাগুয়া ৫,০৭৩ ১৪৯ ২,৯১৩
১২১ হংকং ৫,০৬৬ ১০৫ ৪,৭৮৬
১২২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০২৮ ৮৩ ৪,৭৪০
১২৩ কঙ্গো ৫,০০৫ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২৪ সুরিনাম ৪,৮৩১ ১০২ ৪,৬২০
১২৫ রুয়ান্ডা ৪,৮২০ ২৯ ৩,০৯৯
১২৬ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮০৬ ৬২ ১,৮৪০
১২৭ অ্যাঙ্গোলা ৪,৭১৮ ১৭৪ ১,৭০৭
১২৮ গুয়াদেলৌপ ৪,৪৮৭ ৪২ ২,১৯৯
১২৯ লিথুনিয়া ৪,৩৮৫ ৯১ ২,৩২৭
১৩০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪,৩২১ ৭০ ২,২৩৪
১৩১ সিরিয়া ৪,০৭২ ১৯২ ১,০৬২
১৩২ আরুবা ৩,৮৪৪ ২৫ ২,৯৪৮
১৩৩ বাহামা ৩,৮৩৮ ৮৯ ২,০০৫
১৩৪ রিইউনিয়ন ৩,৬৮৫ ১৫ ২,৮১৯
১৩৫ সোমালিয়া ৩,৫৮৮ ৯৯ ২,৯৪৬
১৩৬ গাম্বিয়া ৩,৫৬৯ ১১১ ২,১৬১
১৩৭ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩৮ থাইল্যান্ড ৩,৫২৩ ৫৯ ৩,৩৬৭
১৩৯ শ্রীলংকা ৩,৩৬০ ১৩ ৩,২০৮
১৪০ এস্তোনিয়া ৩,২০০ ৬৯ ২,৫০৬
১৪১ মালি ৩,০৮৬ ১৩০ ২,৪২০
১৪২ মালটা ২,৯৭৯ ৩১ ২,৩৫৮
১৪৩ বতসোয়ানা ২,৯২১ ১৬ ৭০১
১৪৪ গায়ানা ২,৭২৫ ৭৪ ১,৫৩৫
১৪৫ দক্ষিণ সুদান ২,৬৮৬ ৪৯ ১,২৯০
১৪৬ আইসল্যান্ড ২,৬২৩ ১০ ২,১৫৮
১৪৭ বেনিন ২,৩২৫ ৪০ ১,৯৬০
১৪৮ গিনি বিসাউ ২,৩২৪ ৩৯ ১,৫৪৯
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,২১৫ ৭২ ১,৬৮১
১৫০ ইয়েমেন ২,০৩০ ৫৮৭ ১,২৬০
১৫১ উরুগুয়ে ১,৯৯৮ ৪৭ ১,৭১৬
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১,৯৭৩ ৫৬ ১,২৬৪
১৫৩ এনডোরা ১,৮৩৬ ৫৩ ১,২৬৩
১৫৪ নিউজিল্যান্ড ১,৮৩৩ ২৫ ১,৭৪৯
১৫৫ বেলিজ ১,৮২৫ ২৪ ১,১৬৫
১৫৬ টোগো ১,৭৩৬ ৪৬ ১,৩১৯
১৫৭ সাইপ্রাস ১,৬৯৬ ২২ ১,৩৬৯
১৫৮ লাটভিয়া ১,৬৭৬ ৩৬ ১,৩০৪
১৫৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,৫৭৯ ১,৩৩৫
১৬০ লেসোথো ১,৫৫৮ ৩৫ ৭৯৭
১৬১ লাইবেরিয়া ১,৩৩৯ ৮২ ১,২২১
১৬২ মার্টিনিক ১,২৯০ ২০ ৯৮
১৬৩ নাইজার ১,১৯৪ ৬৯ ১,১০৭
১৬৪ চাদ ১,১৭৮ ৮৪ ১,০০৫
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৭৪ ৩৫ ৯৯৯
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৭৬
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৮১ ৬২০
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৫৬ ৪৮ ৬০০
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৬৩৩ ২২ ৫৩২
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৩২ ৫১৬
১৭২ তাইওয়ান ৫১০ ৪৮০
১৭৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৪ বুরুন্ডি ৪৮৫ ৪৭২
১৭৫ কমোরস ৪৭৮ ৪৫৮
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৬০ ৪২৩
১৭৭ সেন্ট মার্টিন ৩৮৩ ২৭৩
১৭৮ জিব্রাল্টার ৩৭৯ ৩৪১
১৭৯ ইরিত্রিয়া ৩৭৫ ৩৪১
১৮০ মরিশাস ৩৬৭ ১০ ৩৪৩
১৮১ কিউরাসাও ৩৬০ ১৪১
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩৪০ ২৪ ৩১৪
১৮৩ মঙ্গোলিয়া ৩১৩ ৩০৩
১৮৪ কম্বোডিয়া ২৭৬ ২৭৪
১৮৫ ভুটান ২৭১ ২০৫
১৮৬ মোনাকো ২১০ ১৬৯
১৮৭ কেম্যান আইল্যান্ড ২১০ ২০৭
১৮৮ বার্বাডোস ১৯০ ১৭৮
১৮৯ বারমুডা ১৮১ ১৬৭
১৯০ ব্রুনাই ১৪৬ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪৩ ১৪০
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৭ ১১০
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১০১ ৯২
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৮৫ ২১
১৯৫ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৬২
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৭ সেন্ট বারথেলিমি ৪৮ ২৫
১৯৮ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৯ ফিজি ৩২ ২৮
২০০ ডোমিনিকা ৩০ ২৪
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৬
২০২ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৭
২০৩ পূর্ব তিমুর ২৭ ২৭
২০৪ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৫ লাওস ২৩ ২২
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৭
২০৭ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৯ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]