করোনার কালে লেখাপড়া

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
প্রকাশিত: ১১:০১ পিএম, ১৪ মে ২০২০

করোনা মহামারি নিয়ে প্রাথমিক আতঙ্কটা মনে হয় একটু কমেছে। প্রতিদিনই খবরের কাগজে দেখছি পৃথিবীর কোনো না কোনো দেশ তাদের ঘরবন্দি মানুষদের একটু একটু করে বাইরে আসতে দিচ্ছে। জ্বর হয়েছে বলে মাকে জঙ্গলে ফেলে দিয়ে আসার মতো ঘটনা পত্রিকায় আসছে না। কিছুদিন থেকে আমিও লেখাপড়া নিয়ে টেলিফোন পেতে শুরু করেছি। গুরুত্বপূর্ণ মিটিং করা খুবই সহজ হয়ে গেছে শুধু একটা শার্ট পরতে হয়, শেভ না করলেও কেউ কিছু মনে করে না।

তবে কিছু কিছু বাক্যে আমি এখনও অভ্যস্ত হতে পারিনি- কেউ যখন বলে, ‘স্যার আপনাকে দেখে খুব ভালো লাগছে!’ আমি তখন প্রবলভাবে আপত্তি করে বলি, ‘না এটা মোটেও দেখা না, সামনাসামনি না দেখা পর্যন্ত আমি সেটাকে মোটেও দেখা বলতে রাজি না।’ ছোট একটা স্ক্রিনে আধাযান্ত্রিক গলার স্বর শুনে আমি সন্তুষ্ট হতে পারব না। সারা পৃথিবীর মানুষের মতো আমিও বুভুক্ষের মতো অপেক্ষা করছি কখন আমরা আবার আগের জীবন ফিরে পাব, একটা শিশুর মুখের দিকে তাকিয়ে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে পারব এবং সে জন্য বাসায় এসে টানা বিশ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে না!

আমি ধীরে ধীরে খবর পেতে শুরু করেছি যে, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার বিষয়টি নিয়ে ঘরে ঘরে বাবা-মায়েদের ভেতর এক ধরনের দুর্ভাবনা জমা হতে শুরু করেছে। যদি এই বিষয়টা বিচ্ছিন্নভাবে দুই-এক জায়গায় হতো তাহলে সেই এলাকার বাবা-মায়েরা দুর্ভাবনা করতে পারতেন। কিন্তু যেহেতু এই করোনাবিপর্যয় শুধু দু-এক জায়গায় নয়, এমনকি শুধু সারাদেশে নয়, সারা পৃথিবীতেই হচ্ছে তাই আমি মনে করি ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া নিয়ে বাবা-মায়েদের আলাদাভাবে দুর্ভাবনা করার কোনো কারণ নেই। এই করোনার কালে বাবা-মায়েরা যদি লেখাপড়ার আসল উদ্দেশ্যটা কী সেটা নিয়ে একটু চিন্তাভাবনা করেন, আমার মনে হয় তাহলে তাদের দুর্ভাবনাটা আরও কমে যাবে।

কোনো কিছু জানা বা শেখা লেখাপড়ার আসল উদ্দেশ্য না। লেখাপড়ার আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে একজন ছেলে বা মেয়ের ভেতরে জানা কিংবা শেখার ক্ষমতা তৈরি করে দেয়া। যার ভেতরে জানা বা শেখার ক্ষমতা আছে সে যেকোনো কিছু নিজে নিজে জেনে নিতে পারবে বা শিখে নিতে পারবে। মনে আছে আমি যখন সেই নব্বইয়ের দশকে দেশে ফিরে এসে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের দায়িত্ব নিয়েছিলাম তখন দেশে কম্পিউটার এত সহজলভ্য ছিল না। যখন নূতন ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে ভর্তি হতো তখন পুরো ক্লাসে অল্প কয়েকজনকে পাওয়া যেত যারা আগে কম্পিউটার ব্যবহার করে এসেছে। কম্পিউটার ল্যাবে তাদের কম্পিউটার ব্যবহার করা দেখে অন্যরা একইসাথে হতাশা এবং হীনমন্যতায় ভুগতো। আমি তখন ছেলেমেয়েদের বলতাম, ‘যাদের দেখে তোমরা এত নার্ভাস হয়ে আছো তাদের সাথে তোমাদের পার্থক্য মাত্র এক সপ্তাহ।’ সত্যি সত্যি সপ্তাহ না ঘুরতেই দেখা যেত কম্পিউটার চালাতে সবাই সমান পারদর্শী। সবারই শেখার ক্ষমতা আছে, সবাই শিখে নিয়েছে।

কাজেই ঘরবন্দি হয়ে থাকা যেসব বাবা-মা নিজেদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে দুর্ভাবনা করছেন তাদের কাছে আমার একটা মাত্র প্রশ্ন, আপনার ছেলেমেয়েদের কি জানা এবং শেখার ক্ষমতা আছে? নিশ্চয়ই আছে, তাহলে তাদের নিয়ে দুর্ভাবনা করার কোনো কারণ নেই। স্কুল-কলেজ বন্ধ বলে যেটুকু ক্ষতি হয়েছে বা হচ্ছে সেটা পুষিয়ে নেয়া তাদের জন্য বিন্দুমাত্র কঠিন কোনো ব্যাপার নয়।

এবারে একটু কঠিন প্রশ্ন করি। একটা ছেলে বা মেয়ের জানা বা শেখার ক্ষমতা নেই, এমনটি কি কখনও হতে পারে? মানুষ অন্য প্রাণী থেকে আলাদা তার একটি মাত্র কারণ, তাদের নূতন কিছু জানা বা শেখার ক্ষমতা আছে। কাজেই সব শিশুই কমবেশি জানা এবং শেখার ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়। ঘরে খুব কমবয়সী শিশু থাকলে সেটা স্পষ্ট বোঝা যায়, আমরা তখন দেখি সেই শিশুটি কী অবিশ্বাস্য কৌতূহল নিয়ে সবকিছু যাচাই করে যাচ্ছে এবং সেটার সামাল দিতে গিয়ে বাবা-মায়েরা কীভাবে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। খুবই একটা দুঃখের ব্যাপার হয় যখন বাবা-মায়েরা ছোট শিশুর কৌতূহল না মিটিয়ে তাকে ধমক দিয়ে শাসন করে তার শেখার আগ্রহটি নষ্ট করে দেন।

আমার মতে সেটি আরও বেশি হৃদয়বিদারক হয় যখন বাবা-মায়েরা পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাবে সেই আশা করে তাদের ছেলেমেয়েদের কোচিং করতে পাঠান। তখন একটু একটু করে একটা ছেলে বা মেয়ের জানা এবং শেখার ক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে। একসময় সেই ছেলে বা মেয়েটি আর নিজে নিজে শিখতে পারে না, তার ভেতরে কোনো আত্মবিশ্বাস থাকে না, কোনো একটা কিছু জানার জন্য বা শেখার জন্য সে সবসময় অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে।

করোনাদুর্ভোগ নিয়ে আহ্লাদিত হওয়ার কিছু নেই, শুধু একটি ব্যাপারে আমার একটুখানি আনন্দ। এই দেশের লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়ের এখন কোচিং নামের সেই ভয়ঙ্কর বিভীষিকাতে গিয়ে নিজেদের সৃজনশীলতাটুকু নষ্ট করতে হচ্ছে না। কে জানে হয়তো অনেক ছেলেমেয়ে নিজেদের পাঠ্যপুস্তক খুলে নিজেরা নিজেরা পড়তে গিয়ে আবিষ্কার করেছে সেটা মোটেও কঠিন কিছু নয়, নিজেরাই পড়ে সব বুঝে ফেলছে। হয়তো তারা অবাক হয়ে ভাবছে, কেউ একথাটি কেন আমাকে আগে বলেনি? তাহলে তো আমি যে সময়টুকু নিজের পছন্দের কাজ করে উপভোগ করতে পারতাম সেই সময়টি কোচিং করে নষ্ট করতাম না। (স্বপ্ন দেখতে সমস্যা কী? এই দেশের ছেলেমেয়েদের নিয়ে আমি আমার মতো করে স্বপ্ন তো দেখতেই পারি!)

এমন কোনো প্রক্রিয়া কি আছে যেটা করে একটা ছেলে বা মেয়ের জানা এবং শেখার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়া যায়? অবশ্যই আছে এবং সেটা হচ্ছে পড়া। একটা শিশু যখন স্কুলে যাওয়া শুরু করে তখন তার প্রথম কাজটিই হচ্ছে পড়তে শেখা। যে ছেলে বা মেয়ে যত ভালো করে পড়তে শিখে তার শিক্ষাজীবনটি হয় তত সহজ। একটি শিশু যদি তার গুটিকতক পাঠ্যবই ছাড়া আর কিছুই না পড়ে তাহলে তার পড়ার ক্ষমতা বাড়বে কেমন করে? এ দেশের ছেলেমেয়েরা আমার কাছে সবচেয়ে বেশিবার যে অভিযোগটি করেছে সেটি হচ্ছে তাদের বাবা-মায়েরা পাঠ্যবই ছাড়া আর অন্য কোনো বই পড়তে দেন না। এর চাইতে মর্মান্তিক অভিযোগ আর কী হতে পারে? যখন একটি ছেলে বা মেয়ে অনেক বেশি পড়ে তখন সে অনেক অল্প সময়ে বেশি পড়তে শিখে যায়, শুধু তাই নয় কিছু একটা পড়ে তার ভেতরকার বিষয়টা বুঝে ফেলার ক্ষমতাটাও বেড়ে যায়। বেশি গবেষণার প্রয়োজন নেই আমরা যদি আমাদের চারপাশের ছেলেমেয়ের দিকে তাকাই, এক নজর দেখলেই বুঝতে পারব কোন ছেলেটি বা মেয়েটি বই পড়ে আর কে পড়ে না।

করোনাকালের এই ঘরবন্দি দুঃসময়টি তাই হচ্ছে বই পড়ার সময়। সেইসব ছেলেমেয়ে হচ্ছে সৌভাগ্যবান যাদের বাসাভর্তি বই, যারা বই পড়ে শেষ করতে পারছে না। ফেসবুক জাতীয় সামাজিক নেটওয়ার্কগুলো দিনে দিনে আরও অনেক বশি আগ্রাসী হয়ে উঠছে। আমরা বলতে গেলে এখন কোনো মানুষকেই দেখি না যে উদাসমুখে আকাশের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা ভাবছে। আমরা সবসময় দেখি তার হাতে একটা স্মার্টফোন আর সেই স্মার্টফোনের ছোট স্ক্রিনে তার সব মনোযোগ। আকাশকে দেখতে হলেও সে আর সত্যিকার আকাশকে দেখছে না, স্মার্টফোনের স্ক্রিনের ভেতর দিয়ে দেখছে।

অল্প কিছুদিন আগে একটা বড় ইউনিভার্সিটির একজন বড় প্রফেসরের সাথে কথা হচ্ছিল। তিনি তার হাতের দামি স্মার্টফোনটি নাড়িয়ে কথা প্রসঙ্গে বললেন, ‘আজকাল আর মোটা বই পড়তে পারি না, ধৈর্য থাকে না।’ যদি একজন বড় অধ্যাপকের মোটা বই পড়ার ধৈর্য না থাকে, তাহলে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের কী হবে? আমরা কি আকাশের দিকে তাকিয়ে মাথা চাপড়ে গলা ছেড়ে কাঁদব! কেঁদে কী লাভ হবে?

আমি প্রায় পঁচিশ বছর ছাত্রছাত্রীদের পড়িয়েছি। পরের দিন কী পড়াব আগের রাতে সেটা দেখে গিয়েছি, নিয়মিত সময়ে ক্লাসে হাজির হয়েছি। কঠিন বিষয় সহজ করে বোঝানোর চেষ্টা করেছি, উদাহরণ দিয়েছি। তাদের প্রশ্ন করেছি, প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। তাদের মনোযোগ ছুটে গেলে পড়ানো থামিয়ে তাদের সাথে গল্প করে মনোযোগ ফিরিয়ে এনেছি। তাদের হোমওয়ার্ক দিয়েছি, পরীক্ষা নিয়েছি কিন্তু আমি একেবারে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি ‘আমি’ তাদের কিছু শেখাতে পারিনি। তার কারণ শেখার যে ব্যাপারটি আছে সেটি সবসময় তাদের নিজেদের করতে হয়েছে। হল, হোস্টেল, বাড়িতে, লাইব্রেরি কিংবা সেমিনার রুমে গিয়ে তাদের নিজেদের বই কিংবা ক্লাসনোট নিয়ে বসতে হয়েছে, নিজে নিজে চিন্তা করে নিজেকে শিখতে হয়েছে। ছাত্রজীবনে আমিও তাই করেছি, এখনও নূতন কিছু শিখতে হলে আমাকেও তাই করতে হয়।

শিক্ষা এবং শিক্ষক সম্পর্কে আমি যত ব্যাখ্যা পড়েছি তার মাঝে সবচেয়ে সুন্দর ব্যাখ্যাটি এ রকম: একজন শিক্ষক হচ্ছেন অন্ধকার ঘরে প্রদীপ হাতে দাঁড়িয়ে থাকা একজন মানুষ। সেই প্রদীপের আলোতে ঘরের সবকিছু শিক্ষার্থীরা দেখতে পায়- দেখার কাজটি শিক্ষক নিজে করে দিতে পারেন না সেটা ছাত্রছাত্রীদেরই করতে হয়।

যেহেতু শেখার পুরো ব্যাপারটা সবসময় ছাত্রছাত্রীদের নিজেদেরই করতে হয় তাই করোনাভাইরাসের এই গৃহবন্দি সময়ে ছাত্রছাত্রীরা ইচ্ছে করলে নিজেরাই তাদের পাঠ্যবই নিয়ে বসতে পারে। আমি দেখেছি আমাদের পাঠ্যপুস্তকগুলোও ধীরে ধীরে যথেষ্ট মানসম্মত হয়ে উঠছে, শুধু তাই নয় নেটে তাদের সব পিডিএফ বই পাওয়া যায়। কাজেই ঘরে বসে বসে নিজে নিজে পড়ার চেষ্টা করা নিশ্চয়ই এমন কিছু বাড়াবাড়ি ঘটনা নয়। আমার বাসায় স্কুল-কলেজে যাওয়া কোনো ছেলেমেয়ে নেই। যদি থাকত তাহলে আমি কী করতাম? আমি তাহলে তাদের বলতাম, ‘ঘরে বসে বসে পুরো গণিত বইটা শেষ করে ফেলো দেখি!’ তারা যদি চোখ কপালে তুলে বলত, ‘যদি করতে না পারি তাহলে কী করব?’ আমি তাহলে বলতাম, ‘সেগুলো নোট বইয়ে লিখে রাখো। যখন স্কুল খুলবে তখন স্যার-ম্যাডামকে জিজ্ঞেস করবে!’

আমি সংবাদমাধ্যমে দেখেছি টেলিভিশনে ছেলেমেয়েদের ক্লাস নেয়া শুরু হয়েছে। ছেলেমেয়েরা সেগুলো কতটুকু দেখার সুযোগ পাচ্ছে, তাদের কতটুকু লাভ হচ্ছে সেগুলো নিয়ে কোনো আলোচনা চোখে পড়েনি। কিন্তু চেষ্টা করা হচ্ছে তাতেই আমি খুশি। দুঃসময়ে যেটুকু বাড়তি পাওয়া যায় সেটাই লাভ।

আমি আমার সহকর্মী এবং পরিচিত শিক্ষকদের কাছ থেকে তাদের ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করেছি। সবাই নিজের মতো করে চেষ্টা করে যাচ্ছে। অনেকেই লেকচারগুলো নেটে তুলে দিচ্ছে। অনেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে সত্যিকারের ক্লাস নেয়া শুরু করেছে। অনেকে একটা প্লাটফর্ম তৈরি করছে যেন লেকচার, ক্লাস, পরীক্ষা সবকিছু সমন্বিত করে ফেলা যায়।

করোনাভাইরাস আমাদের নানারকম সর্বনাশ করেছে এবং করে যাচ্ছে, কিন্তু এক ধাক্কায় লেখাপড়ার বড় একটা অংশ তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় চলে আসছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে কেউ যেন মনে না করে সেটা সত্যিকারের স্কুল-কলেজ কিংবা ক্লাসরুমের জায়গা নিতে পারবে- সেটি কখনও হবে না, ধরে নিতে হবে এটা হচ্ছে একটা বিপর্যয়ের সময়ের জন্য ঠেকা দেয়া, সবাইকে একটুখানি ব্যস্ত রাখা।

আমি আশা করছি দেখতে দেখতে এই বিপদ কেটে যাবে এবং আবার স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছেলেমেয়েদের কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠবে। তাদের নাকের ওপর উটকো মুখোশ থাকবে না, পকেটে হ্যান্ড স্যানিটাইজার থাকবে না।

অতীতেও পৃথিবী এ রকম বিপদ থেকে মুক্ত হয়ে এসেছিল, এবারে কেন পারবে না?

১৩ মে ২০২০

এইচআর/বিএ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৯,৮২,৫৬,৬৫০
আক্রান্ত

২১,০৩,৮৬৯
মৃত

৭,০৬,৩২,৫৬১
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৩০,৮৯০ ৭,৯৮১ ৪,৭৫,৫৬১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৫২,০৬,৭৭৯ ৪,২০,৫৩০ ১,৫১,০২,০৬০
ভারত ১,০৬,৩৩,৩৩৯ ১,৫৩,০৮৮ ১,০২,৮৯,৩৪৮
ব্রাজিল ৮৬,৯৯,৮১৪ ২,১৪,২২৮ ৭৫,৮০,৭৪১
রাশিয়া ৩৬,৭৭,৩৫২ ৬৮,৪১২ ৩০,৮১,৫৩৬
যুক্তরাজ্য ৩৫,৪৩,৬৪৬ ৯৪,৫৮০ ১৫,৮৬,৭০৭
ফ্রান্স ২৯,৮৭,৯৬৫ ৭১,৯৯৮ ২,১৪,৫৩৮
স্পেন ২৫,৬০,৫৮৭ ৫৫,০৪১ ১,৯৬,৯৫৮
ইতালি ২৪,২৮,২২১ ৮৪,২০২ ১৮,২৭,৪৫১
১০ তুরস্ক ২৪,১২,৫০৫ ২৪,৬৪০ ২২,৯০,০৩২
১১ জার্মানি ২১,১১,৬১৩ ৫১,২৯২ ১৭,৮০,২০০
১২ কলম্বিয়া ১৯,৭২,৩৪৫ ৫০,১৮৭ ১৮,০১,১৩৪
১৩ আর্জেন্টিনা ১৮,৪৩,০৭৭ ৪৬,৩৫৫ ১৬,২৫,৭৫৫
১৪ মেক্সিকো ১৭,১১,২৮৩ ১,৪৬,১৭৪ ১২,৭৭,৯৭৮
১৫ পোল্যান্ড ১৪,৬৪,৪৪৮ ৩৪,৯০৮ ১২,১৫,৭৩২
১৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩,৮০,৮০৭ ৩৯,৫০১ ১১,৮৩,৪৪৩
১৭ ইরান ১৩,৬০,৮৫২ ৫৭,২২৫ ১১,৫১,৬৭৬
১৮ ইউক্রেন ১১,৮২,৯৬৯ ২১,৬৬২ ৯,২৮,৯৬৯
১৯ পেরু ১০,৮২,৯০৭ ৩৯,২৭৪ ৯,৯৭,২৮৫
২০ ইন্দোনেশিয়া ৯,৬৫,২৮৩ ২৭,৪৫৩ ৭,৮১,১৪৭
২১ নেদারল্যান্ডস ৯,৩৮,৬২৮ ১৩,৪২২ ২৫০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,২৪,৮৪৭ ১৫,১৩০ ৭,৯৫,৮৭৮
২৩ কানাডা ৭,৩১,৪৫০ ১৮,৬২২ ৬,৪৫,৭২৯
২৪ রোমানিয়া ৭,০৬,৪৭৫ ১৭,৬২৮ ৬,৪৫,৯২৩
২৫ চিলি ৬,৯০,০৬৬ ১৭,৭৮৬ ৬,৪৫,০৩৫
২৬ বেলজিয়াম ৬,৮৬,৮২৭ ২০,৬২০ ৪৭,৬৭৫
২৭ ইরাক ৬,১২,০৯২ ১২,৯৮৪ ৫,৭৮,২৯২
২৮ পর্তুগাল ৬,০৯,১৩৬ ৯,৯২০ ৪,৪১,৫৫৬
২৯ ইসরায়েল ৫,৮৯,০২৮ ৪,২৬৬ ৫,০৪,৮২০
৩০ সুইডেন ৫,৪৭,১৬৬ ১১,০০৫ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,২৮,৮৯১ ১১,২০৪ ৪,৮২,৭৭১
৩২ ফিলিপাইন ৫,০৯,৮৮৭ ১০,১৩৬ ৪,৬৭,৭২০
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,০৯,২৭৯ ৯,০১২ ৩,১৭,৬০০
৩৪ মরক্কো ৪,৬৩,৭০৬ ৮,০৭৬ ৪,৩৯,৩০১
৩৫ অস্ট্রিয়া ৪,০১,৮৮৬ ৭,৩৩০ ৩,৭৮,৪০৮
৩৬ সার্বিয়া ৩,৮০,৮০২ ৩,৮৪৯ ৩১,৫৩৬
৩৭ সৌদি আরব ৩,৬৫,৯৮৮ ৬,৩৪৬ ৩,৫৭,৫২৫
৩৮ হাঙ্গেরি ৩,৫৬,৯৭৩ ১১,৮১১ ২,৩৭,৩৬২
৩৯ জাপান ৩,৫১,০২০ ৪,৮৩০ ২,৭৯,২১৪
৪০ জর্ডান ৩,১৮,৯১১ ৪,২০৭ ৩,০৪,৯৯৬
৪১ পানামা ৩,০৫,৭৫২ ৪,৯৪৪ ২,৫০,২১৫
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৭০,৮১০ ৭৭৬ ২,৪৩,২৬৭
৪৩ লেবানন ২,৬৯,২৪১ ২,১৫১ ১,৫৮,৮২২
৪৪ নেপাল ২,৬৮,৯৪৮ ১,৯৮৬ ২,৬৩,৩৪৮
৪৫ জর্জিয়া ২,৫১,৯৭৪ ৩,০২২ ২,৩৮,৭৩৭
৪৬ ইকুয়েডর ২,৩৬,১৮৯ ১৪,৫২৬ ১,৯৯,৩৩২
৪৭ বেলারুশ ২,৩৪,১১১ ১,৬২৮ ২,১৮,৮৩১
৪৮ স্লোভাকিয়া ২,৩৩,০২৭ ৩,৮৯৪ ১,৮৩,৯৪২
৪৯ আজারবাইজান ২,২৮,৫২৬ ৩,০৬৪ ২,১৯,০১৯
৫০ ক্রোয়েশিয়া ২,২৭,৯৬৯ ৪,৭৭০ ২,১৯,৮৭৮
৫১ বুলগেরিয়া ২,১৩,৮৬৪ ৮,৭৪১ ১,৭৭,৩৫৪
৫২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,০১,১৪৫ ২,৪৯৬ ১,৪৬,৪৯১
৫৩ বলিভিয়া ১,৯৬,৩৯৩ ৯,৮১৮ ১,৪৭,৭৪৪
৫৪ ডেনমার্ক ১,৯৩,০৩৮ ১,৯৪১ ১,৭৭,৫৫০
৫৫ তিউনিশিয়া ১,৯০,৮৮৪ ৫,৯৮৯ ১,৩৭,৪৬০
৫৬ কোস্টারিকা ১,৮৮,৪৭৭ ২,৫০৬ ১,৪৫,৭২৪
৫৭ আয়ারল্যান্ড ১,৮১,৯২২ ২,৮১৮ ২৩,৩৬৪
৫৮ মালয়েশিয়া ১,৭৬,১৮০ ৬৬০ ১,৩২,৭০৬
৫৯ লিথুনিয়া ১,৭৪,৮৪৬ ২,৫৯১ ১,১৪,৯২৫
৬০ কাজাখস্তান ১,৭৩,৮৪২ ২,৪০৩ ১,৫৭,৫৯৭
৬১ আর্মেনিয়া ১,৬৫,৭১১ ৩,০৩০ ১,৫৪,২৫৯
৬২ কুয়েত ১,৫৯,৮৩৪ ৯৫১ ১,৫২,৮২৬
৬৩ মিসর ১,৫৯,৭১৫ ৮,৮০১ ১,২৫,১৭১
৬৪ স্লোভেনিয়া ১,৫৫,৭৪৫ ৩,৩০৯ ১,৩৩,৪২৮
৬৫ মলদোভা ১,৫৫,৩০২ ৩,৩৩২ ১,৪৫,৮৩১
৬৬ ফিলিস্তিন ১,৫৪,৫৫৭ ১,৭৬৯ ১,৪৩,৬১১
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৫২,৩৯৫ ৫,৩৮৯ ১,৩৬,৯৮০
৬৮ গ্রীস ১,৫০,৪৭৯ ৫,৫৭০ ১,৩৮,৭৪৮
৬৯ কাতার ১,৪৮,৫২১ ২৪৮ ১,৪৪,৬১৯
৭০ হন্ডুরাস ১,৩৮,০৪৪ ৩,৪২২ ৬০,৩৯২
৭১ মায়ানমার ১,৩৬,৫৯১ ৩,০৩১ ১,২০,৫৪৩
৭২ ওমান ১,৩২,৪৮৬ ১,৫১৭ ১,২৪,৭৩০
৭৩ ইথিওপিয়া ১,৩২,৩২৬ ২,০৫৭ ১,১৮,০০৬
৭৪ প্যারাগুয়ে ১,২৫,৫১৮ ২,৫৭০ ১,০০,৮৪৮
৭৫ ভেনেজুয়েলা ১,২২,২৬০ ১,১২৯ ১,১৪,২৯৯
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,১৯,৪২০ ৪,৫৫৫ ৯০,৬৯১
৭৭ নাইজেরিয়া ১,১৬,৬৫৫ ১,৪৮৫ ৯৩,৬৪৬
৭৮ লিবিয়া ১,১২,৫৪০ ১,৭৩৭ ৯০,৯৫২
৭৯ আলজেরিয়া ১,০৪,৮৫২ ২,৮৫৩ ৭১,৩৪৩
৮০ কেনিয়া ৯৯,৭৬৯ ১,৭৪০ ৮৩,৩৫০
৮১ বাহরাইন ৯৮,৮৭৮ ৩৬৬ ৯৫,৫৯৪
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৮৯,৮১৭ ২,৭৫৪ ৭৫,৩৮৭
৮৩ চীন ৮৮,৮০৪ ৪,৬৩৫ ৮২,৪৯৫
৮৪ কিরগিজস্তান ৮৩,৭০৩ ১,৪৯৮ ৭৯,৬৬৪
৮৫ উজবেকিস্তান ৭৮,২৭২ ৬২০ ৭৬,৭৫২
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৭৪,২৬২ ১,৩২৮ ৬১,৪১৫
৮৭ আলবেনিয়া ৬৯,৯১৬ ১,২৯৬ ৪২,৪২৬
৮৮ নরওয়ে ৬০,২৫৯ ৫৪৪ ৪৯,৮৩৫
৮৯ লাটভিয়া ৫৯,৫৮৬ ১,০৭৬ ৪৬,৯৮১
৯০ ঘানা ৫৯,৪৮০ ৩৬১ ৫৬,৭০৬
৯১ সিঙ্গাপুর ৫৯,২৫০ ২৯ ৫৮,৯৮৩
৯২ মন্টিনিগ্রো ৫৬,৯৯৮ ৭৬২ ৪৭,৯৭৪
৯৩ শ্রীলংকা ৫৬,৪২২ ২৭৬ ৪৮,৬১৭
৯৪ আফগানিস্তান ৫৪,৫৫৯ ২,৩৭৩ ৪৬,৯১২
৯৫ এল সালভাদর ৫২,৬৭২ ১,৫৪০ ৪৬,৩৭০
৯৬ লুক্সেমবার্গ ৪৯,৩১৯ ৫৬২ ৪৬,৪৯৯
৯৭ জাম্বিয়া ৪৩,৩৩৩ ৬১০ ৩২,৬৬৭
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৪১,৯১৫ ৬৩৮ ৩১,০০০
৯৯ এস্তোনিয়া ৩৯,৭০১ ৩৫৮ ২৯,১৬৭
১০০ উগান্ডা ৩৮,৯৩৫ ৩১৭ ১৩,৬৯৯
১০১ উরুগুয়ে ৩৪,৯৯২ ৩৪৭ ২৬,৯২৭
১০২ নামিবিয়া ৩১,৫১৫ ৩১০ ২৯,২৩০
১০৩ মোজাম্বিক ৩০,৮৪৮ ২৯০ ১৯,৮৫৮
১০৪ জিম্বাবুয়ে ৩০,০৪৭ ৯১৭ ১৯,৫৬৯
১০৫ সাইপ্রাস ২৯,৬৩৬ ১৭৮ ২,০৫৭
১০৬ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৭৫৫ ৯০৯ ২৫,৯৬১
১০৭ ক্যামেরুন ২৮,০১০ ৪৫৫ ২৬,৮৬১
১০৮ সুদান ২৬,২৭৯ ১,৬০৩ ১৫,৬৮৮
১০৯ আইভরি কোস্ট ২৫,৭৫১ ১৪২ ২৪,১১৯
১১০ সেনেগাল ২৪,২০৯ ৫৬১ ২০,০৮৯
১১১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২১,৫৯৭ ৬৪৭ ১৪,৮৭৫
১১২ কিউবা ২০,০৬০ ১৮৮ ১৫,৩১১
১১৩ বতসোয়ানা ১৯,৬৫৪ ১০৫ ১৫,৯১১
১১৪ অ্যাঙ্গোলা ১৯,১৭৭ ৪৪৮ ১৭,১৭৬
১১৫ মাদাগাস্কার ১৮,৩০১ ২৭৩ ১৭,৬০৯
১১৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৭,৮২০ ১২৮ ৪,৮৪২
১১৭ মালটা ১৬,৪২৩ ২৪৮ ১৩,৪৩৫
১১৮ মৌরিতানিয়া ১৬,২৬৬ ৪১০ ১৪,৯৭০
১১৯ মালাউই ১৬,০৪৯ ৩৯৬ ৬,৩১৪
১২০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৫,৪৩১ ৭৬ ৯,৯৯৫
১২১ মালদ্বীপ ১৪,৭৬৫ ৫০ ১৩,৬৮৩
১২২ জ্যামাইকা ১৪,৬৫৮ ৩৩২ ১১,৮৩৩
১২৩ গিনি ১৪,২৬২ ৮১ ১৩,৫৬৬
১২৪ ইসওয়াতিনি ১৪,০১৭ ৪৪১ ৮,৮২২
১২৫ সিরিয়া ১৩,৩৯৮ ৮৬৬ ৬,৮৪২
১২৬ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১২৭ কেপ ভার্দে ১৩,৩০৭ ১২২ ১২,৫১৭
১২৮ থাইল্যান্ড ১৩,১০৪ ৭১ ১০,২২৪
১২৯ রুয়ান্ডা ১২,১৭০ ১৬২ ৭,৯৭৩
১৩০ বেলিজ ১১,৬৭৬ ২৮৯ ১০,৯৬২
১৩১ হাইতি ১১,০৩৫ ২৪৩ ৮,৯৭৯
১৩২ গ্যাবন ১০,১২০ ৬৬ ৯,৮০৯
১৩৩ হংকং ৯,৯২৯ ১৬৮ ৮,৯৪৮
১৩৪ বুর্কিনা ফাঁসো ৯,৭১৯ ১০৬ ৭,৭৪৮
১৩৫ রিইউনিয়ন ৯,৭০১ ৪৫ ৯,২৬১
১৩৬ এনডোরা ৯,৩৭৯ ৯৩ ৮,৪৭৪
১৩৭ গুয়াদেলৌপ ৮,৯৮০ ১৫৪ ২,২৪২
১৩৮ বাহামা ৮,০৮৮ ১৭৫ ৬,৭২০
১৩৯ মালি ৭,৯১১ ৩২০ ৫,৬৬৬
১৪০ সুরিনাম ৭,৮৮০ ১৪৬ ৭,০২৭
১৪১ কঙ্গো ৭,৭৯৪ ১১৭ ৫,৮৪৬
১৪২ লেসোথো ৭,৫৫৫ ১১৩ ১,৯৯৩
১৪৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৪৫০ ১৩৩ ৬,৯৭৪
১৪৪ মায়োত্তে ৭,১৫৮ ৫৮ ২,৯৬৪
১৪৫ গায়ানা ৭,০৬৭ ১৭০ ৬,২৭৭
১৪৬ আরুবা ৬,৬২৩ ৫২ ৬,০১৩
১৪৭ মার্টিনিক ৬,৩২৭ ৪৪ ৯৮
১৪৮ নিকারাগুয়া ৬,২০৪ ১৬৮ ৪,২২৫
১৪৯ আইসল্যান্ড ৫,৯৮১ ২৯ ৫,৮৬৮
১৫০ জিবুতি ৫,৯১৬ ৬১ ৫,৮৩৩
১৫১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,৪০১ ৮৬ ৫,১৯৭
১৫২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯৭৪ ৬৩ ৪,৮৮৫
১৫৩ সোমালিয়া ৪,৭৪৪ ১৩০ ৩,৬৬৬
১৫৪ কিউরাসাও ৪,৫৩৭ ২০ ৪,৪০৮
১৫৫ টোগো ৪,৫০৫ ৭৪ ৩,৯০১
১৫৬ নাইজার ৪,২৬৭ ১৪৭ ৩,৩৫৭
১৫৭ গাম্বিয়া ৩,৯৫৮ ১২৮ ৩,৭০৩
১৫৮ জিব্রাল্টার ৩,৮৮১ ৫৯ ৩,০৩৩
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ৩,৭৮৮ ৬৪ ৩,৫৪২
১৬০ বেনিন ৩,৫৮২ ৪৮ ৩,২৮৪
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩,৪০৭ ৭৮ ৩,১৪৮
১৬২ সিয়েরা লিওন ৩,০৮১ ৭৭ ২,১৪৩
১৬৩ চাদ ৩,০৬৫ ১১৪ ২,১৯৩
১৬৪ সান ম্যারিনো ২,৮৬১ ৬৫ ২,৫৯৭
১৬৫ গিনি বিসাউ ২,৫১০ ৪৫ ২,৪০৫
১৬৬ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৬৭ লিচেনস্টেইন ২,৪৩২ ৫২ ২,৩২২
১৬৮ নিউজিল্যান্ড ২,২৭৬ ২৫ ২,১৭৮
১৬৯ কমোরস ২,০৮২ ৬২ ১,২৬২
১৭০ ইরিত্রিয়া ১,৯১৩ ১,৩০৪
১৭১ লাইবেরিয়া ১,৯১২ ৮৪ ১,৭১৪
১৭২ সিন্ট মার্টেন ১,৭০৮ ২৭ ১,৫৫৪
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ১,৫৯২ ১,০৯৭
১৭৪ ভিয়েতনাম ১,৫৪৮ ৩৫ ১,৪১১
১৭৫ বুরুন্ডি ১,৩৫৮ ৭৭৩
১৭৬ মোনাকো ১,২৮৭ ১,০৫৮
১৭৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১,১৯৩ ৯৫৪
১৭৮ বার্বাডোস ১,১৫৬ ৪৯৩
১৭৯ সেন্ট মার্টিন ১,১৪৬ ১২ ১,০০৬
১৮০ সিসিলি ৯৭২ ৬৮১
১৮১ তাইওয়ান ৮৮১ ৭৭৭
১৮২ ভুটান ৮৫১ ৬৭৯
১৮৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৮৩৫ ৭৯০
১৮৪ সেন্ট লুসিয়া ৭৫৫ ১০ ৪১২
১৮৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৯০ ১২৬
১৮৭ বারমুডা ৬৮৪ ১২ ৬১১
১৮৮ ফারে আইল্যান্ড ৬৫২ ৬৪৪
১৮৯ মরিশাস ৫৫৬ ১০ ৫১৮
১৯০ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯১ কম্বোডিয়া ৪৫৬ ৩৯৯
১৯২ আইল অফ ম্যান ৪৩২ ২৫ ৪৫১
১৯৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৮২ ৩৪৬
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩৬০ ২৪৪
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩০০ ২০৪
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৯২ ১৬২
১৯৭ ব্রুনাই ১৭৫ ১৬৯
১৯৮ গ্রেনাডা ১৩৯ ১২৯
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১১৪ ৯৫
২০০ ডোমিনিকা ১১৩ ১০৪
২০১ ফিজি ৫৫ ৫৩
২০২ পূর্ব তিমুর ৫৩ ৪৯
২০৩ ম্যাকাও ৪৭ ৪৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৪৪ ৪৩
২০৫ লাওস ৪১ ৪১
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৫ ৩৩
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৩৫ ২৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ২৯
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সলোমান আইল্যান্ড ১৭ ১০
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১৬
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৫ ১৫
২১৩ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]