করোনাকালে মা ও প্রান্তিক শিশুর দৈনন্দিন ডায়েরি

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:০০ পিএম, ২০ জুন ২০২০

ফাতেমা বাশার

বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ এর একটি সর্বজনীন ব্যবস্থাপত্র হচ্ছে ব্যক্তিক এবং দলগত পর্যায়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা, শারীরিক ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বজায় রাখা। আমি নিজেও এই আলাদাকরণের পক্ষে; তবে আমার যুক্তি হচ্ছে এই আলাদাকরণে প্রাপ্তবয়স্করা যেমন মানিয়ে চলার চেষ্টা করছে তেমনি করছে শিশুরাও। একই সাথে কোভিড-১৯ পূর্ববর্তী দৈনন্দিন রুটিন মাফিক জীবনের ছন্দপতন ঘটায় মা এবং সন্তান উভয়ই এক ধরনের ট্রমার সাথেও মানিয়ে চলছে। এক সন্তানের মা, জমজ সন্তানের মা, ভিন্ন বয়সী একাধিক সন্তানের মা, বিশেষ যত্ন নিতে হয় এমন সন্তানের মায়ের সন্তান লালন পালনের বাস্তবতা এক নয়। শ্রেণি, ধর্ম, বয়স ভেদে মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা ভিন্ন ভিন্ন। এই অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা হিসেবে সামনে এসেছে সমসাময়িক করোনা সংকট।

এই সংকটকালীন বিশেষ যত্ন নিতে হয় এমন শিশু ও তার পরিবারের বাস্তবতা তুলে ধরার ক্ষেত্রে এক ধরনের মতাদর্শগত নীরবতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এমতাবস্থায়, সাত বছর বয়সী জমজ সন্তান যাদের একজন ‘সুস্থ’ এবং আরেকজনকে বিশেষ যত্ন প্রদান করতে হয় এমন সন্তানদের মা হিসেবে গৃহবন্দি জীবনযাপনের বাস্তবতা তুলে ধরা জরুরি মনে করছি। করোনাকালীন সামাজিক এবং শারীরিক বিচ্ছিন্নতার কারণে মা হিসেবে একজন নারী এবং তার ‘অসুস্থ’ সন্তান বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যে আরও বেশি প্রান্তিক হয়ে ওঠে। মা এবং এই ‘অসুস্থ’ বাচ্চাদের প্রান্তিকতার খবর আমরা কতজন রাখি?

বাংলাদেশে ৮ মার্চে প্রথম কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। তারপর ১৬ মার্চ থেকে স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। আমার দুই বাচ্চা ‘ছুটি’ ও লকডাউনের কারণে ঘরবন্দি। আমাকেও ঘর থেকেই অ্যাকাডেমিক কাজ সামলাতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে গৃহস্থালিতে নারীর কাজ যে কয়েকগুণ বেড়ে গেছে তা নিয়ে বিস্তর লেখালেখি রয়েছে দেশে বিদেশে। এছাড়া নারীর ওপর পারিবারিক সহিংসতাও যে কয়েকগুণ বেড়েছে তার প্রতিবেদন এবং গবেষণাও লক্ষ করছি। তবে একজন চাকরিজীবী নারী তার জমজ সন্তানকে নিয়ে এই লকডাউনে সহায়ক ছাড়া কীভাবে সংগ্রাম করছেন সেই বিষয়ে তেমন আলোচনা দেখি না। কোভিড-১৯ এ ‘সুস্থ’’ ব্যক্তি যেন আক্রান্ত না হয় তাদের কথা মাথায় রেখেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সতর্ক পদক্ষেপের কথা বলে। যেমন- সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, ঘনঘন হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার করা এবং লকডাউনে ঘরে বন্দি থাকা। কিন্তু শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া বাচ্চারা কীভাবে বেঁচে থাকবে সেই সম্পর্কে সরকারি-বেসরকারি উভয় পর্যায়ে নীরবতা লক্ষ করি।

আমার ‘অসুস্থ’ বাচ্চাটি চটপটে এবং ভীষণ হাসিখুশি। জন্মের পর দীর্ঘসময় তাকে ‘শিশু নিবিড় যত্ন কেন্দ্রে’ থাকতে হয়েছিল। অসম্ভব বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কিন্তু শারীরিকভাবে পিছিয়ে থাকা আমার এই সন্তানটি বিশেষ স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে সবে মূলধারার স্কুলে যাওয়া শুরু করেছিল। ওর জন্য প্রতিদিন বাসায় ফিজিওথেরাপিস্ট আসত। ওকে সপ্তাহে তিন-চার দিন বাসার বাইরের পরিবেশে সামাজিক যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হতো। ওর দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড যেমন- হাত-মুখ ধোয়ানো, গোসল করানো, খাবার খাইয়ে দেয়া থেকে শুরু করে জামা কাপড় পরানো প্রতিটি কাজে সরাসরি সহযোগিতা করতে হয়। শুধু তাই নয়, ভীষণভাবে খিচুনি রোগে আক্রান্ত এই শিশুটির জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় ভার্চুয়াল যোগাযোগ একেবারেই নিষিদ্ধ। অথচ তাকেও এই করোনাকালে শারীরিক দূরত্বসহ (শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়দের সাথে) সামাজিক দূরত্ব (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিনোদন কেন্দ্র ইত্যাদি) তৈরি হওয়ায়; শুধু বিনোদনের জন্য নয়, বরং প্রতিদিনকার পড়াশোনা এবং থেরাপি চলমান রাখার জন্য সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করতে হচ্ছে। সেও নিকটাত্মীয়-বন্ধুদের সাথে জুম কিংবা মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করছে।

ধরা যাক, আমার এই সন্তানটির নাম ‘খ’ আর তার ভাইয়ের নাম ‘হ’। আমার সন্তান ‘খ’ এখন সামাজিক বিচ্ছিন্নতায় ভুগছে। সে যেভাবে দুরন্তপনায় ছোটাছুটি করত, এখন তা পারছে না। ‘হ’র জন্য ভার্চুয়াল যোগাযোগ তেমন সমস্যা না হলেও ‘খ’র জন্য তা অস্বাভাবিক হয়ে পড়ছে। স্কুলের জুম কিংবা মেসেঞ্জারকেন্দ্রিক ক্লাস তার জন্য আতঙ্কের এবং নিপীড়নমূলক হয়ে উঠছে। প্রতিটি ক্লাসের জন্য আইডি নম্বর নিয়ে পাসওয়ার্ড দিয়ে ক্লাসে অংশ নেয়া ক্রমেই তাকে অসহিষ্ণু করে তুলছে। ভার্চুয়াল শ্রেণিকক্ষে সে অংশ নিতে চায় না। কৃত্রিম টিফিন অধিবেশন তাকে টানে না। ভার্চুয়াল জন্মদিন বা ক্লাস পার্টিতে প্রক্সি দিতে ল্যাপটপের সামনে সে বসতে আগ্রহী নয়। কিছু একটা স্পর্শ করা, সামনা সামনি দুষ্টুমি করা, সঙ্গীদের সাথে খেলা- এই মিথস্ক্রিয়াতে সে আনন্দ পায়। আমার মতো সচেতন মায়ের পক্ষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব, অন্তত আমার পরিবারকে রক্ষা করার জন্য হলেও। কিন্তু ‘হ’ কিংবা ‘খ’র মতো বাচ্চারা শারীরিক বা সামাজিক দূরত্ব কীভাবে রক্ষা করবে? আমার জানামতে, এ সম্পর্কে সরকার বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোনো পলিসি নেই। এই ধরনের বাচ্চারা সমসাময়িক করোনাকালে ভীষণভাবে উপেক্ষিত।

আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং একজন পিএইচডি গবেষক। আমার স্বামী একজন চাকরিজীবী। করোনাকালে সরকারি সাধারণ ছুটি চলমান সময়ে ঘর থেকে চাকরি সামলানোর কারণে আমার স্বামীর মতো অনেক বাবা-মা শারীরিকভাবে ঘরে থাকলেও মানসিকভাবে সন্তানদের সাথে থাকতে পারে না এই টানাপোড়েন ভীষণ পীড়াদায়ক। আমার ক্ষেত্রে ঘর থেকে পেশায় যুক্ত থাকার একদিনের অভিজ্ঞতা যদি বলি তাতে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৭টায় ঘুম থেকে উঠে ৮টায় আমরা দুজনই ল্যাপটপ খুলে কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিতে থাকি। সেই সাথে দুই বাচ্চাসহ চারজনের সকালের নাস্তা প্রস্তুত করার বিষয়টিও আমাকে মাথায় রাখতে হয়। আর এখন, ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে যুক্ত হয়েছে ঘুম থেকে উঠেই সমস্ত দরজার লক, ইলেকট্রিক সুইচ জীবাণুমুক্ত করা। সকাল ১০টায় বাচ্চারা ঘুম থেকে উঠে গেলে বাস্তবতা ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

বাবা-মা দুজনকে বাসায় দেখে বাচ্চারা খুশি থাকে। কিন্তু বাবা হয়তো খুবই জরুরি মিটিংয়ের জন্য দরজা বন্ধ করে কাজ করছে। গৃহকর্মের পাশাপাশি আমাকেও হয়তো খুবই জরুরি একটি ই-মেইলের উত্তর দিতে হচ্ছে বা পড়তে বসতে হচ্ছে, পাশাপাশি- মা পানি খাব, মা খিদা লেগেছে, মা ভাইয়া খেলে না, মা ভাইয়া আমাকে মারে, মা ব্যাট বল দাও, মা কী করব, বোরিং লাগে... পুরো দিনটা এই মা . . মা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে থাকতে হয়। এভাবে বিকেল-সন্ধ্যা, তারপর রাত। এই প্রক্রিয়ায় বাবা যে একেবারে গৃহস্থালির কাজ করেন না তা নয়, তবে খাদ্য প্রস্তুতকরণ এবং সন্তান লালন পালনের সাথে আমি মা সরাসরি যুক্ত থাকি বিধায় আমার ভূমিকা এখানে মুখ্য থাকে। সেই সাথে বাচ্চারা যেহেতু নতুন অনলাইন ক্লাসে অভ্যস্ত নয়, ফলে দুই বাচ্চার সাথে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তাদের অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করা, প্রতিদিনের হোমওয়ার্কের ছবি তুলে শিক্ষকের কাছে পাঠান, বাচ্চার অনলাইনভিত্তিক ফিজিওথেরাপিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করা, কতক্ষণ ইউটিউবে ভিডিও দেখবে তাও মনিটর করা লাগে। কিন্তু এর ফলে কী ঘটছে?

যেহেতু বাইরে খেলতে যাওয়ার সুযোগ নেই, ফলে বাচ্চারা বাবা-মাকেই খেলার সঙ্গী হিসেবে পেতে চায়। বাবা-মা পর্যাপ্ত সময় না দিলে বাচ্চারা বিরক্ত হতে থাকে, বাবা-মা বাসায় থাকা সত্ত্বেও তারা নিজেদের বিচ্ছিন্ন মনে করতে থাকে। আর বিশেষ যত্ন নেয়া শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও ভয়াবহ। এই করোনাকালে আমার ‘সুস্থ’ বাচ্চাটিই অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে, ‘অসুস্থ’ বাচ্চাটি হয়ে পড়েছে আরও বেশি মেজাজী। প্রাণোচ্ছ্বল শিশুরা হঠাৎ গৃহবন্দি হয়ে যাওয়ায় তারা ভাবে বাবা-মা তাদের কথা শুনছে না। রাগ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ‘অসুস্থ’ বাচ্চাটি বাবা-মাকে কামড় দেয়, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে চিৎকার করে কথা বলে, জিনিসপত্র ছুঁড়ে ফেলে, বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য দরজা ভাঙার চেষ্টা করে।

ছবি আঁকা কিংবা গান করা যাদের ভীষণ প্রিয় যৌথ বিনোদন ছিল, সেখানে দুই ভাই এখন সারাক্ষণ মারামারি করে, একে অপরের পেন্সিল, ইরেজার, ছবি আঁকার সামগ্রী সবকিছু ফেলে দেয়। এই পরিস্থিতিতে ‘অসুস্থ’ বাচ্চাটিকে বেশি সময় দিলে ‘সুস্থ’ বাচ্চাটি মনে করে তাকে পর্যাপ্ত আদর করা হচ্ছে না, তখন আবার তার সাথে তার মতো করে কাউন্সিলিং করতে হয়। অন্যদিকে বাবা-মার ক্ষেত্রে দেখা যায়; বারবার কাজ থেকে উঠলে পরবর্তীতে একই মনোযোগ সহকারে কাজে ফেরত আসা সম্ভব হয় না বিধায় তারাও বিরক্ত থাকে। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক অভিযোগ পর্বের শুরু হয়। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে, বাবা-মা হিসেবে আমরা দুজনও মাঝে মাঝে কাউন্সিলিংয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে থাকি।

নারী গবেষক এবং কর্মজীবী মা হিসেবে আমার বাস্তবতা আরও প্রান্তিক। আগের চেয়ে কাজের চাপ দ্বিগুণ, তিনগুণ, চারগুণ বেড়ে গেছে। একদিকে পুরো গৃহকর্ম সামাল দেয়া অন্যদিকে পিএইচডি কাজের ধীরগতি আমাকে মানসিকভাবে অশান্ত করে রাখে। কোভিড-১৯ সময়কালে নিজ গৃহের শোবার ঘর, রান্নাঘর, বারান্দা, আমার পড়ার টেবিল- খুব বেশি হলে বাড়ির ছাদ হচ্ছে আমার চলাচলের পরিসর। দিন শেষে নিজের ল্যাপটপে জরুরি সময় দেয়ার অবসর খুবই কম। আগে আমার উত্তরদাতাদের সাথে যোগাযোগ বা ফিল্ড পরিদর্শন করতে হতো প্রায়ই। আমার তত্ত্বাবধায়ককে সপ্তাহ অন্তত গবেষণার আপডেট দেয়া বাধ্যতামূলক ছিল। এখনও যে আমি কাজ করছি না তা নয়; তবে আমার দৈনন্দিন জীবন ব্যবস্থাপনায় পড়াশোনার মতো গভীর মনোযোগ দেয়ার বিষয়ে ছন্দপতন হচ্ছে।

কাছের মানুষের সংস্পর্শ আমাদের উজ্জীবিত রাখে। আমার দুটো সন্তানই ভীষণভাবে উৎফুল্ল ছিল ঈদের ছুটিতে খুবই অল্প সময়ের জন্য হলেও নানির সাথে দেখা করতে যেতে পেরে কিংবা চাচাতো ভাইয়ের সাথে কিছুক্ষণ খেলতে পেরে। এই সাত এবং আট বছর বয়সী বাচ্চারা মনে করে যে, এখন তাদের ইচ্ছে করে স্কুলে যেতে দেয়া হয় না; বাবা-মা তাদের কথা ঠিকমতো শোনে না; বাইরে খেলতে যেতে দেয় না; এমনকী রেস্টুরেন্টে খেতেও নিয়ে যায় না। যেহেতু বাবা-মার মতো তাকেও ল্যাপটপে পড়তে বসতে হয়, তাই যতক্ষণ খুশি ল্যাপটপে গেম খেলবে।

দেখবার বিষয় হচ্ছে; স্কুল, শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়স্বজন, থেরাপিস্টের সাথে শারীরিক দূরত্ব তৈরি হওয়ায় শিশুরাও সামাজিক দূরত্বের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পৃথকীকরণ নতুন করে জায়গা করে নিয়েছে ভার্চুয়াল যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা, যা শিশুতোষ স্বাভাবিক উদ্দীপনা বাধাগ্রস্ত করছে। যে ফিজিওথেরাপিতে স্পর্শ, শারীরিক যোগাযোগ মুখ্য থাকে। সেই ফিজিওথেরাপি বদল হয়ে টেলিওথেরাপিতে রূপ নিচ্ছে। ‘মা আন্টির (ফিজিওথেরাপিস্ট) কথা বুঝি না, মিসের (স্কুলের শিক্ষক) কথা বুঝি না- এই বাস্তবতায় আমি এবং আমার ‘সুস্থ’-‘অসুস্থ’ বাচ্চা উভয়ই নতুন এক যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি।

আমি সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থান হতে সুবিধাভোগী শ্রেণি। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী একজন মা হিসেবে আমাকে যদি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দৈনন্দিন জীবনকে যাপন করতে হয় তবে যে মায়েরা সুবিধাভোগী নন তাদের প্রান্তিকতা নিশ্চয়ই আরও বেশি কঠিন। এই সংকট থেকে উত্তরণের যে রাস্তা আমার জানা তা হলো সংগ্রাম করা, সন্তানসহ টিকে থাকা। বৈশ্বিক-স্থানিক কোনো পরিসরে এ প্রসঙ্গে নজর দেয়া হচ্ছে না। এমনকী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পলিসিতেও এই প্রসঙ্গে কোনো দিকনির্দেশনা নেই। কোভিড-১৯ বাস্তবতায় বিষয়টি নিয়ে ভীষণভাবে রাষ্ট্রীয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নীরবতাও বিরাজমান।

করোনা মহামারি সময়কালে পুরো বিশ্ব মৃত্যু ভয়-আতঙ্ক, মানসিক দুশ্চিন্তা, অর্থনৈতিক সংকট তথা নানা চাপে ভুগছে। রোগতত্ত্ববিদরা নারী-পুরুষ ভেদে করোনা আক্রান্ত রোগী আর মৃত্যুর সংখ্যাগত হিসাব-নিকাশ তুলে ধরছেন অন্যদিকে বৈশ্বিক লাভ-ক্ষতির হিসাব-নিকাশ নিয়ে ব্যস্ত অর্থনীতিবিদরা। কিন্তু একজন নারী যিনি কিনা মা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর্মজীবীও বটে- তিনি এবং তার সন্তানরা করোনাকালীন সামাজিক এবং শারীরিক পৃথকীকরণসহ কত ধরনের চাপ নিয়ে দৈনন্দিন সংগ্রাম করছেন তা রয়ে যায় অনুচ্চারিত। সংখ্যার অন্তরালে জীবনযুদ্ধ যে অর্থনৈতিক মূল্যমানের ঊর্ধ্বে তার হিসাব জানতে চাইবে কে?

আমি কোনোভাবেই করোনা প্রতিরোধে অনুসরণীয় পদক্ষেপগুলোর বিরোধী নই। আমার বক্তব্য হচ্ছে, শারীরিকভাবে প্রান্তিক বাচ্চাদের অবস্থা ‘সুস্থ’ বাচ্চাদের চেয়ে ভয়াবহ। এদের যত না মানসিক সহায়তার প্রয়োজন, এই মুহূর্তে সামাজিক সহায়তা দেয়া তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন। কীভাবে এটি করা যাবে- তা অভিভাবক, থেরাপিস্ট, সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং শিশু অধিদফতরকে সম্মিলিত প্রচেষ্টা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। বাচ্চাদের জন্য সঙ্গী, সাথী, স্কুল আর প্রতিবেশীদের সাথে কোনো না কোনোভাবে সরাসরি মিথস্ক্রিয়া করতে হবে। কীভাবে হবে তার পথ বের করতে হবে। তাই আর চুপ থাকা নয়। একজন মা এবং একজন নৃবিজ্ঞানী হিসেবে আজকের এই লেখাটি নীরবতা ভাঙার একটি প্রতিবাদ। ভাবনা ও তদানুযায়ী কাজের শুরুটা হোক- এটাও বা কম কীসে?

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

এইচআর/বিএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১০,০১,৪৭,০৬৮
আক্রান্ত

২১,৪৬,১৩৫
মৃত

৭,২০,৯১,৪৭৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৩২,৪০১ ৮,০৪১ ৪,৭৬,৯৭৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৫৭,৯৬,৫১৫ ৪,৩০,৫২২ ১,৫৫,৩৭,২০২
ভারত ১,০৬,৭৭,৭১০ ১,৫৩,৬২৪ ১,০৩,৪৫,২৬৭
ব্রাজিল ৮৮,৫০,১৩৫ ২,১৭,১৩৩ ৭৬,৫৩,৭৭০
রাশিয়া ৩৭,৩৮,৬৯০ ৬৯,৯১৮ ৩১,৫০,৭৬৩
যুক্তরাজ্য ৩৬,৬৯,৬৫৮ ৯৮,৫৩১ ১৬,৪৮,২১৮
ফ্রান্স ৩০,৫৭,৮৫৭ ৭৩,৪৯৪ ২,১৭,৭০৮
স্পেন ২৬,৯৭,২৯৪ ৫৬,২০৮ ১,৯৬,৯৫৮
ইতালি ২৪,৭৫,৩৭২ ৮৫,৮৮১ ১৮,৯৭,৮৬১
১০ তুরস্ক ২৪,৩৫,২৪৭ ২৫,২১০ ২৩,১৪,৪০৩
১১ জার্মানি ২১,৫৪,৩৬৯ ৫৩,৪০২ ১৮,২৩,৫০০
১২ কলম্বিয়া ২০,১৫,৪৮৫ ৫১,৩৭৪ ১৮,৩২,১৬৮
১৩ আর্জেন্টিনা ১৮,৬৭,২২৩ ৪৬,৮২৭ ১৬,৫৬,১৪৯
১৪ মেক্সিকো ১৭,৬৩,২১৯ ১,৪৯,৬১৪ ১৩,২০,৪৪৮
১৫ পোল্যান্ড ১৪,৭৮,১১৯ ৩৫,৪০১ ১২,৩৭,৭৩৬
১৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪,১৭,৫৩৭ ৪১,১১৭ ১২,৪১,৪২১
১৭ ইরান ১৩,৭৯,২৮৬ ৫৭,৪৮১ ১১,৭১,০৭০
১৮ ইউক্রেন ১১,৯৪,৩২৮ ২১,৯২৪ ৯,৫৩,২৯৭
১৯ পেরু ১০,৯৯,০১৩ ৩৯,৭৭৭ ১০,১২,৪৫০
২০ ইন্দোনেশিয়া ৯,৯৯,২৫৬ ২৮,১৩২ ৮,০৯,৪৮৮
২১ নেদারল্যান্ডস ৯,৫২,৯৫০ ১৩,৫৭৯ ২৫০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,৪০,০০৪ ১৫,৪৫৩ ৮,১৯,৬৬২
২৩ কানাডা ৭,৫০,৬৮৬ ১৯,১৮৬ ৬,৬৮,৮৪৪
২৪ রোমানিয়া ৭,১২,৫৬১ ১৭,৮৪১ ৬,৫৪,৮৭৫
২৫ চিলি ৭,০৩,১৭৮ ১৭,৯৯৯ ৬,৫৮,৩২৪
২৬ বেলজিয়াম ৬,৯৩,৬৬৬ ২০,৭৭৯ ৪৮,১২৬
২৭ পর্তুগাল ৬,৪৩,১১৩ ১০,৭২১ ৪,৬১,৭৫৭
২৮ ইরাক ৬,১৪,৫৭৬ ১৩,০০০ ৫,৮৩,১২৭
২৯ ইসরায়েল ৬,০৫,৩৯৭ ৪,৪৭৮ ৫,২৯,৫৮৬
৩০ সুইডেন ৫,৪৭,১৬৬ ১১,০০৫ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,৩৪,০৪১ ১১,৩১৮ ৪,৮৮,৯০৩
৩২ ফিলিপাইন ৫,১৪,৯৯৬ ১০,২৯২ ৪,৭৫,৬১২
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,১৩,৫৯৯ ৯,০৯৩ ৩,১৭,৬০০
৩৪ মরক্কো ৪,৬৬,৬২৬ ৮,১৭২ ৪,৪৩,৪৭২
৩৫ অস্ট্রিয়া ৪,০৫,৭২৩ ৭,৪৫১ ৩,৮৩,২০০
৩৬ সার্বিয়া ৩,৮৫,১২৬ ৩,৯০৫ ৩১,৫৩৬
৩৭ সৌদি আরব ৩,৬৬,৫৮৪ ৬,৩৫৫ ৩,৫৮,১৩৭
৩৮ জাপান ৩,৬৪,৮১৩ ৫,০৮৪ ২,৯৫,৪২৬
৩৯ হাঙ্গেরি ৩,৬০,৪১৮ ১২,০২৪ ২,৪৩,০৯২
৪০ জর্ডান ৩,২১,২৯৮ ৪,২৩৯ ৩,০৮,৮৮৩
৪১ পানামা ৩,১১,২৪৪ ৫,০৬৩ ২,৫৯,০৯৫
৪২ লেবানন ২,৮২,২৪৯ ২,৩৭৪ ১,৬৮,১৪২
৪৩ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৮১,৫৪৬ ৭৯৮ ২,৫৫,৩০৪
৪৪ নেপাল ২,৬৯,৭৮৯ ২,০১১ ২,৬৪,৫৩৮
৪৫ জর্জিয়া ২,৫৩,৮১৬ ৩,০৭১ ২,৪৩,৩৯৬
৪৬ ইকুয়েডর ২,৪১,৫৬৭ ১৪,৬৩৯ ২,০৪,০৭১
৪৭ বেলারুশ ২,৩৮,৬৩৫ ১,৬৫৮ ২,২৪,১৭১
৪৮ স্লোভাকিয়া ২,৩৭,০২৭ ৪,০৬৮ ১,৯৩,৩৮০
৪৯ ক্রোয়েশিয়া ২,২৯,০৫৪ ৪,৮৫৯ ২,২১,৬৭৬
৫০ আজারবাইজান ২,২৯,০৩২ ৩,০৯৩ ২,২০,৫৬৫
৫১ বুলগেরিয়া ২,১৪,৮১৭ ৮,৮২০ ১,৭৯,০৬৮
৫২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,০৫,১৬২ ২,৫৪৫ ১,৪৮,৯২২
৫৩ বলিভিয়া ২,০১,০৩৭ ৯,৯৮৫ ১,৫০,৪৩৯
৫৪ তিউনিশিয়া ১,৯৮,৬৩৬ ৬,২৮৭ ১,৪৬,৭৪০
৫৫ ডেনমার্ক ১,৯৫,২৯৬ ২,০১০ ১,৮১,০৮১
৫৬ কোস্টারিকা ১,৮৯,৩০৮ ২,৫১৮ ১,৪৬,৪৪৮
৫৭ আয়ারল্যান্ড ১,৮৮,৯২৩ ২,৯৭৭ ২৩,৩৬৪
৫৮ মালয়েশিয়া ১,৮৬,৮৪৯ ৬৮৯ ১,৪৫,০৮৪
৫৯ কাজাখস্তান ১,৭৮,৪৫৪ ২,৪০৩ ১,৬০,৩১৩
৬০ লিথুনিয়া ১,৭৭,১৬৬ ২,৬৬৪ ১,১৯,২৫৪
৬১ আর্মেনিয়া ১,৬৬,০৯৪ ৩,০৪৭ ১,৫৪,৯৩২
৬২ মিসর ১,৬১,৮১৭ ৮,৯৫৯ ১,২৬,৪৯৭
৬৩ কুয়েত ১,৬১,৭৭৭ ৯৫৪ ১,৫৪,৭৬৬
৬৪ স্লোভেনিয়া ১,৫৮,১৩১ ৩,৩৭৯ ১,৩৬,৪০২
৬৫ মলদোভা ১,৫৬,৪২৬ ৩,৩৬৮ ১,৪৭,১৭৮
৬৬ ফিলিস্তিন ১,৫৫,৮৮৪ ১,৭৯৬ ১,৪৫,৬৩৯
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৫৪,৪৩০ ৫,৪৬৯ ১,৩৯,১১৩
৬৮ গ্রীস ১,৫২,৪১২ ৫,৬৭১ ১,৪১,০৪২
৬৯ কাতার ১,৪৯,২৯৬ ২৪৮ ১,৪৪,৯৮১
৭০ হন্ডুরাস ১,৪০,৯২৯ ৩,৪৪৭ ৬০,৪৬৯
৭১ মায়ানমার ১,৩৭,৯৫৭ ৩,০৬৯ ১,২২,১১৬
৭২ ইথিওপিয়া ১,৩৩,৭৬৭ ২,০৬৬ ১,১৯,৪১৬
৭৩ ওমান ১,৩৩,২৫৩ ১,৫২২ ১,২৬,৩৩৪
৭৪ প্যারাগুয়ে ১,২৭,৬৫২ ২,৬১৭ ১,০৩,০৮৩
৭৫ ভেনেজুয়েলা ১,২৩,৭০৯ ১,১৪৮ ১,১৫,৪২৬
৭৬ নাইজেরিয়া ১,২১,৫৬৬ ১,৫০৪ ৯৭,২২৮
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,২০,১৪৩ ৪,৫৯৩ ৯২,৬০৫
৭৮ লিবিয়া ১,১৪,৪২৯ ১,৭৮২ ৯৩,৩৪২
৭৯ আলজেরিয়া ১,০৫,৫৯৬ ২,৮৬৩ ৭১,৯৪৫
৮০ কেনিয়া ১,০০,০৫২ ১,৭৪৪ ৮৩,৪১৮
৮১ বাহরাইন ৯৯,৮১৭ ৩৬৭ ৯৬,৫৩২
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৯০,৭১৭ ২,৭৯১ ৭৮,৭২৭
৮৩ চীন ৮৯,১১৫ ৪,৬৩৫ ৮২,৬৩১
৮৪ কিরগিজস্তান ৮৩,৯৭১ ১,৪৯৮ ৮০,০২৫
৮৫ উজবেকিস্তান ৭৮,৪২৯ ৬২১ ৭৬,৮৬২
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৭৫,৫২১ ১,৩৬০ ৬২,৯৫৬
৮৭ আলবেনিয়া ৭২,৮১২ ১,৩২৪ ৪৪,২৯১
৮৮ ঘানা ৬১,৪৮৯ ৩৬৭ ৫৭,৫৯৭
৮৯ লাটভিয়া ৬১,২৩১ ১,১১৪ ৪৯,০৩৫
৯০ নরওয়ে ৬১,১৪২ ৫৪৮ ৫৩,২৯৯
৯১ সিঙ্গাপুর ৫৯,৩৫২ ২৯ ৫৯,০৬৬
৯২ শ্রীলংকা ৫৯,১৬৭ ২৮৩ ৫০,৩৩৭
৯৩ মন্টিনিগ্রো ৫৮,৬৯৭ ৭৭০ ৫০,২২১
৯৪ আফগানিস্তান ৫৪,৭৫০ ২,৩৮৯ ৪৭,৩৬৫
৯৫ এল সালভাদর ৫৩,২১৮ ১,৫৭২ ৪৬,৮৪৫
৯৬ লুক্সেমবার্গ ৪৯,৭০৪ ৫৬৪ ৪৬,৬৫৬
৯৭ জাম্বিয়া ৪৬,১৪৬ ৬৬০ ৩৮,৬৩৯
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৪২,৭৭২ ৬৫৫ ৩১,০০০
৯৯ এস্তোনিয়া ৪০,৯৭৫ ৩৮৩ ৩০,১২০
১০০ উগান্ডা ৩৯,১৪৯ ৩১৭ ১৩,৮৬১
১০১ উরুগুয়ে ৩৭,৬৩৩ ৩৭৬ ২৯,২৭০
১০২ মোজাম্বিক ৩২,৭৮১ ৩৬৩ ২১,০১১
১০৩ নামিবিয়া ৩২,৬৫০ ৩১৯ ৩০,২৭০
১০৪ জিম্বাবুয়ে ৩১,৩২০ ১,০০৫ ২২,২৫০
১০৫ সাইপ্রাস ৩০,০১৭ ১৮৬ ২,০৫৭
১০৬ ক্যামেরুন ২৯,৬১৭ ৪৬২ ২৮,০৪৫
১০৭ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৭৭৭ ৯০৯ ২৫,৯৯৯
১০৮ আইভরি কোস্ট ২৬,৮৫০ ১৪৬ ২৪,৭৬২
১০৯ সুদান ২৬,৫২৬ ১,৭৩৮ ১৯,৮৮৪
১১০ সেনেগাল ২৪,৯৯৩ ৫৮২ ২০,৬৮১
১১১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২১,৯৫৪ ৬৬১ ১৪,৯১৫
১১২ কিউবা ২১,৮২৮ ১৯৭ ১৭,০৩৪
১১৩ বতসোয়ানা ২০,৬৫৮ ১২৪ ১৬,৭৯৪
১১৪ মালাউই ১৯,৯৮৭ ৫১৮ ৬,৭৮০
১১৫ অ্যাঙ্গোলা ১৯,৩৯৯ ৪৫৯ ১৭,২৬৬
১১৬ মাদাগাস্কার ১৮,৭৪৩ ২৭৯ ১৭,৯৩০
১১৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৭,৮৫২ ১২৮ ৪,৮৪২
১১৮ মালটা ১৬,৮৬১ ২৫৩ ১৩,৯৭৬
১১৯ মৌরিতানিয়া ১৬,৩৯৭ ৪১৬ ১৫,২২১
১২০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৫,৭০২ ৭৬ ৯,৯৯৫
১২১ মালদ্বীপ ১৫,১০২ ৫১ ১৩,৮৮৪
১২২ জ্যামাইকা ১৫,০১২ ৩৩৮ ১১,৮৮৯
১২৩ ইসওয়াতিনি ১৪,৪৮৪ ৪৭৯ ৯,২৪২
১২৪ গিনি ১৪,৩৭৫ ৮১ ১৩,৭৪৬
১২৫ থাইল্যান্ড ১৩,৬৮৭ ৭৫ ১০,৬৬২
১২৬ সিরিয়া ১৩,৬২৮ ৮৮৫ ৭,০৫৬
১২৭ কেপ ভার্দে ১৩,৫৫৭ ১২৭ ১২,৭৫১
১২৮ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১২৯ রুয়ান্ডা ১২,৯৭৫ ১৭৪ ৮,৪২০
১৩০ বেলিজ ১১,৭৫০ ২৯০ ১১,০৭১
১৩১ হাইতি ১১,১৮১ ২৪৩ ৮,৯৮৬
১৩২ গ্যাবন ১০,২৭৮ ৬৭ ৯,৯০২
১৩৩ হংকং ১০,১৫৯ ১৭০ ৯,০৫৬
১৩৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১০,০৩৮ ১১২ ৮,০৮৮
১৩৫ রিইউনিয়ন ৯,৮৪৩ ৪৫ ৯,২৬১
১৩৬ এনডোরা ৯,৫৯৬ ৯৭ ৮,৭২৪
১৩৭ গুয়াদেলৌপ ৮,৯৮০ ১৫৪ ২,২৪২
১৩৮ বাহামা ৮,১০১ ১৭৫ ৬,৭২০
১৩৯ সুরিনাম ৮,০৫৭ ১৪৯ ৭,২৪৬
১৪০ লেসোথো ৮,০৪৪ ১৩৪ ২,২৪৩
১৪১ মালি ৭,৯৮৩ ৩২৩ ৫,৭১৭
১৪২ কঙ্গো ৭,৭৯৪ ১১৭ ৫,৮৪৬
১৪৩ মায়োত্তে ৭,৫৯০ ৫৯ ২,৯৬৪
১৪৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৪৭৩ ১৩৪ ৭,০১৫
১৪৫ গায়ানা ৭,২৯৮ ১৭২ ৬,৩৭০
১৪৬ আরুবা ৬,৭৪২ ৫৭ ৬,২৯৪
১৪৭ মার্টিনিক ৬,৩২৭ ৪৪ ৯৮
১৪৮ নিকারাগুয়া ৬,২০৪ ১৬৮ ৪,২২৫
১৪৯ আইসল্যান্ড ৫,৯৯০ ২৯ ৫,৯০০
১৫০ জিবুতি ৫,৯১৯ ৬১ ৫,৮৩৭
১৫১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,৪৫৪ ৮৬ ৫,২১৯
১৫২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯৮০ ৬৩ ৪,৮৮৫
১৫৩ সোমালিয়া ৪,৭৫৪ ১৩০ ৩,৬৬৬
১৫৪ টোগো ৪,৬৬২ ৭৫ ৩,৯৯৭
১৫৫ কিউরাসাও ৪,৫৪৮ ২০ ৪,৪৩৪
১৫৬ নাইজার ৪,৩৫৩ ১৫১ ৩,৪৬৪
১৫৭ জিব্রাল্টার ৩,৯৯২ ৬৫ ৩,৩৪৯
১৫৮ গাম্বিয়া ৩,৯৭২ ১২৮ ৩,৭০৩
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ৩,৭৮৮ ৬৪ ৩,৫৪২
১৬০ বেনিন ৩,৬৪৩ ৪৮ ৩,৩১৭
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩,৪৮৬ ৭৯ ৩,১৮৬
১৬২ চাদ ৩,১৬১ ১১৬ ২,২৫৫
১৬৩ সিয়েরা লিওন ৩,১৩৯ ৭৭ ২,২১০
১৬৪ সান ম্যারিনো ২,৮৮৯ ৬৫ ২,৬২৮
১৬৫ গিনি বিসাউ ২,৫৩২ ৪৫ ২,৪২১
১৬৬ লিচেনস্টেইন ২,৪৫৪ ৫২ ২,৩২২
১৬৭ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৬৮ নিউজিল্যান্ড ২,২৮৮ ২৫ ২,১৯৯
১৬৯ কমোরস ২,২৬৮ ৭১ ১,৩৪০
১৭০ ইরিত্রিয়া ১,৯৫০ ১,৩৭৮
১৭১ লাইবেরিয়া ১,৯১৪ ৮৪ ১,৭১৪
১৭২ সিন্ট মার্টেন ১,৭৫৩ ২৭ ১,৫৭৪
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ১,৬৪৩ ১,১৬৯
১৭৪ ভিয়েতনাম ১,৫৪৯ ৩৫ ১,৪২৫
১৭৫ বুরুন্ডি ১,৪৭৯ ৭৭৩
১৭৬ বার্বাডোস ১,৪০১ ১০ ৬৪৯
১৭৭ মোনাকো ১,৩৬৮ ১,১৪০
১৭৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১,২৮৭ ৯৯৮
১৭৯ সেন্ট মার্টিন ১,১৪৬ ১২ ১,০০৬
১৮০ সিসিলি ১,০৬৯ ৭৩৮
১৮১ তাইওয়ান ৮৮৯ ৭৮৭
১৮২ সেন্ট লুসিয়া ৮৮৬ ১১ ৪৬১
১৮৩ ভুটান ৮৫৬ ৭৩৪
১৮৪ পাপুয়া নিউ গিনি ৮৩৫ ৭৯০
১৮৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৪৬ ১৪৭
১৮৬ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৭ বারমুডা ৬৮৬ ১২ ৬২৫
১৮৮ ফারে আইল্যান্ড ৬৫২ ৬৪৪
১৮৯ মরিশাস ৫৫৬ ১০ ৫১৮
১৯০ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯১ কম্বোডিয়া ৪৫৮ ৪০৯
১৯২ আইল অফ ম্যান ৪৩২ ২৫ ৪৫১
১৯৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৮৩ ৩৪৬
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩৬০ ২৪৪
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩০০ ২০৪
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৯৮ ১৬৩
১৯৭ ব্রুনাই ১৭৫ ১৬৯
১৯৮ গ্রেনাডা ১৪৭ ১৩৫
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১১৪ ৯৫
২০০ ডোমিনিকা ১১৩ ১০৫
২০১ পূর্ব তিমুর ৬৭ ৫০
২০২ ফিজি ৫৫ ৫৩
২০৩ ম্যাকাও ৪৭ ৪৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৪৪ ৪৩
২০৫ লাওস ৪৪ ৪১
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৫ ৩৩
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৩৫ ২৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ৩০
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সলোমান আইল্যান্ড ১৭ ১০
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১৬
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৫ ১৫
২১৩ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]